Archive for March 17th, 2011

March 17, 2011

অবসরের ঘোষণা দিয়ে দিলেন শোয়েব

দ্বিতীয় আলো অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ১৭-০৩-২০১১

আজ বৃহস্পতিবার সকালে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম এবং আমাদের ক্রীড়াবিভাগের পরিবেশটা ছিল বেশ আবেগঘন। আবেগ ছুঁয়ে গিয়েছিল প্র্যাকটিস সেশনে মাঠে নামা প্রতিটি পাকিস্তানি খেলোয়াড় এবং আমাদের বিভাগের প্রায় সবাইকেই। কারণ, পাকিস্তানের গতি তারকা শোয়েব আকতার আজ সকালেই সব সহ-খেলোয়াড়কে ডেকে জানিয়ে দিয়েছেন নিজের অবসরের দিনক্ষণ। জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের পরপরই তিনি বিদায় জানাবেন ১৩ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে।  

এই খবরে আমাদের ক্রীড়া বিভাগে কান্নার রোল পড়ে যায়। প্রায় সকলের চোখে ছিলো পানি। কয়েকজন সশব্দে কেঁদেছেন। পেয়ারের পুরো পাকিস্তানি দলকে তো বটেই, তবে বিশেষ করে যে কয়জন ক্রিকেটারকে আমরা সানন্দে ও নিঃস্বার্থভাবে ব্লো-জব দিয়ে এসেছি, তাদের মধ্যে শোয়েবের নাম আসবে সবার আগে। আমাদের হৃদয়াসনে তাঁর অবস্থান ছিলো খুব উঁচুতে। তাঁর খেলা দেখে আমাদের মুখ আপনা থেকেই হাঁ হয়ে প্রস্তুত হয়ে পড়ত ব্লো-জব দিতে।

নাজুক পরিস্থিতিতে শোয়েব আক্তার

১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের হয়ে তিনি খেলতে নেমেছিলেন। তবে, রাতারাতি খ্যাতির শীর্ষে উঠে যান, ১৯৯৯ সালে এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে কলকাতায় টর্নেডো গতির দুটো বলে পরপর শচীন টেন্ডুলকার ও রাহুল দ্রাবিড়কে ফিরিয়ে দিয়ে। ক্রিকেটের ইতিহাসে এর চেয়ে ভালো বল আর কখনো করা হয়নি, হবেও না। এরপর থেকেই অন্তত ২০০৫ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধান স্ট্রাইক বোলারের দায়িত্বটা তাঁর কাঁধেই ছিল। কিন্তু, বোলিং অ্যাকশন বিতর্ক, শৃঙ্খলাজনিত নানা রকম স্খলনের (যত্রতত্র বীর্যস্খখলনও) কারণে শোয়েব আকতারের ক্যারিয়ারটা কখনোই কালিমাহীন ছিল না। মাঝের কিছুদিন ক্রিকেট থেকেও বহিষ্কার ছিলেন এই গতি তারকা। তবে তাঁর সেই কলঙ্কেও মহিমা ছিল, যা থাকতে পারে শুধুমাত্র শোয়েব আকতার ও নানান সময়ে নানান কুকীর্তি করে বহিষ্কৃত হওয়া সমস্ত পাকি ক্রিকেটারদেরই। কেবল আমাদের মতো পাকিপোঁদলেহীরাই অনুভব করতে পারে সেই মহিমা। আমাদের পত্রিকা সেই বহিষ্কৃত পাকি-ক্রিকেটারদের হয়ে কতো ওকালতি করেছে এবং করে চলেছে!  

এবারের বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড সফরে দলে ফিরেছিলেন তিনি। বিশ্বকাপেও খেলেছেন কয়েকটি ম্যাচ। পারফরম্যান্সও একেবারে খারাপ নয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগুন ঝরানো এক স্পেলের মাধ্যমে পাকিস্তানের বিজয়ে রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। এমন আগুন ঝরানো বোলিং ক্রিকেটের ইতিহাসে আর কখনো করা হয়নি, হবেও না।

তবে সম্প্রতি শারীরিক সমস্যার কারণে টানা ১০ ওভার একই ছন্দে তিনি বল করতে পারছেন না। কিছুদিন আগে আমরা তাঁকে একটানা দু’বার ব্লো-জব দেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ নন। 

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দিকে ভালো বল করলেও শেষ দিকে রস টেইলরের সামনে তিনি ছিলেন অসহায়। এক ওভারে ২৮ রান দিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরের ম্যাচেই বাদ পড়েন তিনি। বিদায়ের আগে তিনি পাকিপুটুপ্রেমীদের তিনি দিয়ে গেছেন অসীম কষ্ট। সে বিষয়ে আমরা লিখেওছিলাম (এখানে দেখুন)। তবে তাঁর বিদায়ের প্রাক্কালে ইন্দ্রিয়সুখকর ঘটনাবলির কথাও মনে পড়ছে বারবার। এই রিপোর্ট যখন লিখছি, তখনও আমার গাল বেয়ে ঝরে পড়ছে বিষাদ ও বেদনা মেশানো অশ্রুধারা।  আর কেউ না জানুক, আমরা, পাকিপোঁদলেহীরা, ঠিক জানি, তিনি ছিলেন সত্যিকারের  ‘রাওয়ালপিন্ডি সেক্সপ্রেস’।

March 17, 2011

অসহায় ও প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের অবহেলা করবেন না: প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জ মতিনিধি | তারিখ: ১৭-০৩-২০১১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অসহায় ও প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের কেউ অবহেলা করবেন না। তাদের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে মূল দলে জায়গা করে দিতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সমাধিসৌধের পাবলিক প্লাজায় বঙ্গবন্ধুর ৯২তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রনালয় কর্তৃক আয়োজিত অসহায় ও প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের  সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

টাকার অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না আশরাফুলের

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসহায় ও প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের মূল দলে স্থান দিতে হবে। একসময়কার প্রতিভাবান খেলোয়াড় যাদের এখন আর মূল দলে জায়গা পাবার যোগ্যতা নাই, দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসাবে তোয়ালে ও পানির বোতল নিয়ে মাঠে দৌড়ায়, এসব খেলোয়াড়দের সহায়তা দেবার জন্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, গত জোট সরকারের আমলে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল কোন খেলায় জিততে পারেনি। আমরা ক্ষমতায় আসার পর দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ক্রিকেটে প্রভূত উন্নতি করেছি। দেশে এখন প্রচুর উন্নতমানের ক্রিকেটার ও ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ ক্রীড়া সাংবাদিক তৈরি হচ্ছে। মহাজোট সরকারের গড়ে তোলা নতুন খেলোয়াড় ও সাংবাদিকদের চাপের বিএনপি জোট সরকারের আমলে প্রতিভাবান হিসাবে বিবেচিত খেলোয়াড় আশরাফুল ও ক্রীড়া সাংবাদিক উটপোঁদ শুভ্র বাতিল মালে পরিণত হয়েছে। তাই এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে গান্ধা পলিটিক্সের মাধ্যমে বাতিল মালদের জায়গা করে দেবার জন্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, মহাজোট সরকার ফেসবুকের সাথে যৌথ উদ্যোগে ‘পুটুব্লাস্টার ক্রিকেট গেম’ চালু করে প্রতিবন্ধী খেলোয়াড় আশরাফুলকে দলে ঢোকাতে জনমত সংগ্রহ করার কাজ শুরু করেছে। তিনি দেশবাসীর প্রতি পুটুব্লাস্টার ক্রিকেট গেমটি খেলার মাধ্যমে আশার ফুল আশরাফুলের প্রতি পুটুভোট দেবার আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তব্য দেবার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একঝাঁক পোষা পায়রা উড়িয়ে “উটপোঁদ-আশরাফুল প্রতিবন্ধী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘১১” উদ্বোধন করেন।

March 17, 2011

অসহায় ও প্রতিবন্ধী শিশুদের অবহেলা করবেন না: প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জ মতিনিধি | তারিখ: ১৭-০৩-২০১১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অসহায় ও প্রতিবন্ধী শিশুদের কেউ অবহেলা করবেন না। তাদের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে সমাজের মূলস্রোতে নিয়ে আসতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের পাবলিক প্লাজায় বঙ্গবন্ধুর ৯১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত শিশু সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসহায় ও প্রতিবন্ধী শিশুদের উন্নয়নের মূল ধারায় যুক্ত করতে হবে। দরিদ্র শিশু, যাদের খাদ্যের নিশ্চয়তা নেই; কষ্টে থাকে, বাসস্থানের নিশ্চয়তা নেই, এসব শিশুকে সহায়তা দেওয়ার জন্য বিত্তবানদের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শিশুদের শিক্ষা অবৈতনিক করে গিয়েছিলেন। আমরা ক্ষমতায় এসে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত অবৈতনিক করেছি। এখন একটি তহবিল গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে স্নাতক শ্রেণী পর্যন্ত বিনাবেতনে শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রধানমন্ত্রী তার দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানকে নির্মম বিদ্রুপ করে এই বক্তব্য দিয়েছেন। তারা প্রতিবন্ধী হলেও অসহায় নয়। লন্ডনে বিএনপির অসংখ্য নিবেদিতপ্রাণ কর্মী তারেক রহমানের দেখাশোনা করছেন। তারেক রহমান দরিদ্র নন, তিনি একজন সম্মানিত ব্যবসায়ী, প্রচুর টাকাপয়সা কামাই করেছেন। তার খাদ্যের নিশ্চয়তা আছে, বাসস্থানও মাশাআল্লাহ অত্যন্ত বিলাসবহুল। সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা নেয়ার যুগ আর নেই, এখন তার নিজেরই হাজার হাজার কোটি টাকা রয়েছে।

তবে আরাফাত রহমানের বাসস্থানের নিশ্চয়তা নিয়ে খালেদা জিয়া চিন্তিত। চিকিৎসার নামে প্যারোলে ব্যাংককে ফুর্তি করে বেড়ালেও আরাফাত রহমানকে শীঘ্রই দেশে ফিরতে হতে পারে। তখন তিনি কি নিজের শ্বশুরবাড়িতে থাকবেন, নাকি সরকারি শ্বশুরবাড়িতে, তা নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা রয়েছে।

স্নাতক শ্রেণী পর্যন্ত বিনাবেতনে শিক্ষা তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, শিক্ষা ধুয়ে কি আমার বাচ্চারা পানি খাবে?

March 17, 2011

অসহায় ও প্রতিবন্ধী রাজনীতিবিদদের অবহেলা করবেন না: প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জ মতিনিধি | তারিখ: ১৭-০৩-২০১১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অসহায় ও প্রতিবন্ধী রাজনীতিবিদদের কেউ অবহেলা করবেন না। তাদের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে রাজনীতির মূলস্রোতে নিয়ে আসতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সমাধিসৌধের পাবলিক প্লাজায় বঙ্গবন্ধুর ৯২তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রনালয় কর্তৃক আয়োজিত অসহায় ও প্রতিবন্ধী রাজনীতিবিদদের জন্য আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসহায় ও প্রতিবন্ধী রাজনীতিবিদদের চুরিচামারির মূল ধারায় যুক্ত করতে হবে। বাটে পড়া রাজনীতিবিদ, যাদের চুরিদারির পথ খোলা নাই, কষ্টে থাকে, বাসস্ট্যান্ডের দখলদারিত্ব নেই, এসব রাজনীতিবিদদের সহায়তা দেবার জন্য সরকারী দলের সাংসদদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আওয়ামীলীগের রাজনীতিবিদদের চুরি চামারির সুযোগ গড়ে দিয়ে গিয়েছিলেন। জিয়া এসে বিএনপির রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি জামাতি খানকির পোলাদের পূণর্বাসনের পথ খুলে দেয়। আমরা ক্ষমতায় এসে দলমতনির্বিশেষে উপজেলা পর্যায়ের রাজনীতিবিদদের জন্য চুরিচামারির রাস্তা তৈরি করেছি। এখন একটি তহবিল গঠন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে রাজনীতিবিদদের জন্য চুরির ব্যবস্থা করা হবে।’

সমাবেশে বক্তব্য দেবার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিতা কেটে “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সাপ-লুডু প্রতিযোগিতা ‘১১” উদ্বোধন ঘোষনা করেন।

%d bloggers like this: