Archive for March 16th, 2011

March 16, 2011

আক্রমণাত্মক বক্তব্যে সংসদে দফায় দফায় হইচই

বিশেষ মতিনিধি | তারিখ: ১৭-০৩-২০১১

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় একাধিক সাংসদের আক্রমণাত্মক ও অশালীন বক্তব্যে গতকাল বুধবার সংসদে দফায় দফায় হাউকাউ হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার আবদুল হামিদকে কিছু বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করতে হয়েছে।

আলোচনায় বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সাংসদ রেহানা আক্তার বলেন, ‘আইন প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে তাঁর চিকিৎসা প্রয়োজন। সরকার বিদেশ থেকে সাংবাদিক ভাড়া করে এনে জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে আষাঢ়ে গল্প বানানোর চেষ্টা করছে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতাদের নিয়ে আর কোনো কটূক্তি করা হলে এক্কেরে পুটু মেরে দেয়া হবে।’

এ সময় সরকারি দলের সাংসদেরা ব্যাপক হইচই শুরু করেন। স্পিকার হাতের ইশারায় তাঁদের চুপ থাকার আহ্বান জানান।

হইচই থামলে রেহানা আক্তার কোমরে শাড়ি পেঁচিয়ে পুনরায় কাইজ্যায় অবতীর্ণ হন। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজি বাদ হয়ে এখন সব টাল হয়ে গেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী সবাই এখন টাল। তিনি বলেন, ‘শেয়ারবাজার বুঝি না—এটা বলে প্রধানমন্ত্রী পার পেয়ে যেতে পারবেন না। শেয়ারবাজারে রব উঠেছে, শেখ হাসিনা বাজিকর, সবাই মিলে তারে ধর।’ জাতীয় পার্টির্রচেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তিনি রাষ্ট্রপতি হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এ সরকার তাঁকে চৌকিদারও করেনি। সেই দুঃখে তিনি হাফপেন্ট পরে গলায় গোলাপি স্কার্ফ বেধে মুন্নি সাহার সাথে ফষ্টিনষ্টি করেন। তেলাচুরাও পাখি আর মুন্নি সাহাও একটা মাইয়া। এরশাদের জন্য বুকটা এখন ফাইট্টা যায়।’ এ সময় আবার হট্টগোল শুরু করেন সরকারি দলের সদস্যরা। তারা বলেন, সংসদে বুক তুলে কথা বলা ঠিক নয়।

রেহানা আক্তারের বক্তব্য শেষে স্পিকার এ বক্তব্য থেকে পুটু মেরে দেওয়া ও এরশাদের সঙ্গে চৌকিদারকে জড়িয়ে দেওয়া অংশটুকু এক্সপাঞ্জ করেন। মুন্নি সাহা বিষয়ক বক্তব্য নিয়ে তিনি আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার আশ্বাস দিলে সংসদকক্ষ শান্ত হয়। তবে রেহানা আক্তারের বুক সংক্রান্ত বক্তব্য লিপিবদ্ধ হয়।

এরপর আলোচনায় সরকারি দলের অপু উকিল তাঁর বক্তব্যে খালেদা জিয়াকে পাগল আখ্যা দেন এবং বিরোধী দলের কর্মকাণ্ডের ব্যাপক সমালোচনা করেন। মুহাম্মদ ইউনূসকে সরকার অসম্মান করছে—খালেদা জিয়ার এ অভিযোগ প্রসঙ্গে অপু উকিল বলেন, ‘আপনার পাপের ভারে ১/১১ এসেছিল। উনি দল করতে চেয়েছিলেন। আপনার দুর্নীতির জন্য উনি আপনাকেই প্রথম আঘাত হেনেছিলেন। আর আজ আপনি তার পুটু বাচাতে মরিয়া।’ খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আপনি বিধবা হয়ে লাল-গোলাপি শাড়ি পরে মিথ্যাচার করেন। আপনি নারী জাতির জন্য কলঙ্ক। বিপাশা বসুও আপনাকে দেখে লজ্জা পায়, জামাকাপড় টেনেটুনে বসে।’

এ বক্তব্যের পর বিরোধীদলীয় সাংসদেরা হইচই শুরু করেন। তাঁদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার খালেদা জিয়াকে পাগল বলার বিষয়টি এক্সপাঞ্জ করেন। বিপাশা বসু সংক্রান্ত বক্তব্য তিনি আরও পরীক্ষা করবেন বলে জানতে চান, বিপাশা বসু কে? তার কোনো ওয়েবসাইট আছে কি?

বিএনপির শেখ সুজাত আলী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বলেন, ‘সংসদে আমাদের নেত্রীর শাড়ির রং নিয়ে কথা উঠেছে। আমাদের নেত্রীকে আল্লাহ নিজ হাতে বানিয়ে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন। বাকি সবাইকে আল্লাহ পাক টেন্ডার দিয়ে তৈরি করিয়েছেন। সম্ভবত সেই টেন্ডার ছাত্রলীগের দখলে গিয়েছিল, তাই আজ দুনিয়ার এই হাল।’

পরে স্পিকার শাড়ি-সংক্রান্ত সব বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সংসদে শাড়ি নিয়ে টানাটানি ভাল নহে।

Tags:
March 16, 2011

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ: মিলনের সাথে জামাতে মিলিত হচ্ছে জামায়াত নেতারা

চাঁদপুর মতিনিধি

কারাগারে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে যৌন নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবী। চাঁদপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে গতকাল এ অভিযোগ করে মিলনের মুক্তি দাবি করেন তিনি। ‘আ ন ম এহছানুল হক পুটু-মারা বন্ধকরণ পরিষদ’ চাঁদপুর জেলা শাখা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

জামাতি সিরিয়াল ধর্ষকদের খুশি করার জন্য দাড়ি রাখতে বাধ্য হলেন মিলন

নাজমুন নাহার বেবী বলেন, মিলনকে শুধু কারাগারে বন্দী করেই রাখা হয়নি, চলছে অমানবিক যৌণ নির্যাতন। জামায়াতের খানকির পোলা কামরুজ্জামান আর সাঈদী রোজ রাতে একাধিকবার মিলনকে নির্যাতন করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তবে মতিউর রহমান নিজামী এই নির্যাতনে কোনো সুযোগ নিচ্ছেন না, কারন দীর্ঘদিন ধরেই তিনি চর্ম ও যৌন রোগে ভুগছেন। বর্তমানে মঘা ইউনানির সালশা মালিশ করেও নিজামীর কোনো কাজ হচ্ছে না।

নিজামির আঙ্গুলকে ভয় পাচ্ছেন মিলন

নাজমুন নাহার বেবী আরো বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে মিলনই একমাত্র ব্যক্তি যিনি একটিভ এবং প্যাসিভ ভাবে পুটু মারায় অংশ নিতে পারেন। বিগত চার দলীয় জোট সরকারের সময় তিনি যুবরাজ তারেক রহমানের খুব কাছের লোক ছিলেন। প্রায় রাতেই তারা হাওয়া ভবনে খাওয়া দাওয়া করতেন এবং দিনের বেলা জনগনকে পুটু মারতেন। পাঁচবছর পুটু মারা ও খাওয়ার পরে তিনি বিশ্রামের জন্য বর্তমানে কারাগারে আছেন, কিন্তু জোটের শরিক দল জামায়াতের লোকজন জামাতে তার পুটু মেরে বিশ্রামের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছেন। তার নিজ দলের সাকা চৌধুরীও মিলনের সঙ্গে মিলনের আকাঙ্খা প্রকাশ করেছেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ সে সুযোগ দিচ্ছে না।

মিলনের মতো এরকম একজন বিরল প্রজাতির পুটুখোরকে সরকারের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করার জন্য সংবাদ সম্মেলনে মিলনের স্ত্রী দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলন শেষে বিএনপি নেতা-কর্মীরা মিলনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও তার নিঃশর্ত পাছা রক্ষার দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বেবী বলেন, মিলনের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ২৩টি মামলা হয়েছে, ২১টিতে জামিন পেয়েছেন। একটি মামলায় জামিন পেতে না পেতেই আরেকটি মিথ্যা মামলা দিয়ে তার মুক্তির পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে ভ্যানিটি ব্যাগ ও মোবাইল ফোন সেট ছিনতাই, মাটি চুরি, ষাটোর্ধ্ব মহিলাকে ধর্ষণ, নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে যেসব মামলা দায়ের করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।

একজন ধর্ষিত ব্যক্তির পক্ষে ষাটোর্ধ কোনো মহিলাকে ধর্ষন সম্ভব নয় বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, অবিলম্বে মিলনকে মুক্তি দিয়ে তার ব্যবসায়িক ও ‘অন্যধরণের’ পার্টনার তারেক রহমানের কাছে সরকারি খরচে পৌঁছে দিতে হবে। মিলনের বিরহে তারেক রহমান সুস্থ হচ্ছেন না।

এর আগে গতকাল রাতে কেক কেটে মিলনের কারাবন্দীর বর্ষপূর্তি পালন করা হয়।

Tags:
March 16, 2011

বাংলাদেশে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই

নিজস্ব মতিবেদক

জাপানের ভূমিকম্প ও সুনামিতে ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ছড়িয়ে পড়া তেজস্ক্রিয়তায় বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিশেষজ্ঞরা।

জাপানের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লির বিস্ফোরণে ছড়িয়ে পড়া তেজস্ক্রিয়তার কারণে বাংলাদেশে এসিড-বৃষ্টি হতে পারে, এ রকম তথ্যসংবলিত একটি বার্তা মুঠোফোনের মাধ্যমে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের নিউক্লিয়ার পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি ডিভিশনের পরিচালক শওকত আকবর গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, জাপানের ওই দুর্ঘটনা থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলেই তিনি স্বপ্নে দেখেছেন।

শওকত আকবর বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমে মূলত মিথেন বিস্ফোরণ ঘটেছে। ওখানে কর্মরত বিজ্ঞানীদের রাতের খাওয়ায় মুলা পরিবেশন করায় এই মিথেন বিস্ফোরন হয়। কেন্দ্রটির নকশা অনুযায়ী, ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি শুরু হওয়ার পরপর রান্নার চুল্লিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু শীতলীকরণ ব্যবস্থা কাজ না করায় বিজ্ঞানীরা উত্তপ্ত হতে থাকেন এবং বায়ুত্যাগ করতে থাকেন। এখন যদি এই চুল্লির পারমাণবিক জ্বালানি গলতে থাকে, তবে মিথেন মেঘের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়তে পারে। সেটাও ইউক্রেনের চেরনোবিল দুর্ঘটনার মতো মারাত্মক হবে না। আর বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়ার কোনো কারণ নেই।

বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সরকার ছাত্রলীগের উচ্চপদস্থ নেতা কর্মীদের তেজস্ক্রিয়তা প্রতিরোধী ছাতা আমদানী করার জন্য এল সি খোলার পরামর্শ দিয়েছে। মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে এক কোটি ছাতা আমদানীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরী ত্রান তহবিল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এদিকে চরমোনাইয়ের পীর সাহেবের দফতর থেকে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক দিন জাপানে পূর্বমুখী বাতাস প্রবাহিত হবে। বাতাসের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়লে তা যাবে প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে। বাংলাদেশ জাপান থেকে পশ্চিম দিকে। তাই কেবলামুখি বাতাসে এ সময় এদিকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা নেই।

রায়পুরে মাইকিং!: গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে মানুষের মধ্যে এসিড-বৃষ্টির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক শ্রেনীর ইভটিজার বোতলে এসিড সংগ্রহের চেষ্টা চালালে পুলিশ বাধা দেয়। শতাধিক বোতল সহ দুজন ইভটিজারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ্টির সময় সাদা কাপড়ে না ভিজে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়ে এলাকায় মাইকিংও করেন।

March 16, 2011

জাপানের অর্থায়নে উড়াল রেল হচ্ছে না!

বুধবার, ১৬ মার্চ ২০১১

জাপানের অর্থায়নে উড়াল রেল নির্মাণের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নই থেকে যাচ্ছে। প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার (১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার) এ প্রকল্পের প্রায় ১১ হাজার ২শ’ কোটি টাকাই জাইকার দেয়ার কথা। কিন্তু ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত হওয়ায় জাপানের কাছ থেকে এ অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ঋণের টাকা কর্তন করার কথা ভাবছে জাপান

যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তরা থেকে পল্লবী হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত উড়াল রেল নির্মাণে জাপান সরকার নিজে থেকেই সহজ শর্তে ঋণ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। জাপানের আগ্রহের কথা জেনে যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে গিয়েছিল। এ সুখবরে যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান বলে আমাদের মতিনিধি জানতে পেরেছেন।

জাইকার ঢাকাস্থ প্রতিনিধিরা এ প্রকল্পের উপর এক সমীক্ষা চালনা করে মোট প্রকল্প ব্যয়ের ২০ শতাংশ নিজেদের পকেটে ভরার শর্তে বাকি ৮০ শতাংশ অর্থায়নে সম্মতি প্রকাশ করে। কিন্তু ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামি জাপানের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করেছে। অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয় গ্রাস করছে জাপানকে।

আবুল

যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিকণ্ঠকে বলেন, ‘এ প্রকল্পে অর্থায়ন করতে জাপানই আগ্রহ প্রকাশ করে। জাপানের প্রতিশ্রুতি পাবার পরপরই আমি আমার মেয়ে রুবাইয়াতের বস্তাপচা ছবি ‘মেহেরজান’ সিনেমায় প্রচুর অর্থ উড়িয়েছি। দর্শকেরা ছবিটি বর্জন করায় আমি ছবিটি থেকে মুনাফা উঠাতে ব্যর্থ হয়েছি। জাপানের কাছ থেকে উড়াল রেলের টাকাটা পাওয়া মাত্রই মেহেরজান ছবিতে উড়ানো টাকা সুদে-আসলে তুলে আনব ভেবেছিলাম।’

জাপান তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে কিনা তা জানতে চাইলে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থায়নের ব্যাপারটি জাপানের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি। জাপান সরকার তা রক্ষা করতে বাধ্য। জাপান সরকার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ঋণ প্রদানে অসম্মতি জানালে টোকিওর রাজপথে গণ-আন্দোলনে নামবে আমাদের ভাড়াটে আন্দোলনকারীরা।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিশ্রুত অর্থ নিয়ে কোনরুপ চুদুরবুদুর চইলতো ন।’

%d bloggers like this: