Archive for January 14th, 2012

January 14, 2012

মুখোমুখি বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজার, জরুরি অবস্থা জারির আশঙ্কা

বিশেষ মতিবেদক

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে থমথমে করে দিয়ে মুখোমুখি হয়েছে দুই প্রভাবশালী অঞ্চল বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজার।

রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ কারনে দেশে জরুরি অবস্থা জারি হতে পারে।

সংবিধান রহিত করে জরুরি অবস্থা জারি করা না হলে বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের সংঘর্ষ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে মত প্রকাশ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেনারেল।

সরকারের উচ্চ মহলে যোগাযোগ করে এ ধরনের কোন পদক্ষেপের বেপারে কিছু জানতে পারেননি এই মতিবেদক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মন্ত্রী শুধু বলেন, বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের পরস্পরের পুটু মারামারির কথা আমরা শুনেছি। পরিস্থিতি খারাপ হলে আমরা সিটি কর্পরেশনের কুত্তামারা ডিভিশনকে তলব করব।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন বলেন, কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান দেশে আরেকটি এক-এগারো সৃষ্টি করতে চায়। তাকে অবিলম্বে কারাগারে প্রেরন না করলে সে ক্ষমতা দখল করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

জবাবে পৃথক এক সংবাদ সম্মেলনে মতিচুর রহমান বলেন, ইমদুদুল হক মেলন সিংহের পুটুতে আঙ্গুল ঢুকাতে চায়। সে কি ভুলে গেছে, তসলিমা নাসরীন তার “ক” গ্রন্থে ইমদুদুলের নামে কি লিখেছে?

তিনি ইমদুদুলকে সতর্ক করে বলেন, বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমরা তসলিমা নাসরীনের “ক” উপন্যাসটিকে কারওয়ানবাজার সাহিত্য পুরস্কার দিয়ে আবারও জাতে তুলব। ইমদুদুল হক মেলনের রগরগে কাহিনী ভরা পরিচ্ছেদটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করব। সাবধান ইমদুদুল, “ক” উপন্যাসে কিন্তু আমার নাম নাই।

জবাবে ইমদুদুল হক মেলন বলেন, লেখক লেখিকা একটু আধটু চুদাচুদি করেই থাকে। মতিচুর এইসব বুঝবে কিভাবে, সে কি লেখক? সে কারওয়ানবাজারের সর্দার। শাহ আলমের পুত্রের সাব্বির হত্যা মামলার নিখোঁজ সাক্ষী ভাসমান যৌন কর্মী পাপিয়া ও রাত্রী যদি কখনও বই লিখে, তাহলে হয়তো আমরা সেখানে মতিচুরের নাম পাব।

ইমদুদুল হক মেলন বলেন, মতিচুর রহমান গাজীপুরে বাগান বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করেন। সেই বাগান বাড়িতে কি হয়, জাতি জানতে চায়।

জবাবে মতিচুর বলেন, ইমদুদুলের উলংগ ছবি ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। আমার কোন উলংগ ছবি নাই। সব পাঞ্জাবি পরা ছবি। ভাল ছবি।

সেনা সদরের সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে, বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের সংঘর্ষ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন আশংকায় সব সেনানিবাসকে সতর্ক করা হয়েছে। দাংগা ছড়িয়ে পড়লে সেনারা টেংক ও বন্দুক নিয়ে শান্তি রক্ষার জন্য মাঠে নামবেন।

January 14, 2012

গোলাম আজম জেলে, কোপাচ্ছে তার ছেলে: মতিচুর

বিশেষ মতিবেদক

জাতীয় দখল দিবস এক-এগারোর পঞ্চম বর্ষপুর্তি উপলক্ষে কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ করে বক্তৃতার আয়োজন করেছে দেশের প্রভাবশালী অঞ্চল কারওয়ানবাজার।

এক-এগারোর পাঁচ বছর পুর্তি উপলক্ষে কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান, ইংরেজি সর্দার মহাফুজ এনাম, উপসর্দার আমিষুল হক, দেশের বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের অগ্রপুরুষ সৈয়দ আবুল মকসুদ, সদ্য ইসলাম গ্রহনকারিনী হলিউডি তারকা ও রাজনৈতিক বেক্তিত্ব আঞ্জুমান আরা জলি, ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের নেতা ও উপমহাদেশে ইসলামী আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ গৃহবন্দী মুফতি ফজলুল হক আমিনী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান আসিফ নজরুল প্রমুখ বক্তৃতা দেন।

মতিচুর রহমান বলেন, অধ্যাপক গোলাম আজমকে এই দিনে কারাগারে নিক্ষেপ করে এক-এগারোর সুনাম বানচাল করার ষড়যন্ত্রে নেমেছে সরকার। কিন্তু গোলাম আজম জেলে, কোপাচ্ছে তার ছেলে। তিনি বহিষ্কৃত বিগ্রেডিয়ার আবদুল্লাহ আমান আযমীকে সেনা অভ্যুত্থান ঘটানর আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা সেনাশাসনের সাথে ছিলাম, আছি, থাকব।

ইংরেজি সর্দার মহাফুজ এনাম মতিচুরের কথা ইংরেজিতে পুনরাবৃত্তি করেন।

উপসর্দার আমিষুল হক বলেন, উটপাখির জীবন চাই না। উটপাখির মাথা গর্তে নিরাপদ থাকে, কিন্তু পুটু উদাম থাকে। পুটু উদাম থাকলে অনেক বিপদ হয়। মানুষের জীবন চাই। পেন্ট পরতে চাই। আপনারা সবাই আমার “মা” উপন্যাসটি কিনুন।

সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, পুটু উদাম থাকলে সমস্যা নাই। কিন্তু সেই উদাম পুটু যেন অরক্ষিত না থাকে, সে জন্য মুসলিম পূর্ব বাংলায় ইসলামী সেনা শাসন জারি করা জরুরী। প্রতিটি পুটু বন্দুক কামান দিয়ে সুরক্ষিত করতে হবে। আমার পুটু তো উদাম থাকে, কিন্তু কই, আমি তো আমার পুটুর কোন ক্ষতি হতে দেই না?

এ সময় তার পোষা ছাগল পুটু পাশের আসনে আসীন থাকলেও কোন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।

আঞ্জুমান আরা জলি বলেন, এক-এগারো এ দেশে নারীর ক্ষমতায়নের পথ সুগম করেছিল। আলু জনপ্রিয় করার জন্য মমতাজ তখন টিভিতে আলুর গান গাইত। গনতন্ত্র এসে মমতাজের আলুর গান বন্ধ করে দেয়। নারী ক্ষমতা হারায়। দেশে এখন আলু পচে যাচ্ছে। গনতন্ত্র নারী ও আলুর জন্য ক্ষতিকর।

আমিনী নিজ বাড়ি থেকে ওয়েবকেমের মাধ্যমে যোগাযোগ করে বলেন, এক-এগারো একটি জেহাদ ছিল। কিন্তু সেই জেহাদকে ঘরে ঘরে পৌছে না দিয়ে তার বিকাশের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। আবারও দেশে নারীর শাসন এসেছে। নারীর শাসন কায়েম হলে কেয়ামত নজদিক হয়। এই সরকারের আমলে পিশাচিনী পুনম পাণ্ডে নগ্ন হয়েছে, ভিনা মালিক নগ্ন হয়েছে। আর সহ্য করব না।

আসিফ নজরুল বলেন, আপনারা জানেন, সরকারের গুন্ডারা আমার অফিসের দরজায় আগুন দিয়েছে। আমার দোষ, আমি সাঈদীকে ভালবাসি। আমার প্রেমকে সরকার চেলেঞ্জ করেছে। আমি এরশাদুল বারীর কাছে কাঁদতে শিখেছি, আমায় আর কান্নার ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই।

%d bloggers like this: