সরকারের চরিত্র নাই: মওদুদ

বিশেষ মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর আল্লামা বেরিষ্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, সরকারের চরিত্র নাই।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বেরিষ্টার মওদুদ সরকারের চরিত্রহীনতার কথা ফাঁস করে দেন।

মওদুদ আহমদ বলেন, দেশের উন্নতির জন্য প্রয়োজন চরিত্রবান সরকার। এই সরকারের কোন চরিত্র নাই।

মওদুদ আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, আজ গনভবনে এক যুবককে পাওয়া গেছে। তার জামা কাপড়ের ঠিক ছিল না। প্রধান মন্ত্রীর বাস ভবনে যখন জামা কাপড়ের ঠিক না থাকা যুবকদের পাওয়া যায়, তখন কি আর সরকারের চরিত্র নিয়ে বেশী কথা বলার দরকার আছে? এই সরকারের কোন চরিত্র নাই।

রতনে রতন চিনে

মওদুদ আহমদ বলেন, সরকার আমাদের বিএনপি শাখার মহিলা আমীরের চরিত্র হানির অনেক চেষ্টা করেছে। তার ঘরে মেগাজিন খুজে পেয়েছে। দেশনেত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা জনাব মোসাদ্দেক আলী ফালুর নামে অনেক কুতসা রটিয়েছে। অথচ সরকারের নিজেরই চরিত্র নাই।

তিনি বলেন, আমি সব সময় চরিত্রবান সরকারের সাথে ছিলাম। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকার ছিল চরিত্রবান। পল্লীবন্ধু এরশাদের সরকার ছিল চরিত্রবান। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ছিল চরিত্রবান। মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আল্লামা তারেক জিয়ার সরকার ছিল চরিত্রবান। এইগুলি ছাড়া বাংলাদেশের সব সরকারই ছিল চরিত্রহীন।

মওদুদ বলেন, লজ্জা লজ্জা।

2 Comments to “সরকারের চরিত্র নাই: মওদুদ”

  1. বিজয় টেবলেট এডিক্ট পল্লীবন্ধু এরশাদ নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন,মওদুদ আহমদ ভিষণ দুষ্টু একটা।আমি সরকারে থাকতে দুষ্টুটা প্রায়ই আমার চরিত্র মাপতো।বলতো,ছার আপনের চরিত্র সেইরকম,ইস্পাতের মতো, বজ্রকঠিন,দৃঢ়চেতা,মাথা নোয়াবার নয়।আরো কি কি জানি কইতো।তিনি মৃদু মলিন হেসে আরো বলেন,সে বড় সুখের সময় ছিলো।বিজয় টেবলেট লাগতো না।

    শুয়োর ছাকা চোদ্রী জেলখানায় তার সেলে মওদুদ আহমদকে বরাদ্দ দেয়ার আহবান জানিয়ে মওদুদ আহমদকে উদ্দেশ্য করে বলেন,সাহস থাকেতো আমার চরিত্র পরখ করে যান।তখন উপস্হিত কালা বকর,মুরগি মিলন,ধলা কালা মিয়া সহ গোটা তিরিশেক মুশকো কালো যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত কয়েদিরা কেউ পাবে কেউ পাবে না তা হবেনা তা হবেনা বলে স্লোগান দেয়।

    লুইচ্চা নিজামী আর দেলু রাজাকার এ পর্যায়ে মাদারফাকার ছাকার উপর ঝাপিয়ে পড়লে হুটোপুটিতে সংবাদ সম্মেলন ভেস্তে যায়।

    গোআ র সাথে যোগাযোগ করলে বলা হয়,আপাতত চরিত্র নিয়ে ভাবার ওয়াক্ত তার নেই । ডিম থেরাপির কারনে সৃষ্ট জ্বলুনি নিরাময়ে পুটুতে আইসক্রীম পরিচর্যা নিয়ে তিনি বেফক বিজি আছেন।তিনি নম্র কন্ঠে বলেন,একখান আরশি হইলে সুবিধা হয়।

    সূত্র-পেসিভ গে রাইটস মেগাজিন।

  2. মউদুদ যুদ্ধের আগে থেকেই আওয়ামী লীগ। যুদ্ধের পর হইল বঙ্গবন্ধুর প্রেস সেক্রেটারি। মানে বুঝেন কি পরিমাণ হাওয়া মারত বঙ্গবন্ধু রে। সেই সরকারেও তিনি ছিলেন। বঙ্গবন্ধু চোখ বুঝলেন ঘাতকের ঘুমের ওষুধে, বাজারে এলেন মুস্তাক । মউদুদ তুমি মহান, সেখানেও তুমি বহাল তবিয়তে ছিলা। এর পর বাজারে লুসকান দ্যাখা দিলো। মুস্তাক আউট হয়ে গেলে বাজারে এলেন একাত্তরের রেম্বো জেনারেল জিয়া। জেনারেল জিয়া মউদুদের প্রেমে মুগ্ধ হয়ে তাকে মন্ত্রী বানালেন, বড়ই আজব দুনিয়া। কিন্তু প্রেম অস্থায়ী। আবার এক বেরথ অভ্যুথানে জিয়া চোখ বুজলেন। প্রেম হারানর বেদনায় কাদলেন মউদুদ। এর পর সেনাপ্রধান জেনারেল বেহায়া এরশাদ দিলেন ইলেকশন। পাশ করে বাজারে এলেন সাত্তার। মউদুদ তার মন্ত্রীসভাতেও ছিলেন। কিন্তু বাজারে মন্দা দ্যাখা দেয়ায় অল্প দিন পরেই বাজারে এলেন এরশাদ। ইতিমধ্যে মউদুদ এরশাদের মাঝে জিয়ার হারান প্রেম খুঁজে পেয়েছিলেন। তিনি সেখানেও গেলেন। মন্ত্রী হলেন, সুখী করলেন এরশাদ কে। এরশাদ মউদুদের প্রেমে পাগল হয়ে তাকে উপ-এরশাদ পদ গিফট দিলেন। এররশাদ ছিলেন রাষ্ট্রপতি, উপ-এরসাদ মানে উপরাষ্ট্রপতি। মউদুদের সাথে এরশাদের মধুর শয্যা বেশিদিন টিকলো না। বাজারে এল গনতন্ত্র। ৯০ সাল। তখন এরশাদ আর মউদুদের ভালোবাসার সম্পর্কে ব্যাঘাত ঘটলো। সাহাবুদ্দিন এরশাদকে জেলে ঢুকালেন, কিন্তু তিনিও ছিলেন মউদুদ প্রেমিক। মউদুদ তাকে সুখী করায় তিনি মউদুদকে মুক্তি দিলেন। হাসিনা-খালেদা গনতন্ত্রের প্রথম ধাপে বাজারে এলেন খালেদা জিয়া। কিন্তু মউদুদ যে ক্ষমতা প্রেমিক। তিনি ভালবাসলেন খালেদা কে। খালেদাও ছিলেন একা, তখনো বাজারে ফালু আসে নি। তিনিও ভালবেসে অতীত ভুলে তাকে মন্ত্রী বানালেন আবার। দুর্নীতির কারণে মউদুদের ১০ বছর জেল হল। কিন্তু একাকিত্তের কথা ভেবে খালেদা তাকে ক্ষমা করে দিলেন। কিন্তু আল্লাহ্‌র লীলা বুঝা যায়না। আবার ৯৬ সালে বাজারে গণতন্ত্র এল। এবার বাজারে এলেন হাসিনা। কিন্তু হাসিনা প্রেমের ভাব বুঝেনা। কারণ তার ছিল স্বামী। স্বামী ওয়াজেদ ছিলেন এটম বোমা বিশেষজ্ঞ, মউদুদের ছিল শুধু প্রেম। যুদ্ধের কাছে প্রেম হার মানল। হাসিনা ফিরিয়ে দিলেন মউদুদকে। মউদুদ গাইলেন, একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি। ২০০১ সালে আবার বাজারে এলেন তারেক-খালেদা-নিজামি। তখন সবাই তাকে ভালবেসে আইন মন্ত্রী বানালেন। তিনি এবার যুদ্ধাপরাধী ও শেখ মুজিবের খুনিদের ভালবাসলেন। তাদের বিচার বন্ধ করলেন। বিনিময়ে তারাও ভালোবাসার প্রতিদান দিলেন ডলার পাঠিয়ে। ২০০৭ এ ক্ষমতায় এল ১/১১। ১/১১ তাকে ভালবাসলেন না, তিনিও না। এবার তিনি ভালবাসলেন কারাগার। ২০০৯ এ আবার বাজারে এলেন হাসিনা। কিন্তু হাসিনার হৃদয়ে কোন প্রেম নেই, প্রীতি নেই, করুণার আলোড়ন নেই। তিনি কাদের কে দিয়ে মউদুদ কে ছ্যাকা দিলেন। কিন্তু খালেদার ভালোবাসা ফুরায় না। তিনি তাকে বগুড়া থেকে ভালোবাসা দিয়ে সংসদে নিয়ে আসলেন। বড়ই আজব ভালোবাসা। মন্ত্রী না বানালেও হাসিনা এবার মউদুদের মামলা তুলে নিলেন। মউদুদ এভাবেই সারাজীবন ভালোবাসা দিয়ে ও পেয়ে গেলেন। তিনি কাউকে ঘৃণা করেন নি। তবে আজকাল এরশাদ বলেন, মউদুদ একটি অভিশাপ। তাকে এতো সুখ দিলাম, আরাম দিলাম, আর জেলের দিন গুলোতে সে আমাকে ভালো না বেসে, আমার কাছে না এসে, ভালবাসল খালেদা জিয়াকে। তিনি খালেদা জিয়াকে সতর্ক করে বলেন, মউদুদ অপবিত্র। সে সবার কাছ থেকেই সুখ ভোগ করে, সে অসতী।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: