Archive for April 21st, 2012

April 21, 2012

ইলিয়াস আলীকে মোকাবেলা করতে পরমানু ক্ষেপনাস্ত্র তৈরী করেছে ভারত: খালেদা

বিশেষ মতিবেদক

বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর আপোশহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, সরকার ভারতের যোগ সাজশে ইলিয়াস আলীকে গুম করেছে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া এ অভিযোগ করেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ইলিয়াস আলী সিলেটের বিপ্লবী নেতা। তিনি টিপাইমুখ বাধ ও সীমান্ত হত্যার মত বিষয়ে সারা সিলেট জুড়ে প্রবল গনজোয়ার সৃষ্টি করেছিলেন। তাই তার সাফল্যে ভীত হয়ে সরকার ভারতীয় গুপ্তচর বাহিনী র এর যোগ সাজশে তার মত জনপ্রিয় বিপ্লবী নেতাকে গুম করেছে।

তুরাগ, বালু, বুড়িগংগা ও শীতলক্ষা নদীর দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ইলিয়াসের লাশ ভেসে উঠা মাত্র তা দখল করতে হবে।

ঘটনার বিবরন দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ইলিয়াস হোটেল রুপসী বাংলার মসজিদ কক্ষে এশার নামাজ আদায় করে সেহরী খেয়ে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার জন্য বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় বনানীতে ভারতীয় গুপ্তচর বাহিনীর পতাকা শোভিত একটি গাড়ি, আওয়ামী লীগের পতাকা শোভিত একটি গাড়ি ও রেবের পতাকা শোভিত একটি গাড়ি তিন দিক থেকে এসে তাকে ঘিরে ধরে। এক পর্যায়ে ইলিয়াস তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করার সুযোগ ভিক্ষা করলে ভারতীয় গুপ্তচর তার গালে চড় মেরে বলেন, মসজিদে উলু ধ্বনি শোনাব চল আমাদের সাথে। এর পর তারা ইলিয়াসকে একই সংগে তিনটি গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে চলে যায়।

ইলিয়াসকে রুখতে ভারতীয় বোম

খালেদা জিয়া আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ইলিয়াস একজন তেগী নেতা। সে শহীদ জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক জিয়ার বন্ধু। বিএনপির সকল সমাবেশে মঞ্চ বানিজ্য দেখাশোনা করে ইলিয়াস। এ থেকে টেন পারসেন্ট সে লনডনে পাঠায়। সেই টাকাতেই তরুন নেতা তারেক জিয়ার চিকিৎসা চলছে, তিনি দুটি খেতে পরতে পারছেন। ইলিয়াসকে গুম করে সরকার ও ভারত তাই তারেক জিয়াকেই কাবু করতে চায়।

এ ষড়যন্ত্র রুখতে পাকিস্তান, সৌদী আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগীতা চাওয়া হবে বলে জানান খালেদা জিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে এ সময় ইলিয়াসকে মোকাবেলা করার জন্য ভারতের পরমানু ক্ষেপনাস্ত্র অগ্নি-৫ এর ছবি প্রদর্শন করা হয়। ছবিটি দেখে খালেদা জিয়ার বিশেষ উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালু অন্যমনস্ক হয়ে পড়েন।

April 21, 2012

শান্তির জন্যে বেবসা

ট্রান্সকম গ্রুপের মালিক ও কারওয়ানবাজারের পৃষ্ঠপোষক বেবসায়ী জনাব লতিফুর রহমান ‘বিজনেস ফর পিস’ পদকে ভুষিত হয়েছেন। এই খবর মতিচুরের দ্বিতীয় আলু প্রথম পাতায় প্রাধান্য দিয়ে প্রকাশিত হয় যেই দিন, ঠিক তার পরের দিন বরিশালের এক স্কুলে ট্রান্সকম গ্রুপের ট্রাক থেকে মেয়াদোত্তীর্ন দুধ বিক্রি করতে গিয়ে শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবকদের হাতে নাজেহাল হলেও দ্বিতীয় আলু এই সংবাদ বেমালুম চেপে যায়।

খবর প্রকাশ না করার ব্যাপারে দ্বিতীয় আলুর সম্পাদক মতিচুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দেখুন, বিজনেস ফর পিস-এর পৃষ্ঠপোষকতায় আমাদের পত্রিকা ‘নিউজ ফর পিস’ নীতি মেনে চলে। তাই পৃষ্ঠপোষকের মনে অশান্তির সৃষ্টি হয় এমন কোনো খবর আমরা প্রকাশ করি না।

এর পরে মতিবেদক যোগাযোগ করে ট্রান্সকম গ্রুপের মালিক লতিফুর রহমানের সাথে। ‘আপনার কোম্পানী কেন মেয়াদোত্তীর্ন দুধ বিক্রি করে’, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেখুন, আমি ‘বিজনেস ফর পিস’ পদক পেয়েছি, কারণ আমি শান্তির জন্য বেবসা করি। আমার কোম্পানীর ট্রাক ওই স্কুলে গিয়েছিল নষ্ট হওয়া দুধ দিয়ে বেবসা করে টেকাটুকা কামাই শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। কিন্তু আপনি তো জানেনই, আমাদের দেশের লোকজন একটা অভিশাপ। এরা শান্তি চায় না। তাই আমাদের শান্তি স্থাপনের উদ্যোগ ভন্ডুল হয়ে গেছে।

‘বিজনেস ফর পিস’ বলতে আপনি কি বোঝেন? এই প্রশ্ন তাকে করা হলে তিনি বলেন, এর মানে হলো ‘শান্তির জন্যে বেবসা’ অর্থাৎ বেবসার মাধ্যমে শান্তি লাভ করা। বেবসা যখন রমরমা, তখন কোটি কোটি শান্তি পাই। তবে বেবসাটা কার এবং কার শান্তি, তা আপনাদের না জানলেও চলবে। মনে রাখবেন, আমার কোম্পানির নাম ট্রান্স কম, তবে মুনাফা বেশি।

%d bloggers like this: