লুঙ্গি কেনছার

ঢাকা, জানুয়ারি ৩০ (মতিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বছরের পর বছর একই স্থানে লুঙ্গির গিট্টু বাঁধা পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি নিয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। তারা ত্বকের এই সমস্যার নাম দিয়েছেন লুঙ্গি কেনছার।

লুঙ্গি কেনছার নিয়ে গবেষণারত বিজ্ঞানী ডা. বকশী জানান, গত দুই বছরে তিনি তিন জন লুঙ্গি কেনছারের রোগী পেয়েছেন।

লুঙ্গি কীভাবে কেনছারের কারণ হতে পারে, তা জানিয়ে ডা. বকশী বলেন, লুঙ্গি পরার সময় কোমরের কাছে একটা গিট্টু দিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে একইভাবে গিট্টু দেওয়ার ফলে কোমরের ছোট একটি জায়গার ওপর বেপক চাপ পড়ে এবং ত্বক স্বাভাবিক রঙ হারাতে থাকে। রঙ হারানো জায়গায় দেখা দেয় চুলকানি, খাউজানি, খোস-পাঁচড়া, দাউদ, একজিমা ইত্যাদি।

লুঙ্গির ক্ষেত্রে এই ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিলেও পেন্ট কিংবা বেল্ট পরলে তা হয় না কেন- জানতে চাইলে বকশী বলেন, “পেন্টের ক্ষেত্রে বেল্টের প্রস্থ বেশি হয়, ফলে কোমরের বড় অংশ জুড়ে চাপ ভাগ হয়ে যায়।”

যারা লুঙ্গি পরেন, ঝুঁকি এড়াতে তাদের লুঙ্গির ওপর বেল্ট পরার পরামর্শ  দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

লুঙ্গির গিট্টু ঢিলা করে বসে মতিকণ্ঠ পড়ছেন মকসুদ

বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, কলামিষ্ট, ও গান্ধীবাদী নেতা সৈয়দ আবুল মকসুদ এক নাতিদীর্ঘ সাক্ষাৎকারে মতিবেদককে বলেন, বসে থাকা অবস্থায় তিনি সবসময় লুঙ্গির গিট্টু খুলে রাখেন। যেহেতু দিনের বেশির ভাগ সময় তার লুঙ্গির গিট্টু খোলা থাকে তাই তাঁর কেনছার হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকসুদ দাবি করেন, মজলুম নেতা মাওলানা ভাসানী লুঙ্গি কেনছারে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

জামায়াতের বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মাজহার মোবাইল ফোনে মতিবেদককে বলেন, কেনছারের হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি কোমরকে সাত ভাগে ভাগ করে নিয়ে সপ্তাহের সাত দিন সাত জায়গায় লুঙ্গির গিট্টু মারেন। পেছন দিকে কীভাবে গিট্টু মারেন তা জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন করে দেন।

এদিকে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের নেতা ও উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের অগ্র সেনানী গৃহবন্দী মুফতি ফজলুল হক আমিনী দাবি করেছেন তার লুঙ্গি কেনছার হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। তিনি দাবি করেছেন কেনছারের ঝুঁকি এড়াতে তিনি সবসময় গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা পাঞ্জাবি পরেন। তিনি বলেন, গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা পাঞ্জাবি পরলে তলায় লুঙ্গি পরতে হয় না, ফলে একদিকে যেমন কেনছারের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় তেমনি অন্যদিকে যেখানে সেখানে লুঙ্গির গিট্টু খুলে যাওয়ার চিন্তা থেকে মুক্ত থাকা যায়।

One Comment to “লুঙ্গি কেনছার”

  1. মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর লুংগী ক্যান্সার হয়েছিল। এটা সৈয়দ আবুল মকসুদ সাহেবের নয়া আবিষ্কার। মহান নেতার এ সফল জীবনীকার তাঁর মৃত্যুর ৩৬ বছর পর এ কথা এখন বলেন কেন? তার মৃত্যুর আগে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডতো এ রিপোর্ট দেয় নাই। আমার মনে হয় কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ সাহেবের ন্যাংটি ক্যান্সার হয়েছে। গান্ধীবাদী হবার পর থেকে তাকে এ রোগে ধরেছে। তিনি খুব শীঘ্রি ন্যাংটি কান্সার বিশেষজ্ঞ হয়ে যাবেন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: