বৃহত্তর জামায়াতের মধ্যে অস্বস্তি

নিজস্ব মতিবেদক

সম্প্রতি বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবীদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের নিষ্ঠুর বলি, ইসলামের বাগানে ফুটন্ত গোলাপ আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ফোন সেক্সের আলাপ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে আমীরবৃন্দ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৃহত্তর জামায়াতের এক নেতা বলেন, আমরা অস্বস্তির মধ্যে আছি।

ইতিমধ্যে বৃহত্তর জামায়াতের নেতাকর্মীদের মাঝে আল্লামা সাঈদীর বেপারে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর মকবুল আহমদ গতকাল লইট্যা ফিশ রান্নার অপরাধে স্ত্রীকে দোররা মেরেছেন। এ ছাড়া আরও কয়েকজন নেতা তাদের স্ত্রী কন্যার সাথে রাগারাগি করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জামায়াত নেতা বলেন, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বৃহত্তর জামায়াতের রাজনীতি করি। ভাংচুর, লুটপাট, খুনাখুনি, ধর্মীয় সংঘর্ষ, রগ কাটা প্রভৃতির আয়োজন করি। এসব করতে গিয়ে সারা দিন সারা রাত কেটে যায়। বাড়ি ফিরে যদি দেখে, ঘরের বউ আল্লামা সাঈদীর সংগে উন্মত্ত ফোন সেক্সে লিপ্ত, তাহলে কেমন লাগে?

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার কুষ্টিয়া জেলার এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমার মেয়েটা ইসলামী ছাত্রী সংস্থা করে। ভেবেছিলাম ইসলামের খেদমতের অজুহাতে সে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর হাত শক্ত করার কাজ করে চলছে। অথচ এখন জানতে পারলাম, সে আল্লামা সাঈদীর মেশিন শক্ত করার কাজে পড়ালেখা বাদ দিয়ে রাত্রকালে সেক্স চেট করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্র শিবিরের এক নেতা কাদতে কাদতে মতিকণ্ঠকে বলেন, সারা দিন সারা রাত আমি ইন্টারনেটে বৃহত্তর জামায়াতের জন্য কাজ করি। নেংটা মেয়ের ছবি দিয়ে ফেন পেজ বানিয়ে লক্ষ লক্ষ লাইক যুগাড় করি। তারপর একবার নেংটা ছবি আরেকবার মাছের গায়ে আল্লাহু লেখা ছবি আপ করে যুদ্ধাপরাধী নেতাদের মুক্তি দাবি করি। আমি যখন এই কাজে বেস্ত, পাশের ঘরে আমার মা আল্লামা সাঈদীর সংগে হট ফোন সেক্স করেন। এখন আমার সন্দেহ হচ্ছে, আল্লামা সাঈদীই আমার পিতা।

এ বেপারে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুনের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মানুষ ছায়া দেখে কায়ার মুল্য ভুলে গেছে। এমপেরিয়াল হোটেল এন্ড গেষ্ট হাউসে যেখানে সরাসরি সেক্সের সুবর্ন সুযোগ রয়েছে, সেখানে না গিয়ে লোকে ঘরে বসে ফোনে মেশিন চালাচ্ছে। এতে লাভ হচ্ছে শুধু মুবাইল কম্পানীর।

গ্রামীন ফোনের সদ্য নিযুক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিবেক ছুদ এ প্রসংগে মতিবেদককে বলেন, বিজ্ঞান আমাদের দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। ষোল কুটি লোকের দেশে এখন ফোন সেক্সই ভরসা। ধোন সেক্সের দিন ফুরিয়েছে।

বিবেক ছুদ দাবী করেন, গ্রামীন ফোন গত পনের বছরে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে বিপুল অবদান রেখেছে। মুঠোফোন প্রযুক্তি না থাকলে বৃহত্তর জামায়াতের নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে আল্লামা সাঈদীর বাচ্চা জন্ম নিত।

2 Comments to “বৃহত্তর জামায়াতের মধ্যে অস্বস্তি”

  1. আপনাদের সমালোচনা করার পদ্ধতিটি খুব শক্তিশালী এবং প্রসংশনীয়|

  2. মতিকণ্ঠ, আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী তোমারও পিতা হওয়াটা অসম্ভব কিছু না । উনি বেচে থাকতেই নিজের DNA টেস্ট টা করিয়ে নাও।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: