Archive for March 13th, 2011

March 13, 2011

ইউনূসের পক্ষে মাঠে নামবে চট্টগ্রাম বিএনপি

ঢাকা, মার্চ ১৩ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে মুহাম্মদকে ইউনূসকে অপসারণের সরকারি পদক্ষেপের সমর্থনে চট্টগ্রামে আনন্দমিছিলের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

ইনিচ্চা আঁরার গম ফুয়া: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ বলেছেন, ইউনুসকে কুক্ষিগত করতে চায় বিএনপি। ইউনূসকে অপসারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকার বিএনপির এই ইচ্ছাপূরনের পথ সুগম করে দিচ্ছে বলে তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।। 

জাতীয় প্রেসক্লাবে রোববার এক গোলটেবিল আলোচনায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি খসরু তার জেলায় ইউনূসের পক্ষে আনন্দকর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন। নোবেলজয়ী ইউনূসের বাড়িও চট্টগ্রামে। 

কর্মসূচির মধ্যে ‘বিএনপি ও ইউনুস: দুজনে দুজনার’ নামের প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, প্রতীকী টিনখোলা উৎসব এবং কেড়ে নেওয়া গরু-ছাগল সহযোগে আনন্দমিছিল থাকবে বলে আভাস দেন খসরু। তবে কবে কর্মসূচি পালিত হবে তা বলেননি তিনি। 

পরাধীনতা ফোরাম নামে একটি সংগঠন ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অপসারণে বিএনপির সুযোগ’ শীর্ষক ওই গোলটেবিলের আয়োজন করে। 

এতে মওদুদ, আমীর খসরু ছাড়াও বক্তব্য রাখেন কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা, পরাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতউল্লাহ প্রমুখ।

March 13, 2011

আরব বিশ্ব বাংলাদেশের সাত রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে বসছেন দীপু মনি

Sun, Mar 13th, 2011 10:32 pm BdST

ঢাকা, মার্চ ১৩ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- আরব বিশ্বের সাত দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সোমবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি।

তুরুপের তাস মধ্যপ্রাচ্য: দীপু মনি

ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব মুস্তফা কামাল মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম রোববার এ কথা বলেন।

ওই সাত দেশ হলো- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, কাতার, বাহরাইন ও জর্ডান।

তিনি বলেন, “পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিশর থেকে দেশে ফেরার পথে দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি দেবেন। সেখানেই তাদের সঙ্গে বৈঠক হবে। যেহেতু সব মিলিয়ে আটজন বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন, তাই দুই দলে ভাগ হয়ে কয়েক দান কল ব্রিজ ও টুয়েন্টি নাইন খেলা হতে পারে।”

March 13, 2011

সংসদে ফেরার দিনক্ষণ ঠিক করতে বৈঠক ডেকেছে বিএনপি

Sun, Mar 13th, 2011 2:07 pm BdST

ঢাকা, মার্চ ১৩ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সংসদে ফেরার দিনক্ষণ ঠিক করতে সোমবার দলের সংসদীয় কমিটির সভা ডেকেছে বিএনপি। ওই সভায়ই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

সংসদে বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া দলের সংসদীয় কমিটির বৈঠক ডেকেছেন।

“সংসদের চলতি অধিবেশনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সংসদীয় দলের সভা আহ্বান করা হয়েছে। সেখানেই সংসদে যাওয়ার দিনক্ষণ নির্ধারনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে”, বলেন ফারুক।

ফারুক

সংসদে যোগ দেয়ার সঠিক দিনক্ষণ নির্ধারনের জন্য বিএনপি নিজস্ব চাঁদ দেখা কমিটির সহায়তা নেবে বলে জানান ফারুক। পাশাপাশি মায়ান কেলেন্ডারও খতিয়ে দেখা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, ২০১২ সালে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবার আগেই সংসদে যেতে চায়।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিচের টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে বা অন্য যে কোনো মাধ্যমে জানানোর জন্য বিএনপির চাঁদ দেখা কমিটি অনুরোধ করেছে।

টেলিফোন নম্বর ঃ ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৫১, ৯৫৫৬৪০৭, ৯৫৫৮৩৩৭ এবং ৯৫৫৫৯৪৭।

ফ্যাক্স নম্বর ঃ ০২-৯৫৬৩৩৯৭।

বিরোধী দলের প্রধান হুইপ বলেন, “সংসদ সদস্যপদ রক্ষার জন্য নয়, দেশ ও জাতির সমস্যা তুলে ধরতে আমরা সংসদে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংসদ সদস্যপদের জন্য আমরা লালায়িত নই, তবে সাংসদ হিসেবে বেতন-ভাতা-সুবিধার ব্যাপারে আমাদের কিছু দাবিদাওয়া রয়েছে।”

বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংসদে বিএনপি সদস্যদের দেওয়া মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সুযোগ চাইবে বিরোধী দল।

ফারুক বলেন, “সরকারি দল এসব বিষয়ে আলোচনার সুযোগ দেয় কি না, তা আমরা দেখতে চাই। সংসদের পরিবেশ ঠিক হয়েঝে কি না, তা এতেই প্রমাণ হবে। আর টিফিনের মান উন্নত না হলে আমরা ওয়াক আউট করব।”

গত ২৫ জানুয়ারি বর্তমান সংসদের অষ্টম অধিবেশন শুরু হয়। সর্বশেষ গত বছরের ২ জুন বিএনপি সংসদে যোগ দিয়েছিলো।

সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ফারুক সাবেক বিমানমন্ত্রী মীর নাছিরউদ্দিন ও খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দারের ‘দুর্নীতি’ প্রতিবেদন সংসদীয় কমিটিতে উত্থাপনের নিন্দা জানান। ফারুক বলেন, বিষ্ঠা খায় সব মাছ কিন্তু দোষ পড়ে টাকি মাছের ওপর।

১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিমান মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে অভিযোগ করে তা তদন্তের দাবি জানান ফারুক। তিনি বলেন, আমরা সবাই চুরা। তাই একে অপরকে চুরা ডাকার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মিলেমিশে দেশের উন্নয়ন করতে হবে।

March 13, 2011

তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর ভাল্লাগেনা: আজাদ

Sun, Mar 13th, 2011 6:22 pm BdST

ঢাকা, মার্চ ১৩ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুটু মেরে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ। দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে তা দরকার বলে তার দাবি।

সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন মন্ত্রীও এ পদ্ধতি বাতিলের পক্ষে তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন। অবশ্য বরাবরই এর বিপক্ষে অবস্থান বিরোধী দলের।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বড় কষ্ট, জীবন নষ্ট: আজাদ

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ১/১১ পটপরিবর্তনের পর বহু ব্যবসায়ী দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। দেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়েছে।

“আমি কমপক্ষে ২০ জনের কথা বলতে পারি, যারা ১/১১ পটপরিবর্তনের পর কানাডা কিংবা সিঙ্গাপুরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন”, বলেন তিনি। “এদের কেউ কেউ ফুলপেন্ট পরার সময়ও পাননি, লুঙ্গি পরেই বিমানে উঠে পড়তে হয়েছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এতই খারাপ।”

আজাদ বলেন, “দেশের অর্থনীতিকে পুটুমারার হাত থেকে রক্ষা করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুটু মারার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করা উচিত।”

২০০৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে ব্যবসায়ীদের নেতা আজাদ বলেন, সে সময় বহু ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাকে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক পন্থায় হয়রানি করা হয়েছিলো। তাদের অনেকে পুটুতে সিদ্ধ ডিম দিয়ে উৎকোচ আদায় করা হয়েছিলো।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, “কোনো ব্যবসায়ী যদি কর ফাঁকি দেন তাহলে তার ব্যাংক হিসাব জব্দ করা যেতে পারে। তবে এর জন্য তাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা হতে পারে না। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা হলে খোদার আরশ রিখটার স্কেলে ১১ মাত্রায় কেঁপে ওঠে।”

কর দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরি করার জন্য ব্যবসায়ীদের অবদানের কথা তুলে ধরে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের অর্থ হচ্ছে এইসব তথাকথিত কর-রাজস্ব-শুল্ক প্রভৃতি তুলে দিয়ে ব্যবসায়ীদের স্বচ্ছন্দে মজুদদারি ও মুদ্রাপাচারের সুযোগ সৃষ্টি করা।

আজাদ বলেন, “প্রতিবছর ৩০ লাখ মানুষ চাকরি বাজারে ঢুকছে, অবশ্য আমরা ১০ লাখের চাকরির ব্যবস্থা করতে পারছি। আমরা সবার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সক্ষম। তবে সেজন্য বিনিয়োগে আমাদের স্বাধীনতা দিতে হবে। আমদানির সময় ওভার ইনভয়েসিং আর রপ্তানির সময় আন্ডার ইনভয়েসিঙের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”

দুর্নীতি প্রসঙ্গে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ইউরোপ আমেরিকাতেও দুর্নীতি হয়। বাংলাদেশে দুর্নীতি নিয়ে হইচই করার কিছু নাই।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টিও দুর্নীতির প্রসঙ্গটি টেনে আনেন।

মরিয়ার্টি

তিনি মনে করেন, দুর্নীতি একটি দেশের ব্যবসা ও অর্থনীতিকে গিলে ফেলতে পারে। এ কারণে তার সরকার বাংলাদেশের বড় দুর্নীতিবাজদের বিপদে আপদে এগিয়ে আসে, ভিসা দিয়ে নিরাপদে তাদের দেশ ছেড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হলিডে কাটানোর সুযোগ করে দেয়। তবে তাদের জন্য বিমানে ফুলপেন্টের ব্যবস্থা করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনবিরুদ্ধ বলে তিনি জানান। মরিয়ার্টি বলেন, লুঙ্গি পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নামলে লজ্জার কিছু নেই, বরং তাতে আমাদের সিকিউরিটির ঝামেলা কমে, সহজেই বডি সার্চ, ক্যাভিটি সার্চ ও ডগ স্নিফ টেস্ট চালানো সম্ভব হয়।

ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূত বলেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে হবে। এ লড়াইয়ের জন্য অস্ত্র সরবরাহে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র স্বল্প সুদে ঋণ ও অনুদান দেবে।

“স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা না থাকলে বেসরকারি খাতের ব্যবসা হুমকির মুখে পড়বে, যা ব্যবসা ও অর্থনীতির মধ্যে চিড় ধরাবে”, বলেন তিনি। “তাই আমরা সবসময়ই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার গোড়ায় কোপ মারার পক্ষে।”

মরিয়ার্টি বলেন, “দুর্নীতির ফলে হুমকির মুখে পড়া বেসরকারি খাতে ব্যবসা খরচ বেড়ে যাবে। এতে বিদেশি বিনিয়োগের হার কমবে, বাজার ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং এর ফলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তখন দেশ থেকে গ্যাস ও কয়লা আহরণের ব্যাপারে আমরা মিস্টার এলাহির মাধ্যমে সরকারের ওপর সহজে চাপ প্রয়োগ করতে পারব।”

শুধু বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরাই দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন না, তারাও দুর্নীতিকে মদদ দিচ্ছেন, যোগ করেন তিনি।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, “মাঝে মাঝেই শোনা যায় ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় কর না দিয়ে আনুকূল্য পাওয়ার জন্য ঘুষ লেনদেন করেন। এটা সব দেশেই হয়ে থাকে, তাই লজ্জার কিছু নেই। আপনারা চালিয়ে যান, মে আল্লাহ বি উইদ ইউ।”

%d bloggers like this: