Archive for March 24th, 2011

March 24, 2011

‘টেন্ডারবাজি কী- তাই আমরা বুঝতাম না’

ঢাকা, মার্চ ২৩ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে সংগঠনটির সাবেক এক নেতা বলেছেন, তাদের সময়ে টেন্ডারবাজি কী- তাই তারা বুঝতেন না। এখন ছাত্রলীগের পাতি-নেতা প্রায় বিনা শ্রমে মাসে যত টাকা উপার্জন করে, সাবেক ডাকসাইটে নেতারা তা বছরের পর বছর নিরলস পরিশ্রম করেও আয় করতে পারেননি বলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। তাদের যুগে টেন্ডারবাজির সুযোগ না থাকায় তারা যতো বঞ্চনার শিকার হয়েছেন, তিনি তার ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

২৩ মার্চ ‘জাতীয় পতাকা দিবস’ উপলক্ষে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাক্তণ ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবদুর রউফ এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, “টেন্ডারবাজি কী- তাই আমরা বুঝতাম না। এখনকার নেতাকর্মীরা টেন্ডাবাজিতে জড়িয়ে পড়ছে। তাদের মধ্যে অবক্ষয় নেমে এসেছে। দুঃখের বিষয় এই যে, আমাদের সময়ে আমাদের মধ্যে এমন অবক্ষয় নেমে আসার সুযোগ দেয়া হয়নি।” 

 তাই অনুষ্ঠানে বক্তারা অতীতের ছাত্রলীগ এবং তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নেতাদের টেন্ডারবাজি করতে না পারার ক্ষতিপূরণ ও সার্বিক মূল্যায়নের জন্য শেখ হাসিনার কাছে দাবি জানান।

March 24, 2011

সমকামী প্রিন্সের মাকে সান্ত্বনা জানালেন খালেদা জিয়া

বিশেষ মতিবেদক

সৌদি আরব সফরে গিয়ে আজ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া খুনের দায়ে লন্ডনে সাজাপ্রাপ্ত সৌদি যুবরাজ আব্দুল আজিজ বিন নাসের আল সাউদের মা প্রিন্সেস মালিকার সাথে সাক্ষাত করেন।

পার্টনারের সাথে সমকামী সৌদি প্রিন্স

গত বছরের ২০ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের একটি আদালত যুবরাজ আব্দুল আজিজ বিন নাসের আল সাউদকে ভৃত্য ও সমকামী পার্টনার বান্দর আব্দুল আজিজ হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন।

খালেদা জিয়া শোকসন্তপ্ত প্রিন্সেস মালিকাকে সান্ত্বনা জানিয়ে বলেন, তাঁর একটি ছেলেও লন্ডনে পালিয়ে বসবাস করছে। তিনি প্রিন্সেস মালিকার দুঃখ বোঝেন। এহছানুল হক মিলনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনার পুত্র ও আমার পুত্রের মধ্যে অনেক মিল।

পার্টনারের সাথে তারেক জিয়া

খালেদা জিয়া বলেন, পার্থক্য শুধু একটাই। আপনার পুত্র লন্ডনে গিয়ে পুটু মারামারি করতে গিয়ে পুটুমারা খেয়েছে, আর আমার পুত্রটি দেশে পুটুমারা খেয়ে লন্ডনে পালিয়ে গেছে।

March 24, 2011

খুনিকে খুনি বলিয়ো না

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ২৪-০৩-২০১১

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সরকার দলীয়দের কটূক্তি বন্ধ না হলে সমুচিত জবাব দেবে বিএনপি। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপির নেতারা এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তাঁরা বলেন, আমাদেরকে ছোটবেলায় শেখানো হয়েছে, কানাকে কানা বলিয়ো না, খোঁড়াকে খোঁড়া বলিয়ো না, খুনিকে খুনি বলিয়ো না। অথচ এই শিষ্টাচার উপেক্ষা করে খুনি হলেই কাউকে খুনি বলার অশুভ প্রবণতা আমাদের রোধ করতে হবে। 

হাইকোর্টের রায়ে কর্নেল তাহেরের ফাঁসির জন্য জিয়াকে দায়ী করা এবং সংসদে জিয়াউর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে রাজধানীসহ সারা দেশে বিএনপি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

প্রেসক্লাবের সামনের সড়ক আটকে সমাবেশ করায় এ এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

সাধারণ মানুষকে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। রাস্তা আটকে প্রায় তিন ঘণ্টা সমাবেশ করায় সড়কের দুই পাশে গাড়ির সারি লম্বা হয়ে যায়। ঢাকার বাইরে রাজশাহী, সিলেট ও মেহেরপুরে অনুরূপ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

March 24, 2011

দেশে এখন ‘সংবিধান নেই’ কথাটি ঠিক নয়

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ২৪—০৩—২০১১

আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ বলেছেন, সুপ্রীম কোর্টের রায়ের আলোকে যে সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেটিই দেশের বর্তমান সংবিধান। বিরোধী দলের করা ‘সংবিধান নেই’ দাবিটি সঠিক নয়। রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এ কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্ট চলছে বলে দাবি করেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। ইতিপূর্বে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ দেশে কোন সংবিধান নেই বলে সংসদে সরকারের সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দেশে কোন সংবিধান নেই কারণ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সৌদি আরবে যাবার সময় সংবিধান সাথে করে নিয়ে গেছেন।

মওদুদ আহমদ এর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র পাতিমন্ত্রী শামসুল হক বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সৌদি আরব যাবার সময় যে সংবিধান সাথে করে নিয়ে গেছেন তা আসল সংবিধান নয়। সুতারাং ‘দেশে সংবিধান নেই’ দাবিটি সঠিক নয়। দেশের জনগণকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। সংবিধান দেশেই আছে।’

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান তার বক্তৃতায় বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সৌদি আরব যাবার সময় ভুল সংবিধান সরবরাহ করে তার মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। বক্তৃতায় তিনি জরুরি ভিত্তিতে সংবিধান সরবরাহকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন জানান। জবাবে শামসুল হক বলেন, ‘যারা ভুল করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, তদন্ত হচ্ছে। এই কাজের জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে।’

%d bloggers like this: