Archive for April 22nd, 2011

April 22, 2011

‘সেফ হোম একটি অত্যাধুনিক টর্চার সেল’

ঢাকা, এপ্রিল ২২ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- মানবাধিকার বজায় রেখেই সেফ হোমে পুটু মারা হবে জানিয়ে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘সেফ হোম’ কোনো টর্চার সেল নয়। শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতা সংগ্রাম: সমকালীন প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “মানবিক আচরণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ মানবাধিকার বজায় রেখেই সেফ হোমে পুটু মারা হবে।”

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতেই বিএনপি সেফ হোম নিয়ে বিতর্ক ছড়াচ্ছে অভিযোগ করে আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “যারা যুদ্ধাপরাধী ও সম্পদ লুটকারীদের পক্ষে কথা বলেন তারা এরশাদের মতই বিশ্ব বেহায়া।”
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়া পল্টনে এক আলোচনা সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুদ্ধাপরাধীদের পুটু মারার জন্য ঘোষিত সেফ হোমকে ‘টর্চার সেল’ হিসাবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, পুটু মারা কি টর্চার নয়?

লিখিত বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে গুরুত্ব সহকারে জনগণের সামনে কতগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তার অন্যতম ছিল নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করা। দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে সরকার নির্বাচনী সে ওয়াদা তো পালন করেইনি; বরং নির্যাতন বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা খালেদা জিয়াকে তার জাকুজিওয়ালা বাড়ি থেকে বহিষ্কার করেছে ও তার দুই শিশুপুত্র তারেক জিয়া ও কোকো জিয়াকে মেরে পুটু ফাটিয়ে দিয়েছে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের রিপোর্টেও বাংলাদেশে নারী ও শিশু অধিকার লঙ্ঘনের বিষয় ওঠে এসেছে।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদি নব্য বাকশালী আওয়ামী সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে বুজুর্গ ব্যক্তিদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। মির্জা ফখরুল বলেন, হিটলারের গেস্টাপো বাহিনীর মত সরকারের হালারপো বাহিনী মাদারফাকার সাকা চৌধুরিসহ চারদলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীর পাঁচজন শীর্ষ রাজাকারকে গ্রেপ্তার করে পুটু মারা দিচ্ছে। পুটু মারা খেতে খেতে তাদের জীবন সঙ্কটাপন্ন।

মির্জা ফখরুল বলেন, নাসির উদ্দিন পিন্টু একজন মেধাবী ছাত্র। তাঁর মত একজন মেধাবী ছাত্রকে বিদ্রোহীদের নৌকায় পার করা বিষয়ক মামলা দিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জেলে আটক রাখা হয়েছে। বিএনপির একজন নেতা হয়ে, একজন মেধাবী ছাত্র কোনদিন নৌকা ব্যবহার করবেন না এটা সবাই বুঝতে পারলেও বর্তমান সরকারের কর্তাব্যক্তিরা বুঝতে পারেন না।  সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষা বিস্তারে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাকে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে শুধু আটকই রাখেনি, তার বাড়ি-ঘর লুট করেছে। তিনি ২১টি মামলায় জামিন লাভ করার পর আবার ৫টি মামলা দিয়ে আটক রেখেছে। মিলনের মিথ্যা মামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে তার স্ত্রী ও একমাত্র সন্তান আজ বিচ্ছেদের মুখে পতিত হয়েছে। বিএনপি নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর শত্রু খুঁজতে মাটির নিচে যেতে চেয়েছিলেন। বাকশালী সরকারের মধ্যযুগীয় নির্যাতনে তিনি মাটির নিচে যাবার পথে কয়েকধাপ এগিয়ে গেছেন।

মাদারফাকার সাকা চৌধুরী, শিক্ষার আলো হাতে কুমিল্লার নাইটিঙ্গেল এহছানুল হক মিলন, শত্রুসন্ধানী মাসুদ রানা লুত্ফুজ্জামান বাবর, মেধাবী ছাত্র নাসির উদ্দিন পিন্টুসহ চারদলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ পাঁচ রাজাকারের নামে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার ও অবিলম্বে তাদের মুক্তি দাবি করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

April 22, 2011

ছেলেকে পেয়েও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই অভিযোগ আমিনীর

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২২-০৪-২০১১

ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির আমির মুফতি ফজলুল হক আমিনী অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তাঁর ছেলে আবুল হাসনাতকে অপহরণ করা হয়েছিল। তাঁর নির্দেশেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার লালবাগে নিজের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আমিনী সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।

কেন তাঁর ছেলেকে অপহরণ করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনী বলেন, আন্দোলন দমানোর জন্য এমনটা করা হয়েছিল। তবে এতে আন্দোলন দমানো যাবে না। আন্দোলন আরও বেগবান হবে। তাহলে কেন তাঁর ছেলেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে – এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনী বলেন, আমনে আমাত্তে বেশি বুজেন?

আমিনী সবাত্তে বেশি বুজেন

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও আইনি ব্যবস্থা কেন নেননি—এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনী বলেন, ‘আমি এই আদালতে বিচার চাইব না, এই আদালতে বিচার চাইলে আমাকে অপহরণ করে পুটু মারা হবে। আমি মহান আল্লাহর আদালতে বিচার চাইব।’

আমিনীর ছেলে আবুল হাসনাত বলেন, ‘একটি সংঘবদ্ধ চক্র আমাকে অপহরণ করেছিল। তারা সব সময় আমার চোখ বেঁধে রাখত। মানসিকভাবে নির্যাতন করত।’ তারা বলত, ‘তোর বাবাকে দুই মাস রাজনীতি থেকে দূরে ঘরের মধ্যে রাখতে হবে। তারা আমাকে বুঝাতে চেয়েছে, তারা একটি বিশেষ বাহিনীর লোক।’ তারা কোন বাহিনীর লোক তা জানতে চাইলে আবুল হাসনাত মতিবেদককে বলেন, আমনে আব্বাত্তে বেশি বুজেন?

April 22, 2011

কারাগারে মাদারফাকার সাকাকে পুটু মারা

কারাগার মতিবেদক |  তারিখ: ২১-০৪-২০১১

১৯৭১ সালে রাজাকারি করার অপরাধে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরিকে (মাদারফাকার সাকা) গ্রেপ্তার করে কাশিমপুর কারাগারে রাখা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের শুনানির দিন আদালতে হাজির হয়ে মাদারফাকার সাকা অসুস্থতার ভান করেন। শুনানি শেষে তাকে পুনরায় কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়। রাতে মাদারফাকার সাকা কারাগারের মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে ঘুমাচ্ছিলেন। এমন সময় কে বা কাহারা তালা কেটে কারাগারে ঢুকে সাকাকে পুটু মারা দিতে উদ্যত হয়। এ সময় সাকা চিৎকার শুরু করে এবং ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে অজ্ঞাত আক্রমণকারীরা সাকার পুটুতে দুইটি সিদ্ধ ডিম ঢুকিয়ে দেয়। এতে করে মাদারফাকার সাকা জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে পড়ে যায়। জ্ঞানহীন মাদারফাকার সাকাকে মুখ বেঁধে আক্রমণকারীরা উপুর্যপরি পুটু মারা দিয়ে কারাগারের মেঝেতে ফেলে রেখে চলে যায়। ভোরবেলায় কারারক্ষীদের একজন ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য ঘুম থেকে উঠে মাদারফাকার সাকাকে কারাগারের মেঝেতে জ্ঞানহীন অবস্থায় আবিষ্কার করেন।

আর পারছি না গুরু, সেই মাঝরাত থেকে শুরু!

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মাদারফাকার সাকাকে প্রাক্তন পিজি হাসপাতাল তথা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন সাকার পুটুর দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। ফাটল মেরামত করার লক্ষ্যে সিমেন্ট কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে সরকার। ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু মতিবেদককে বলেছেন, ‘সালাহউদ্দিন – সালাহউদ্দিন ভাই ভাই! সাকার পুটুর দেয়ালের ফাটল দেখা দিলে সে ফাটল ছাত্রদলের প্রত্যেক  নেতাকর্মীর পুটুতে ছড়িয়ে পড়বে।’ মাদারফাকার সাকার পুটু মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় সিমেন্টের যোগান ছাত্রদল স্বল্প খরচে দিতে পারত কিন্তু ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের কারণে ছাত্রদল নেতারা দরপত্র জমা দিতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

%d bloggers like this: