Archive for April 5th, 2011

April 5, 2011

আমিনীর ডাকা হরতালে পিকেটিং করল শিশুরা

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ০৫-০৪-২০১১

নারী উন্নয়ন নীতির বিরোধিতা করে গতকাল সোমবার ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির নামে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের ডাকা হরতালের সময় রাজধানী ঢাকায় বিচ্ছিন্ন কিছু সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জনজীবনে হরতালের তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের সংঘর্ষ হয়েছে। অনেক জায়গায় মাদ্রাসার ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের এক হাতে কোরআন শরিফ এবং অন্য হতে লাঠি ধরিয়ে দিয়ে পিকেটিং করান শিক্ষকরা।

রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকেই দেখা গেছে এসব শিশু পিকেটারকে। বিশেষ করে ঢাকা মহানগরীর লালবাগ, পুরানাপল্টন, মোহাম্মদপুর, মিরপুর গোলচত্বর, কামরাঙ্গীরচর, শান্তিনগরে আল্লামা-রসুল মাদ্রাসার শতাধিক ছাত্র লাটিসোঁটা নিয়ে মিছিল বের করে। কর্তব্যরত এক পুলিশ কর্মকর্তা মতিকণ্ঠকে জানান, পবিত্র কোরআন বুকে থাকায় ও বয়সে অনেক ছোট হওয়ায় অল্প বয়সী পিকেটারদের তেমন কিছু বলাও যাচ্ছে না। বলতে গেলে উল্টো এই শিশুরা সাহস পেয়ে পুলিশের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগ করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। পুলিশ কর্মকর্তা প্রশ্ন করেন, ‘কেন শিশুদের রাজনীতির স্বার্থে মাঠে নামানো হবে?’

ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা-কর্মী

এ প্রসঙ্গে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির আমির মুফতি ফজলুল হক আমিনী মতিকণ্ঠকে বলেন, ‘শিশুরা মাঠে নামেনি। এটা অবান্তর ও অপপ্রচার। পুলিশ যাদের গ্রেপ্তার করেছে তাদের কেউ শিশু নয়। পুলিশ চাইলে তাদের পেন্টুল খুলে পরীক্ষা করে দেখতে পারে গ্রেপ্তারকৃতদের পুটুতে গুপ্তকেশ গজিয়েছে কিনা।’

নিজে হরতালের দিন ঘরে বসে থেকে শিশুদের দিয়ে সহিংস আন্দোলন করানোর বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কী তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমনে আমাত্তে বেশি বুজেন?’

April 5, 2011

বিল্ডিং সোশাল বিজনেসের কপি নিয়ে পথে নামবেন ইউনূস

বিশেষ মতিবেদক

কুরআন ও লাঠি হাতে ইসলামী ঐক্যজোট নেতা মুফতি আমিনীর হরতালের সাফল্যে অভিভূত হয়ে অচিরেই আন্দোলনে নামবেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. ইউনূস। তার লেখা সর্বশেষ বই “বিল্ডিং সোশাল বিজনেস” এর কপি হাতে গ্রামীন ব্যাংকের গ্রাহকদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিস অভিমুখে লংমার্চ করবেন তিনি।

ইউনূস এক একান্ত সাক্ষাতকারে এই মতিবেদককে বলেন, মুফতি আমিনীর সাফল্যে তিনি অভিভূত। কচি শিশুদের এক হাতে কুরআন আর অন্য হাতে লাঠি ধরিয়ে দিয়ে তিনি জালিম বাকশালী সরকারের বিরুদ্ধে সফল হরতাল করেছেন। তার এই উদাহরন থেকে অনুপ্রানিত হয়ে ইউনূসও এক হাতে কিতাব ও অন্য হাতে কাষ্ঠ নিয়ে রাজপথে নামার উদ্যোগ নিয়েছেন।

আর দাবায়ে রাখতে পারবা না

গ্রামীন ব্যাংকের প্রায় ৮৩ লক্ষ গ্রাহক রয়েছে। এদের অধিকাংশই গ্রামীন নারী। ইউনূস জানান, এদের সবাইকে রাজধানী অভিমুখে লং মার্চের আহ্বান জানাবেন। এদের প্রত্যেককে “বিল্ডিং সোশাল বিজনেস”-এর একটি কপি এবং একটি গজারির লাঠি কেনার জন্য ক্ষুদ্র ঋণ দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

ড. ইউনূস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বহুত শান্তি হয়েছে। আর নয়। গ্রামীন ব্যাংকের এমডির গদি লই চুদুরবুদুর ছইলত ন।

ফ্রেন্ডস অব গ্রামীনের সঙ্গে পরামর্শ করে এই আন্দোলনের তারিখ ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রবীন এই অর্থনীতিবিদ।

April 5, 2011

রাজশাহীতে হরতাল সমর্থকদের ছাত্রলীগের ধাওয়া

নিজস্ব মতিবেদক, রাজশাহী | তারিখ: ০৪-০৪-২০১১

অনেক অনেক দিন পর ছাত্রলীগ অন্তত একটি প্রশংসাযোগ্য কাজ করেছে।

ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির নেতা-কর্মীরা আজ সোমবার সকাল সাতটায় রাজশাহী নগরের লক্ষ্মীপুরে মিছিল বের করলে ছাত্রলীগ তাদের ধাওয়া করে।

হরতালকারীদের দাবি, সকালে হরতালের সমর্থনে নগরের গনকপাড়া এলাকা থেকে মিছিল বের করা হয়। বেলা সোয়া ১১টার দিকে মিছিলটি লক্ষ্মীপুর মোড় এলাকায় পৌঁছালে ছাত্রলীগের কর্মীরা তাদের ধাওয়া দেয়। ফলে নিজেদের পুটুর ইজ্জত রক্ষা করতে তারা দু’হাত দিয়ে পশ্চাদ্দেশ ঢেকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করতে বাধ্য হয়।

তাঁরা আরো অভিযোগ করে বলেন, “সাধারণত আমাদের শক্ত ও উত্থিত ঈমানের কারণে বাকি সবাই সন্ত্রস্ত থাকে। কিন্তু আজ ছাত্রলীগের কর্মীদেরকে দেখে আমাদের মনে হয়েছে, তারা সকলেই ভায়াগ্রা সেবনোত্তর প্রতিক্রিয়ামত্ত ছিলো। তাই ইজ্জত রক্ষাটাই তখন ছিলো সবচেয়ে জরুরি। কিন্তু আল্লাহপাক যেহেতু আমাদের পক্ষে আছেন, তাই আমাদের পুটু এখনও পাক ও অক্ষত। তারা আমাদের একটি যৌনকেশও উৎপাটন করতে পারেনি এবং পারবেও না ইনশাল্লা।”

%d bloggers like this: