Archive for March 23rd, 2011

March 23, 2011

এইডস ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের নতুন পদক্ষেপ

বিশেষ মতিবেদক

বাংলাদেশ সরকার এইডস ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে নতুন এক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে। “স্বাবলম্বী হউন, নিজের হাত থাকতে অন্যের দ্বারস্থ হবেন না”- এই শ্লোগান নিয়ে আসছে নিরাপদ যৌনতার নতুন ক্যাম্পেইন।

জানা গেছে প্রতি বছরই দেশের জন্যসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং একই সঙ্গে এইডসের প্রকোপও বাড়ছে। এই সবই ঘটছে অনিরাপদ যৌনাচারের কারনে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আদলে বাংলাদেশেও সেইফ সেক্স বা নিরাপদ যৌনতার নানান ক্যাম্পেইন হয়েছে এর আগে। এতে তেমন সুফল পাওয়া যায় নি- কেননা দেশে ঘনঘন বিদুৎবিভ্রাটের কারনে অন্ধকারে কন্ডোম খুঁজে পেতে জনগনের যথেষ্ট অসুবিধা হয়।

এবার তাই সরকার নতুন শতকের ধ্যানধারনা মাথায় নিয়ে চালু করেছে নতুন ক্যাম্পেইন। এবারের নিরাপদ যৌনতা মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে- “সঙ্গমকে শুধু বল না”। সরকার মানুষজনকে কোন প্রকার যৌনসঙ্গম না করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছে। বিভিন্ন গবেষণাতে দেখা গেছে “নো সেক্স” হচ্ছে সবচেয়ে ঝুঁকিহীন যৌনতা, এতে একাধারে এইডস ও জনসংখ্যা উভয় সমস্যারই সমাধান হবে।

বর্তমান সরকার চাইছেন যে দেশের মানুষ অন্য সব ব্যাপারের মত যৌনতা ব্যাপারেও সাবলম্বী হোক। আল্লাহ আমাদের দুটো হাত দিয়েছেন, আমরা চাইলে এর মাত্র একটি ব্যবহার করেই যৌনতায় পুরো সাবলম্বী হতে পারি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে যে শরিয়া নিয়ম মেনে এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে ধর্মীয় কোন বিধিনিষেধ নেই এতে।

হাতের যত্ন নিন, হাতকে ভালবাসুন

দেশের যুবসমাজের জন্য সরকার ইলেক্ট্রনিক মেইল পদ্ধতিতে ফাইল এটাচমেন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও ক্লিপ পাঠাবে। এটা সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি করার ইচ্ছেরই প্রতিফলন। এটাচমেন্টের মধ্যে সদ্য ইসলামধর্ম গ্রহনকারী নায়িকা আঞ্জুমানারা জলি ও প্যারিস হিলটনের ছবি ও ভিডিও চিত্র থাকবে। বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদরা বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে এই ছবিগুলো গ্রহন করেছেন। দেশের যুবসমাজ টয়লেটে বসে এই ছবিগুলোর যথাযথ ব্যবহার করবে এই আশা করছেন সরকার। এতে সাফল্য পাওয়া গেলে নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। কিছু কিছু নারী এরই মধ্যে “মেহেরজান” চলচ্চিত্রের ক্লিপ দেখে এই একই সুফল পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

আরও জানা গেছে সকল প্রকার যৌনসঙ্গম বন্ধের লক্ষ্যে সরকার নতুন আইন সংসদে আনতে পারে। কিন্তু মহাজোটের অন্যতম শরীক জাতীয় পার্টির নেতা হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ তড়িঘড়ি করে এই আইন পাশ করার বিরোধিতা করছেন। তিনি মনে করেন এই আইন বাকশালের মত আত্মঘাতি হতে পারে।

Tags:
March 23, 2011

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

মতিকণ্ঠে প্রকাশিত একটি সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে মেহেরজান চলচ্চিত্রের পরিচালিকা রুবাইয়াত হোসেন যে প্রতিবাদপত্র আমাদের পাঠিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ অবিকল প্রকাশ করা হচ্ছে।

অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, নেটফোঁড় পত্রিকা মতিকণ্ঠে প্রকাশিত মতিবেদনে আমার পরবর্তী ছবি বিষয়ে কিছু তথ্যবিকৃতি রয়েছে। সেসব ইচ্ছাকৃত কি না, তা আমার জানা নেই, তবে সত্য প্রকাশ করা জরুরি বোধ হলো বিধায় এই প্রতিবাদপত্র রচনায় ব্যাপৃত হলাম।

ছবিটিতে বাংলাদেশী এক তরুণের সঙ্গে এক পাকিস্তানি সৈনিকের সমকামী ভালোবাসার কথা বলা হবে, সেটা সত্য, তবে প্রেস কনফারেন্সে আমি সমকামী প্রেমের যে বৈচিত্র্য তুলে ধরেছিলাম, তা উপেক্ষা করে মতিকণ্ঠ মতিবেদক খুব একপেশেভাবে তুলে ধরে আমাকে সংকীর্ণমনা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।

রিপোর্টে আমার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “পাকিস্তানিদের পশ্চাৎদেশ প্রেমের ব্যাপারটা প্রায় সবাই জানেন। আমি পাকিস্তানিদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মেশার কারণে এই ঘটনাগুলোর সাথে পরিচিত। ওঁরা পশ্চাৎদেশ পেলে নিজের দেশ বা বিদেশের ছেলে বাছবিছার করে না। এই ডাইমেনশনটাও আমি ছবিতে এনেছি।” যে কথাটি এখানে বেমালুম উপেক্ষা করা হয়েছে, তা হলো, আমি পাকিস্তানীদের পশ্চাৎদেশ প্রেমের কথাই শুধু বলিনি, বলেছি মুখকামের কথাও। পাকিস্তানি সৈনিকদেরই শুধু নয়, পুরো পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে মুখকামসেবা দিতেও এখনো ব্যগ্র অসংখ্য বাঙালি তরুণ ও যুবক।

গতকাল স্টেডিয়ামে ও টিভিপর্দার সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তান ক্রিকেট খেলার সময় পাকিস্তানের উচ্ছসিত সমর্থনের সময় তাদের মুখ থেকে থেকেই হাঁ হয়ে যাচ্ছিল কিন্তু ওই মুখকাম সেবাদানের দুর্দমনীয় আকাঙ্ক্ষা থেকেই। আমি আমার ছবির মাধ্যমে এইসব বাঙালি তরুণ ও যুবকদের বঞ্চনা ও ইচ্ছাপূরণ না হওয়ার হতাশার কথা তুলে ধরবো।

মতিকণ্ঠ পত্রিকা যদি এর পরেও আমার বক্তব্য অসম্পূর্ণ বা বিকৃত উপায়ে তুলে ধরার হীন প্রয়াসে নিয়োজিত থাকলে সেটার ফলাফল শুভ হবে না। আমার যোগাযোগ মন্ত্রী পিতার সমস্ত যোগাযোগ ব্যবহার করেও মেহেরজান চালাতে ব্যর্থ হয়েছি বলে আপনাদের পত্রিকা বন্ধ করার উদ্যোগ আমি নিলে সেটিও সফল হবে না, সে দুরাশা করবেন না।

পুনশ্চ: সংবাদপত্রে পূর্বে প্রকাশিত আমার লেখার মতো আমার এই প্রতিবাদপত্র কিন্তু মেহেরজান চলচ্চিত্রে আমার সহ-পরিচালিকার বামপন্থী বিপ্লবী তবে দ্বিতীয় আলো কর্পোরেটে কর্মরত স্বামী হারুক খোয়াসিফ লিখে দেননি।

March 23, 2011

সংসদে জিয়াকে খুনি বলা যাবে না: স্পিকার

ঢাকা, মার্চ ২৩ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- স্পিকার আবদুল হামিদ বলেছেন, কর্নেল তাহেরের বিচারের রায় নিয়ে সংসদে আলোচনার সময় জিয়াউর রহমানকে খুনি বলা যাবে না।

“আদালতের রায়ে জিয়াকে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী বলায় সংসদে বক্তব্য রাখার সময় তাকে খুনি বলা যাবে না।”

মঙ্গলবার সরকার ও বিরোধী দলের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বুধবার এ রুলিং দেন স্পিকার। সংসদে আদালতের রায় অনুযায়ী বক্তব্য রাখার আহ্বান জানান তিনি।

দুইটি দৈনিকে প্রকাশিত রায়ের পর্যালোচনা তুলে ধরে স্পিকার হামিদ বলেন, তথাকথিত এ বিচার ও ফাঁসি দেওয়ার ঘটনা ঠাণ্ডা মাথার হত্যাকাণ্ড। এ বিচার ও হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী জিয়াউর রহমান।

“সংসদে এটাকে খুনি বলা যাবে না। খুনি বলতে চাইলে সংসদের বাইরে গিয়ে বলেন।”

জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনায় বিচারের নামে কর্নেল তাহেরকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছিলো বলে মঙ্গলবার রায় দেয় হাইকোর্ট।

স্পিকারের রুলিংয়ের আগে বিএনপি সাংসদ মাহবুব উদ্দিন খোকন আদালতে বিচারক নিয়োগের সমালোচনা করেন।

কর্নেল তাহের হত্যার রায় দেওয়া বিচারপতির সমালোচনা করে এ বিএনপি সাংসদ বলেন, এই বিচারপতি বাংলাদেশি নাগরিক নন। তার নাগরিকত্ব বিদেশি। এই বিচারপতি এক সময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জাসদের হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে ছিলেন। তারা এক সঙ্গে ভাতের হোটেলে ভাত খেতেন, এক চৌকিতে এক খেতার নিচে নিদ্রা দিতেন। তিনি এ রায় দিয়ে শহীদ জিয়ার পুটু মেরে প্রতিশোধ নিয়েছেন।

মাগরিবের নামাজের বিরতির পর সংসদে ফিরে বিরোধী দলের হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক অভিযোগ করেন, স্পিকারের রুলিং সত্ত্বেও সাংসদ কটূক্তি করে বক্তব্য রেখে যাচ্ছেন।

হাসিখুশি, হাসিখুশি ... ওভস্টাট পরিবার, ওভস্টাট পরিবার

সাংসদদের উদ্দেশ্যে আবদুল হামিদ বলেন, এই সংসদ অত্যন্ত পবিত্র স্থান। এর মর্যাদা রক্ষা করা সবার কর্তব্য। আদালত নিয়ে সংসদ সদস্যরা যে ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে, কটাক্ষ করছেন তাও ঠিক নয়। আপনারা জিয়াউর রহমানকে সংসদে দাঁড়িয়ে খুনি বলতে পারেন না। খুনি বলতে চাইলে সংসদের বাইরে মাঠে ময়দানে গিয়ে খুনি বলেন।

এরপর স্পিকার বলেন, আদালতের রায় অনুযায়ী এটা ঠাণ্ডার মাথার হত্যাকাণ্ড, এটাকে খুনি বলা যাবে না। এটা স্পিকারের রুলিং।

এ সময় বিরোধী দলের সদস্যরা বলেন, এটা সেইম থিং।

স্পিকার বলেন, সেইম থিং না। লাউ আর কদু কি সেইম থিং? ডাব আর নারিকেল কি সেইম থিং? ডিম আর আন্ডা কি সেইম থিং? বিনীতভাবে আপনাদের অনুরোধ করছি, সংসদে খুনি বলবেন না। কষ্ট করে সংসদের বাইরে যান, বাইরে গিয়ে যতখুশি খুনি বলুন।

বিরোধী দলের হুইপ এ সময় স্পিকারের কাছে আহ্বান জানান, সংসদে যেন চোখ-কান খোলা রাখেন।

আবদুল হামিদ বলেন, আমার চোখ-কান ভালো আছে। সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা করিয়ে এসেছি। ডান চোখের চেয়ে বাম চোখে [বিরোধী দলের দিকে] আমি ভালো দেখি। আপনাদের দলের মহিলা সাংসদেরা খুব সুন্দরী। কিন্তু আচার আচরণ অত্যন্ত খারাপ।

Tags:
March 23, 2011

দুর্নীতি প্রসারণ সপ্তাহ পালন করবে দুদক

নিজস্ব মতিবেদক

মন্ত্রীদের সম্পদের বিবরণ জমা দেওয়ার যে ঘোষণা অর্থমন্ত্রী দিয়েছেন, তা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইস্তেহারের বাস্তবায়ন বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী।

তবে দুদক কেবল সন্দেহভাজনদেরই সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, সন্দেহভাজনরা সবসময়ই বিরোধী দলের চুনোপুটি হয়ে থাকে।

মঙ্গলবার দুদক কার্যালয়ে ‘দুর্নীতি প্রসারণ সপ্তাহ-২০১১’ (২৬ মার্চ-১ এপ্রিল) উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। দুর্নীতিবাজদের সামাজিক স্বীকৃতি, এবং নতুন প্রজন্মের ছাত্রনেতাদেরকে সন্ত্রাস বাদ দিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে নীরবে টাকা পয়সা অর্জনে উদ্বুদ্ধ করতে প্রথমবারের মতো এ সপ্তাহ পালন করছে দুদক। এ দুর্নীতি প্রসারণ সপ্তাহের মূল প্রতিপাদ্য হলো- ‘চোরে চোরে মাসতুতো ভাই, সবাই মিলে দেশ খাই।’

সংবাদ সম্মেলনে দুদক সচিব জানান, এরই মধ্যে দুদক প্রতিটি জেলায় দুর্নীতি প্রসারণ সেল গঠন করেছে এবং সাড়ে চার হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ কর্মীদের মাঝে প্রচারণা চালিয়েছে। এখন থেকে প্রতিবছর এ সপ্তাহ পালন করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে দুদক সুচব বলেন, ‘দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলা দায়েরের দায়িত্ব পালন করে দুদক। যেসব চোর বাটপার মন্ত্রী এমপিদের ভাগ না দিয়ে নিজেরাই সব খেয়ে ফেলতে চায়, এসব বদমাশদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান চালানোই দুদকের মূল কাজ।’

বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর অফিসের সংখ্যা ৬৬টি থেকে কমিয়ে বর্তমান কমিশন ২২টিতে নিয়ে আসা সম্পর্কে ফয়জুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দেশ গরীব এ চিন্তা থেকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে বড় স্কেলের দুর্নীতি হয়, এগুলো কেন্দ্রীয় ভাবেই মনিটর করে কমিশন আদায় সম্ভব। হুদাই লোকাল অফিস করে ভাগীদার বাড়ানোর কোনো মানে নেই।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দুদকের কার্যক্রম গ্রাম পর্যায়ে ছড়ানো আছে। এখন শহরের তুলনায় গ্রাম পর্যায়েই দুদকের মামলার সংখ্যা বেশি। কারণ শহরের দুর্নীতিবাজরা আমাদের ভাগ না দিয়ে কিছু করতে পারে না। তাছাড়া তাদের হাতে পত্রিকা আর টিভি চ্যানেল আছে, তাই আমরাই তাদের ভয় পাই। এর চাইতে গ্রামের ছ্যাচড়া চোর বাটপারের উপর নিধিরাম সর্দারি করাটাই দুদকের জন্য সুবিধাজনক।’

নয়ন সুমুখে তুমি নাই, নয়নের মাঝখানে দিয়াছ যে ঠাই

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত সব দুর্নীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনই দুদক আমলে নিয়ে থাকে। কিন্তু টিআইবির মতো প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন আমলে নেওয়া হয় না, কারণ তারা মনে করে সরকারি দলের লোকেরাই দুর্নীতি করে।’ বাংলাদেশে কোনো সরকারি দলের লোক দুর্নীতি করে না বলে তিনি দাবি করেন।

দুদকের মামলা আদালতে খারিজ হওয়া সম্পর্কে তিনি জানান, যে কারোর মামলাই আদালত খারিজ বা স্থগিত করার ক্ষমতা রাখেন। তবে দুদকের ভুল পদেক্ষেপের কারণে এমনটা হচ্ছে না বলে তিনি জানান। তিনি বলেন,’ আমাদেরকে টাকা না দিলে আমাদের উকিলরা মামলা ছেড়ে দেয় না। এখানে ফেলো কড়ি মাখো তেল পদ্ধতি, বাকির কোনো কারবার আমরা করি না।’

উল্লেখ্য দুর্নীতি প্রসারণ সপ্তাহের কর্মসূচির মধ্যে আছে-তারেক রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়ার মাধ্যমে দুর্নীতি প্রসারের শপথ গ্রহণ, পোস্টার প্রদর্শনী, মানববন্ধন, সেমিনার, বেতার-টেলিভিশনে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান প্রচার, মোবাইলে এসএমএস পাঠানো ইত্যাদি আজাইরা কাজ। দুদকের হাতে মাছিমারা ছাড়া তেমন কোনো কাজ না থাকায় এসব পাড়ার ক্লাব মহল্লার কাজগুলোই তাদের করতে হচ্ছে বলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে জানিয়েছেন।

%d bloggers like this: