Archive for April 23rd, 2012

April 23, 2012

দলের সিনিয়র নেতাদের সাথে বৈঠক করছেন খালেদা জিয়া

নিজস্ব মতিবেদক

গুলশানে নিজ বাসভবন সংলগ্ন রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের বিএনপি শাখার স্থায়ী কমিটি ও সিনিয়র নেতাদের সাথে বৈঠক করছেন মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া।

বেংকক নিবাসী খালেদা জিয়ার অপর সন্তান পলাতক আরাফাত কোকোর কাছ থেকে আসা একটি বার্তার প্রেক্ষিতে এই জরুরী বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বেংকক থেকে অভিমানী কোকো জানিয়েছেন, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের সকল কার্যক্রমে বেবহার করা হয় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়ার সন্তান তারেক জিয়ার ছবি। কিন্তু কোথাও খালেদা জিয়ার অপর সন্তান আরাফাত কোকোর ছবি বেবহার করা হয় না।

আরাফাত কোকো বার্তায় বলেন, একটি গনতান্ত্রিক দেশে এই বৈষম্য চলতে পারে না। এখন থেকে আমার ছবিও বেবহার করতে হবে।

কোথাও নেই কোকোর ছবি

অভিমানী কোকো বলেন, আমি কি খালেদা জিয়ার সন্তান নই? তবে কেন এই বঞ্চনা?

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সেখানেও দেয়ালে শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার ছবি ঝুলছে।

কিন্তু কোথাও নেই কোকোর ছবি।

ইলিয়াস আলী ও হরতাল প্রসংগে বিএনপির নেতাদের সাথে কথা বলতে গেলে তারা বলেন, আরে ধুত্তেরি ইলিয়াস আলী।

April 23, 2012

ক্ষমতায় গেলে সবাইকে এইচএসসি পাশ ঘোষনা করব: খালেদা জিয়া

বিশেষ মতিবেদক

হরতালের কারনে সারা দেশে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা মুলতবী করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে সবাইকে এইচএসসি পাশ ঘোষনা করা হবে। কেউ এইচএসসি ফেল থাকবে না।

নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা এমন গুরুত্বপুর্ন কিছু নয়। গুরুত্বপুর্ন হচ্ছে ইলিয়াস। ইলিয়াসকে খোঁজে বের করার পরীক্ষায় যদি সরকার পাশ না করে, এইচএসসি পাশ দিয়ে কি হবে।

খালেদা বলেন, এইচএসসি পাশ করেও কোন লাভ নাই। তিনি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ করে বলেন, আমাকে দেখ। আমি, শহীদ জিয়াউর রহমানের সন্তান তরুন নেতা তারেক জিয়া ও আমার অপর পুত্র আরাফাত কোকো এইচএসসি পাশ না করেই কুটি কুটি টেকা কামাই করেছি।

তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার চেয়ে বড় পরীক্ষা ক্লাস এইটের ফাইনাল পরীক্ষা। যদি তাতে তোমরা পাশ কর, তাহলেই চলবে।

ইলিয়াস আলীকে খোঁজে পাওয়ার হরতালে দুইজন গাড়ি চালক নিহত হওয়া বিষয়ে খালেদা বলেন, আওয়ামী লীগ দুইজন ড্রাইভারকে গায়েব করেছে। তারা হচ্ছে সুরঞ্জিতের এপিএসের চালক আলী আজম ও ইলিয়াসের গাড়ি চালক আনসার আলী। তাই আমরাও দুইজন ড্রাইভারকে গায়েব করেছি।

তিনি বলেন, টিট ফর টেট।

April 23, 2012

মির্জা ফখরুলকে জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ ঘোষনা করল বিএনপি

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী শক্তির ‘কমপ্লান বয়’ ঘোষনা করেছে বিএনপি।

আজ হরতাল চলাকালে বিএনপির নিজ কার্যালয়ে মির্জা ফখরুলকে এই খেতাবে ভুষিত করেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া।

গতকাল বিএনপি নেতা ও অখন্ড ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাকে চড় মেরে এক সংবাদ সম্মেলন করেন মির্জা ফখরুল। এ সংবাদ সম্মেলনে সাদেক হোসেন খোকা জানান, মির্জা ফখরুল নিয়মিত কমপ্লান খান।

এর পরদিনই মির্জা ফখরুলকে জাতীয়তাবাদী শক্তির কমপ্লান বয় ঘোষনা করলেন খালেদা জিয়া।

জাতীয়তাবাদী শক্তির কমপ্লান বয় মির্জা ফখরুল

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক উদ্যমী পুরুষ। তিনি নিয়মিত লনডন ও বেংককে গিয়ে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির খেদমত করে আসেন। তিনি আমাদের কমপ্লান বয়।

কমপ্লানের বাংলাদেশের পরিবেশক ট্রান্সকমের মালিক লতিফুর রহমান মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়ে তার হাতে কমপ্লানের একটি সৌজন্য ডিব্বা তুলে দেন।

মির্জা ফখরুল আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, আই এম এ কমপ্লান বয়।

এ সময় সাদেক হোসেন খোকা খালেদা জিয়ার কাছে মির্জা ফখরুলের নামে নালিশ দিলে খালেদা জিয়া বলেন, কমপ্লান বয়ের নামে কোন কমপ্লেন শুনতে চাই না। বাম গালে চড় খেলে ডান গাল ফিরিয়ে দিন।

জাতীয়তাবাদী শক্তির জন্য একজন কমপ্লান গার্ল সন্ধান চলছে, এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের বিএনপি শাখার মহিলা নেতৃবৃন্দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পাপিয়া পান্ডে, রেহানা আকতার রানু ও ফরিদা আকতার কমপ্লান কেনার জন্য লতিফুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।

April 23, 2012

খোকা বেআদবী করায় তাকে চড় মেরেছি: ফখরুল

বিশেষ মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নেতা সাদেক হোসেন খোকাকে চড় মেরেছেন বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

চড় মারার পর সংবাদ সম্মেলন ডেকে তিনি এর কার্য কারন সাংবাদিকদের কাছে বেখ্যা করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলাম, ইলিয়াসকে ফিরিয়ে দিন, বদলে খোকাকে গুম করুন। কিন্তু সরকার ও খোকা, উভয়েই এই প্রস্তাবে গড়িমসি করছিল। তাই রাগ সহ্য করতে না পেরে খোকাকে আমি পদাধিকার বলে একটি চড় মেরেছি।

মির্জা ফখরুল আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ইলিয়াস আমাদের একজন তেগী নেতা। সে আমাদের লং মার্চ, শর্ট মার্চ, রোড মার্চ, সব মার্চের মঞ্চ বানিজ্য দেখাশুনা করে। তার কাছে চান্দা দিয়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মঞ্চে উঠতে হয়। এই টাকার একটি অংশ সে ‘হাওয়া কর’ হিসাবে লনডনে পাঠায়। আর সেই ‘হাওয়া কর’ এর টাকায় আমাদের তরুন নেতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সন্তান তারেক জিয়া লনডনে খেয়ে পরে বেচে আছেন। ইলিয়াসের অবর্তমানে আমাদের তরুন নেতা বিপদে পড়ে যাবেন। তিনি চিকিৎসার স্বার্থে একটি নতুন বিএমডব্লিউ গাড়ি কিনতে চান। এই বিএমডব্লিউ গাড়ি না হলে তার চিকিৎসা বিঘ্নিত হবে। অথচ ইলিয়াসকে সরকার গুম করেছে। এখন আমাদের তরুন নেতা কিভাবে গাড়ি কিনবেন? কিভাবে চিকিৎসা করবেন?

মির্জার চড়ে আহত খোকা

তিনি বলেন, খোকা আমাদের একজন বৃদ্ধ নেতা। তাকে দিয়ে আমাদের তরুন নেতার তেমন আয় রোজগার হয় না। তিনি এখন পর্যন্ত চাদাবাজি বা বেবসা বানিজ্যের কোন টেকাটুকা লনডনে ‘হাওয়া কর’ হিসাবে পাঠান নাই। তাই খোকাকে গুম করা হলে আমাদের তরুন নেতার কোন লস নাই। আমরা এ কারনেই সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম, দাও ফিরিয়ে ইলিয়াস লও এ খোকা। কিন্তু সরকার একটি অভিশাপ।

মির্জা ফখরুল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খানকির পুলা সরকার ইলিয়াসকে মুক্ত না করলে আমরা যুদ্ধ ঘোষনা করব।

সাদেক হোসেন খোকা আহত গালে হাত দিয়ে বলেন, মির্জার হাতে অনেক শক্তি। সে নিয়মিত কমপ্লান খায়।

খোকা অশ্রু মুছে বলেন, আমি বেথা পেয়েছি। মির্জা মেরেছে মির্জা বকেছে মির্জা দিয়েছে গাল, তাই তো খোকা রাগ করেছি ভাত খাব না কাল।

আমরন অনশন করবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে খোকা বলেন, বিষয়টি বিবেচনা করে দেখব।

%d bloggers like this: