Archive for April 1st, 2011

April 1, 2011

অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর দায়ে বাগমারায় শিক্ষকসহ দুজনের অর্থদণ্ড

বাগমারা (রাজশাহী) মতিনিধি | তারিখ: ০১-০৪-২০১১

মুঠোফোনের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আজ শুক্রবার রাজশাহীর বাগমারায় এক স্কুলশিক্ষকসহ দুজনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ জানান, দুর্গাপুর উপজেলার পুরান তাহেরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও পুরান তাহেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লিটন আলী দীর্ঘদিন ধরে বাগমারার মোহনগঞ্জ বাজারের একটি কম্পিউটারের দোকানে অশ্লীল ছবি ও ভিডিওচিত্র রেখে তা মুঠোফোনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ বাগমারার মোহনগঞ্জ বাজারে অভিযান চালিয়ে কম্পিউটারে অশ্লীল ছবি ও ভিডিওচিত্রসহ শিক্ষক লিটন ও তাঁর সহযোগী জাকের আলীকে কম্পিউটারসহ আটক করে।

আজ দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আবু হোরায়রা ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁদের দুজনকে আট হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।

জেরার মুখে স্কুলশিক্ষক লিটন আলী আক্ষেপ করে বলেন, স্কুলে সব বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হলেও যৌনশিক্ষার ব্যবস্থা নেই। আমি নিজ উদ্যোগে এবং বিনামূল্যে সেই শূন্যস্থান পূরণ করার চেষ্টা করে আসছি দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু এ যুগে নিঃস্বার্থ কাজের মূল্য কেউ দেয় না।

April 1, 2011

জব্দকৃত মদের বোতল ফেরত চান মওদুদ

বিশেষ মতিবেদক

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে জব্দকৃত ২৫ বোতল বিদেশী মদ ফেরত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। গতকাল রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের কাছে এই নেতা তার প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন।

“সরকার ১/১১ এর সময়ে আমার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত এই মামলাটা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমি মদের বোতলগুলো এখনো ফেরত পাই নি। এটা অবশ্যই একটি বাকশালী ষড়যন্ত্র।”

ফিরিয়ে দাও আমার এ মদ তুমি এভাবে কেড়ে নিও না

“আমাদের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে এই বোতলগুলোর প্রভাব প্রচুর। আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি, যেমন হরতাল, বিক্ষোভ সমাবেশ- এগুলোর আগে নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করে তোলে এই নিরীহ এই কয়েকটা বোতল। এই কারণেই বারবারই শাসকগোষ্ঠির কোপানলে পড়ছে এগুলো”।

বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করে কেন বিএনপি নেতারা বিদেশী মদ পান করেন? এই প্রশ্নের জবাব ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন “এই প্রশ্নের সম্মুখীন আমরা আগেও হয়েছি, সত্য বলতে এটা যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত একটা প্রশ্ন। আসলে কারণটা হচ্ছে স্বাস্থ্যগত। আমাদের সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশী জাতীয়তবাদী চেতনাতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশি বোতলই সেবন করতেন। কিন্তু আপনারা জানেন যে ওনার পরিণতিটা সুবিধার হয় নি। তাছাড়া জীবদ্দশাতেও এই বোতলের প্রভাবেই ওনার পায়জামার ফিতা খুলে গিয়েছিল। আমি নিজে বিদেশী বোতল সেবন করি এবং সেই সঙ্গে স্যুট-কোট পরি। সুতরাং বেসামাল হয়ে পায়জামার ফিতা খোলার সম্ভবনা একদম নেই। আমরা নেতা-কর্মীদেরও বিদেশী বোতলের সুফলগুলো বোঝানোর চেষ্টা করছি”।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে হাইকোর্টের রুলিং যাই হোক না কেন- মদের বোতল ফেরৎ পাওয়ার সম্ভবনা ক্ষীণ। বোতলগুলোর পানীয় ব্রিগেডিয়ার বারী ও জেনারেল মঈন ১/১১ এর সময়ই সেবন করে ফেলেছেন। বিএনপি আশংকা করছে যে বোতল ফেরৎ পেলেও তাতে আসল “মালের” বদলে “বাংলা মাল” থাকার সম্ভবনা প্রচুর। বাকশালী এই সরকার থেকে তাঁরা এই আশাও করেন না।

April 1, 2011

এ সরকার ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন সম্ভব নয় : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব মতিবেদক

বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মহাজোট সরকার যত দিন ক্ষমতায় থাকবে, তত দিন বিএনপির অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১৯৭৪ সালে দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল; কিন্তু দেশের মানুষকে বোকা বানানো হয়েছিল। তারা দুবেলা দুমুঠো খেতে পেয়ে আর বুঝতে পারে নি যে দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে। তখন ফেসবুক ছিল না, তাই মানুষ আন্দোলন গড়ে তুলতে পারে নি। এবার কী হচ্ছে, তা আর বুঝতে বাকি নেই। এখন চলছে লাগাম ছাড়া দুর্ভিক্ষ। আমাদের এমপিরা কোন বিজনেসে বখরা পাচ্ছে না, তাদের জেল জরিমানা জ্বালাও পোড়াও করা হচ্ছে। সৌদি আরবে আমাদের ভাইস চেয়ারমেনের কোটি কোটি ডলার আটকা পড়ে আছে। ওয়ান গ্রুপের ব্যবসা লাটে উঠেছে। সরকারি প্রকল্প থেকে কমিশন আদায়ের উপায় নেই। কোকো লঞ্চ আওয়ামী লঞ্চের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। ফালু ভাইয়ার বাগানবাড়ির হরিণ আজ কোথায়? বিএনপির অর্থনীতি আজ স্থবির হয়ে পড়েছে। কিন্তু সময় হলেই আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে বিএনপির মানুষ। মহাজোট সরকারের বিরুদ্ধে এমন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে যে আন্দোলনের ভয়ে সরকার নিজের পদে মলত্যাগ করে সেই পদ ছেড়ে মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়।’

%d bloggers like this: