Archive for January, 2012

January 31, 2012

বাজারে আসছে তসলিমার আত্মজীবনী ‘ম’, আতঙ্কে বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজার

সাহিত্য মতিনিধি

বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের আত্মজীবনী ‘ম’ বাজারে আসবে আগামীকাল।

তসলিমা ইতিপুর্বে ‘ক’ নামে একটি আত্মজীবনী রচনা করেছিলেন।

প্রতিক্রিয়া জানতে বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিকণ্ঠকে বলেন, তসলিমা নাসরিনের ‘ক’ উপন্যাসটি একটি পর্নোগ্রাফি। সরকার পর্নোগ্রাফি প্রতিরোধে আইন করেছে। তিনি বলেন, ‘ম’ গ্রন্থে যদি আমার নাম উল্লেখ করা হয়, আমি পর্নোগ্রাফি আইনের আওতায় তসলিমা নাসরিনের নামে মামলা করে দিব।

ইমদুদুল বলেন, নাম শুনেই বুঝা যায়, কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান আজমী সম্পর্কে এই গ্রন্থে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য থাকবে। তিনি বলেন, যদি আমার নাম না থাকে, আর মতিচুরের নাম থাকে, তাহলে আমি তসলিমা নাসরিনের গ্রন্থের ঐ অংশটি আমার পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করব।

কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তসলিমা নাসরিনের ‘ক’ উপন্যাসটিতে ইমদুদুলের নাম পাওয়া গেছে। ‘ম’ নাম থেকে এ কথা পরিষ্কার বুঝা যায়, এবারও ইমদুদুলের নাম পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, ম-য় মেলন ঐ আসছে তেড়ে। মতিচুর রহমান কারওয়ানবাজারে এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য অংশ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের অংগীকার বেক্ত করে বলেন, তসলিমা নাসরিনের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই। তাই ‘ম’ দিয়ে মতিচুর হতেই পারে না।

এদিকে দেশের বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক সৈয়দ আবুল মকসুদ এক সংবাদ সম্মেলনে তীব্র প্রতিক্রিয়া বেক্ত করে বলেন, তসলিমা নাসরিন মুসলিম পুর্ব বংগের কলংক বিশেষ। তিনি দেশের আপামর মুসলিম জনতার বেল্টের নিচে আঘাত করে হিন্দু ভারতে পলায়ন করেছিলেন। সেই খানেও তিনি মুসলিম জনতার দৌড়ানি খেয়েছেন। মকসুদ বলেন, ‘ম’ গ্রন্থে আমার নাম পাওয়া গেলে আমি তসলিমার মাথার উপর পঞ্চাশ হাজার টাকা মুল্য ঘোষনা করব।

ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের নেতা ও উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ গৃহবন্দী মুফতি আমিনী বলেন, তসলিমা নাসরিন একটি পিশাচিনী। সে কবি সাহিত্যিকদের সাথে বিছানায় যায়। কিন্তু আলেম উলামাদের কথা ভাবে না। আমিনী জোর দিয়ে বলেন, যারা ভাবছে, ‘ম’ দিয়ে মুফতি হয়, তারা ভুল ভাবছে। তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে। ম দিয়ে মুফতি হয়, এমন কথা লোকে কেন ভাববে, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, “আমনে ম মাইনষেত্তে বেশি বুজেন?”

January 31, 2012

তৃতীয় শক্তির উত্থানে কেউ খুশি, কেউ হতবাক: পল্লীবন্ধু

বিশেষ মতিবেদক

‘তারা ভেবেছিল তৃতীয় শক্তি মরে গেছে। তার আর উত্থান ঘটবে না। কিন্তু আমি তাদের জানিয়ে দিতে চাই, তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটছে। এখন থেকে ঘন ঘন তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটবে।’

এভাবেই তৃতীয় শক্তির উত্থানের সংবাদ দিলেন সাবেক স্বৈরাচার রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বৃহত্তর জামাতে ইসলাম, এই দুই শক্তি দেশের সর্বনাশ করছে। কোন উন্নয়ন ঘটছে না। আজ নদীতে পানি নাই। ঘরে বিদ্যুত নাই। বোতলে সুরা নাই। এইভাবে চলতে পারে না। তাই দেশে প্রয়োজন তৃতীয় শক্তির উত্থান।

পল্লীবন্ধু বলেন, আপনারা জানেন, আমার শরীর দড়ির মত পাকান। কিন্তু তৃতীয় শক্তির উত্থান নিয়ে আমি কিছু জটিলতায় ভুগছিলাম। কিন্তু বাংলার জবস মোস্তফা জব্বারের বিজয় টেবলেট আবিষ্কারের পর আমি অনলাইনে যেতে পারছি। তৃতীয় শক্তির মারাত্মক উত্থান ঘটছে এখন।

তিনি বিদিশার প্রতি ইংগিত করে বলেন, তৃতীয় শক্তির উত্থানে কেউ কেউ হতবাক হয়েছে। কিন্তু বাংলার লাখো জনতা তৃতীয় শক্তির উত্থানে খুশি হয়েছে।

কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমানের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে পল্লীবন্ধু বলেন, মুমিন মুসলমান কোনদিন কিবলার পানে দাঁড়িয়ে এস্তেনজা করতে পারে না। তৃতীয় শক্তির উত্থান সর্বদা উত্তর দক্ষিন বরাবর।

দেশের প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরার প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বসুন্ধরা টিসু বেবহার করে তৃতীয় শক্তিতে চুম্বক শক্তির জোয়ার বইছে। তৃতীয় শক্তি সর্বদা উত্তর দক্ষিনে ফিরান থাকে। আলহামদুলিল্লাহ।

পল্লীবন্ধু এরশাদ বলেন, আপনারা আমার ভাতিজা আসিফ শাহরিয়ারকে দেখেছেন। সে রংপুর হাসপাতালে বাঁশ নিয়ে গিয়েছিল। কতিপয় দুস্কৃতিকারী তাকে বাঁশ দিয়েছে। তার কারন, আসিফ শাহরিয়ার বিজয় টেবলেট বেবহার করতে ভুলে গিয়েছিল। তিনি আসিফ শাহরিয়ারের প্রতি বিজয় টেবলেট বেবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তৃতীয় শক্তির উত্থান না ঘটলে সারা জীবন বাঁশ খেয়ে যেতে হবে।

পল্লীবন্ধুর সাবেক পত্নী বিদিশার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিবেদককে বলেন, পাম্পার দিয়ে বটগাছ টিকিয়ে রাখা যায় না। বিদিশা বলেন, অনেক দিন পর তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটেছে, এ নিয়ে পল্লীবন্ধু সাময়িক আবেগে অনেক কথা বলছেন। কিন্তু তৃতীয় শক্তির চেয়ে বড় শক্তি মাধ্যাকর্ষন শক্তি, এ কথা যেন পল্লীবন্ধু ভুলে না যান।

বিদিশাকে সমর্থন করে নও মুসলমান আল্লামা হকিং বলেন, মাধ্যাকর্ষন শক্তি ইজ গ্রেটার দেন তৃতীয় শক্তি।

January 30, 2012

পর্নোগ্রাফি আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল সারা দেশ, পুলিশের গুলিতে নিহত ৪

বিশেষ মতিবেদক

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহা জোট সরকার পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রনে আইন প্রনয়ন করায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর মূল শাখা (দিবা) ও বিএনপি শাখা (প্রভাতী)।

গতকাল সারা দেশে এক যোগে এই আইন রদ করার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালিত হয়। পুলিশ এই কর্মসূচীতে বাধা দিলে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে চাঁদপুরে দুইজন ও লক্ষীপুরে দুইজন নিহত হয়।

এই বিক্ষোভে সাংবাদিকরাও স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহন করেন। তারা পর্নোগ্রাফি আইন বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেন ও পুলিশের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন এক অন্তরংগ সাক্ষাতকারে মতিকণ্ঠকে বলেন, পর্নোগ্রাফি সমাজের নৈতিক ভিত নষ্ট করে। ছেলে মেয়ে কাজ ফেলে পর্নোগ্রাফি পড়ে হস্ত মৈথুন করে। এতে হাতের ক্ষতি হয়। তিনি বলেন, দেশে অনেক ভাল ভাল হোটেল আছে। সেখানে উপযুক্ত হাদিয়ার বিনিময়ে যৌন মিলন করা যায়। এটিই যৌন আকাংখা মিটানর আদর্শ উপায়। কিন্তু বর্তমানে পর্নোগ্রাফি এক বেধির মত সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়ায় হোটেল বানিজ্য হুমকির সম্মুখে। সেখানে খদ্দের সমাগম অনেক কমে গেছে। সাহারা খাতুন এর জন্যে তথ্য প্রযুক্তিকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ছায়া দেখে লোকে কায়ার মুল্য ভুলে গেছে।

পর্নোগ্রাফি আইনকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের হোটেল বেবসায়ী মালিক সমিতি। হোটেল বেবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি সাহারা খাতুন মতিকণ্ঠকে বলেন, সরকারের এই যুগপযোগী সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। পর্নোগ্রাফি একটি অভিশাপ।

ওদিকে এক সংবাদ সম্মেলনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পর্নোগ্রাফি আইনের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সরকার মানুষের বেক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে চায়। তিনি বলেন, এর আগেও সরকার আমাদের মেডামের বাড়িতে হানা দিয়ে তার বিছানার পাশের আলমারী তছনছ করেছে, অনেক মুল্যবান বিদেশী মেগাজিন বাজেয়াপ্ত করেছে। পর্নোগ্রাফি আইন আমাদের মেডামকে হয়রানি করার এক নতুন অস্ত্র। তাছাড়া জন সাধারনের মনেও এই আইন তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

মির্জা আলমগীর বলেন, মানুষ সারা দিন হাড় ভাঙ্গা খাটুনীর পর ঘরে ফিরে তার খাগড়াছড়ির সাথে দু দন্ড মধুর সময় কাটাতে চায়। পর্নোগ্রাফি এই সময় সহায়ক ভুমিকা পালন করে। তিনি বলেন, সরকার মানুষের ভাত কেড়ে নিয়েছে, এখন হাতও কেড়ে নিতে চায়।

মোসাদ্দেক আলী ফালুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মধুর হেসে মতিকণ্ঠকে বলেন, আমার ঐসব দেখা লাগে না।

পর্নোগ্রাফি আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ইসলামী বেক্তিত্ব হলিউডি তারকা আঞ্জুমান আরা জলি, নও মুসলমান আল্লামা আবদুল হকিং, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ সেয়দ আবুল মকসুদ ও গৃহবন্দী ইসলামী আন্দোলনের অগ্র সেনানী মুফতি ফজলুল হক আমিনী। তারা বলেন, পর্নোগ্রাফি বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে অন্যতম ভুমিকা পালন করে আসছে। পর্নোগ্রাফি বন্ধ করলে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পাবে।

পর্নোগ্রাফি আইনকে স্বাগত জানিয়ে প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন বলেছেন, তসলিমা নাসরিন রচিত ক উপন্যাসটি একটি আপাদমস্তক পর্নোগ্রাফি। আমি এই আইনকে স্বাগত জানাই। ইমদুদুল বলেন, খেলার সাথে রাজনীতি মিশান ঠিক নয়।

পর্নোগ্রাফি আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রভাবশালী এলাকা কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান বলেছেন, এই আইন দেশের সাংবাদিকতাকে পংগু করে দিবে। নকশা, আনন্দ ইত্যাদি পাতা প্রকাশ করা যাবে না। তিনি সরকারকে এই আইন রদ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, লাইনে আসুন।

January 30, 2012

লুঙ্গি কেনছার

ঢাকা, জানুয়ারি ৩০ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বছরের পর বছর একই স্থানে লুঙ্গির গিট্টু বাঁধা পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি নিয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। তারা ত্বকের এই সমস্যার নাম দিয়েছেন লুঙ্গি কেনছার।

লুঙ্গি কেনছার নিয়ে গবেষণারত বিজ্ঞানী ডা. বকশী জানান, গত দুই বছরে তিনি তিন জন লুঙ্গি কেনছারের রোগী পেয়েছেন।

লুঙ্গি কীভাবে কেনছারের কারণ হতে পারে, তা জানিয়ে ডা. বকশী বলেন, লুঙ্গি পরার সময় কোমরের কাছে একটা গিট্টু দিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে একইভাবে গিট্টু দেওয়ার ফলে কোমরের ছোট একটি জায়গার ওপর বেপক চাপ পড়ে এবং ত্বক স্বাভাবিক রঙ হারাতে থাকে। রঙ হারানো জায়গায় দেখা দেয় চুলকানি, খাউজানি, খোস-পাঁচড়া, দাউদ, একজিমা ইত্যাদি।

লুঙ্গির ক্ষেত্রে এই ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিলেও পেন্ট কিংবা বেল্ট পরলে তা হয় না কেন- জানতে চাইলে বকশী বলেন, “পেন্টের ক্ষেত্রে বেল্টের প্রস্থ বেশি হয়, ফলে কোমরের বড় অংশ জুড়ে চাপ ভাগ হয়ে যায়।”

যারা লুঙ্গি পরেন, ঝুঁকি এড়াতে তাদের লুঙ্গির ওপর বেল্ট পরার পরামর্শ  দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

লুঙ্গির গিট্টু ঢিলা করে বসে মতিকণ্ঠ পড়ছেন মকসুদ

বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, কলামিষ্ট, ও গান্ধীবাদী নেতা সৈয়দ আবুল মকসুদ এক নাতিদীর্ঘ সাক্ষাৎকারে মতিবেদককে বলেন, বসে থাকা অবস্থায় তিনি সবসময় লুঙ্গির গিট্টু খুলে রাখেন। যেহেতু দিনের বেশির ভাগ সময় তার লুঙ্গির গিট্টু খোলা থাকে তাই তাঁর কেনছার হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকসুদ দাবি করেন, মজলুম নেতা মাওলানা ভাসানী লুঙ্গি কেনছারে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

জামায়াতের বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মাজহার মোবাইল ফোনে মতিবেদককে বলেন, কেনছারের হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি কোমরকে সাত ভাগে ভাগ করে নিয়ে সপ্তাহের সাত দিন সাত জায়গায় লুঙ্গির গিট্টু মারেন। পেছন দিকে কীভাবে গিট্টু মারেন তা জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন করে দেন।

এদিকে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের নেতা ও উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের অগ্র সেনানী গৃহবন্দী মুফতি ফজলুল হক আমিনী দাবি করেছেন তার লুঙ্গি কেনছার হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। তিনি দাবি করেছেন কেনছারের ঝুঁকি এড়াতে তিনি সবসময় গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা পাঞ্জাবি পরেন। তিনি বলেন, গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা পাঞ্জাবি পরলে তলায় লুঙ্গি পরতে হয় না, ফলে একদিকে যেমন কেনছারের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় তেমনি অন্যদিকে যেখানে সেখানে লুঙ্গির গিট্টু খুলে যাওয়ার চিন্তা থেকে মুক্ত থাকা যায়।

%d bloggers like this: