Archive for January 10th, 2013

January 10, 2013

শিক্ষকতা করতে চান কাদের মোল্লা

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েব আবদুল কাদের মোল্লা শিক্ষকতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে এজলাস থেকে অবতরনের সময় তিনি এ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

কাদের মোল্লা বলেন, আমিও লেখাপড়া করেছি। দেশের সাংবাদিকদের ২০ বছর ধরে পড়াতে পারব।

এ প্রসংগে কাদের মোল্লা আরও বলেন, বাংলাদেশ হওয়ার কারনে অনেকের মাতব্বরি বেড়ে গেছে। তাই তিনি শিক্ষকতা করতে না পারে জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েবের কাজ করছেন। কিন্তু তার মুল আগ্রহ সাংবাদিকদের ২০ বছর ধরে পড়ান।

আবেগঘন কণ্ঠে কাদের মোল্লা বলেন, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ঢাবি শাখার খানকির পোলায়ে আমীর মাওলানা আসিফ নজরুল যদি আইন পড়াতে পারে, আমি কেন সাংবাদিকতা পড়াতে পারব না?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গন যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগকে কারাগারে একটি শাখা খোলার অনুরোধ করে কাদের মোল্লা বলেন, ফাসিতে মরার আগে কয়েকটা ক্লাশ নিতে চাই।

January 10, 2013

বোরকা খুলে ২০ নেত্রিকে

জেলখানা মতিবেদক
বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ভাঁড়প্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ছাত্রি সংস্থার ২০ জন নেত্রির বোরকা খুলে তাদের ইজ্জতের ফালুদা বানান হয়েছে। ইসলামে বোরকা ছারা জেনানা আর নেংটা কাফের মেয়ের মধ্যে তফাৎ নাই। তাই জবরদস্তি করে এই নেত্রিদের বোরকা খুলে ইসলামমতে নেংটা অবস্থায় আদালতে হাজির করে তাদের প্রতি জুলুম করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত সোমবার তাদের বোরকা খুলে আদালতে হাজির হতে জালিম সরকার বাধ্য করেছে।বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েব, বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবীদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের নিষ্ঠুর বলি, ইসলামের বাগানে ফুটন্ত গোলাপ আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী এই খবর পাওয়ার পর সারাদিন শিশুর নেয় ক্রন্দণ করেন।

আবেগঘন কন্ঠে তিনি বলেন, ছাত্রী সংস্থার সকল নেত্রিই বোরকা বেবহার করে অভ্যস্ত। আমি তাদের সকলকেই অন্তরঙ্গভাবে চিনি। তারা আমার নাতনির মতো বিধায় আমার সামনে তাদের কেউই বোরকা পড়তো না।

‘তারা আমার নাতনির মতো’ – সাঈদী (একজনের ফেসবুক ওয়াল থেকে নির্লজ্জভাবে মেরে দেওয়া ছবি)

পান চাবাতে চাবাতে তিনি হারান দিনের স্রিতি রোমন্থণ করে উত্তেজনাঘন কন্ঠে বলেন, এদের আমি খুব পছন্দ করতাম। আল্লাহর রহমতে এরাই পালা করে আমার মেশিন সচল রাখত।

এক সময় পানের পিক ফেলে তিনি ছাত্রি সংস্থার নেত্রিদের উদ্যেশ্যে বলেন, তোমরা বোরকা পরেই এই জালেম সরকারের বিরূদ্ধে যুদ্ধ করবে। আমি তোমাদের সামনে-পিছে এবং উপরে-নীচে আছি। মনে রেখো, যুদ্ধে তোমরা চালাবে মেশিনগান এবং আমি চালাবো মেশিন-পান।

January 10, 2013

এইবার বেটারির বেবসা করব: ইউনূস

নিজস্ব মতিবেদক

ঘরে ঘরে বিদ্যুত পৌছে দেওয়ার অংগীকার করে বেটারির বেবসায় নামার ঘোষনা দিয়েছেন বাংলাদেশের এক মাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক শান্তির পারাবত ড. মুহম্মদ ইউনূস।

গতকাল হোটেল রেডিসনে গ্রামীন শক্তি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ইউনূস বলেন, শেষ বয়সে ‌একটু শান্তিতে বেবসা করার জন্য আমি গ্রামীন বেংক প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। অথচ জালেম সরকার এই বয়সের দোহাই দিয়া আমায় বহিষ্কার করল। গ্রামীন বেংক আজ ধ্বংসের দাড়প্রান্তে। গ্রামীন বেংকের সব টেকাটুকা শেখ হাসিনা ও তার বাকশালী চামচার দল লুটপাট করে খেয়ে ফেলেছে। প্রতিদিন গ্রামীন বেংকের গ্রাহকেরা আমায় ফেসবুকে মেসেজ দিয়ে বলে, তুমি আজ কত দুরে, আখির আড়ালে রয়ে গেছ তবু রয়েছ রিদয় জুড়ে।

পারলে ঠেকা: ইউনূস

আবেগঘন কণ্ঠে ইউনূস বলেন, আমি চাটগাঁর সওদাগর বংশের ছেলে। গ্রামীন বেংক থেকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে আমার বেবসা তুমি থামাতে পারবে না শেখের বেটী। বেবসা আমি করেই যাব। এই দেখ গ্রামীন বেংকের টেকায় প্রতিষ্ঠিত গ্রামীন শক্তি থেকে আমি বেটারির বেবসা শুরু করলাম। পারলে ঠেকা।

ইউনূস বলেন, আমাদের দেশের সুর্য অন্যান্য দেশের সুর্য হতে আকারে বড়, অধিক টেকসই ও সস্তা। গ্রামীন শক্তি এই সুর্যকে লেম্বুর মত চিপে শক্তি উতপাদন করবে। লেম্বুর রস রাখতে যেমন একটি পাত্র প্রয়োজন, সুর্যের শক্তি রাখতে হলেও তেমনি একটি পাত্র প্রয়োজন। সেই পাত্রটিই হল বেটারি। আমি এখন বিদেশ থেকে শুল্ক মুক্ত বেটারি আমদানি করব। বাংলার ঘরে ঘরে বেটারি পৌছে দিব। সেই বেটারি দিয়ে আমাদের ঘরে ঘরে মা বোনেরা মুবাইল ফুনে কথা বলবেন। দেশ এগিয়ে যাবে।

ইউনূস বলেন, উন্নয়ন মানেই বেটারি। বেটারি ছাড়া মেশিন চলে না, উন্নয়ন হয় না।

January 10, 2013

আমিনী নম্বর টু

নিজস্ব মতিবেদক

দেশের রাজনীতীতে ‘নম্বর টু’দের অংশ গ্রহন বেড়ে যাওয়ায় আশংকা প্রকাশ করেছেন সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু আলহাজ্জ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

আজ এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে এরশাদ এই আশংকা বেক্ত করেন।

এরশাদ বলেন, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সরকার কারা বন্দী করার পর আমরা রাজনীতীর ময়দানে ফখা নম্বর টু হিসাবে তরিকুল ইসলামকে দেখতে পেয়েছি।

পল্লীবন্ধু বলেন, ‌উপমহাদেশের ইসলামী আন্দোলনের প্রান পুরুষ ও গৃহবন্দী নেতা মুফতি ফজলুল হক আমিনীর ওফাতের পর আমরা তার জায়গায় আব্দুল লতিফ নিজামীকে দেখতে পাচ্ছি। তিনি এখন আমিনী নম্বর টু।

আশংকা প্রকাশ করে পল্লীবন্ধু বলেন, এভাবে রাজনীতীর মাঠে নম্বর টু ঢুকে পড়ছে। নম্বর ওয়ানরা হয় মরে যাচ্ছে নয়ত সরে যাচ্ছে।

তার মৃত্যুর পর কে এরশাদ নম্বর টু হবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে এরশাদ বলেন, আমি এখন কারও নাম বলতে চাই না। কারন যার নাম বলব, দেখা যাবে আমার আগেই বৃদ্ধ হয়ে সে মৃত্যু বরন করেছে। ২০৫০ সালে গিয়ে আমি এরশাদ নম্বর টুয়ের নাম ঘোষনা করব।

এ বেপারে প্রতিক্রিয়া জানতে আবদুল লতিফ নিজামীর সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন আমিনী নম্বর টু। এখন আমিই সবাত্তে বেশি বুজি।

কারাগারে বন্দী বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে আমীর মতিউর রহমান নিজামীর সংগে কোন আত্মীয়তা আছে কি না, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে আব্দুল লতিফ নিজামী বলেন, বুঝেনই ত।

%d bloggers like this: