Archive for December, 2012

December 31, 2012

বুড়ি হইলাম তর কারনে: হিলারি

ওয়াশিংটন মতিবেদক

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দীপু মনি মিসেস হিলারি রডহাম ক্লিনটন। আর এই অসুখের জন্য তিনি দায়ী করেছেন বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ড. মুহম্মদ ইউনূসকে।

আজ ওয়াশিংটন সিকদার মেডিকেলের ২ নং মহিলা ওয়ার্ডে চিকিতসাধীন অবস্থায় এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে হিলারি ক্লিনটন ইউনূসকে নিজের অসুস্থতার জন্য দায়ী করেন।

হিলারি ক্লিনটন বলেন, ইউনূস আমার ছুটবেলার বন্ধু। তার জন্য আমি অনেক করেছি। বাংলাদেশের মশা মাছি ডায়রিয়া মেলেরিয়া উপেক্ষা করে তার গ্রামীন বেংকের তামাশা দেখতে গিয়েছি। সে যাতে নোবেল পুরস্কার পায় সে জন্য নরওয়ের লোকজনকে দুই দিন পর পর মুঠোফোন মেরে টাইট দিয়েছি। তাকে যখন শেখের বেটী গ্রামীন বেংক থেকে কানে ধরে বহিষ্কার করে দিল তখন তার জন্য ফ্রেন্ডস অফ গ্রামীন গঠন করেছি। তাতেও যখন কাজ হয়নি তখন সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছি। সেই সপ্তম নৌবহর সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়ার পর নিজের জমান পাই পয়সাটি খরচ করে তাদের টেকাটুকা দিয়ে জাহাজ ছুটিয়েছি।

আমার কি দুষ? : ইউনূস

আবেগঘন কণ্ঠে হিলারি ক্লিনটন বলেন, অথচ সে আমার সংগে ঠিকমত কথা বলে না। সে আমৃকায় আসার পর আমি তার জন্য লইট্টা ফিশ রান্না করেছি, ভেবেছি আমার কলিজু আমার বাড়িতে এসে দুটি ডালভাত খাবে, অথচ সে আসেনি। সে চলে গেছে ইস্কটলেন্ড।

কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে হিলারি বলেন, পরানের বান্ধব রে, বুড়ি হইলাম তর কারনে।

এ বেপারে প্রতিক্রিয়া জানতে ইউনূসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি হিলারির পাও চাপা থেকে শুরু করে সব খেদমতের জন্যই প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু আমার সব প্রস্তুতি নষ্ট হয়ে গেল শেখের বেটী শেখ হাসিনার জন্য। সে একটি জালেম নারী। পৃথীবির যে দেশে শেখ হাসিনা আছে, সে দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

December 31, 2012

লইট্যা ফিশ রান্নার কারণে স্ত্রীকে প্রহার করলেন মকবুল

নিজস্ব মতিবেদক

দুপুরের আহারের জন্য লইট্যা ফিশ রান্না করার কারণে স্ত্রীকে বেদম প্রহার করেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর মকবুল আহমদ।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মকবুল।

মকবুল আহমদ বলেন, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর প্রথম সারির খানকির পুলারা সকলেই কারাগারে। তাদের নামে মামলা মকদ্দমা। পদে পদে বিপদের শিহরন, মৃত্যুর হাতছানি। তাদের মুক্ত করার জন্য সারা বাংলাদেশে বোমা হামলা, হুমকি চিঠি, রগ কাটা, বুদ্ধিজীবি ক্রয় প্রভৃতি জরুরী কাজে আমাকে সুবেহ সাদিক থেকে এশার নামাজের ওক্ত পর্যন্ত বেস্ত থাকতে হয়। আর বাড়ি ফিরিয়া জোহরের নামাজের পর চারটি গরম ভাত খাইতে বসিয়া যখন দেখি ঘরে বেগম লইট্যা ফিশ রান্না করিয়াছে, মাথামুথা কি ঠিক থাকে?

আবেগঘন কণ্ঠে মকবুল বলেন, বেগমকে দোররা মেরেছি।

লইট্যা ফিশ আজ ঘরে ঘরে

মকবুল আহমদ বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবীদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের নির্মম বলি, ইসলামের বাগানে ফুটন্ত গোলাপ আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর প্রতি বিষোদগার করে বলেন, তার সংগে আমাদের কুন যুদ্ধ নাই, কুন মারামারি নাই, কুন বদর ওহুদ খন্দক নাই, কিন্তু সে আমাদের ঘরের বেগমদের গনিমতের মালের নেয় দখল করেছে। তার নির্বিচার ফোন সেক্সের কারনে আমাদের সংসার জীবন আজ তছনছ।

জামায়াতে ইসলামীর সকল খানকির পুলাদের ঘর সামলানোর আহবান জানিয়ে মকবুল আহমদ বলেন, আপনারা যখন ময়দানে জেহাদে বেস্ত, আপনাদের বেগমরা তখন সাঈদীর সংগে উন্মত্ত ফোন সেক্সে লিপ্ত কি না, তা আপনাদেরই লক্ষ রাখতে হবে। আপন আপন কলিজুর হেফাযত করুন।

ক্ষমতায় গেলে লইট্যা ফিশকে হারাম ঘোষনার অংগীকার করে মকবুল আহমদ বলেন, কেমনে ধরিব হিয়া আমার বধুয়া আন ফোনে যায় আমারই মুবাইল দিয়া।

December 31, 2012

অডিওর বেক্তিটি সাঈদী নন: সানোয়াত জাহান

কেলেংকারী মতিবেদক

সম্প্রতি বহুল প্রচারিত ‘সাঈদীলিকস’ অডিওতে যার কণ্ঠস্বর শোনা গেছে, তিনি বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবীদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের নির্মম বলি, ইসলামের বাগানে ফুটন্ত গোলাপ দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী নন বলে দাবী করেছেন ইসলামী ছাত্রী সংস্থার উপদেষ্টা ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েব কাদের মোল্লার স্ত্রী সানোয়াত জাহান।

অসামাজিক কার্য কলাপের জন্য সানোয়াত জাহান সহ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার আরও ১৯ জন সদস্য বর্তমানে পুলিশের হেফাযতে রয়েছেন।

হাজতে সানোয়াত জাহানের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিবেদকের কাছে দাবী করেন, সাঈদীলিকসের অডিওতে যে বেক্তি কথা বলছেন তিনি সাঈদী নন।

সানোয়াত বলেন, আমি সাঈদীলিকসের অডিও গুলি শুনেছি। যে বেক্তিকে সাঈদী বলা হচ্ছে তিনি সাঈদী হতেই পারেন না। কারন সাঈদীর মেশিন মাত্র তিন দশমিক সাত পাচ ইঞ্চি লম্বা। আর চওড়ায় দশমিক সাত পাচ ইঞ্চি। অথচ অডিওর বেক্তি দাবী করছেন, তার মেশিন লম্বায় সাড়ে সাত ইঞ্চি ও চওড়ায় ওয়ান এন্ড হাপ ইঞ্চি। এ থেকেই প্রমানিত হয়, অডিওর বেক্তিটি সাঈদী নন, তিনি সাঈদীর ডবল। তবে তিনি সাঈদীর কণ্ঠস্বর ১০০% নকল করেছেন এবং সাঈদীর স্ত্রীর সংগেও সাঈদী সেজে কথা বলেছেন।

আবেগঘন কণ্ঠে সানোয়াত বলেন, ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সকল সদস্যই সাঈদীর মেশিনের দৈর্ঘ প্রস্থ রং স্বাদ গন্ধ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। অডিওর বেক্তিটি সব কিছুই নকল করতে পেরেছিল, শুধু বেঠিক সাইজ উল্লেখ করে সে ধরা খেয়ে গেছে।

জনগনকে এই অডিওর ধোঁকায় না পড়ার আহ্বান জানিয়ে সানোয়াত বলেন, লাইনে আসুন।

কারাগার থেকে সাঈদী নিজেও তার মেশিনের দৈর্ঘ সাড়ে সাত ইঞ্চি দাবী করেছেন, এ কথার জবাবে সানোয়াত বলেন, আপনাকে বড় বলে বড় সেই নয়, ইসলামী ছাত্রী সংস্থা যাকে বড় বলে বড় সেই হয়।

তিনি কিভাবে সাঈদীর মেশিনের মাপ দশমিকের পর দুই ঘর পর্যন্ত জানেন, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে সানোয়াত জাহান বলেন, রং নম্বর টেলিফুনে হঠাত কে যেন বলল হেলো মন দেয়া নেয়া শত কথার মাঝে লাইনটা কেটে গেল।

December 30, 2012

আসিফ নজরুল একটি বান্দর: আল্লামা সাঈদী

কারাগার মতিবেদক

মেশিনের দৈর্ঘ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করায় বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার খানকির পোলায়ে আমীর ড. আসিফ নজরুলের প্রতি বিষোদগার করেছেন বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবীদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের নিষ্ঠুর বলি, ইসলামের বাগানে ফুটন্ত গোলাপ আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী।

আজ কারাগারে তার সংগে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি মতিবেদকের কাছে তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আল্লামা সাঈদী চিৎকার করে বলেন, এক ইঞ্চির আসিফ নজরুল আসছে আমার মেশিন মাপতে। বান্দর কোথাকার।

মতিবেদকের অনুরোধে শান্ত হয়ে সাঈদী বলেন, যে কুন জামায়াত নেতার স্ত্রী, শিবির নেতার মা অথবা ইসলামী ছাত্রী সংস্থার যে কুন সদস্যকে জিজ্ঞাসা করলেই আমার মেশিন সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। আমি লম্বায় ছয় ফুট, আমার মেশিন লম্বায় সাড়ে সাত ইঞ্চি, চওড়ায় ওয়ান এন্ড হাপ। আল্লাহ পাক আমায় যেসব ইঞ্চি নিজ হাতে দিয়েছেন, সেখান থেকে ইঞ্চি চুরি করার মত সাহস এক ইঞ্চি আসিফ নজরুল পায় কুথায়?

বেগম সাঈদীর দাবী প্রসংগে প্রশ্ন করা হলে আল্লামা সাঈদী ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, সে একটি পাগল নারী। উল্টা পাল্টা কথা বলাই তার কাজ। আমার “ওইডা” না থাকলে চট্টগ্রাম নিবাসী জামায়াত নেতার স্ত্রী-কন্যাগন কেন দিনের পর দিন আমার সংগে ফোন সেক্স করবেন?

আল্লামা সাঈদী সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে মতিবেদকের মুঠোফোন ৫ মিনিটের জন্য বেবহার করতে চাইলে কারা রক্ষীরা তাতে বাধা দেন। এ সময় কারাগারে এক হৃদয় বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্ঠি হয়। আল্লামা সাঈদী চিতকার করে কাদতে কাদতে বলেন, যে সরকার আলেম ওলামাদের ফোন সেক্সের অধিকার হরন করে, তাদের উপর গজব পড়বে। ভুমিকম্প হবে। সুনামি হবে। আবাবিল পক্ষী ইটা মেরে সব চুরমার করবে।

%d bloggers like this: