Archive for March 18th, 2011

March 18, 2011

খেলা শেষে ক্রিকেটারদের হোটেলে ফেরার রাস্তা জনশূন্য থাকবে

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ১৮-০৩-২০১১

মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে কাল শনিবার খেলা শেষে ক্রিকেটারদের হোটেলে ফেরার রাস্তা জনশূন্য করা হবে।

আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, কাল বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার খেলা শেষে দর্শকদের নির্ধারিত সময়ে স্টেডিয়াম ও রাস্তা ছেড়ে চলে যেতে হবে। এরপর খেলোয়াড়দের হোটেলে ফেরার ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় স্টেডিয়ামের আশপাশের রাস্তায় কাউকে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। ক্রিকেটাররা যে রাস্তা দিয়ে হোটেলে ফিরবেন, সে রাস্তায় যান চলাচল বন্ধের পাশাপাশি জনশূন্য করা হবে।

কমিশনার বলেন, যদি বাংলাদেশ জিতে যায়, তাহলে ভাল। আর যদি হারে, তাহলে গোটা রাস্তা তাদের কানে ধরে হাঁটিয়ে পুটুতে বেতের বাড়ি মারতে মারতে হোটেলে ফিরিয়ে আনা হবে। এ ঘটনার যাতে কোনো সাক্ষী না থাকে, সেজন্যই রাস্তা জনশূন্য করা হচ্ছে।

কমিশনার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাসে ঢিল মারার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেমন ক্রিকেটার তেমন তার ফ্যান। ঢিল মারতে গিয়ে যারা বাস চিনতে ভুল করে, তাদের রাস্তায় জড়ো হতে দেয়ার কোন অর্থ হয় না। তিনি বলেন, আগামীকাল বাংলাদেশ খেলায় হারলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের উচিত বাংলাদেশে আর খেলতে না আসা। তারা আবার এলে তাদের ইয়াবা চোরাচালান মামলায় ফাঁসিয়ে রিমান্ডে নেয়া হবে। কিমার রোচ ও সুলেমান বেনের জন্য ১ মাস রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে তিনি জানান।

March 18, 2011

অইউরোপীয় পাচকদের ব্রিটেন যাওয়া কঠিন হচ্ছে

লন্ডন মতিনিধি

ঢাকা, মার্চ ১৮ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- নতুন এক সিদ্ধান্তের ফলে শর্ত পূরণ না করতে পারলে ইউরোপের বাইরে থেকে পাচক পেশায় ব্রিটেনে আসার সুযোগ থাকছে না এপ্রিল থেকে।

ব্রিটেনে নম্বর ভিত্তিক অভিবাসন তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শেফ বা কুক (পাচক) পেশা। আগামী এপ্রিল মাস থেকে নতুন এ নীতি কার্যকর হবে।

টিভিতে রান্না করেন শারমিন লাকী

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের এ সিদ্ধান্তে লন্ডনে ভারতীয় খাবারের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় ধস নামার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এসব রেস্টুরেন্টের বেশির ভাগের মালিক লন্ডনের বাঙালিদের একটি বিরাট অংশ।

দীর্ঘদিন ধরেই রেস্টুরেন্টে রন্ধনশালায় কাজ করার লোকের (কিচেন স্টাফ) অভাব রয়েছে লন্ডনে।

কঠিন শর্ত
তালিকা থেকে বাদ পড়লেও অভিবাসন পরামর্শক কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী, বিদেশি পাচকদের জন্য ৫ শতাংশ পদ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, তবে এর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে কড়া শর্ত।

সেই শর্তের মধ্যে রয়েছে- পাচকদের এম এ পরীক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হতে হবে। গায়ের রং ফর্সা ও উচ্চতা কমপক্ষে ৫’১১” হতে হবে। সম্ভ্রান্ত মুসলমান পরিবারের সন্তান হতে হবে। পাচকদের নামাজি হতে হবে।

বেতন-ভাতার ক্ষেত্রে যে শর্ত দেওয়া হয়েছে তা বেশির ভাগ ভারতীয় রেস্টুরেন্ট মালিকের পক্ষে পূরণ করা কষ্ঠসাধ্য হয়ে পড়বে।

নতুন শর্তানুযায়ী, পাচকদের বেতন হতে হবে থাকা খাওয়া ও অন্যান্য খরচ বাদে ন্যূনতম ২৮ হাজার ২৬০ পাউন্ড। ব্রিটেনে ৯৫ শতাংশ ভারতীয় রেস্টুরেন্টের পক্ষে এতো উঁচু হারে বেতন দেওয়ার সামর্থ নেই বলে মনে করছেন এ শিল্প সংশ্লিষ্টরা। তারা এতদিন সস্তায় দেশ থেকে মফিজ সংগ্রহ করে এনে কাজ চালাতেন। এখন আর সে উপায় থাকবে না।

অভিবাসনমন্ত্রী ডেমিয়ান গ্রিন বলেন, শর্টেজ অকুপেশন তালিকায় এ পরিবর্তন হওয়ায় শুধু দক্ষতাসম্পন্নরাই নম্বর ভিত্তিক পদ্ধতিতে টিয়ার টু’র অধীনে ব্রিটেনে আসার সুযোগ পাবে। অর্থনীতির অবস্থা এখন ভালো নয়, ব্রিটিশরা নিজেরাই পুটুমারা খাচ্ছে, কাজেই এখন অভিবাসী তাড়িয়ে নিজেদের কাজ জুটাতে হবে। পাচকের কাজ আগে ব্রিটিশরা করতে চাইত না, কিন্তু এখন তারা প্রয়োজনে গু সাফ করতেও রাজি।

March 18, 2011

নারী নীতি নিয়ে আপত্তির বিষয়ে অপরিষ্কার ইসলামী ঐক্যজোট

ঢাকা, মার্চ ১৮ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- জাতীয় নারী নীতির বিরোধিতা করে হরতাল ডাকা হলেও সুস্পষ্ট কোন বিষয়টিতে তাদের আপত্তি এর কোনো ব্যাখ্যা নেই ইসলামী ঐক্যজোটের কাছে।

দলটির পক্ষ থেকে কখনো বলা হচ্ছে- সম্পদে সমানাধিকারে তাদের আপত্তি, কারণ তাদের প্রায় সকলের পিতাই প্রচুর সংখ্যাক কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। ফলে সম্পদে সমানাধিকার শুরু হলে তাদের মগবাজারের হোটেলগুলোতে পুটু ভাড়া দিয়ে খেতে হবে। আবার কখনো বলছে- নীতিমালার প্রথম লাইন- ‘সকল নারীর সম সুযোগ ও সম অধিকার প্রতিষ্ঠা করা’ কথাটি কোরআন বিরোধী। এ কারণেই তারা এর বিরোধিতা করছে। তাদের ভয়, এই নীতিমালা পাশ হলে চারটি বিবাহ ও বাল্যবিবাহ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

গত ৭ মার্চ মন্ত্রিসভায় জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ অনুমোদিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে ‘উত্তরাধিকার সম্পদে নারীকে পুরুষের সমান অধিকার’ দেওয়া হয়েছে- এমন অভিযোগ তোলে দলটি। একদিন বাদেই প্রতিবাদে-সমাবেশ করে ৪ এপ্রিল হরতালের ডাক দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসলামী ঐক্যজোট নেতা বলেন, তাদের পরিকল্পনা ছিল দুসরা এপ্রিল হরতাল ডাকার। কিন্তু পাকিস্তান ফাইনালে উঠবে ভেবে পরে তা পিছিয়ে চৌঠা এপ্রিল করা হয়।

তবে নারী নীতির কোথাও উত্তরাধিকার সম্পদে নারীকে পুরুষের সমানাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ নেই।

বরং নীতির দ্বিতীয় অংশে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন শীর্ষক ২৫ নম্বর ধারার দুই নম্বর উপধারায় উপার্জন, উত্তরাধিকার, ঋণ, ভূমি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের ক্ষেত্রে নারীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের অধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ নীতি বাস্তবায়িত হলে স্ত্রীর সম্পদ পায়ের ওপর পা তুলে ভোগ করার সুযোগ থাকবে না।

গত ৯ মার্চ মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শিরীন শারমিন চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের সঙ্গে এ নারী নীতি সাংঘর্ষিক না হওয়ার যুক্তি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, “এতে সম্পত্তিতে সমানাধিকার দেওয়া নিয়ে কোনো কথা উল্লেখ করা হয়নি। মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী সম্পত্তি যেভাবে বণ্টন হওয়ার কথা, সেভাবেই হবে। এর সঙ্গে নারী নীতির কোন সংঘর্ষ নেই।”

প্রতিমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের জবাবে ১৬ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবে ফের সংবাদ সম্মেলন করে আপত্তির বিষয়ে একটি ব্যাখ্যা দাঁড় করায় দলটি। তবে এদিনের বক্তব্যে ২৫ নম্বর ধারা নিয়ে তারা কোনো আপত্তিই তুলেনি। অথচ উত্তরাধিকার সম্পদের কথা শুধু এই একটি ধারায়ই উল্লেখ রয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, “মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নারী উন্নয়ন নীতি আমরা আগাগোড়া বারবার পড়েছি। এতে দুটি বিষয় সুস্পষ্ট ও পরিষ্কারভাবে ধরা পড়েছে। একটি হলো- এই নীতিমালার স্পিরিটই কোরআনের স্পষ্ট বিধানগুলোর বিরোধিতা করা। নীতিমালার প্রথম লাইন ‘সকল নারীর সম সুযোগ ও সম অধিকার প্রতিষ্ঠা করা’ কথাটি কোরআন বিরোধী। আমরা যেহেতু আল্লাহ ও রাসূলের এজেন্সি নিয়েছি, তাই এসব ব্যাপারে আমাদেরই ব্যবস্থা নিতে হবে।”

আপত্তির দ্বিতীয় বিষয় হিসেবে বলা হয়, “এটি নারীকে পুরুষ বানানোর তদবির ও কলা-কৌশল মাত্র।” তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নারীদের পুরুষ বানানো হলে তারা সমাজ ও সংসারে সুকঠিন পুটুমারা খেতে পারেন।

ইসলামী ঐক্যজোটের প্রধান ও ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির আমীর মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে বুধবার ফোন করা হলে প্রশ্ন শুনেই প্রেস সচিব ওয়াসেলের কাছে ফোনটি দিয়ে দেন। ওয়াসেল ফোন ধরে বলেন, হেল্লো হেল্লো হেল্লো লাইনটা কেটে গেল ইয়া ঢিঁশিয়া। তারপর তিনি ফোন কেটে দেন। পুনরায় ফোন করে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

March 18, 2011

আড়াইহাজারে পুত্রবধূর কামড়ে শ্বশুরের মৃত্যুর অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ মতিনিধি

আড়াইহাজারে পুত্রবধূর কামড়ে শ্বশুর হযরত আলীর (৭০) মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকালে আড়াইহাজার উপজেলার সদর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন যাবৎ বৃদ্ধ শ্বশুর হযরত আলীর সঙ্গে পুত্রবধূ রিনার মনোমালিন্য চলছিল। এক পর্যায়ে রিনা হযরত আলীকে নিজের ফেসবুক বন্ধু তালিকা থেকে অপসারণ করে। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার হযরত আলী ও রিনার মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে রিনার স্বামী ফারুক তাঁর বাবাকে ফেসবুকে ব্লক করার কারণে রিনাকে মারধর করেন। পরে ছেলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলে রিনা পুনরায় তার শ্বশুরের সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে রিনা শ্বশুর হযরত আলীর হাতে কামড় দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান।

হযরত আলীর লাশ ময়না তদন্তের জন্য নেয়া হয়েছে। স্থানীয় পশু সম্পদ কর্মকর্তা জানান, রিনার মুখে বিষদাঁত আছে কি না তা পরীক্ষা করতে ভারত থেকে সর্প বিশেষজ্ঞ রমুলাস হুইটেকার কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশে আসবেন।

%d bloggers like this: