Archive for March 27th, 2011

March 27, 2011

কালকিনিতে নির্মাণাধীন সেতু ভেঙে পড়েছে

মাদারীপুর মতিনিধি | তারিখ: ২৭-০৩-২০১১

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বনগ্রাম এলাকায় খালের ওপর নির্মাণাধীন একটি সেতু গত ২৩ মার্চ ভেঙে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বনগ্রামের শরীফবাড়ির সামনের খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুটি ভেঙে পড়েছে। সেতুটি খালের দুই পাড় ও মাঝখানে ভেঙেছে। ভাঙা সেতুর নিচে এখনো সেন্টারিংয়ের বাঁশ ও কাঠ রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এডিপির অর্থায়নে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মীর নাসির উদ্দিন ১৫ ফেব্রুয়ারি সেতুটি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। গত ১১ মার্চ সেতুর ঢালাই কাজ করা হয়। এর দুই-তিন দিনের মাথায় সেতুর দুই পাড়ে সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট করা হয়। ২৩ মার্চ দুপুরে সেতুটি ভেঙে পড়ে। সেতু নির্মাণকাজে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

এ ব্যাপারে ঠিকাদার গোপালপুর ইউপির চেয়ারম্যান মীর নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সবকিছু কি সবসময় দাঁড়িয়ে থাকতে পারে রে কাকা? জিনিস দাঁড় করাতে গেলে টাকা খরচ করতে হয়। মজবুত লৌহদন্ডের মত শক্ত সেতু চাইলে পয়সা খরচ করতে হবে। কিপটামি করলে সেতু খাড়া হবে না, বাঁশ কাঠ দিয়ে তাকে খাড়া করাতে হবে। আর বাঁশ দিলে বাঁশ খেতে হয়, এটাই দুনিয়ার রীতি রে কাকা। সরকারকে বলেন ভালমত টাকা দিতে, ঠাঠানো সেতু খাড়া করিয়ে দিব।’

সাক্ষাৎকারের সময় মীর নাসির উদ্দিন হূমায়ূন আজাদ রচিত “সব কিছু ভেঙে পড়ে” উপন্যাসটি পাঠ করছিলেন।

March 27, 2011

এবার বুর্জ খলিফায়

মতিকণ্ঠ ডেস্ক, তারিখ: ২৭-০৩-২০১১

প্যারিসের আইফেল টাওয়ার এবং অস্ট্রেলিয়ার সিডনি অপেরা হাউসের দেয়াল বেয়ে ওঠার পর ফ্রান্সের স্পাইডারম্যান-খ্যাত আলা রোবের চোখ পড়েছে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন বুর্জ খলিফার দিকে। কাল সোমবার তিনি দুবাইয়ে অবস্থিত ২৭১৭ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট ওই আকাশচুম্বী ভবনে উঠবেন।

আরব জাহানের যৌনঅবদমনের প্রতীক

চলতি বছরের জানুয়ারিতে আলা রোবে (৪৮) ওই ভবনে ওঠার আকাঙ্ক্ষার কথা জানান। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, শুধু উচ্চতম ভবন বলেই তাঁকে তা আকর্ষণ করে, তা নয়। ভবনটির প্রতি তাঁর সহানুভূতি-মিশ্রিত শ্রদ্ধবোধও আছে। কারণ তিনি মনে করেন, ভবনটি সম্পূর্ণ আরব জাহানের অবিবাহিত পুরুষদের সম্মিলিত যৌনঅবদমনের প্রতীক এবং  সে কারণেই এতো উঁচু। তাদের সকলের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করতে তিনি এই ভবনে আরোহণ করবেন।

তিনি বলেন, এখানকার যৌনবিঞ্চত নারী-পুরুষেরা সব সময় ‘হট’ হয়ে থাকে বলে দুবাইয়ের আবহাওয়াও গরম। এই ভবন বেয়ে ওঠার ক্ষেত্রে এটাই বড় সমস্যা হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এএফপি।

March 27, 2011

মরক্কোয় পাত্রপাত্রী খোঁজার সাইট জনপ্রিয় হচ্ছে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক [একটা পায়া ভাঙ্গা]| তারিখ: ২৭-০৩-২০১১

উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোয় ছেলেমেয়েদের বিয়ে হয় সাধারণত পারিবারিকভাবে। বাবা-মা ও অভিভাবকেরাই ছেলেমেয়েদের বিয়ে ঠিক করে থাকেন। কিন্তু ইন্টারনেটের দৌরাত্ম্যে বিয়ের বিষয়টা এখন আর বাবা-মায়ের হাতে থাকছে না। তরুণ-তরুণীরা ইন্টারনেটে খুঁজে নিচ্ছে জীবনসঙ্গীকে। বিয়েসংক্রান্ত একটি ওয়েবসাইট তাদের এ সুযোগ করে দিচ্ছে। ওয়েবসাইটটির ঠিকানা (www.soukzouaj.ma)।

মরক্কোর অভিভাবক সমাজে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ফেসবুকের একটি গ্রুপে মরক্কোর জনৈক পিতা এই ওয়েবসাইটটির বিরুদ্ধে জেহাদের ডাক দিয়েছেন। আবু সাদ্দাম নামের এই ভদ্রলোক অভিযোগ করেছেন, তিনি তার পুত্র আল্লারাখার বিবাহ উপলক্ষে বিপুল পরিমাণ যৌতুক আশা করছিলেন। কিন্তু আল্লারাখা এই কুফরি ওয়েবসাইটে ঢুকে একটি বখাটে মেয়ের ছবি দেখে দিওয়ানা হয়ে পালিয়ে বিয়ে করেছে। এতে তিনি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

অপরদিকে মরক্কোর যুবতীরা মনে করছে, এ ধরনের একটি ওয়েবসাইট তাদের স্বাধীনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। উম্মে ফাতিমা নামের এক তরুণী বলেন, তিনি স্বামী হিসেবে লম্বা ডান্ডুওয়ালা পুরুষ কামনা করেন। কিন্তু পারিবারিক বিবাহে পাত্রের ডান্ডু সম্পর্কে নিশ্চিত হবার কোনো সুযোগ থাকে না। এই ওয়েবসাইটে পাত্রীরা নিজের পরিচয় গোপন রেখে ওয়েবকেমে পাত্রের ডান্ডুর আকার আকৃতি সচোক্ষে দেখে যাচাই করে নিতে পারেন।

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগাযোগের পর পালিয়ে বিয়ে করা যুবক আল্লারাখা জানিয়েছে, ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করার জন্য একটি একাউন্ট আর একটি ওয়েবকেম থাকলেই যথেষ্ট। পাত্রীরা ডান্ডু দেখতে চাইলে ওয়েবকেমটি অন করে আলখাল্লা তুলে ডান্ডু দেখিয়ে দেয়ার দুয়েকদিনের মধ্যেই বিবাহ করা সম্ভব। — এএফপি অবলম্বনে বকেয়া রহমান

March 27, 2011

খাগড়াছড়িতে বিএনপির এক পক্ষের মিছিলে অপর পক্ষের হামলা

খাগড়াছড়ি মতিনিধি | তারিখ: ২৭-০৩-২০১১

খাগড়াছড়ি শহরে গতকাল শনিবার বিএনপির এক পক্ষের মিছিলে অপর পক্ষের হামলায় ১২ জন আহত হয়েছে। হামলার জন্য এক পক্ষ অপর পক্ষকে দোষারোপ করেছে। উভয় পক্ষই প্রতিপক্ষের জননীর সাথে মিলনের আকাংক্ষা ব্যক্ত করেছে।

উল্লেখ্য, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি দুই পক্ষে বিভক্ত। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সমীরণ দেওয়ান। অন্য পক্ষের নেতৃত্বে সাবেক সাংসদ আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে মিছিলসহ ফেরার পথে বিএনপির এক পক্ষের নেতা-কর্মীদের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় শাপলা চত্বর এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে অবস্থানরত ওয়াদুদ ভূঁইয়ার পক্ষের লোকজন। এতে ১২ জন নেতা-কর্মী আহত হন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরে পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। উল্লেখ্য, জেলা বিএনপির কার্যালয়টি ওয়াদুদ ভূঁইয়ার পক্ষের লোকজন নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে খাগড়াছড়ির জনৈক বাসিন্দা জানান, খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি অত্যন্ত দুর্বল। তাদের পুটু মেরে মজা নেই। তাই বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেরাই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পরস্পরের সাথে পুটু মারামারি করেন। এতে পুটু মারার চর্চাও হয়, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরও ঝি-কে মেরে বৌকে শেখানোর মত শিক্ষা দেয়া যায়।

খাগড়াছড়ির সহকারী পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। করলেও কোন লাভ হত না। এখন লীগ সরকার ক্ষমতায়, বিএনপির লোকেরা নিজেরা পুটু মারামারি করলেই কি আর না করলেই কি। তবে লীগের কারও গায়ে বিএনপির কেউ হাত তুললে তাকে গ্রেপ্তার করে পুটু মেরে দেয়া হবে, লিখিত অভিযোগের জন্য অপেক্ষা করে পুলিশ বসে থাকবে না।

%d bloggers like this: