Archive for April 14th, 2011

April 14, 2011

স্ত্রীর চড় খেয়ে হাসপাতালে!

মনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ১৪-০৪-২০১১

স্ত্রীর হাতের চড় খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক ব্যক্তি। বাগিবতণ্ডার একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি স্ত্রীকে মারতে উদ্যত হলে উল্টো স্ত্রীর চড় খেয়ে নিজেই কুপোকাত হন। গত সোমবার রাতে গুজরাট রাজ্যের আহমেদাবাদের কাঙ্কারিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, সোমবার রাত দুইটার দিকে কাঙ্কারিয়ার বাসিন্দা রমেশ পারমার (৩৫) সংসারের খরচ নিয়ে তাঁর স্ত্রী মধুবনের (৩২) সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়লে এই ঘটনা ঘটে।

১৫ দিন ধরে বেকার রমেশ হন্যে হয়ে চাকরি খুঁজছিলেন। কিন্তু কোনো কাজ জোটাতে না পেরে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডাবাজি করেই সময় পার করছিলেন তিনি। সংসারের খরচ কীভাবে চলছে, তা নিয়ে মাথাই ঘামাচ্ছিলেন না তিনি। ঘটনার দিনও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে বাড়ি ফিরলে সংসারের অভাব-অনটন নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে রমেশের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রমেশ খেপে স্ত্রীকে মারতে উদ্যত হলে মধুবন তাঁর হাত ধরে ফেলেন এবং উল্টো স্বামীর গালে সপাটে চড় মারেন। এক চড়েই রমেশ বেচারা মেঝেতে মুখ থুবড়ে পড়েন। মেঝেতে পড়ে থাকা একটি ধাতব বস্তুর সঙ্গে জোরে আঘাত লেগে তাঁর কপাল ফেটে যায়। দ্রুত তাঁকে ভিএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মধুবন কর্তৃক রমেশের প্রহৃত হবার ঘটনায় নিন্দাবাদ জানিয়েছেন সদ্য ইসলাম গ্রহণকারী হলিউড তারকা আঞ্জুমান আরা জলি। জলি মতিকণ্ঠকে বলেন, ইসলামে স্ত্রী প্রহারের সুস্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া থাকলেও স্বামী প্রহার সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। স্ত্রী প্রহারের ক্ষেত্রে ইসলাম সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলে। নিয়মগুলো হচ্ছে: ১. প্রহারে হাতের ব্যবহার করা যাবে না (চড়, থাপ্পড় বা ঘুষি দেওয়া যাবে না) ২. প্রহার করার সময় লাঠি/দণ্ড ব্যবহার করতে হবে। প্রহারে ব্যবহৃত লাঠি বা দণ্ড হতে হবে মেসওয়াক সদৃশ, যা সাধারণত ৪/৫ ইঞ্চি থেকে ৭/৮ ইঞ্চি লম্বা হতে পারে। ৩. প্রহার মুখমণ্ডলে বা গোপন অঙ্গে (স্তন, যোনি ইত্যাদি) করা যাবে না। ৪. প্রহারের জন্য সবচাইতে উত্তম স্থান হচ্ছে হাত অথবা পুটু। ৫. প্রহার সে পরিমাণ জোরে হতে পারবে না যাতে প্রহারের স্থান থেকে রক্ত ঝরে বা রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা থাকে।

জলি বলেন, স্বামী প্রহারের নিয়মাবলির অনুপস্থিতিতে ইসলামী তরিকায় স্ত্রী প্রহারের নিয়ামবলীকে প্রামাণ্য হিসাবে অনুসরণ করলে দেখা যাচ্ছে যে উপরোক্ত ঘটনায় ইসলামী অনুশাসন লঙ্ঘিত হয়েছে। প্রথমত মধুবন তাঁর স্বামী রমেশের মুখমণ্ডলে আঘাত করেছে, যা ইসলামী প্রহারবিধির ৩ নং ধারাকে সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করে। উপরন্তু প্রহারের ফলে রমেশের কপাল কেটে রক্ত ঝরেছে যা ইসলামী প্রহারবিধির ৫ নং ধারার সাথে সাংঘর্ষিক।

এদিকে মধুবন কর্তৃক রমেশের প্রহৃত হবার ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন ইসলামী আইন বাস্তবায়ন ও ইসলামী ঐক্যজোটের (একাংশের) চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী। মধুবন কর্তৃক রমেশের লাঞ্ছিত হবার  প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার বাদ জুম্মা বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জনসমাবেশের ডাক দিয়েছেন তিনি। সমাবেশ শেষে এক হাতে পবিত্র কোরআন শরীফ ও অন্য হাতে বাঁশের লাঠি নিয়ে প্রেসক্লাবের উদ্দেশ্যে মিছিলের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মিছিল শেষে প্রেসক্লাবের সম্মুখে মধুবনের কুশপুত্তলিকা দাহ করার কর্মসূচী ও গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও জনগণ অনুরোধ করলে তিনি উলঙ্গ হতে পারেন বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে আমিনীর মতামত জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহলুল্লাহ ওয়াসেল মতিবেদককে বলেন,’আমনে ওনাত্তে বেশি বুজেন?’

April 14, 2011

ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যাপারে সরকার সজাগ রয়েছে: মতিয়া চৌধুরী

পোলা তো নয় সে আগুনেরই গোলা!

মনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ১৪-০৪-২০১১

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, সারা দেশের মানুষ যখন বাংলা নববর্ষ পালনে উজ্জীবিত তখন একটি মহল দেশকে পাকিস্তান বানানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। কৃষিমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখন হুমকি-ধামকি দিলেও সরকার তাদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সজাগ রয়েছে।

বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরুর আগে তিনি আজ বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ জেমি সিডন্সের চাকুরির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পথে। এমতাবস্থায় সম্ভাব্য কোচ হিসাবে আমরা যখন শচীন টেন্ডুলকারের কথা ভাবছি তখন একটি মহল দেশকে পাকিস্তান বানানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। তারা চায় শচীন টেন্ডুলকারের পরিবর্তে শোয়েব আখতারকে কোচ বানানো হোক। ষড়যন্ত্রকারীরা এখন হুমকি-ধামকি দিলেও সরকার তাদের ব্যাপারে সজাগ রয়েছে।

মঙ্গল শোভাযাত্রা ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে শুরু হয়ে সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে এসে শেষ হয়।

April 14, 2011

নতুন বছরে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার কাজ করবে আওয়ামীলীগ: প্রধানমন্ত্রী

মনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ১৪-০৪-২০১১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামীলীগ নতুন বছরে নতুন অঙ্গীকার নিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ থেকে ক্ষুধা দূরীকরণে ছাত্রলীগকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের খাই খাই মনোবৃত্তিকে ক্ষুধা নিবারণের পথে প্রধান অন্তরায় হিসাবে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের ক্ষুধা নিবারণ করতে পারলেই দেশ থেকে ক্ষুধা দূর হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, দারিদ্র্যমুক্তির পথে প্রধান অন্তরায় বিরোধীদল বিএনপি। আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের দাপটে বিএনপির নেতা-কর্মীরা লুটপাট না করতে পেরে দারিদ্রের চরম সীমায় পৌঁছে গেছে। তাই দেশ থেকে দারিদ্র দূর করতে হলে সর্বপ্রথমে বিএনপিকে দূর করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নববর্ষ আমাদের জন্য নতুন বার্তা নিয়ে আসুক। চারদলীয় জোট সরকারের সব জঞ্জাল মুছে গিয়ে মহাজোট সরকারের নতুন বার্তা নিয়ে আসবে এবং আমরা নতুন বছরকে সেইভাবে বরণ করে নিব। শুভ নববর্ষ।’

%d bloggers like this: