Archive for April 6th, 2011

April 6, 2011

ভাঁড়সাম্য রক্ষায় হুদাকে আবার দলে নেয়া হয়েছে: ফখরুল

বিশেষ মতিবেদক

বুধবার রাতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুনরায় দলে স্থান পেলেন ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা।

খন্দকার দেলোয়ারের মৃত্যুর পর শূন্যস্থান পূরণের দায়িত্ব পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পাশাপাশি নাজমুল হুদাকে দেখে শুনে রাখার দায়িত্বও তার ওপর অর্পিত হয়েছে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, হুদাকে বেয়াদবির কারনে বহিষ্কারের পর থেকেই বিএনপিতে বিরাট এক ভাঁড় শূন্যতা অনুভুত হয়। খন্দকার দেলোয়ারের মৃত্যুর পর এই ভাঁড় শূন্যতা আরও বিপুল আকার ধারন করে। তাই হুদাকে ফিরিয়ে এনে এই ভাঁড়সাম্য রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

স্থায়ী কমিটির রায় নিয়ে এখনই কোন প্রতিক্রিয়া জানাতে চান না হুদা

মির্জা ফখরুল ক্ষোভের সাথে জানান, তাকে পাকাপাকি মহাসচিব না করে নাজমুল হুদার গার্জেন হিসেবে মহাসচিব বানান হয়েছে। স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্যরা তাকে ভাঁড়প্রাপ্ত মহাসচিব ডেকে টিটকারি মারছেন। আজ সকালেই নজরুল ইসলাম তাকে ফোন করে বলেছেন, কি গো ভাঁড়প্রাপ্ত মহাসচিব্যা, আছছ কেমুন?

মির্জা ফখরুল বলেছেন, নাজমুল হুদা জন্ম থেকেই বেয়াদব প্রকৃতির। তাকে দেখে শুনে রাখা খুব কঠিন কাজ। কিন্তু তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন তাকে সামলে রাখতে।

ওদিকে নাজমুল হুদাকে দলে ফিরিয়ে নেয়ায় বিকল্প ধারায় হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। বিকল্প ধারার মাহী বি চৌধুরী বলেছেন, আমরার কি দুষ আছিল?

নাজমুল হুদার প্রতিক্রিয়া জানার জন্য তাকে ফোন করলে তিনি জড়ান গলায় মুঠোফোনে মতিবেদককে বলেন, ও শারাবি কেয়া শারাবি জো নাশে মে না রহে?

April 6, 2011

অপেরা মিনির একমাত্র পরিবেশক নির্বাচিত হল গ্রামীণফোন

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ০৬-০৪-২০১১

নোবেলজয়ী ড. ইউনূসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ রক্ষার জন্য গঠিত কৌশলগত আন্তর্জাতিক জোট ফ্রেন্ডস অব গ্রামীনে যোগ দিলো ইন্টারনেট ব্রাউজার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অপেরা। গত মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে মুরগীর সালুন দিয়ে ভাত খাবার সময় অপেরার ভাইস প্রেসিডেন্ট (যোগাযোগ) টর ওডল্যান্ড ড. ইউনূসের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে গ্রামীণফোনের সাথে একটি চুক্তি সাক্ষর করেন। চুক্তি মোতাবেক আজ থেকে মোবাইল ব্রাউজার অপেরা মিনির একমাত্র পরিবেশক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করল গ্রামীণফোন।

ভাত খাওয়া শেষ হবার পর দাঁত খিলাল করতে করতে তিনি বলেন, ‘এতদিন অপেরা মিনি ফ্রি সফটঅয়্যার হিসাবে মানুষ ডাউনলোড করতো। কিন্তু ফ্রি খাইতে খাইতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এদেরকে ফ্রি খাইতে দিলে সারা দুনিয়া খেয়ে ফেলবে। তাই আর সহ্য করা যায় না। আজ থেকে ফ্রি-র দিন শেষ।’

গ্রামীণফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা এরিল্ড কোল বলেন, ‘বেসিক ফিচার ফোন থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক স্মার্ট-ফোন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি হ্যান্ডসেটে ওপেরা মিনি ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করা যাবে। অপেরা মিনি ডেটার আকার ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনে। ফলে ওয়েব পেইজ অনেক দ্রুত খোলা যায়। প্রতি মাসে বিশ্বের নয় কোটিরও বেশি গ্রাহক অপেরা ব্যবহার করছে। আজ থেকে অপেরা মিনি ব্যবহার করতে চাইলে ফ্রেন্ডস অব গ্রামীণে যোগ দেয়া বাধ্যতামূলক।’

গ্রামীণফোনের হেড অব মার্কেট কমিউনিকেশন তাহমীদ আজিজুল হক বলেন, ‘এতদিন বিনামূল্যে পাওয়া গেলেও এখন থেকে কেবলমাত্র গ্রামীণফোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত মোবাইল দিয়েই অপেরা মিনি ডাউনলোড করা যাবে।’ তিনি বলেন, ‘অপেরা মিনি ডাউনলোড করতে চাইলে গ্রামীণফোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত মোবাইল থেকে opera লিখে 5000 নাম্বারে মেসেজ পাঠাতে হবে।’

April 6, 2011

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বোমাসহ মাদ্রাসা ছাত্র গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এপ্রিল ০৪ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সৈয়দুন্নেসা দারুল কুরআন মাদ্রাসা থেকে সোমবার সন্ধ্যায় পাঁচটি বোমাসহ আট ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ তাদের নাম জানাতে পারেনি।

সদর থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, নাশকতা সৃষ্টির জন্য সদর উপজেলার কাজীপাড়ার এ মাদ্রাসার ছাত্ররা বোমগুলো সংগ্রহ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃতদের কয়েকজন বলেছে, যেখানে মাদ্রাসা আছে, সেই জায়গার নাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া হতে পারে না। এটা হিন্দুয়ানি নাম। এই শহরের নাম বালফালাহবাদ (সংক্ষেপে বি. বাদ) রাখার দাবিতে ভবিষ্যতে আন্দোলন করা হবে।

April 6, 2011

‘সেবিকার সঙ্গে গাদ্দাফির অবৈধ সম্পর্ক ছিল না’

অনলাইন ডেস্ক (একটা পায়া ভাঙা),  তারিখ: ০৬-০৪-২০১১

ইউক্রেনের একজন সেবিকা লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির রক্ষিতা ছিলেন বলে যে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, তা নাকচ করে দিয়েছেন গাদ্দাফির অপর একজন সেবিকা। এই সেবিকা গতকাল মঙ্গলবার বলেন, গাদ্দাফিকে তাঁরা ‘পাপা’ বলে ডাকতেন এবং লিবিয়ার এই নেতা তাঁর মহিলা কর্মীদের নিয়মিত সোনা উপহার দিতেন।

রাশিয়ার বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র কমসোমোলস্কায়া প্রাভদাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাদ্দাফির সেবিকা ওকসানা বালিনস্কায়া এসব কথা বলেন। যে সেবিকাকে গাদ্দাফির রক্ষিতা হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে, তাঁর নাম গালিনা কোলোতনাইতস্কা ওরফে গালিনা বেগম।

সেবার বিনিময়ে গাদ্দাফির সোনা পেতেন গালিনা বেগম

ওকসানা বালিনস্কায়া বলেন, অন্য সেবিকারা যে কাজ করতেন, কোলোতনাইতস্কা ঠিক একই কাজ করতেন। তিনি দাবি করেন, গাদ্দাফির সঙ্গে গালিনার কথিত সম্পর্কের বিষয়ে যে খবর বেরিয়েছে, তা সত্য নয়।

বালিনস্কায়া বলেন, ‘তারা গালিনা বেগম সম্পর্কে যা লিখেছে, তা বানানো গল্প।’ তিনি বলেন, প্রতিবছর নিজের ক্ষমতা গ্রহণের বার্ষিকীতে তো বটেই, এমনকি অন্যান্য সময়েও গাদ্দাফি তাঁর মহিলা কর্মীদের সোনা উপহার দিতেন।

বালিনস্কায়া বলেন, গাদ্দাফি একজন সহূদয় ব্যক্তি। বিদেশ সফরের সময় তাঁর নির্দেশে সেবিকাদের ভাতা দেওয়া হতো, যাতে সেবিকারা কেনাকাটা করতে পারেন। তিনি বলেন, তাঁরা গাদ্দাফিকে ‘পাপা’ বা ‘বাবা’ বলে ডাকতেন, ইংরেজিতে যেটাকে ‘শুগার ড্যাডি’ বলা হয়ে থাকে।

লিবিয়ায় গাদ্দাফির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর ফেব্রুয়ারি মাসে লিবিয়া ত্যাগ করেন গালিনা বেগম। এএফপি।

%d bloggers like this: