Archive for August, 2012

August 31, 2012

চাঁদের বুকে প্রথম ভুটানি জোকাই লামা

মহাকাশ মতিবেদক

ভুটানের নাগরিকত্ব গ্রহনের কয়েক দিনের মাথায় চাঁদের বুকে প্রথম ভুটানি হিসাবে পা রাখলেন উপমহাদেশের খ্যেতিমান বৌদ্ধ বেক্তিত্ব ডা. জোকাই লামা।

চন্দ্র পৃষ্ঠ থেকে পাঠান এক বার্তায় জোকাই লামা বলেন, সাব্বে সাত্তা সুখিতা ভবন্তু।

রেডিওর মাধ্যমে জোকাই লামার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিবেদককে বলেন, চাঁদের বুকে ভুটানের পতাকা স্থাপন করতে পেরে আমি আনন্দিত। একজন ভুটানি হিসাবে আমি গর্বিত। আজ ভুটানি জাতির উচ্চতা দশ ফুট হয়ে গেছে।

চাঁদের বুকে প্রথম ভুটানি জোকাই লামা

জোকাই লামা জানান, চাঁদ থেকে পৃথিবীর দিকে তাকালে নেপালের লুম্বিনী ও ভারতের কুশীনগর বরাবর দুইটি উজ্জল আলোর বিন্দু দেখা যায়। এ দুটি স্থানে যথাক্রমে গৌতম বুদ্ধ (সাঃ) এর জন্মস্থান ও রওজা মোবারক।

আবেগঘন কণ্ঠে জোকাই লামা জানান, তিনি চাঁদের বুকে এখন ত্রিপীটক তেলাওয়াত করছেন। ত্রিপীটক খতম দিয়ে তবেই তিনি পৃথিবীতে আবার ফিরে আসবেন।

পৃথিবীর মানুষের উদ্দেশে তিনি কী বলতে চান, এ প্রশ্ন করা হলে জোকাই লামা বলেন, আমি নেপালীদের হুশিয়ার করে দিয়ে বলতে চাই, লুম্বিনী গ্রাম অবিলম্বে ভুটানের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। অথবা মনীষা কৈরালাকে আমার নিকট বিবাহ দিতে হবে।

জোকাই লামা হুমকি দিয়ে বলেন, বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সুচাগ্র লুম্বিনী।

August 31, 2012

ভারতের সাথে সুসম্পর্ক চাই: খালেদা

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, অতীতের সব ঝগড়া ভুলে ভারতের সংগে ভাব করতে চাই। আর নয় হিংসা বিদ্বেষ হানাহানি। এখন থেকে ভারতের জন্য শুধু ভালবাসা।

বেগম জিয়া বলেন, ভারত মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে সাহায্য করেছে, তাই আমরা এতদিন রাগ করে ভারতের সংগে কথা বলি নাই। কিন্তু ৪১ বছর কেটে গেল, কেউ কথা রাখেনি। তাই আজ ভারতের সংগে সুসম্পর্ক চাই। ভারত ইজ দি নিউ পাকিস্তান।

বেগম জিয়া আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, একাত্তুর সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলার রেম্বো। তিনি অর্ধেক বাংলাদেশে একাই বড় বড় কামান বন্দুক হাতে যুদ্ধ করেছেন। তাই ভারতের কাছে যদি দেশ বিক্রি করতে হয়, আমরাই করব।

আওয়ামী লীগের দিকে ইংগিত করে বেগম জিয়া বলেন, একটি দল আছে, যারা ভারতের সাথে এক পাতে ভাত খায়, কিন্তু ঠিকমত দেশ বিক্রি করতে পারে না। তিনি মনমোহন সিংহকে বিএনপির অবদান স্বীকার করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের মন্ত্রী সাইফুর রহমানই সর্ব প্রথম দেশের বাজার ভারতের কাছে উন্মুক্ত করেছিল। আমরাই দেশের গেস ও কয়লা ভারতের টাটা কম্পানীর কাছে তুলে দেয়ার উদ্যগ নিয়েছিলাম।

ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গিয়ে আগ্রার তাজমহলে বেড়াতে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে খালেদা বলেন, ভারত বিএনপির কাছে ফালুর নেয় আপন।

August 29, 2012

আর্মষ্ট্রং এর প্রতি মরনোত্তর ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ইউনূস

নিজস্ব মতিবেদক

আজ সকালে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে মানব ইতিহাসের প্রথম চন্দ্র বিজয়ী মহাকাশচারী মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং এর গায়েবানা জানাজায় অংশ নেওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে তার প্রতি মরনোত্তর ক্ষোভ প্রকাশ করেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক মুহম্মদ ইউনূস।

ইউনূস বলেন, লাল চন্দ্র পৃষ্ঠে তিন ঘন্টা হাটাহাটি করে বিখ্যেত হয়ে গেল। আর আমাকে বিখ্যেত হওয়ার জন্য তিরিশ বছর এর ওর অফিসে বাসায় হাটাহাটি করতে হয়েছে। এটি মেনে নেওয়া কষ্টকর।

দেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী ইউনূস বলেন, আমি দরীদ্র নারীদের শতে বিশ টেকা সুদ রেটে টেকাটুকা ধার দিয়েছি। তাদের দারিদ্রতা দুর করেছি। আর মোহাম্মদ লাল ছিনছিনাটি জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছে। এখন আপনারাই বিচার করেন, কে বেশি বড়।

ইউনূস আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, মোহাম্মদ লাল বড় না মোহাম্মদ ইউনূস বড়, এ নিয়ে কতিপয় পত্রিকা লিখালিখি করছে। আমি তাদের জানিয়ে দিতে চাই, মোহাম্মদ লাল যেমন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির মেডেল পেয়েছে, আমিও পেয়েছি। মোহাম্মদ লাল কংগ্রেসের সোনার মেডেল যেমন পেয়েছে, আমিও পেয়েছি। তার উপর আমি ক্লাস ফাইভে আর ক্লাস এইটে বৃত্তি পেয়েছি, মোহাম্মদ লালে পায় নাই। সবচেয়ে বড় কথা আমি নোবেল পেয়েছি। লালে কি নোবেল পেয়েছে? পায় নাই। তাহলে লাল কেমনে ইউনূসের চেয়ে বড় হয়?

ইউনূস বলেন, আমার কারনে জাতির উচ্চতা দশ ফুট হয়েছে। লালের কারনে জাতির উচ্চতা কয় ফুট বেড়েছে?

চন্দ্র পৃষ্ঠে তিন ঘন্টা হাটাকে ‘ফালতু’ বলে উল্লেখ করে ইউনূস বলেন, নাছার হাজার হাজার লোক কুটি কুটি টেকা খরচ করে সবকিছু করল, আর লালে ফাল দিয়ে চান্দে নেমে বিখ্যেত হয়ে গেল। ঐ টাকা দিয়ে আমি দুনিয়ার সব দরীদ্র নারীকে শতে বিশ টেকা সুদে টেকাটুকা ধার দিতে পারতাম।

ইউনূস মোহাম্মদ লাল আর্মষ্ট্রং এর রাষ্ট্রপতি ও কংগ্রেসের মেডেল প্রত্যাহার করার দাবী জানিয়ে বলেন, লাল একটি অভিশাপ।

August 28, 2012

গোলাম আজমের ওজন বেড়ে যাওয়ায় পুলিশ ও শিবিরের যৌথ বিক্ষোভ

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর অধ্যাপক আল্লামা গোলাম আজমের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ রাজধানীতে যৌথ বিক্ষোভ কর্মসুচী পালন করেছেন ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশ ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের মহানগর শাখা।

পুলিশ ও শিবিরের পক্ষ থেকে একটি যৌথ মিছিল মগবাজার চৌরাস্তা থেকে কারওয়ানবাজারে এসে শেষ হয়। এরপর ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশ ও শিবিরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই প্রতিনিধি একটি স্মারকলিপিতে সাক্ষর করে তা প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরন করেন।

ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গোলাম আজম হাসপাতালের কারাগার কেবিনে সারাদিন শুয়ে বসে কাটান। টিভিতে হিন্দি চলচ্চিত্র দেখেন। সকাল দুপুর রাতে প্রচুর ভালমন্দ খানাপিনা করেন। ফলে তার ওজন আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জামাতের সাবেক খানকির পোলায়ে আমীরকে হুইল চেয়ারে বসিয়ে ট্রাইবুনালে নিয়ে যাই আমরা। গাড়ি থেকে তাকে আলগি দিয়ে নামাই। সিড়িতে আলগি দিয়ে উঠাই। আবার বিচার শেষে সিড়িতে আলগি দিয়ে নামাই। তারপর গাড়িতে আলগি দিয়ে উঠাই। আমাদের ঘাম ছুটে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, তাকে গ্রেফতার করার সময় তার ওজন অনেক কম ছিল। আমাদের কষ্ট হলেও আমরা মেনে নিয়েছিলাম। আমাদের কষ্টের বিনিময়ে যদি একাত্তরের সবচে বড় হারামজাদার বিচার হয়, ফাসি হয়, আমরা কষ্ট করতে প্রস্তুত। কিন্তু এখন তার ওজন বেড়ে পরিস্থিতি এত খারাপ হয়েছে যে বিচারে তাকে দশবার ফাসি দিলেও আমাদের কষ্টের দাম উঠবে না।

তিনি বক্তব্যের এক পর্যায়ে কেদে ফেলেন। তার আরেক সহকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গোলাম আজম একটি অভিশাপ।

পুলিশ কর্মকর্তারা এ বেপারে বেবস্থা নিতে প্রধান মন্ত্রীর দফতরে আবেদন করেছেন। তারা দুটি প্রস্তাব করেছেন। গোলাম আজমের ওজন কমানর জন্য হাসপাতালে তার খোরাকির পরিমান কমানো, আর তা করা না গেলে গোলাম আজমকে ট্রাইবুনাল ভবনের দোতলায় কপিকলের সাহায্যে উঠানর জন্য বেবস্থা নিতে তারা সুপারিশ করেছেন।

ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, আমাদের দাবী মানা না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।

গোলাম আজমকে আলগাতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ

ইসলামী ছাত্র শিবিরের মহানগর শাখার রোকন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হাসপাতালে আমাদের খিদমত শাখার কচি সাহাবায়ে গোলাম ও শিবিরের গেলমান শাখার সদস্যদের নিয়মিত পাঠান হয়। তারা এতদিন আপত্তি করেনি। কিন্তু সাবেক আমীর ছাহেবের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এত খারাপ হয়েছে যে তারা জিহাদে জিসম (দেহদানের মাধ্যমে যুদ্ধ) এর দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এমতাবস্থায় বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও তাদের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিবির নেতা বলেন, হাসপাতালে গোলাম আজমের খোরাকির পরিমান কমান না হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। এই সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে প্রহসন চালাচ্ছে, আর বন্দী নেতাদের বেশী বেশী খাবার দিয়ে তাদের ও সাহাবা-গেলমানদের তিলে তিলে হত্যার নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে।

কারাগারে গোলাম আজমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছয় দশকেরও অধিক কাল বেপী আমি আমার পত্নী বেগম আফিফা আজমের জঘন্য রান্না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করেছি। ফাসির আগে আমি দুটি ভালমন্দ খাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। এ সুযোগ আমার কাছে আল্লাহর রহমত স্বরুপ। আমি এ সুযোগের পুর্ন সৎ বেবহার করতে চাই।

গোলাম আজম অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী আফিফা আজম ও পুত্র আমান আযমী তার খাওয়ায় বিঘ্ন ঘটাতে চায়

গোলাম আজম আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, দারা পুত্র পরিবার তুমি কার কে তুমার?

%d bloggers like this: