Archive for February, 2013

February 28, 2013

আইন হারিয়ে গেছে, খুঁজে পাই না: ইনু

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে সালাফিয়ে আমীর এবং ইসলাম ও জ্বালানী বিশেষজ্ঞ ইঞ্জি. মাহমুদুর রহমান ও তার সর্দারকৃত পত্রিকা ‘আমার দেশ’ এর বেপারে বেবস্থা প্রসংগে বলতে গিয়ে তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, আইন মোতাবেক বেবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু আইন হারাইয়া গিয়াছে। খুঁজে পাই না।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে হাসানুল হক ইনু এ কথা বলেন।

তথ্য মন্ত্রী ইনু বলেন, মাহমুদুর প্রচুর চুদুরবুদুর করছে। তাকে শায়েস্তা করা প্রয়োজন। কিন্তু কুন আইনে তাকে শায়েস্তা করব, তা খুঁজে পাই না।

আইনী জটিলতা বেখ্যা করে ইনু মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে তিনটি খতরনাক সর্দার রয়েছে। এরা সবাই ম. রহমান। এরা সবাই কারওয়ানবাজার থেকে সর্দারি করে এবং দেশের বিভিন্ন শয়তানি বদমাইশিতে জড়িত থাকে। এরা হচ্ছে মতিচুর রহমান, মাহফুজুর রহমান ও মাহমুদুর রহমান।

আবেগঘন কণ্ঠে ইনু মন্ত্রী বলেন, এরা এত বদমাইশ যে রেব ডিবি দিয়া এক মাস পিটাইলেও সঠিক শাস্তি হয় না। মশা এদের শরীলে বসিয়া এক চিড়িক রক্ত পান করলে মশার শরীলেও শয়তান ভর করবে, এমনই বদ ইহারা। তাই এদের শায়েস্তা করতে প্রয়োজন আইন।

যদি কুন সহৃদয় বেক্তি আইনটি পাইয়া থাকেন …

ইনু মন্ত্রী বলেন, আমি তথ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর আইনগুলি সব গুছগাছ করে রেখেছিলাম। কিন্তু পরে নানা কাজে বেস্ততায় আইনগুলি একেকটি একেক দিকে চলে গেছে। তার মধ্যে একটি আইনে মাহমুদুর, মাহফুজুর ও মতিচুর, এই তিন রহমানকেই হালুয়া টাইট দেওয়ার বন্দবস্ত আছে। কিন্তু আইনটি খুঁজে পাই না।

আইন খুঁজে পাওয়া মাত্রই মাহমুদুরের বিরুদ্ধে বেবস্থা নেওয়া হবে বলে ইনু মন্ত্রী জানান।

তিনি জনগনকে আইন খুঁজায় সহায়তা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যদি কুন সহৃদয় বেক্তি আইনটি পাইয়া থাকেন, তবে তা নিকটস্থ থানায় সোপর্দ করুন।

তিনি আরও বলেন, আইন নিজের হাতে তুলিয়া নিবেন না।

Tags:
February 27, 2013

আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

February 27, 2013

বুকে হাত দিয়ে প্রমান না করায় নিলোফারের দুঃখ

নিজস্ব মতিবেদক

বুকে হাত দিয়ে ১৯৭১ সালে নিহতদের সংখ্যা প্রমান করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার সংসদ সদস্য নিলোফার বানু মনি।

মধ্য রাতে একটি টিভি চেনেলের টক শোতে গিয়ে কথার এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে পড়েন নিলোফার।

সংসদ সদস্য নিলোফার বলেন, বেয়াল্লিশ বচ্ছর কেটে গেল, কেউ কথা রাখেনি। ১৯৭১ সালে মারা গেল মাত্র তিন লক্ষ লোক, অথচ সবাই বলল মরেছে তিরিশ লক্ষ লোক। আজ পর্যন্ত কেউ বুকে হাত দিয়ে প্রমান করতে পারল না, ১৯৭১ সালে আসলেই কত লোক মারা গেছে।

আবেগঘন কণ্ঠে নিলোফার বলেন, এখনও সময় আছে। আপনারা এগিয়ে আসুন। বুকে হাত দিন। প্রমান করুন।

[ভিডিও]

বুকে হাত না দিয়ে প্রমান করা যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নিলোফার বলেন, বুকে হাত দিতেই হবে। নাহলে আবার কিসের প্রমান?

বুকে হাত দেয় লোফার লোকজন, এমন মন্তব্যের জবাবে নিলোফার বলেন, আমি নিলোফার। কুন লোফারকে ভয় পাই না। সাহস থাকে তো লাইনে আসুন।

February 27, 2013

ফাঁসি নয়, প্রেম দাও: ফখরুল

নিজস্ব মতিবেদক

১৯৭১ সালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের জন্য বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পুলা নেতা কর্মীদের ফাঁসির দাবীতে শাহবাগ আন্দোলনের তরুনদের উদ্দেশে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ফাঁসি নয়, তাদের প্রেম দাও।

আজ এক সমাবেশে বক্তৃতা কালে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, শাহবাগে ফেসিবাদ ও নাটককে আমি আগেও স্বাগত জানিয়েছি। শুনেছি সেখানে রেপ হয়, ড্রাগস হয়। ইচ্ছা ছিল একদিন যাব। কিন্তু অনেক কাজে বেস্ত ছিলাম। তাই শাহবাগে আর যাওয়া হয়নি। কিন্তু টিভিতে শাহবাগ দেখেছি, রেডিওতে শাহবাগ শুনেছি, আমার দেশে শাহবাগ পড়েছি। সেখানে ছেলে মেয়েরা শুধু বলে, ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই। রাজাকারের ফাঁসি চাই। একটা দুইটা জামাত ধর, সকাল বিকাল জবাই কর।

আবেগঘন কণ্ঠে মির্জা ফখরুল বলেন, আমার পিতা চখা মিয়া রাজাকার ছিলেন। আমি জানি রাজাকারের সন্তানদের কত দুঃখ। রাস্তায় বের হলে সবাই ডাকে, কি রে রাজাকারের পুত ভালা আছ? চায়ের দুকানে টেকাটুকা বাকি পড়লে মহাজন বলে, রাজাকারের পুলা খালি বাকি খায়। বাসায় গভীর রাতে ইস্ত্রির সংগে মনমালিন্য হলে সে পর্যন্ত ধমক দিয়ে বলে, রাজাকারের ছাও এখান থেকে যাও। ফখা ইবনে চখার জীবন বেদনাময়।

লোকে বলে রাগ নাকি অনুরাগের আয়না: ফখা

অশ্রু মুছে মির্জা ফখরুল বলেন, রাজাকারের ফাঁসি দিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ গড়া যাবে না। জামাত শিবির জবাই করেও সুন্দর বাংলাদেশ গড়া যাবে না। তাদের ফাঁসি নয়, প্রেম দাও। গোলাম আযমকে প্রেম দাও। নিজামীকে প্রেম দাও। মুজাহিদকে প্রেম দাও। কামারুজ্জামানকে প্রেম দাও। সাঈদীকে তুমরা প্রেম না দিলেও চলবে, তার জন্য ইসলামী ছাত্রী সংস্থা আছে।

ফখা ইবনে চখা বলেন, কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দিয়ে জিয়াউর রহমান সুন্দর বাংলাদেশ গড়েছিলেন। রাজীব হায়দারকে জবাই করে জামাত শিবির সুন্দর বাংলাদেশ গড়ছে। যারা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ছে, উল্টা তাদের ফাঁসি দিলে, জবাই করলে, সুন্দর বাংলাদেশ আর কখনও গড়া হবে না। তাই তাদের দিতে হবে প্রেম।

%d bloggers like this: