Archive for January 17th, 2012

January 17, 2012

বিএনপি কোনো দিনও বলেনি বিচার চাই না: নজরুল

স্টাফ মতিসপন্ডেন্ট
মতিনিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: বিএনপি কোনো দিনও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বিরোধিতা করেনি বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘বিএনপি কোনো দিনও বলেনি বিচার চাই না। আমরা নিরপেক্ষ বিচার চাই।’

রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সংস্কৃতি ও শহীদ জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে নজরুল ইসলাম খান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হতে হবে। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা রক্ষার স্বার্থে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচার করার আগে অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে বলে অভিমত বেক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ১০০০ হাজার জন সঙ্গী নিয়ে ওহুদ যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই ৩০০ লোক রাসূলুল্লাহ (সাঃ) পক্ষ তেগ করে মুশরেকদের দলে যোগ দিয়েছিল। এই ৩০০ লোককে তাই টেকনিকেলি যুদ্ধাপরাধী বলা চলে। যুদ্ধাপরাধের বিচারের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে জামায়াতের নেতাদের বিচার করার আগে এই ৩০০ লোকের বিচার করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম খান আরো বলেন, ১৯৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ও তার ফরাসী সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিজয়লাভের মধ্য দিয়ে মুসলিম বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। সে যুদ্ধে নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খান তার অধীনস্থ ১৬,০০০ সৈন্য নিয়ে নবাবের সাথে বেঈমানী করেছিলো। তাই টেকনিকেলি মীর জাফর ও তার অধীনস্থ ১৬,০০০ সৈন্যকেও যুদ্ধাপরাধী বলা যায়। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচারের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিচার করার আগে মীর জাফর ও তার অধীনস্থ ১৬,০০০ সৈন্যের যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে হবে।

নজরুল ইসলাম খান দাবি করেন, দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। যুদ্ধাপরাধী যারা ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় মেজর জিয়াউর রহমান তাদের নিজ হাতে হত্যা করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একাত্তরের রেম্বো।

যুদ্ধাপরাধের বিচারের স্বচ্ছতা কেমন হওয়া চাই, জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম খান বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার মেডাম জিয়ার জর্জেট শাড়ির মত স্বচ্ছ হওয়া চাই।

January 17, 2012

পানিপথের যুদ্ধে যোগ দিলো হকিং-জলি জোট

যুদ্ধ মতিবেদক

দেশের প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের মধ্যে চলমান ‘পানিপথের যুদ্ধে’ যোগ দিয়েছে সদ্য ইসলাম গ্রহণকারিনী হলিউডি তারকা আঞ্জুমান আরা জলি ও নও মুসলমান আল্লামা আবদুল হকিং এর জোট।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশংকা করছেন, পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। এই জোটের অংশ গ্রহনের পর চলমান পানিপথের যুদ্ধ আন্তর্জাতিক চেহারা নিল।

তিন বাহিনীর প্রধানেরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পানিপথের যুদ্ধে জানমালের ক্ষয় ক্ষতি যতদুর সম্ভব কম রাখার জন্য তারা চেষ্টা করবেন। এ উদ্দেশ্যে কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে গলফ খেলতে যাওয়া এখন খুবই জরুরী বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা আবদুল হকিং কিবলার দিকে ফিরে কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমানের এস্তেনজা করা প্রসংগে বলেন, “মতিচুর একটি অমার্জনীয় অপরাধ করেছে। সুনান আবু দাউদে বর্নিত রয়েছে, শক্ত মাটির উপর এস্তেনজা করা চলবে না। নরম মাটির উপর এস্তেনজা করতে হবে। অথচ মতিচুর শক্ত কমোডের উপর এস্তেনজা করে। কিবলার দিকে ফিরে এস্তেনজা করা শক্ত গুনাহের কাজ। মতিচুর তাই করেছে। এস্তেনজা করার সময় পাশে কারও সাথে গল্পগুজব করলে আল্লাহ কুপিত হন বলে সুনান আবু দাউদে বর্নিত আছে। অথচ মতিচুর প্রায়ই উপসর্দার আমিষুল হকের সাথে প্রস্রাবখানায় এস্তেনজারত অবস্থায় পশুর মত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা উঠতি মডেল-আভিনেত্রী নিয়ে আলাপ আলোচনা করে। সুনান আবু দাউদে বলা আছে أنا مثير للغاية بالنسبة لجسمي مثير جدا لجسمك الطريق وأنا الرقص الديسكو । কাজেই মতিচুরকে এখন কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে তার এস্তেনজার খাগড়াছড়িটিতে মার্বেল মেরে শাস্তি দিতে হবে।”

আঞ্জুমান আরা জলি বলেন, “মতিচুরকে এমন শাস্তি দিতে হবে যাতে সে আর এস্তেনজা করারই সাহস না পায়।”

আল্লামা আবদুল হকিং ইমদুদুল হক মেলন ও তসলিমা নাসরীনের মধ্যে সংঘটিত বেভিচার প্রসংগে বলেন, “চারজন পুরুষ সাক্ষী ছাড়া এই বেভিচারের বিচার করা সম্ভব নয়।”

বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ সৈয়দ আবুল মকসুদ আল্লামা হকিং এর রায় প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এই রায়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এতে পরিষ্কারভাবেই বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলনের পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। কিবলার দিকে ফিরে এস্তেনজা করার অপরাধে মতিচুরের খাগড়াছড়িতে মার্বেল মারা হবে, অথচ তসলিমা নাসরীনের সাথে জ্বেনা করার অপরাধে ইমদুদুলকে কোন শাস্তি দেয়া হবে না, এ হতে পারে না। আমি এর প্রতিবাদে কারওয়ানবাজার সার্ক ফোয়ারার পাদদেশে অনশন করব।

ইসলামী আন্দোলনের অগ্রসেনানী গৃহবন্দী মুফতি ফজলুল হক আমিনী বলেন, মতিচুর কিবলার দিকে ফিরে এস্তেনজা করে অত্যন্ত গুনাহের কাজ করেছে, তাতে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু যেহেতু সে নিয়মিত পিশাচিনী পুনম পাণ্ডে ও ভিনা মালিকের নগ্ন হওয়ার সংবাদ সরবরাহ করে, তাকে মাটিতে পুঁতে মার্বেল মারা জুলুম হয়ে যাবে। তার খাগড়াছড়িতে পাঁচটি বেতের বাড়ি দিয়ে এইবারের মত ছেড়ে দেয়া হোক। সেইসাথে তাকে তওবা করতে হবে।

ইমদুদুল হক মেলন আল্লামা হকিঙের রায়ের প্রতি পুর্ন সমর্থন বেক্ত করে বলেন, আল্লামা আবদুল হকিং আমাদের দুষিত রাজনৈতিক অংগনে এক শান্তির পারাবত।

মতিচুরের বেস্ত দিন

কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান বলেন, আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, আমি আমার ডেস্কে বসে বোতলে এস্তেনজা করি। প্রস্রাবখানায় এস্তেনজা করতে যাওয়ার সময় আমার নাই। প্রমান হিসেবে তিনি তার বোতলগুলির ছবি মতিবেদকের কাছে পেশ করেন।

মতিচুর বলেন, আমি মাওলানা ওবায়দুদুল হকের কাছে তওবা শিখেছি, আমায় আর তওবার ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, আস্তাগফিরুল্লাহ রাব্বি মিন কুল্লে জাম্বিউউউউউউউউউউউউ!

%d bloggers like this: