Archive for December, 2011

December 31, 2011

THE DARK KNIGHT

December 30, 2011

অধ্যাপক গোলাম আযম যে ইস্কুলের মাষ্টার, আমি সে ইস্কুলের চানাচুরওলা: কাদের সিদ্দিকী

নিজস্ব মতিবেদক

চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধকালে কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, এ দেশে কোনো মানবতাবিরোধী অপরাধী নেই। যে দুইজন মানবতাবিরোধী অপরাধী ছিলো, তাদের দেশছাড়া করা হয়েছে। তাদের একজন শহীদ প্রেসিডেন্ট মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের সন্তান তারেক জিয়া এখন লন্ডনে ফুর্তি করছে। অপরজন বেগম খালেদা জিয়ার অপর সন্তান আরাফাত কোকো বেংককে গেংবেং করছে। দেশ তাই মানবতাবিরোধী অপরাধীমুক্ত।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে আবদুল কাদের সিদ্দিকী এ কথা বলেন।

তিনি আবেগঘন গলায় বলেন, অধ্যাপক গোলাম আযম একজন অধ্যাপক। তিনি অধ্যাপনা করতেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি টিক্কা খানের শিশুপুত্র খালিদ খানকে আমপারা অধ্যাপনা করতে টিক্কা খানের বাসভবনে যেতেন। অথচ বাকশালীরা গুজব রটিয়েছে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্ত ছিলেন। টিক্কার ছেলেকে আরবী শেখান কেন মানবতাবিরোধী অপরাধ হবে?

কাদের সিদ্দিকী বলেন, অনেকেই বলে টিক্কার সাথে অধ্যাপক গোলাম আযমের অবৈধ যৌন সম্পর্ক আছে। তারা ভুল বলে। এ কথা মোটেও সত্য নয়। টিক্কা খান অনেক জোরাজুরি করলেও অধ্যাপক গোলাম আযম কখনও টিক্কার সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হননি। তিনি তখনও পাক ছিলেন, এখনও পাক আছেন।

অধ্যাপক গোলাম আযমের কাছে অস্ত্র জমা দিচ্ছেন কাদের সিদ্দিকী

আবেগঘন গলায় তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর ভারতীয় সেনাবাহিনী আমাকে অস্ত্র সমর্পনের আদেশ দিয়েছিল। আমি তাদের বলেছিলাম, তুমাদের আমি চুদি না। এরপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাকে অস্ত্র সমর্পনের আদেশ দিয়েছিল। আমি তাদের বলেছিলাম, তুমাদেরও আমি চুদি না। এরপর ১৯৭৮ সালে অধ্যাপক গোলাম আযম দেশে ফিরে আমাকে অস্ত্র সমর্পনের আদেশ দেন। আমি তখন বলেছিলাম, হুজুর আমি আপনাকেই শুধু চুদি। আপনারা জানেন, আমি অধ্যাপক গোলাম আযমের কদম মুবারকে আমার থ্রি নট থ্রি রাইফেলটি জমা দিয়েছিলাম।

কাদের সিদ্দিকী দৃপ্ত কণ্ঠে বলেন, “অস্ত্র জমা দিয়েছি, ট্রেনিং জমা দেই নাই। অধ্যাপক গোলাম আযমের ডাকে দরকার হলে আবার আরেকটি মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ব। পাক সার জমিন সাদ বাদ।”

December 29, 2011

খালেদা জিয়া: সরকারকে আন্তর্জাতিক আদালতে গুপ্তহত্যার জবাব দিতে হবে

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের বিএনপি শাখার মহিলা আমীর খালেদা জিয়া বলেছেন, গুপ্তহত্যা চালানোর জন্য আওয়ামী লীগ সরকারকে আন্তর্জাতিক আদালতে জবাব দিতে হবে। আমরা এখন সবকিছু আন্তর্জাতিক মানের চাই। এই আন্তর্জাতিকতা শুরু করেছে আমার দুই পুত্র। তারা দেশের যে পরিমাণ টাকা মেরেছে, সেটা কেবলমাত্র আন্তর্জাতিক স্কেলের সাথেই তুলনীয়।

বড়দিন উপলক্ষে গতকাল বুধবার রাতে তাঁর গুলশানের কার্যালয়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া এ কথা বলেন। দেশজুড়ে গুপ্তহত্যার জন্য সরকারই দায়ী দাবি করে তিনি বলেন, আমার শাসনামলে গুপ্তহত্যা হয়নি। আমার সময়ে র‍্যাব নির্বিচারে মানুষ মেরেছে। সেটা গুপ্তহত্যা নয়। আমরা গোপনে কিছু করি না। আমরা মানুষ খুন করার সময়, দেশের টাকা মারার সময় কোনো রাখঢাক করি নাই। ভবিষ্যতেও করবো না ইনশাল্লাহ।

'আমার গোলাম আজমে আঙুল দেবেন না'

বড়দিনের অনুষ্ঠানে খ্রিষ্টানদের সামনে ইনশাল্লাহ বলা ঠিক হলো কি না, এ বিষয়ে এই মতিবেদক তাঁকে একটি প্রশ্ন করলে তিনি প্রসাধনী-পরিবেষ্টিত লোচনের রোষায়িত দৃষ্টি বর্ষণ করে আমিনী ব্যবহৃত বাক্য ধার করে বলেন, আামনে আমাত্তে বেশি বুজেন? আপনি কি জানেন, আমি এখন আগের চেয়ে বেশি শক্তিধর? কারণ আমি এখন বিএনপি-র নেত্রী নই, আমি বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের বিএনপি শাখার মহিলা আমীর। তাই আমার গোলাম আজমে আঙুল দিলে পরিণতি ভাল হবে না।

December 27, 2011

সব দোষ ঐ জাপানীর, বললেন আবুল

নিজস্ব মতিবেদক

বঙ্গবিদ্যা সম্মেলনে যোগ দিতে এসে সর্বস্ব হারানো জাপানী প্রফেসরের অনুরোধে সাড়া না দিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন বলেছেন, সব দোষ ঐ জাপানীর। সে কেন টিএসসিতে বেগ ফেলে রেখে খাবার আনতে গেল?

আবুল হোসেন সহাস্যে বলেন, চুরি কি শুধু বাংলাদেশে হয়? জাপানে চুরি হয় না? বেটা জাপানী প্রফেসর কি জাপানে রাস্তাঘাটে বেগ ফেলে রেখে চলে যায়? বাংলাদেশে এসে সে যেখানে সেখানে বেগ ফেলে রেখে গেলে তা ত চুরি যাবেই।

আবুল বলেন, বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ। জাপান একটি ধনী দেশ। দুনিয়ার সব জায়গায় তারা লেপটপ বিক্রি করে। টুশিবা, সনি, টয়োটা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান কুটি কুটি ডলারের লেপটপ ব্যাবসা গড়ে তুলেছে বলে তিনি জানান। সামান্য একটা লেপটপ হারানর দুঃখে এত হই চই না করার জন্য তিনি জাপানী প্রফেসর মাসাহিকো তোয়াগার প্রতি আহ্বান জানান।

আবুলের কাছে লেপটপ ফিরত চাইলেন অধ্যাপক তোয়াগা

১৯ ডিসেম্বর অধ্যাপক তোয়াগা তার বেগটি টিএসসিতে রেখে খাবার আনতে যান। এর মধ্যে কে বা কাহারা এই বেগটি নিয়ে পলায়ন করে।

খোয়া যাওয়া জিনিসপত্রের মধ্যে রয়েছে দুই হাজার ডলার, এক লাখ ইয়েন, বাংলাদেশি ৫০ হাজার টাকা, একটি ল্যাপটপ, একটি ডিজিটাল কেমেরা, মডেম, কিছু বই ও মূল্যবান কাগজপত্র এবং তার পাসপোর্ট।

অধ্যাপক তোয়াগা বলেন, লেপটপে তার অনেক গবেষনা রয়েছে। তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী আবুলের প্রতি অনুরোধ করেন, তার লেপটপটি ফিরত দেওয়ার জন্য।

আবুল তার অনুরোধে সাড়া না দিয়ে বলেন, লেপটপে আবার গবেষনা থাকে কেমন করে?

অধ্যাপক তোয়াগা মতিবেদকের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি জাপানে থাকতেই এই আবুল মন্ত্রীর অনেক বদনাম শুনেছি। শুনেছি সে নাকি একটি অভিশাপ।

জবাবে আবুল হোসেন বলেন, বিশ্ব বেংক আমার নামে বদনাম করেছে, কিন্তু কোন লাভ হয়েছে? মাঝখান থেকে তারা ঋন দেয়ার ব্যাবসায় লস খাইল। এখন যদি জাপান আমার নামে বদনাম করে, জাইকা যদি মেট্রো রেলের ঋনের টাকা না দেয়, তাহলে তারাও লস খাবে। আমার কোন লস নাই।

অধ্যাপক তোয়াগার লেপটপটি ফিরিয়ে দেওয়ার বেপারে কিছু করবেন কি না, এ প্রশ্নের জবাবে আবুল বলেন, আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে। অধ্যাপক তোয়াগাকে বলেন নতুন লেপটপ কিনে আবার গবেষনা করতে।

Tags:
%d bloggers like this: