Archive for April 7th, 2011

April 7, 2011

তেল কমে যাওয়ার কারণে পুটু দেখানো থেকে বিরত আছেন আমিনি

মতিসন্ধানী রিপোর্ট

ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা ফজলুল হক আমিনি পশ্চাৎদেশে কম তেল থাকার কারণে পুটু দেখানো থেকে বিরত আছেন বলে অনুসন্ধানী রিপোর্টে জানা গেছে। ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পরে মুম্বাইয়ের উনিশ বছর বয়েসি মডেল পুনম পান্ডের নগ্নতার ব্রাহ্মণ্যবাদী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য এই নেতা অনুরূপ ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত সোমবারের হরতালের শেষে প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদেরকে পুটু দেখানোর কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন দেখা যায় নি। এই বিষয়ে আমাদের অনুসন্ধানী রিপোর্টে অনেক চমকপ্রদক তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

বিএনপি দলীয় প্রভাবশালী নেতা মোসাদ্দেক হোসেন ফালু গতকাল এই প্রতিবেদককে জানান যে আমিনির পশ্চাৎদেশের বড়ই করুণ অবস্থা। চারদলীয় জোট ক্ষমতাচ্যুত হওয়া আগে আমিনির পশ্চাৎদেশ অনেক তেল চুকচুকে ও চাকচিক্যময় ছিল।

“এই পশ্চাৎদেশের ভোক্তা হিসাবে আমি বলতে পারি যে এই বাকশালী শাসন আমিনিসহ অপরাপর অনেক আলেমের পশ্চাৎদেশই মরুভূমির মত করে ফেলেছে। যেই মাঠে একসময় সোনা দেখা যেত, তাতে এখন শুধুই ধূসর কেশরাশি, আগের সেই মসৃণতা নেই… ” হতাশার সুরে ফালু তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

আরও জানা গেছে যে সদ্য ইসলাম ধর্ম গ্রহনকারী হলিউড নায়িকা আঞ্জুমানারা জলির পরামর্শ মোতাবেক আমিনি তার পশ্চাৎদেশ ওয়াক্সিং করতে চেয়েছিলেন কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে পুনরায় তেল না জমা পর্যন্ত নিতম্বদেশে কোন প্রকার কিছু করা অত্যন্ত ঝুঁকি পূর্ণ হতে পারে। এই সব ভেবে আমিনি শেষ পর্যন্ত নগ্ন হওয়া থেকে বিরত আছেন।

“আমরা বিএনপি থেকে এই বস্ত্র উন্মোচন কর্মসূচিতে রাজী ছিলাম। কিন্তু পরে সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আমিনি পিছিয়ে গেছেন।” বিএনপি শাসনামলকে সোনার সময় বলেও উল্লেখ করেন প্রভাবশালী এই নেতা।

“এই শাসনামলে পশ্চাৎদেশে তেল জমছে আওয়ামী আর সদ্য বাকশালী নেতাদের- বিএনপিসহ সকল বিরোধীদলগুলোর নেতাদের পশ্চাৎদেশে তেল কমছে। এগুলোর পেছনে ভারতের মদদ অবশ্যই আছে। আমাদের নেতা-কর্মীদের শুধু তেল নয় অনেকক্ষেত্রে পশ্চাৎদেশে চামড়া পর্যন্ত তুলে নিচ্ছে এই সরকারের পেটোয়া বাহিনী আর ছাত্রলীগ। ভারতের জয়ের পর সুরঞ্জিত বাবু কেন কাপড় খুলছেন না? ওনার পুটু তো এখন অনেক দর্শনীয়।” অনেকটা ক্ষোভ নিয়েই পালটা প্রশ্ন করেন ফালু।

হরতালের সারাদিনই আমিনি বাসায় বসে পুটুর যত্ন নিয়েছেন কিন্তু তাতেও সেটা দর্শনীয় হয় নি। এই ব্যাপারে মুঠোফোনে আমিনির সাথে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছে। বেশ কয়েকবার চেষ্টার পরে তাকে পাওয়া যায়। এই প্রতিবেদক তাকে জিজ্ঞেস করেন যে- “মোসলমান হয়েও কেন তিনি জবানের বরখেলাপ করছেন?” এই প্রশ্নের উত্তরে আমিনি বিরক্ত হয়ে বলেন- ‘আমনে আমাত্তে বেশি বুজেন?’

April 7, 2011

চট্টগ্রামে জাগপার সভা রূপ নিল সাকার মুক্তির সভায়

নিজস্ব মতিবেদক, চট্টগ্রাম | তারিখ: ০৬-০৪-২০১১

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির নাসিমন ভবন কার্যালয়ের সামনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) একটি সমাবেশ করে। তাদের ওই সভা বিএনপির বিতর্কিত নেতা একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া মাদারফাকার সাকার মুক্তির দাবির সভায় রূপ নেয়।

জানা গেছে, জাগপার ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটি মুসলিম ইনস্টিটিউটে সভা ডাকে। এতে জাগপার প্রধান শফিউল আলম ছাড়াও সাকার স্ত্রী, ছোট ছেলে ও মেয়ে এবং বিএনপির স্থানীয় নেতারা সভায় বক্তব্য দেন।

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে শফিউল আলম বলেন, ‘তথাকথিত যুদ্ধাপরাধের বিচার আমি মানি না। কারণ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ হয়নি। গন্ডগোল হয়েছে শুধু। তাই খুব বেশি হলে তাকে গন্ডগোল-অপরাধী বলা যায়।’

সাকার বিরুদ্ধে মতিকণ্ঠের অপপ্রচারের ব্যাপারে সোচ্চার হবার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এরা সাকাকে পদে পদে মাদারফাকার ডেকে তাঁর মর্যাদাহানি ঘটাচ্ছে। আপনারাই বলুন, সাকা কি শুধুই মাদারফাকার? অনুরূপ আরো গুণাবলি তাঁর আছে।’

মাদারফাকার সাকার দিনগুলি এখন লোহার খাঁচায়

সমাবেশে মাদারফাকার সাকার স্ত্রী ফকা (ফরহাত কাদের) চৌধুরী বলেন, ‘জিয়ার মৃত্যুর পর বেগম খালেদা জিয়া ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। আমিও বেরিয়ে এসেছি। আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব। আজ থেকে আর ঘরে ফিরব না। মুসলমানের এক জবান।’

সাকার ছোট ছেলে হুকা (হুমাম কাদের) চৌধুরী বলেন, ‘বাবাকে গ্রেপ্তারের পর অনেকবার চট্টগ্রামে এসেছি। কিন্তু অভদ্র বাংলাদেশী পুলিশ আমাদেরকে বাসায় আটকে রেখেছিল। পাকিস্তানী পুলিশ এদের তুলনায় অনেক ভদ্র।’

মেয়ে ফাকা (ফারজিন কাদের) চৌধুরী বলেন, ‘আমার বাবা পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলেন বলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। উনি (সাকা) সত্যিকারের যুদ্ধাপরাধী হলে তাকে সপরিবারে সোনার পাকিস্তানে পাঠানোর ব্যাবস্থা করা হোক। কারণ যেই দেশ আমার বাবা চান নি, সেই দেশে তার বিচার হতে পারে না।’

%d bloggers like this: