Archive for April 18th, 2011

April 18, 2011

দারিদ্র্য কমেছে, আয় বেড়েছে

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ১৮-০৪-২০১১

মহাজোট সরকারের সুশাসনে দেশে দারিদ্র্যের হার কমছে। মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় নির্ধারণ জরিপে এই ফলাফল এসেছে। জরিপ অনুযায়ী, ২০১০ সাল পর্যন্ত দেশে দারিদ্র্যের হার ৩১ থেকে ৩২ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের খানা আয় ও ব্যয় নির্ধারণ জরিপ (এইচআইইএস) অনুযায়ী, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করত ৪০ শতাংশ জনগোষ্ঠী; অর্থাৎ গত পাঁচ বছরে দারিদ্র্য কমেছে ৮ থেকে ৯ শতাংশ। প্রতিবছর দারিদ্র্য কমেছে ১ দশমিক ৬ থেকে ১ দশমিক ৮ শতাংশ হারে।

২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশের ৬১২টি প্রাথমিক নমুনা ইউনিট (পিএসইউ) থেকে মানুষের জীবনযাত্রার মৌলিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে জরিপ চালানো হয়। এখন চলছে বিশ্লেষণ। প্রাথমিক বিশ্লেষণে জানা গেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গড় আয় বেড়েছে। কমেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীর সংখ্যা।

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ প্রকল্পের একজন কর্মকর্তা মতিকণ্ঠকে জানান, দেশে দারিদ্র্যের মূল কারণ বিএনপি ও ছাত্রদল। দেশ থেকে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী দূর করতে পারলেই দারিদ্র্য দূর হয়ে যাবে। বর্তমান সরকার দেশ থেকে বিএনপি ও ছাত্রদল বিতাড়নের কাজ সাফল্যের সাথে করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে আয় বেড়েছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের। এছাড়া বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

April 18, 2011

বিদেশে যেতে আর সর্বস্ব বিক্রি নয়: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ১৮-০৪-২০১১

এখন থেকে বিদেশগামী কর্মীরা সরকারের প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বিদেশে যেতে পারবেন। এ জন্য তাঁদের বিদেশে চাকরির নিয়োগপত্র দেখালেই চলবে। ঋণের এই টাকা প্রবাসীকর্মীরা কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারবেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন

বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় ‘ব্যাম্বো প্রসেস’ বৈঠক নিয়ে আজ সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ কথা জানান। খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ২০ এপ্রিল এই ব্যাংকের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে এখন থেকে বিদেশগামীদের আর জমি-জমা বিক্রি করে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বিদেশে যেতে হবে না।

মন্ত্রী বলেন, লিবিয়া-ফেরত ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের ক্ষুদ্রঋণ দেবে সরকার। এ ছাড়া ফেরত আসা ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁরা আবার বিদেশে যেতে চান, তাঁদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষুদ্রঋণ দেওয়া হবে। এ জন্য বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা দেবে। কাল মঙ্গলবার সচিব পর্যায়ের বৈঠকের মধ্যে দিয়ে ব্যম্বো প্রসেস সম্মেলন শুরু হবে। এবারের সম্মেলনের আয়োজক দেশ বাংলাদেশ। মন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠকে সভাপতিত্বও করবে বাংলাদেশ।

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খান, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক খোরশেদ আলম চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আসাদুল ইসলাম ও বেগম শামসুন্নাহার উপস্থিত ছিলেন।

%d bloggers like this: