গোলাম আজমের ওজন বেড়ে যাওয়ায় পুলিশ ও শিবিরের যৌথ বিক্ষোভ

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর অধ্যাপক আল্লামা গোলাম আজমের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ রাজধানীতে যৌথ বিক্ষোভ কর্মসুচী পালন করেছেন ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশ ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের মহানগর শাখা।

পুলিশ ও শিবিরের পক্ষ থেকে একটি যৌথ মিছিল মগবাজার চৌরাস্তা থেকে কারওয়ানবাজারে এসে শেষ হয়। এরপর ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশ ও শিবিরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই প্রতিনিধি একটি স্মারকলিপিতে সাক্ষর করে তা প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরন করেন।

ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গোলাম আজম হাসপাতালের কারাগার কেবিনে সারাদিন শুয়ে বসে কাটান। টিভিতে হিন্দি চলচ্চিত্র দেখেন। সকাল দুপুর রাতে প্রচুর ভালমন্দ খানাপিনা করেন। ফলে তার ওজন আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জামাতের সাবেক খানকির পোলায়ে আমীরকে হুইল চেয়ারে বসিয়ে ট্রাইবুনালে নিয়ে যাই আমরা। গাড়ি থেকে তাকে আলগি দিয়ে নামাই। সিড়িতে আলগি দিয়ে উঠাই। আবার বিচার শেষে সিড়িতে আলগি দিয়ে নামাই। তারপর গাড়িতে আলগি দিয়ে উঠাই। আমাদের ঘাম ছুটে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, তাকে গ্রেফতার করার সময় তার ওজন অনেক কম ছিল। আমাদের কষ্ট হলেও আমরা মেনে নিয়েছিলাম। আমাদের কষ্টের বিনিময়ে যদি একাত্তরের সবচে বড় হারামজাদার বিচার হয়, ফাসি হয়, আমরা কষ্ট করতে প্রস্তুত। কিন্তু এখন তার ওজন বেড়ে পরিস্থিতি এত খারাপ হয়েছে যে বিচারে তাকে দশবার ফাসি দিলেও আমাদের কষ্টের দাম উঠবে না।

তিনি বক্তব্যের এক পর্যায়ে কেদে ফেলেন। তার আরেক সহকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গোলাম আজম একটি অভিশাপ।

পুলিশ কর্মকর্তারা এ বেপারে বেবস্থা নিতে প্রধান মন্ত্রীর দফতরে আবেদন করেছেন। তারা দুটি প্রস্তাব করেছেন। গোলাম আজমের ওজন কমানর জন্য হাসপাতালে তার খোরাকির পরিমান কমানো, আর তা করা না গেলে গোলাম আজমকে ট্রাইবুনাল ভবনের দোতলায় কপিকলের সাহায্যে উঠানর জন্য বেবস্থা নিতে তারা সুপারিশ করেছেন।

ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, আমাদের দাবী মানা না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।

গোলাম আজমকে আলগাতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ

ইসলামী ছাত্র শিবিরের মহানগর শাখার রোকন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হাসপাতালে আমাদের খিদমত শাখার কচি সাহাবায়ে গোলাম ও শিবিরের গেলমান শাখার সদস্যদের নিয়মিত পাঠান হয়। তারা এতদিন আপত্তি করেনি। কিন্তু সাবেক আমীর ছাহেবের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এত খারাপ হয়েছে যে তারা জিহাদে জিসম (দেহদানের মাধ্যমে যুদ্ধ) এর দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এমতাবস্থায় বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও তাদের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিবির নেতা বলেন, হাসপাতালে গোলাম আজমের খোরাকির পরিমান কমান না হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। এই সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে প্রহসন চালাচ্ছে, আর বন্দী নেতাদের বেশী বেশী খাবার দিয়ে তাদের ও সাহাবা-গেলমানদের তিলে তিলে হত্যার নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে।

কারাগারে গোলাম আজমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছয় দশকেরও অধিক কাল বেপী আমি আমার পত্নী বেগম আফিফা আজমের জঘন্য রান্না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করেছি। ফাসির আগে আমি দুটি ভালমন্দ খাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। এ সুযোগ আমার কাছে আল্লাহর রহমত স্বরুপ। আমি এ সুযোগের পুর্ন সৎ বেবহার করতে চাই।

গোলাম আজম অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী আফিফা আজম ও পুত্র আমান আযমী তার খাওয়ায় বিঘ্ন ঘটাতে চায়

গোলাম আজম আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, দারা পুত্র পরিবার তুমি কার কে তুমার?

3 Comments to “গোলাম আজমের ওজন বেড়ে যাওয়ায় পুলিশ ও শিবিরের যৌথ বিক্ষোভ”

  1. Kuttar Bacchara ei jatio rohossho bondho kor

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: