কূটনৈতিক মতিনিধি, ওয়াশিংটন
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি রডহাম ক্লিনটন।
আজ একটি শূয়োরের খামার উদ্বোধন কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তারা ক্লিনটন পরিবারের বন্ধু নোবেলজয়ী ড. ইউনূসকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে গ্রামীন ব্যাংক থেকে বের করে দিয়েছে। ড. ইউনূসের ঘাড়ে হাত দেয়াকে নিজের গায়ে হাত দেয়ার মতই গুরুতর অপরাধ বলে মনে করেন হিলারি। তিনি বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ইভ টিজিং এর অভিযোগ আনেন।
হিলারি বলেন, বাংলাদেশে কারাগারের পরিবেশ কয়েদিদের জন্য হুমকির স্বরুপ। সেখানে ক্লিনটন পরিবারের আরও কিছু বন্ধু আছে যাদের যুদ্ধাপরাধী বলে নিয়মিত পুটু মারা হয়।
হিলারি বলেন, নারীর প্রতি বৈষম্য এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতাও অব্যাহত ছিল। উদাহরন স্বরুপ তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে তার জাকুজিওলা বাড়ি থেকে উৎখাত এবং তার দুই শিশু তারেক জিয়া ও কোকো জিয়াকে মেরে পুটু ফাটিয়ে দেয়ার কথা বলেন। ধর্মীয় ও আদিবাসী সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বরাবরের মতো অব্যাহত ছিল বলে হিলারি উল্লেখ করেন। তিনি উদাহরন হিসেবে মাদারফাকার সাকা ও ড. ইউনূসের নাম উল্লেখ করে বলেন, এরা চট্টগ্রামের লোক, আর চট্টগ্রামের লোকেরা সবাই আদিবাসীদের বংশধর। তাই তারা আদিবাসী সংখ্যালঘু।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিনা বিচারে মানুষ মারছে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনি। এদের ইরাক ও আফগানিস্তানে ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ করেও সাড়া পায়নি। এ থেকেই প্রমানিত হয়, বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্ব চায় না। বাংলাদেশের বিচি বেশি পেকে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাত থেকে ইউ এস এস ইউনূস মুক্তি পেলেই মার্কিন সেনারা বাংলাদেশের পুটু মেরে লাল করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।