Archive for April 19th, 2011

April 19, 2011

মাদারফাকার সাকাকে বিরতিহীনভাবে পুটু মারার অনুমতি

নিজস্ব মতিবেদক | তারিখ: ১৯-০৪-২০১১

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে (মাদারফাকার সাকা) কারাগারের মেঝেতে শুইয়ে বিরতিহীনভাবে পুটু মারার অনুমতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিনজন সদস্যের বেঞ্চ এ অনুমতি দেন। ট্রাইব্যুনাল সাকা চৌধুরীকে যেকোনো দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কারাগারের মেঝেতে উপুড় করে শুইয়ে বিরতিহীনভাবে পুটু মারার অনুমতি দেন। পুটু মারার সময় রক্তপড়া বন্ধ করতে সুপারগ্লু ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

ক্লান্তি আমায় ক্ষমা কর প্রভু

আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে সাকা চৌধুরীকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। সাড়ে ১১টার দিকে শুনানি শুরু হয়ে চলে ১২টা পর্যন্ত। পরে শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল সাকা চৌধুরীকে বিরতি দিয়ে নাকি বিরতিহীনভাবে পুটু মারা হবে তা নির্ধারণ করার জন্য আধঘণ্টা সময় নেন। নির্ধারিত সময় পর ট্রাইব্যুনাল বিরতিহীনভাবে পুটু মারার পক্ষে আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, গত বছর ১৬ ডিসেম্বর ভোরে বনানীর একটি বাসা থেকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সুষ্ঠু ও কার্যকর তদন্তের স্বার্থে ১৫ ডিসেম্বর তাঁকে আটক বা গ্রেপ্তার রাখার নির্দেশনা চেয়ে তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে আইনজীবীদের (প্রসিকিউটর) মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালে একটি আবেদন করা হয়। গত ১৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির এই নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ৩০ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

April 19, 2011

বঙ্গবন্ধু যে স্কুলের প্রধান শিক্ষক জিয়া সে স্কুলের দপ্তরি: কাদের সিদ্দিকী

নিজস্ব মতিবেদক

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু যে স্কুলের প্রধান শিক্ষক, জিয়া সে স্কুলের দপ্তরি, কাদের সিদ্দিকী স্কুলের দারোয়ান আর খানকির পুত গোলাম আযম স্কুলের পায়খানা।

গতকাল সোমবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার হলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় কিংবদন্তী বাঘা সিদ্দিকী ১৯৯৭ সালে আওয়ামীলীগ ত্যাগ করার পর রাজনীতির মাঠে অদৃশ্য হয়ে গেছেন। হারিয়ে গেছেন আওয়ামীলীগ-বিএনপির পারষ্পরিক পোন্দাপুন্দির কবলে পড়ে। মাঝেমধ্যে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে রাজনীতির পুকুরে ঘাই মারেন তিনি।

কাদের তুমি কাদের লোক?

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতির জনক আর স্বাধীনতার ঘোষক এক নয়। যেমন এক নয় মা ও বাবা। বাবা একাধিক থাকতে পারেন তবে মা একজনই। তেমনি ঘোষক একাধিক থাকতে পারেন তবে জাতির জনক একজনই। বঙ্গবন্ধু হলেন জাতির জনক, স্বাধীনতার ঘোষক নন। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। জিয়া একজন পাঠক। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়ার তুলনা করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হলে তাঁকে ছোট করা হবে। তাঁকে জাতির জনক থেকে ঘোষকে নামাতে পারি না। কেউ বঙ্গবন্ধুকে ঘোষক বলে ছোট করলে তা আমি বেঁচে থাকতে মেনে নেব না। জনক কখনো ঘোষক হতে পারে না। তিনি উভয়ের তুলনা করে বলেন, বঙ্গবন্ধু যে স্কুলের প্রধান শিক্ষক, জিয়া সে স্কুলের দপ্তরি। কাদের সিদ্দিকী সে স্কুলের দারোয়ান, আর খানকির পুত গোলাম আযম পায়খানা।

উল্লেখ্য গত ১৮ মার্চ শুক্রবার  ‘স্বাধীনতার ৪০ বছর ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাদের সিদ্দিকী বলেছিলেন, জাতিকে বিভক্ত করতেই যুদ্ধাপরাধের বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

%d bloggers like this: