Archive for January 21st, 2012

January 21, 2012

জলাতঙ্ক রোধে হকিং-জলি জোটের প্রস্তাব

বিশেষ মতিবেদক

জলাতঙ্ক রোধে একটি বিশেষ প্রস্তাব করেছেন সদ্য ইসলাম গ্রহনকারিনী হলিউডি তারকা আঞ্জুমান আরা জলি ও নও মুসলমান আল্লামা আবদুল হকিং। চলমান রাজনীতির অংগনে তাঁরা ‘হকিং-জলি জোট’ নামে পরিচিত।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা হকিং বলেন, জলাতঙ্ক একটি খতরনাক রোগ। জলাতঙ্ক হলে নাভিতে চোদ্দটি ইনজেকশন নিতে হয়। সময় মত ইনজেকশন না নিলে মৃত্যু নিশ্চিত। জলাতঙ্কের সংক্রমণ ঠেকানর জন্য সিটি করপরেশন বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের সর্দারদ্বয়কে নিধন করার প্রস্তাব করেছে। কিন্তু তাদের না মেরে টীকা দিয়ে ও বন্ধ্যাকরনের মাধ্যমে এই রোগের সংক্রমন ঠেকান সম্ভব।

জলি বলেন, বন্ধ্যাকরন করলে বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের সর্দারেরা শান্ত হবেন। তারা আর সারারাত ডাকাডাকি করে জনজীবনে বিপর্যয় ডেকে আনবেন না। চলমান রক্তক্ষয়ী পানিপথের যুদ্ধের অবসানে এই পদক্ষেপ কাজে আসবে বলে মন্তব্য করেন জলি।

বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ সৈয়দ আবুল মকসুদ হকিং-জলি জোটের প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুলকে টীকা দিয়ে ও বন্ধ্যাকরন করে শান্ত করা যত জরুরী, কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমানকে তা করা তত জরুরী নয়। তিনি তসলিমা নাসরীনের ‘ক’ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ইমদুদুলের কারনে দেশের জনসংখ্যা আজ হু হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাকে অবিলম্বে শান্ত করা প্রয়োজন। কিন্তু মতিচুর রহমান একজন সচেতন সর্দার। এমন কিছু করা উচিত হবে না যাতে তিনি দেশকে সুসন্তান লাভ থেকে বঞ্চিত করেন।

গৃহবন্দী ইসলামী আন্দোলনের অগ্রসেনানী মুফতি আমিনী হকিং-জলি জোটের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে বলেন, জন্ম নিয়ন্ত্রন একটি ইহুদি-নাসারা চক্রান্ত। বাংলাদেশে মুসলমানের সংখ্যা বৃদ্ধিতে মতিচুর ও ইমদুদুল, দুয়ের ভুমিকাই প্রশংসনীয়। তিনি কারওয়ানবাজারের অদুরে সোনারগাঁও রোডের সর্দার শেমল দত্তকে ইনজেকশন দিয়ে বন্ধ্যাকরনের আহ্বান জানান।

January 21, 2012

অল কোয়াএট ইন দি ওয়েষ্টার্ন ফ্রন্ট

যুদ্ধ মতিবেদক

দেশের প্রভাবশালী এলাকা বসুন্ধরা ও কারওয়ানবাজারের মধ্যে চলমান ‘পানিপথের যুদ্ধ’ নতুন দিকে মোড় নিয়েছে।

কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান তাঁর কার্যালয়ের কিবলামুখী প্রস্রাবখানাটি গান পাউডার দিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বসুন্ধরার সর্দার ইমদুদুল হক মেলন।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রমান লোপাট করার জন্য মতিচুর রহমান আজমী নিজের কার্যালয়ের প্রস্রাবখানায় বিধ্বংসী অভিযান চালায়। প্রস্রাবখানিটি কিবলা অভিমুখে নির্মান করা হয়েছিল। প্রস্রাবখানাটি ধ্বংস করতে গান পাউডার ও আর্জেস গ্রেনেড বেবহার করা হয় বলে দাবি করেন ইমদুদুল। তিনি বলেন, হরতালে বাসে অগ্নিসংযোগে বেবহৃত গান পাউডার ও ২১শে আগষ্ট শেখ হাসিনার জনসভায় হামলায় বেবহৃত আর্জেস গ্রেনেডের সাথে মতিচুর আজমীর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

জবাবে কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর বলেন, আমার প্রস্রাবখানায় ইমদুদুল হক মেলন দুই দিন পর পর এসে এস্তেনজা করে। সে একটি অভিশাপ। এস্তেনজা করে সে পানি নেয় না, পানি ঢালে না, ঢিলা কুলুখ করে না। সে আমার প্রস্রাবখানা বা পায়খানা বেবহারের পর কোন সুস্থ লোকের পক্ষে আর সেই পায়খানা প্রস্রাবখানা পুনরায় বেবহার করা সম্ভব নয়। ইমদুদুলের হাত থেকে রক্ষা পেতেই আমি আমার প্রস্রাবখানাটি শ্রমিক ডেকে চুরমার করেছি। তিনি গান পাউডার বা আর্জেস গ্রেনেড বেবহারের কথা অস্বীকার করেন। মতিচুর বলেন, জ্বালাও পোড়াওয়ে আমি বিশ্বাস করি না। তিনি ইমদুদুল হক মেলনকে এস্তেনজার পর পানি বেবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বদলে যাও বদলে দাও।

এদিকে পলাতক জেহাদী মেজর জিয়ার সর্ঙ্গে কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমানের গোপন যোগাযোগের দাবি উত্থাপন করে ইমদুদুল হক মেলন বলেন, চলমান পানিপথের যুদ্ধে সুনিশ্চিত পরাজয়ের কথা উপলব্ধি করেই মতিচুর রহমান আজমী বিপথগামী মেজর জিয়াকে সশস্ত্র জেহাদ করে তাকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন। মেজর জিয়া জেড ফোর্স নামে একটি বাহিনী গঠন করে আগরতলা থেকে পানিপথের যুদ্ধে যোগ দিতে পারেন বলে আশংকা প্রকাশ করেন ইমদুদুল।

জবাবে মতিচুর বলেন, মেজর জিয়ার সাথে আমার শেষ দেখা হয় বায়তুল মোকাররমে, যখন আমি খতিব উবায়দুদুল হকের পায়ে ধরে তওবা করি। মেজর জিয়াও সেদিন নামাজ আদায় করতে বায়তুল মোকাররমে এসেছিলেন। তার পর তার সাথে আমার আর যোগাযোগ হয়নি।

%d bloggers like this: