Archive for June, 2012

June 30, 2012

খালেদাকে রোজ মনে মনে মাইনাস করি: ইনু

বিশেষ মতিবেদক

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়াকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন, আপনি যদি বৃহত্তর জামায়াতে ইসলাম তেগ করে আওয়ামী লীগ বা জাসদে যোগ না দেন, আপনাকে আমি মাইনাস করব।

ইনু বলেন, আমি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে মনে খালেদাকে একবার মাইনাস করি। তারপর আমি টয়লেটে গিয়ে আসল মাইনাস করি। খালেদাকে আগে মনে মনে মাইনাস না করলে আমার টয়লেট ঠিক মত হয় না।

ইনু জাতির উদ্দেশে বলেন, আপনাদের মধ্যে যাদের ঠিক মত টয়লেট হয় না, তারা মনে মনে খালেদাকে মাইনাস করে দেখুন। সব সমস্যার সমাধান হবে।

ইনুর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসবগুল এন্ড কোং এর পক্ষ থেকে বলা হয়, খালেদাকে মনে মনে মাইনাস করার সাথে টয়লেটের সমস্যার সমাধানের কোন সম্পর্ক নাই। টয়লেটে সমস্যার একমাত্র সমাধান ইসবগুলের ভুষি।

এর জবাবে ইনু বলেন, আমার লাগে না ইসবগুলের ভুষি, আমি খালেদাকে মনে মনে মাইনাস করেই খুশি।

June 21, 2012

মুক্ত বাতাসে বাট

ক্রীড়া মতিবেদক

অবশেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন পাকিস্তান কৃকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সালমান বাট। ষ্পট ফিক্সিং এর অভিযোগে সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাজ্য সরকার তাকে কারাদন্ড দেয়।

বাটের মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়লে কারওয়ানবাজারে আনন্দঘন পরিবেশের সৃস্টি হয়।

কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান ও উপসর্দার আমিষুল হক পরস্পর কোলাকুলি করেন ও একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান বলে জানা গেছে। এ ছাড়া উতপল শুভ্র বাটের ছবি নিয়ে দির্ঘ সময় বেপী শৌচাগার জিয়ারত করেন।

“সবাই বাট মারে” – সালমান বাট

সালমান বাট মুক্তি পেয়ে বলেন, কারওয়ানবাজারের টানা সুপারিশেই যুক্তরাজ্য সরকার আমাকে আগে আগে মুক্তি দিয়েছে। তা না হলে আমাকে আরও দুই বছর পুটু মারা খেতে হত।

বাট আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, জেলে আমার ওপর অকথ্য নির্যাতন চালান হয়েছে। অন্যান্য কয়েদীদের মধ্যে জেল কতৃপক্ষ একটি উতসব চালু করেছিল, “কে আজ বাট মারবে?” তারা “বাট মারে ও লাড়কা বাট মারে” নামে একটি গানেও সুর দিয়েছে বলে বাট জানান।

বাট বলেন, আমি এই দুঃসহ স্মৃতি ভুলে যেতে চাই।

কারাধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিবেদককে জানান, বাট আগাম মুক্তি পাওয়ায় জেলে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বাটের মুক্তি বাতিল করে তাকে আবার জেলে ফিরিয়ে না আনলে কয়েদীরা অনশন ও কয়েদী বন্ধন করবে বলে হুমকি দিয়েছে।

মুক্তির পর সালমান বাট দেশে ফিরতে চান। তিনি বলেন, লন্ডনে আর নয়।

কারওয়ানবাজার সর্দার মতিচুর রহমান বাটকে অভ্যর্থনা জানাতে রাতের ফ্লাইটে করাচীর দিকে যাত্রা করবেন বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে।

June 20, 2012

সাঈদীর বুকে রিং পরানর জন্য বিদেশে পাঠাতে হবে: সাঈদীর ছেলে

বিশেষ মতিবেদক

জামাতে ইসলামের খানকির পোলায়ে নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বুকে রিং পরানর জন্য তাকে অবিলম্বে বিদেশে নিয়ে যেতে হবে বলে দাবী করেছেন সাঈদীর পুত্র মাসউদ সাঈদী।

মাসউদ সাঈদী কান্না বিজড়িত গলায় মতিবেদককে বলেন, আমার ভাই রাফিক সাঈদীর জানাজায় দাড়িয়ে আব্বাজান আল্লাহর কসম খেয়ে বলেছিলেন, একাত্তর সালের কোন কাদা তার গায়ে লাগেনি। কিন্তু আল্লাহ পাক তার নামে কসম খেয়ে এত বড় মিথ্যাচার সহ্য করতে পারেননি। তিনি এক ঘন্টার মধ্যেই আব্বাজানের পুটু মেরে দিয়েছেন।

সাঈদীকে বুক ও পুটুর বেথার অভিযোগে হাসপাতালে পাঠানর পর ডাক্তাররা তার চিকিতসার জন্য একটি বোর্ড গঠন করেন। বোর্ড বলেছেন, আল্লাহ পাকের নামে কসম খেয়ে এত বড় মিথ্যা কথা বলার কারনেই মাওলানা সাঈদীকে আল্লাহ পাক পুটু মেরে দিয়েছেন। এ থেকে বাচার একটিই উপায়, সাঈদীর বুকে রিং পরাতে হবে।

সাঈদীর বুকে রিং

মাসউদ সাঈদী বলেন, আব্বাজান বিভিন্ন সময় দেশে বিদেশে ওয়াজ করেন, ভাল মন্দ খানাপিনা করেন। অসংযমী জীবন যাপনের কারনে তার হৃদপিন্ডে ব্লক দেখা দিয়েছে। কারাগারে বসেও তিনি নিয়মিত বিরিয়ানী খেতেন। ফলে তার অবস্থা আশংকাজনক। তাকে অবিলম্বে চিকিতসার জন্য খালেদা জিয়ার মত সৌদি আরবে পাঠানর দাবী করেন তিনি।

মাসউদ সাঈদী বলেন, এর আগে আব্বাজান একবার কাতার আরেকবার দুবাই গিয়ে বুকে রিং লাগিয়ে এসেছিলেন। এবার তাকে রিং পরানর জন্য সৌদিতে যেতে হবে।

সাঈদীর চিকিতসায় নিয়োজিত ডাক্তাররা বলেছেন, সাঈদীর রিং দেশেই লাগান সম্ভব, বুকে হোক আর পুটুতে হোক।

June 19, 2012

বংগবন্ধুর পিত্তথলির পাথরের স্মৃতি অমলিন: মকসুদ

বিশেষ মতিবেদক

বংগবন্ধুর পিত্তথলির পাথর নিয়ে স্মৃতিচারন করেছেন উপমহাদেশের বিশিষ্ট ইতিহাসবীদ, কলামিষ্ট, গান্ধীবাদী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক সৈয়দ আবুল মকসুদ।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে মকসুদ বলেন, বংগবন্ধুর পিত্তথলির পাথরের মত পাথর দেশে আর ছিল না। আমি অস্ত্রপচারের সময় নিজে উপস্থিত ছিলাম। অস্ত্রপচারের পর আমি পাথরটি বাড়িতে নিয়ে যাই। আজও সেই পাথরটি আমার সংগ্রহে আছে। আপনারা দেখতে চাইলে আমার বাড়িতে আসবেন। হাদিয়া মাত্র একশত টাকা।

বংগবন্ধুর পাথর আগলে রেখেছেন মকসুদ

মকসুদ আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, অনেকে আমার কাছ থেকে পাথরটি কিনতে চেয়েছে। যারা জোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাস করে, তারা পাথরটি আংটি বানিয়ে বেবহার করতে চেয়েছে। কেউ বলেছে পাচ লাখ, কেউ বলেছে দশ লাখ। আমি বলেছি, এ পাথর বংগবন্ধুর পিত্তথলির পাথর। এ পাথর অমুল্য।

মকসুদ বলেন, কোটি টাকার কমে এ পাথর বিক্রয় হতে পারে না।

%d bloggers like this: