আপনাদের দুইজনকে এক টেবিলে বসতে হবে: হুদা

বিশেষ মতিবেদক

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারস ইনষ্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক সভায় বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ বলেছেন, খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার মধ্যে সংলাপ বিনিময় অতি জরুরী হয়ে পড়েছে।

বিশিষ্ট নাগরিক ও নাগরিক নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দুই রাজনৈতিক দলের অত্যাচারে নাগরিকবৃন্দ দিশাহারা। টেকাটুকা যা খাওয়ার সব রাজনৈতিক দলের লোকেরা খায়। আমরা নাগরিকরা কিচ্ছু খাইবার পারি না। নাগরিকরাও খেতে চায়। তারাও মানুষ। তাই নাগরিকের খাওনদাওন নিশ্চিত করতে আমরা একটি তৃতীয় শক্তি গড়ে তুলেছি। এর নাম ইউনাইটেড নাগরিকস ফর ইউনাইটেড সোসাইটি, সংক্ষেপে উনুস। মান্না বলেন, একে ইউনূসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা চলবে না। উনুস ও ইউনূস দুটি ভিন্ন বেপার। তবে উনুস ইউনূসের সাথে আছে। ইউনূসও উনুসের পাশে আছেন।

বিশিষ্ট নাগরিক আইনজীবী রফিক উল হক বলেন, খালেদা জিয়া তার সংলাপটি ঠিক করে বসে আছেন। তিনি টারমিনেটর টু থেকে এ সংলাপটি বাছাই করেছেন। সংলাপটি হল, আই উইল বি বাক। এখন হাসিনার সংলাপ ঠিক করতে হবে।

ব্রেক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট নাগরিক পিয়াস করিম দির্ঘ বক্তব্য দেন। কিন্তু তিনি কি বলেছেন তা বুঝা যায়নি।

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার খানকির পোলায়ে আমীর আসিফ নজরুল বলেন, এ সরকার জামায়াতের নেতাদের উপর তীব্র অত্যাচার করছে। এদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। নারায়ে তকবীর। উনুস পয়েন্দাবাদ।

মান্না আবেগঘন কণ্ঠে বেরিষ্টার রফিককে বলেন, আপনি যদি অনশনে বসেন, আর সাথে পঞ্চাশ লক্ষ লোককে এক বেলা না খাইয়ে রাখতে পারেন, হাসিনা আর খালেদা ছুটতে ছুটতে এসে বলবে, তেরে মেরে এয়সে দোস্তি দোস্তি।

বেরিষ্টার রফিক আবেগঘন কণ্ঠে মান্নাকে বলেন, অনশন করতে চাও তো তুমি পঞ্চাশ লক্ষ লোককে সঙ্গে নিয়া কর, আমারে টান কিয়ারে?

এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হলে বেরিষ্টার নাজমুল হুদা মঞ্চে উঠে বলেন, মান্না ও রফিক সাহেব, আপনাদের দুইজনকে এক টেবিলে বসতে হবে।

One Comment to “আপনাদের দুইজনকে এক টেবিলে বসতে হবে: হুদা”

  1. বিশিষ্ট উত্তরাধুনিক নাগরিক বুড়ো ভাম পিয়াস করিম ” এক টেবিলে বসা ” প্রশ্নে বেরিষ্টার বেহুদা নাজমুলকে সর্মথন করে বলেন,নিদ্রার চেয়ে নমাজ যেমন উত্তম তেমনি চেয়ারের চেয়ে টেবিল উত্তম। সৃষ্টির প্রথম পর্যায়ে আদম পৃথিবীতে এসে গাছের ডালে বসত,এরপরে এই জনপদের মানুষেরা মাটিতে,পাথরে,গাছের গুড়িতে,পাটিতে,সতরন্জিতে টুলে শেষে চৌকিতে বসত।কিন্তু পোষ্ট কলোনিয়াল যুগে বসাবসির ক্ষেত্রে,গ্র্যান্ডনেরেটিভ চৌকির হেজিমনী প্রতিস্হাপিত হয় সাম্রাজ্যবাদী এলিয়েন চেয়ার দিয়ে, ডিকনষ্ট্রাকশন হয়, সাক্ষ্য দেয় পুজির দখলদারিত্বের সাথে সাম্রাজ্যবাদী কালচারাল আগ্রাসনের ঘনিষ্ঠ রিলেশনের।ইঙ্গ-মার্কিন অক্ষশক্তির পুজির দাপটের সাথে সাথে কালচারাল এইসব এলিমেন্টের বিরুদ্ধেও আমাদের দাড়াতে হবে। টেবিল দেখতে অনেকটা চৌকির মত, চৌকির বির্বতনই বলা যায় টেবিলকে।তাছাড়া টেবিলে একি পাটাতনে অনেকেই বসতে পারেন,টেবিল তখন যুথবদ্ধতার প্রতীক হয়ে দাড়ায়। কিন্তু চেয়ার মানুষে মানুষে বিছিন্নতার জন্ম দেয়,বমানের তরল ভয় ছড়ায় যা ওই ইঙ্গ-মার্কিন অক্ষশক্তির এক কূটচাল। ফলে আমাদের চেয়ারের এক্জিষ্টেনস গ্র্যান্ডনেরেটিভ ডিকনষ্ট্রাকশন করে টেবিলের কাউন্টার নেরেটিভ তৈরী করতে হবে।

    বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার খানকির পোলায়ে আমীর আসিফ নজরুল পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বলেন,পেরাইভেট ভার্সিটির পফেছার পিশাচটা আর বদলাইলো না। হুদাই বেহুদার মত পেচাল পারে। আসল ঘটনা হলো পিচাশ খরিম আর বেহুদা দুইটারি পাছা বড়,এত বড় পাছা নিয়ে তারা চেয়ারে বসতে পারে না,টেবিলে বসতে হয়। লোকসমুক্ষে লজ্জায় পড়ে।তাই তারা এখন সবার লেজ কাটার ধান্দা করছে।সবাইকে নানানধুনফুন বুঝিয়ে টেবিলে বসাতে চায়।
    তিনি আরো বলেন, নানান চাপে মওলানা আল্লামা সাঙ্গদী কারাগারী (দেইল্লা রাজাকার) ও আমার – দুইজনেরি পাছা শুকায়া কড়িকাঠ হয়া গেছে।তাই আমার ভুট টেবিল নয়,নরম গদিওলা চেয়ারের পক্ষে।

    সূত্র:মেলনকন্ঠ পতিনিদি।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: