Archive for March 25th, 2011

March 25, 2011

অভিযানের নেতৃত্ব নয়, ন্যাটো কার্যকর করবে নো ফ্লাই জোন

মতিকণ্ঠ ডেস্ক | তারিখ: ২৬-০৩-২০১১

লিবিয়ায় নো ফ্লাই জোন আরোপের দায়িত্ব নিচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বের সামরিক জোট ন্যাটো। তবে তারা লিবিয়ায় অভিযানের সার্বিক নেতৃত্ব নিতে রাজি নয়।

জাতিসংঘ প্রস্তাব অনুযায়ী লিবিয়ায় নো ফ্লাই জোন কার্যকর করার দায়িত্ব নিতে বৃহস্পতিবার রাতে রাজি হয়েছে ন্যাটো।

ফ্লাই মানে মাছি

ন্যাটোর মহাসচিব অ্যান্দ্রেস ফগ রাসমুসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ন্যাটো সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয়। নো ফ্লাই জোন আরোপের দায়িত্বও সদস্য ২৮টি দেশের সম্মতিতে নেওয়া হয়েছে।’

রাসমুসেন জানান, লিবিয়ায় যুদ্ধে ন্যাটো জোটের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হচ্ছে মাছি। বড় বড় মাছি এসে সৈনিকদের ওপর হামলা করতে পারে এবং তাদের পুটুতে হুল ফুটিয়ে দিতে পারে। এ কারণে সবার আগে একটি এলাকা থেকে মাছি নিশ্চিহ্ন করে সেখানে আস্তানা গাড়তে হবে অভিযান পরিচালনাকারী দেশের সৈন্যদের। এই মাছিমুক্ত এলাকা বা নো ফ্লাই জোন কার্যকর করার দায়িত্বই ন্যাটোর ওপর এসে পড়েছে।

রাসমুসেন জানান, এই কাজের জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মাছিমারা কেরানী নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তারা উল্টো লিবিয়া থেকে বাংলাদেশীদের সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে।

মাছিমুক্ত এলাকা বা নো ফ্লাই জোনের জন্য প্রচুর মোরগ মার্কা মশার কয়েল নিয়ে একটি মার্কিন রণতরী লিবিয়া অভিমুখে রওনা দিয়েছে।

ন্যাটোর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন।

ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র বলেছেন, লিবিয়ায় ইতিমধ্যে কার্যকর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি সেখানে নো ফ্লাই জোন কার্যকর করার দায়িত্ব নিতে ন্যাটোর সম্মতি একটি বড় অগ্রগতি।

ন্যাটোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নো ফ্লাই জোন আরোপের দায়িত্বের পাশাপাশি সামরিক অভিযানের সার্বিক দায়িত্ব ন্যাটো নেবে কি না, সে বিষয়ে কাল রোববার একটি সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে এত মাছি মারার পর সামরিক অভিযান পরিচালনার জোশ তাদের আর থাকবে কি না, এ বিষয়ে এখনও আলোচনা হয়নি।

March 25, 2011

ড. ইউনূসের সম্মানে মার্কিন রণতরীর নাম রাখা হচ্ছে

কূটনৈতিক মতিবেদক, ওয়াশিংটন ডিসি

ভূমধ্যসাগরে ইউ এস এস ইউনূস

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সম্মানে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউ এস এস এন্টারপ্রাইজের নাম পরিবর্তন করে ইউ এস এস ইউনূস রাখার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার।

আজ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী হিলারি রডহাম ক্লিনটন এই ঘোষণা দেন।

হিলারি ক্লিনটন বলেন, ড. ইউনূস সারা পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার এক অভূতপূর্ব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও শান্তিতে বিশ্বাসী। সারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী ইউ এস এস এন্টারপ্রাইজের ভূমিকা ইউনূসের মতই কার্যকর। তাই এই নোবেলজয়ী গুণী ব্যক্তির গুণের যথাযথ মর্যাদা দেয়ার জন্য ইউ এস এস এন্টারপ্রাইজের নাম পরিবর্তন করে ইউ এস এস ইউনূস রাখা হয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ড. ইউনূস পুরাতন জাহাজের নাম বদলে তার নামে রাখায় খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তিনি নতুন একটি রণতরী নির্মাণ করে সেটি তার নামে কমিশন করার অনুরোধ জানালেও বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা পরবর্তী যুগে এ ধরনের ব্যয়বহুল প্রকল্প গ্রহণ করতে মার্কিন কংগ্রেস সম্মত হয়নি। ড. ইউনূস গ্রামীন ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ প্রকল্পে ক্ষুদ্র ঋণের আশ্বাস দিলেও তা কংগ্রেসে কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা বন্ধু চির কাল

এ নিয়ে আদালতে যাবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ইউনূসের মুখপাত্র জানান, এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। কামাল হোসেনের সাথে পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন ড. ইউনূস।

March 25, 2011

বখাটে ধর্ষণ

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ২৫-০৩-২০১১

রাজধানীর মহাখালীর কড়াইলে গত বুধবার রাতে এক বখাটে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুলশান থানা জানায়, বখাটে রানা কড়াইল বস্তিতে বসবাস করে। স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী (১২) রানাকে জোর করে ধরে নিয়ে গিয়ে স্কুলের একটি ক্লাসরুমে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে। রানা বাসায় ফিরে ঘটনাটি জানায়। পরে তার নানী ধর্ষক ছাত্রীর বাসায় গিয়ে এর প্রতিবাদ করলে ধর্ষক ছাত্রী ও তার মা বখাটে রানার নানীর মাথা ফাটিয়ে দেয়। গুলশান থানার উপপরিদর্শক রমজান আলী মতিকণ্ঠকে জানান, বখাটে রানার মা বাদী হয়ে মেয়েটিকে আসামি করে মামলা করেছেন। পুলিশ মেয়েটির মাকে আটক করেছে। ধর্ষক মেয়েটিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছেন, দেশের আইন শৃঙ্খলার প্রভূত উন্নতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিরোধীদলের লোকজন মেয়েটিকে বখাটে রানার উপর লেলিয়ে দিয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অবিলম্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

March 25, 2011

মার্কিন নৌবহরকে বাঙালি ভয় পায় না

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ২৫—০৩—২০১১

আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিক্সন ১৯৭১ সালে বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ নস্যাত করতে পাকিস্তানী খানকির পোলাদের সাহায্যে সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু বাঙালি ভয়ে ঘরে ঢুকে যায়নি; রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। বর্তমান জমানায় ড. ইউনূস ইস্যুতে আবারও মার্কিন নৌবহর আসবে বলে লিখছে মতিকণ্ঠ পত্রিকা। আমরাও বলে রাখছি, বাঙালি রক্ত দিয়ে যেমন স্বাধীনতা এনেছে, তেমনি প্রয়োজন হলে রক্ত দিয়েই স্বাধীনতা রক্ষা করবে। মার্কিন নৌবহরকে বাঙালি ভয় পায় না।’

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে গতকাল বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সৈয়দ আশরাফ এ কথা বলেন। আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন দেশ লুটে খাও (দেলুখা) এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মার্কিন বৈমানিকদের হামলার স্থান দেখিয়ে দিচ্ছেন ড. ইউনূস

সৈয়দ আশরাফ মুক্তিযুদ্ধকালীন সংকটের কথা বলতে গিয়ে আরো বলেন, ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তুলেছিল। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতের জোরালো ভূমিকার কারণে তারা সফল হয়নি। সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতের সে সময়ের ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ তাদের শ্রদ্ধা করে। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তার কথা মনে রেখে যাবতীয় পুটুমারা সহ্য করে যাবার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য গত ২১ মার্চ ২০১১ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্র সচিব রবার্ট ও ব্লেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করে তিন দিনের ভেতর ইউনূস ও গ্রামীন ব্যাংকের বিষয়টির একটি সম্মানজনক সমাধানে পৌঁছাতে না পারলে বিমান হামলার হুমকি দেন। তার হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার তড়িঘড়ি করে ঝামেলা মিটিয়ে ফেলার উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২৪ মার্চ তারিখের ভেতর ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক বিষয়ে সরকার একটি সম্মানজনক সমাধানে আসার চেষ্টা করলেও সেটি সম্ভবপর হয়নি। শেষ খবর অনুযায়ী ২৫ মার্চ সকালে ৭২টি যুদ্ধবিমান বোঝাই একটি মার্কিন রণতরী বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে।

%d bloggers like this: