Archive for April 16th, 2012

April 16, 2012

‘হাওয়া ভবন’ পুরস্কার পেলেন সুরঞ্জিত

বিশেষ মতিবেদক

দুর্নীতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করায় ‘হাওয়া ভবন’ পুরস্কারে ভুষিত হলেন সদ্য বিদায়ী রেল মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

আজ এক অনুষ্ঠানে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নেতা মওদুদ আহমদ।

পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে মওদুদ আহমদ বলেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত দীর্ঘ সত্তর বছর রাজনীতি করেছেন। কিন্তু এই সত্তর বছর তিনি লাইনে আসার সুযোগ পাননি। এতদিন পর সুযোগ পেয়ে তিনি লাইনে এসেছেন।

মওদুদ বলেন, সবাই নোবেল পদক নিয়ে হইচই করে। স্কুল কলেজে পাঠ্য পদার্থ রসায়ন নিয়ে নোবেল দেওয়া হয়। ওগুলির কোন বেল নাই। ওগুলি পায় শাজাহান তপনের মত লোক। আমরা রাজনীতি করি। আমাদের লাইন আলাদা। কিন্তু আমাদের কোন স্বিকৃতী নাই। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আমরা চুরি করি। আমার বাড়িতে এখনও রিলিফের এক বান্ডিল টিন পড়ে আছে। ঘুষ হিসাবে অর্ধ বোতল বিদেশী মদ্য গ্রহন করায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আমাকে হেনস্তা করা হয়েছিল। কিন্তু সকল বাধা তুচ্ছ করে আমি আবারও লাইনে চলে এসেছি। আর থামাথামি নাই।

'হাওয়া ভবন' পুরস্কার পেলেন সুরঞ্জিত

তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, দুর্নীতি একটি কঠিন কাজ। কঠর অধ্যাবসায় প্রয়োজন। পুলিশ, আর্মী, বিরোধী দল, বিদেশী কুটনীতিক, আই এস আই, এইসব সামলান লাগে। এখন আবার তার সাথে যোগ হয়েছে গাড়ি চালকের উপর খবরদারি। এতসব সামলানর পর আমরা দুই চার কুটি টেকাটুকা মারতে পারি। অথচ আমাদের কেউ মুল্যায়ন করে না। এভাবে চলতে পারে না।

মওদুদ বলেন, আমাদের কঠিন কাজের স্বিকৃতী হিসাবেই ‘হাওয়া ভবন’ পুরস্কার চালু করা হয়েছে। এখন থেকে আমরা দেশের বড় বড় দুর্নীতিবীদকে ‘হাওয়া ভবন’ পুরস্কার দিব।

তিনি বলেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে আমরা ‘গ শাখা’য় পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দুর্নীতি করে ধরা পড়ে পদত্যেগ করলে ‘গ শাখা’য় ব্রোনজ পদক দেয়া হবে। দুর্নীতি করে ধরা পড়ার পরও পদত্যেগ না করে গদিতে বসে থাকলে ‘খ শাখা’য় রোপ্য পদক এবং দুর্নীতি করে ধরা পড়ার পর লনডন বা বেংককে চলে যেতে পারলে ‘ক শাখা’য় স্বর্ন পদক দেয়া হবে।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পুরস্কার গ্রহন করে বলেন, আমাকে পুরস্কারের নিয়ম কানুন আগে জানান হলে আমি লনডন চলে যাইতাম। স্বর্ন পদক পাইতাম। কিন্তু আমার বন্ধু মওদুদ আহমদ আমাকে বিস্তারিত না জানানর কারনে আমাকে এইবার ব্রোনজ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। জানি না জীবনে আবার কবে ‘হাওয়া ভবন’ পুরস্কারের সুযোগ পাব।

মওদুদ আহমদ বলেন, একবারে না পারিলে দেখ শতবার। আমি বংগবন্ধুর আমল থেকে লাইনে আছি।

তিনি বলেন, হাল ছেড় না বন্ধু বরং কণ্ঠ ছাড় জোরে।

April 16, 2012

মোস্তফা কামালের দুর্নীতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করলেন স্টুয়ার্ট ল

ক্রীড়া মতিবেদক

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি মোস্তফা কামালের দুর্নীতির দায় নিজের কাধে নিয়ে পদত্যাগ করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচ স্টুয়ার্ট ল।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে স্টুয়ার্ট ল এ ঘোষনা দেন।

ল বলেন, আপনারা সবাই জানেন, আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পৃথিবীর সেরা ক্রিকেট দল। তাদের কোচ হিসাবে নয় মাস কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত। কিন্তু আপনারা এও জানেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য ক্রিকেট বোর্ড। কারন এর সভাপতি হিসাবে দায়িত্বে আছে একটি অভিশাপ। তার নাম মোস্তফা কামাল।

মোস্তফা কামাল একটি অভিশাপ: স্টুয়ার্ট 'ব্রাদার ইন' ল

স্টুয়ার্ট ল আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, মোস্তফা কামাল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি জাকা আশরাফের পুত্র। তার শরীরে বইছে পাকিস্তানী রক্ত। আর কে না জানে, পাকিস্তান একটি অভিশাপ। পাকিস্তানীরা সকলেই বানচুদ। তারা ক্রিকেটারদের উপর বোম মারে, গুলি চালায়। নিম্নমানের বিরিয়ানী পরিবেশন করে। তারা শুধু আছে মেচ ফিক্সিং ষ্পট ফিক্সিং এর ধান্ধায়। আর এই ধান্ধার বখরা চায় মোস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, মোস্তফা কামাল বিশ্ব জোড়া মেচ ফিক্সিং এর টাকার বখরা পেতে পাকিস্তানের সহযোগীতা চায়। তাই সে পাকিস্তানে পাঠাতে চায় বাংলাদেশ দলকে। সে একটি দুর্নীতিবাজ খানকির পুলা।

স্টুয়ার্ট ল বলেন, মোস্তফা কামাল একটি বেহায়া। তাকে সকাল বিকাল জুতার বাড়ি দিলেও সে বিসিবি থেকে পদত্যেগ করবে না। তাই আমি নিজেই তার দুর্নীতির দায় কাধে নিয়ে পদত্যেগ করলাম। আশা করি আমার দেখাদেখি বাকি সবাই পদত্যেগ করবে। মোস্তফা কামাল একাই বিসিবি চালাক। আমি আর নাই। খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

April 16, 2012

মোস্তফা কামালকে তেজ্যপুত্র ঘোষনা করলেন অভিমানী পিতা

নিজস্ব মতিবেদক

সরকার দলীয় সাংসদ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি মোস্তফা কামালকে তেজ্যপুত্র ঘোষনা করেছেন তার পিতা আলহাজ্ব মৌলভী বাবরু মিয়া।

আজ কুমিল্লায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষনা দেন বাবরু মিয়া। পাকিস্তানের হয়ে দালালীর অভিযোগ এনে নিজ পুত্রকে তেজ্য করেন তিনি।

অভিমানী বাবরু মিয়া বলেন, মোস্তফা কামালকে আমি নিজের পুত্র পরিচয় দিতে লজ্জা পাই। সে একটি অভিশাপ। আজ থেকে সে আর আমার পুলা নয়। সে একটি খানকির পুলা। তাকে আমি তেজ্য করে দিলাম। এক তেজ্য, দুই তেজ্য, তিন তেজ্য।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাবরু মিয়া বলেন, মোস্তফা কামালের সাথে জাকা আশরাফের চেহারার সাদৃশ্য রয়েছে।

ওদিকে দুবাইতে পাল্টা এক সংবাদ সম্মেলনে মোস্তফা কামাল বলেন, শুনেছি বাবরু মিয়া আমাকে তেজ্যপুত্র ঘোষনা করেছেন। আমি আপনাদের মাধ্যমে তাকে জানিয়ে দিতে চাই, এক বাবা তেজ্য করে, লক্ষ বাবা ঘরে ঘরে।

মোস্তফা কামাল সগর্বে বলেন, পাকিস্তানের ঘরে ঘরে আমার বাবা আছে।

পিতা পুত্রের মধুর খুনসুটি

ওদিকে আইসিসির একটি সভায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি জাকা আশরাফ মোস্তফা কামালকে বলেন, আই এম ইওর ফাদার।

মোস্তফা কামাল এ সময় চোখ টিপে জাকা আশরাফের বক্তব্যে সম্মতি দেন।

পিতা পুত্রের এই খুনসুটি দেখে আইসিসির অন্য সদস্যদের জবান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সভা মুলতবি ঘোষনা করা হয়।

%d bloggers like this: