দেহরক্ষীদের আচরনে ক্ষুব্ধ ওবামা

ওয়াশিংটন মতিনিধি

কলম্বিয়ার কারতাজেনা শহরে একটি সম্মেলনে যোগদান করতে গিয়ে দেহরক্ষীদের আচরনে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক হোসেন ওবামা।

ওবামার দেহরক্ষীরা ওবামার সাথে একই হোটেলে ওঠেন। নিশি রাতে তাদের মধ্যে কাম প্রবৃত্তি জাগ্রত হয়। তারা শহর থেকে কলম্বিয়ার সুন্দরী পতিতাদের ভাড়া করে আনেন দেহের ক্ষুদা মিটাতে।

কিন্তু সারা রাত কাম পিপাসা মিটানর খেলায় মত্ত থাকলেও সকালে তাদের প্রাপ্য মজুরী পরিশোধ করেননি একজন দেহরক্ষী।

বঞ্চিতা পতিতা প্রাপ্য পারিশ্রমিকের দাবীতে শোরগোল শুরু করলে বেপারটি সারা শহরে জানাজানি হয়।

কারতাজেনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কারতাজেনা যুব দলের সাধারন সম্পাদক এ সময় অকুস্থলে উপস্থিত হয়ে মিটমাট করার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। এক পর্যায়ে সকল পতিতাদের মারধর করে হোটেল থেকে বিতাড়িত করা হয়।

এর পর পতিতারা কারতাজেনার কারওয়ানবাজারের সাংবাদিকদের সাথে যোগাযোগ করে সব কিছু খুলে বলে। সাংবাদিক মোবাইলে তাদের সব কিছু খুলে বলার দৃশ্য ধারন করে কারতাজেনার মুন্নী সাহার সাথে যোগাযোগ করলে পরবর্তী এক ঘন্টার মধ্যেই এ কাহিনী টিভি, সংবাদ পত্র ও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভাগ না পেয়ে নিরানন্দ ওবামা

এ ঘটনা জানতে পেরে প্রেসিডেন্ট ওবামা রাগারাগি করেন।

ওবামা নিজের দেহরক্ষীদের ডেকে ধমক দেন, এবং বলেন, তোমরা ঘরে মেয়ে ঢুকানর আগে আমাকে বলনি কেন? আমার কি সাধ আহ্লাদ নাই?

ওবামা এর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এ ঘটনার তদন্ত করার নির্দেশ দেন এবং তিন দেহরক্ষী কর্মকর্তাকে চাকরি চ্যুত করেন।

বারাক হোসেন ওবামা বলেন, কেউ পাবে, কেউ পাবে না, তা হবে না, তা হবে না।

তিনি দেহরক্ষীদের উদ্দেশ করে বলেন, তোমরা এর পর লাইনে আসার আগে আমাকেও জানাবে। আমিও তোমাদের সাথে লাইনে যাব।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের পথিকৃত ও ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের নেতা মুফতি ফজলুল হক আমিনী অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, ওবামা নিজে মুসলমান হলেও তার দেহরক্ষীগন কাফের। তারা মুসলমান হলে জানত, ঘাম শুকানর আগেই পতিতাকে তার পারিশ্রমিক পরিশোধ করতে হয়।

পতিতাদের পারিশ্রমিকের নিয়মকানুন তিনি কিভাবে জানেন, এ প্রশ্নের জবাবে আমিনী ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, আমনে পতিতা আমাত্তে বেশি বুজেন?

3 Comments to “দেহরক্ষীদের আচরনে ক্ষুব্ধ ওবামা”

  1. “কারতাজেনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কারতাজেনা যুব দলের সাধারন সম্পাদক এ সময় অকুস্থলে উপস্থিত হয়ে মিটমাট করার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।” “সাংবাদিক মোবাইলে তাদের সব কিছু খুলে বলার দৃশ্য ধারন করে ” 😀

    Epic ভাই!

  2. পতিতাদের পারিশ্রমিকের নিয়মকানুন তিনি কিভাবে জানেন, এ প্রশ্নের জবাবে আমিনী ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, আমনে পতিতা আমাত্তে বেশি বুজেন? 😀

  3. এই “X আমাত্তে বেশী বুজেন?” ডায়ালগ এখন বোরিং হইয়া যাইতাছে ভাই, একটু পাল্টান গো ভাই, একটু পাল্টান।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: