শাহবাগে টেকা নাই: ইউনূস

অর্থ মতিবেদক

শাহবাগে যেতে অস্বিকৃতি জানিয়ে বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ড. মুহম্মদ ইউনূস বলেছেন, শাহবাগে যাব না। ওখানে টেকা নাই।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনূস এ কথা বলেন।

ইউনূস বলেন, আমি শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছি। আর শাহবাগের পুলাগুলি খালি আমায় ডাকে। বলে ইউনুছ হয়ার আর ইউ। আমি ঐখানে অশান্তির মধ্যে কেন যাব? তাছাড়া শাহবাগে টেকাটুকার কুন বেবস্থা নাই।

শাহবাগে টেকা নাই, কেন যাব: ইউনূস

নোবেল বিজয়ী অভিমান করে বলেন, অশান্তির মধ্যে গেলে নোবেল কমিটি নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নিতে পারে। তখন বাংগালী জাতির উচ্চতা আবার কমে পাচ ফুট হবে। অন্যান্য প্রত্যংগের দৈর্ঘও কমে পারে। অথচ তারা আমায় শাহবাগে যেতে বলে।

ইউনূস বলেন, যেখানে টেকাটুকা নাই সেখানে আমিও নাই। আমি বড়লুকের দেশে বক্তিতা দেই, টেকা পাই।

টাকা দেওয়া হলে শাহবাগে যাবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইউনূস বলেন, কুটি টেকা দিলেও যাব না। শাহবাগে রেপ হয়।

40 Comments to “শাহবাগে টেকা নাই: ইউনূস”

  1. shahbage rape korle to torai korbi bejonmar bacca ra, shantir somabeshe tumi oshanti koi pao….

  2. কুটি টেকা দিলেও যাব না। শাহবাগে রেপ হয়

  3. sud kor unous ,banglar dusmon,amirican dalal,

  4. যারা এই প্রতিবেদনটি লিখেছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে বলছি, অধ্যাপক ড: মোহাম্মদ ইউনুস একজন প্রাত:স্মরনীয় বাংলাদেশী। তিনি আমাদের সম্মান বৃদ্ধি করেছেন এবং বিশ্বে বাংলাদেশীদের জন্য একটি সম্মানজনক অবস্থান তৈরী করেছেন। এ ধরনের একজন মহান ব্যক্তিকে ব্যাঙ্গ করা আর নিজেকে এবং বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে অপমান করা একই কথা। আপনাদের প্রতি আমার সবিনয় প্রশ্ন; আপনারা কি বুঝতে পারছেন যে ড: মোহাম্মদ ইউনুসকে অপমান করায় কোন সার্থকতা নেই বরন্চ সার্থকতা রয়েছে তাঁকে সম্মান করার মধ্যে। আসুন আমরা এই মহান ব্যক্তিকে নিয়ে গর্ব অনুভব করি।

    মোহাম্মদ জহুরুল হক, বনানী, ঢাকা।

    • প্রাত:স্মরনীয় মানে কী? প্রাতকালে টয়লেটের আগে উনারে স্মরণ নিতে হবে?

  5. , এমন প্রশ্নের জবাবে ইউনূস বলেন, কুটি টেকা দিলেও যাব না। শাহবাগে রেপ হয়।

  6. this is the reason I hate these fvvking bangal bloggers. let Dr. Yunus stay alone, idiots…you better get busy sucking your master’s boot

    • Agreed! Leave Mr Yunus to suck on his foreign masters’ boots! You guys go back to sucking on the Deshi maters’ boots, since anyone who criticizes Yunus’s actions clearly do it to suck up to AL, and not because Yunus has proved to be a complete phoney.

  7. hala mongus koi paisos ei khobor ?

  8. ইউনুচ আরও বলেন দেসের মানুস ছোডখাড বিষয় লইয়া খামখা জামেলা করে, টেকাটুকা দিলে তিনি ইস্লামি বেংকেও জগ দিবেন।

  9. শাহাবাগে রেপ হয়ঃ জামাতী খানকির পোলা

  10. such a waste of time

  11. Probably Yunus wants to stay out of trouble. He had already faced limitless problems created by political parties.

    • Of course he wants to stay out of trouble. That’s the whole point of this satire. Yunus won’t stick his neck out unless there is promise of dollars, or pressure from USA.

  12. Shakib Al Hasan o nei. Bia koira mone hoy…

  13. হেইদিন কানে ধইরা আমি কইলাম, আমি আর কুনদিনু নোবেল নিমু না তবুও বেয়াদপ পোলাপাইন শাহবাগে আমারে ডাকে! সাহারা, হানিফ, মুতিয়ার মত আমারেও মাইক দিয়া পিটাবার চায়।

  14. I don’t understand about Eunus address, What he want to say? Is he m..a…?

  15. কুটি টেকা দিলেও যাব না। শাহবাগে রেপ হয়।

  16. এই পোস্ট এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ধরনের একজন মহান ব্যক্তিকে ব্যাঙ্গ করা একেবারেই উচিত হয় নাই।
    Shame on Moti kontho

  17. এই পোস্ট করার মাধ্যমে মতিকণ্ঠের প্রতি যে ভালোবাসা ছিল, টা ধুলায় উড়ায় গেল। ড: মোহাম্মদ ইউনুস সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করার আগে তার কাজ সম্পর্কে জানুন। ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া ঘাঁটুন। দেশি মিডিয়া তো গোয়ালে পালিত গাভি। সব দেখে তারপর মন্তব্য করুন। লেখক যদি সব কিছু জানতেন, তাহলে লজ্জায় তার মাথা হেট হয়ে যাইত, তিনি এইখানে যা বলেছেন তার জন্য। দুর্ভাগা জাতি মোরা।

    • দেশি মিডিয়া যে গোয়ালেই পালা হোক, দেশের মানুষ কিন্তু ঘাস খায় না। ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া কি গোয়ালহীন ভেবেছেন আপনি? অনিয়ন পড়েন তো?

  18. ইউনুসাইল ভাই চরম হইসে কথাটা। প্রাতঃ সরণীয়।

  19. মিস দিয়া বিদেশি মিডিয়া সম্পর্কে আপনার এত ভাল ধারনা? বাহ। CNN যে আমেরিকার কথায় নাচে তাকি জানেন?
    আপনি নিজে আগে জানেন। ইয়ুনুস মিয়ারে নিয়া যা লেখছে হেতের চিন্তাভাবনা এরচে খারাপ।
    সাবাস মতি !!!!!!!!!!!!!!

  20. yunus saheb aj porjonto desher kon proyojonio somoye hajir hoyesen?? ?sudhu hilari ba clinton unar bondhu eta jahir kora sara uni deser mediakey kono somoy den na or voy pan..r unakey dekha jay bondorta koto taratari unmukto kora jay sei bishoyer obotaronay…r west j kono sartho chara kaukey backing deyna eta ekhon socheton manushera bujhey…khali bideshey accepted bolei takey niye nachtey hobey etathok na..americay noble loriet er jail hoyesey…sob manushkey niye satire kora jabey r uni prophet ei dhoroner manosikota porihar kora uchit..amader rajnitibidra kharap hoyesen ei dhoroner blind supporterder karoney..

  21. Courtesy- Debashis Kakon
    ‘দারিদ্র্যকে যিনি জাদুঘরে’ পাঠাতে চান, সেই ড. ইউনূস জাতীয় জাদুঘরের সামনে আটদিন ধরে চলমান আন্দোলনে যোগ দিতে আসেননি কিংবা এই বিষয়টি নিয়ে কোনো কথাও বলেননি; জাদুঘরের সামনে যে রাজাকারদেরকে ঘৃণার জাদুঘরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে, সেটাতে তিনি সম্ভবত আগ্রহী নন।

    – যিনি নিজের কর্মকাণ্ডকে পাওলো ফ্রেইরির শিক্ষাদর্শন থেকে অনুপ্রাণিত বলে দাবি করেন, শিক্ষা-বিষয়ে নানা পুরষ্কার পাওয়া ও সর্বোপরি ‘স্যার’ উপাধিপ্রাপ্ত জনাব ফজলে হাসান আবেদ শাহবাগের উন্মুক্ত প্রান্তরে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর দিনরাত স্লোগানে ফেটে পড়া দেখতে আসেননি; সম্ভবত পেডাগজি অব দ্যা অপ্রেসড বইতে জনগণের শক্তি ও সচেতনতা নিয়ে ফ্রেইরি কী বলেছেন তা তিনি নানা পুরষ্কারের ভারে ভুলে গেছেন।

    – হাজার-হাজার-লাখ-লাখ আলোকিত মানুষ যেখানে প্রবল গর্জনের ঢেউ তুলছে, সেই ‘আলোকিত মানুষের কারিগর’ জনাব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বাংলামোটর থেকে পাঁচ মিনিট হেঁটে শাহবাগে আসতে পারলেন না এখনও; সম্ভবত আলোকিতের সংজ্ঞা বাংলামোটর ও তাদের বইয়ের গাড়ির ভেতরে আটকা পড়ে গেছে।

  22. দিয়া তুমি একটা গৃহপালিত গাভী। ইউনুসরে তুমি সম্মান জানাও কোন কারনে? তারে তুমি বিজয় দিবসে ফুল দিতে দেখ? একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে দেখ? রাজাকারের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে জনতার সাথে একমত হতে দেখ? সেতো বাংলাদেশের কোন ইভেন্টেই নাই। ইন্টারন্যাশনাল ভাবে সে কি বাল ফালাইসে আমারে কও। সে শাহবাগের সমাবেশরে ইন্টারন্যাশনাল ভাবে পরিচিত করসে? জনমত গঠন করসে? কি করসে? তুমি আগে ইউনুসের দালালি সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে নিশ্চিত হও। তারপর পাকনা কথা কইতে আইস।

  23. দিয়া মেডামের বয়স মনে হয় এখনো ১৫-১৬ হয় নাই । তাই অপরিপক্ক বালিকার মত শব্দ চয়ন করিয়াছেন । অপরিপক্ক বালিকার মতিকণ্ঠে প্রবেশ নিষেধ ।

  24. তো, আপনার ধারণা ইন্টারনেশনাল মিডিয়া যাকে নিয়ে উল্লম্ফো করে সে ই মহান..আর আমাদের গরিব বাঙালির আন্ধার ঘরের চেরাগ তাই মিষ্টার ইউনুচ! উনি হলেন জাতে তুষ্ট পাতে উচ্ছিষ্ট একজন হিপোক্রেট..

  25. আমাদের দেশের সব বিখ্যাত লোকই এরকম। ইউনুস এর মত এক জন যদি শাহবাগে গিয়ে ৫টা মিনিটের জন্য দাঁড়িয়ে সংহতি প্রকাশ করতো, তাহলে আর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে অপপ্রচার চলতো না (বেশ কিছু মিডিয়া নিউজ করেছে যে ইসলামিক নেতাদের বাঁচাতেই নাকি ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমেছে)। বাংলাদেশের স্টারদের সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ এখনও গড়ে উঠেনি।

  26. নোবেল বিজয়ী রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার !!!!!!!!!!!!!!!

  27. // টাকা দেওয়া হলে শাহবাগে যাবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইউনূস বলেন, কুটি টেকা দিলেও যাব না। শাহবাগে রেপ হয়। // 😛 😛

  28. টেকা নাই ঠিকই কিন্তু হুরপরি আছে। 😛

  29. যেখানে টেকাটুকা নাই সেখানে আমিও নাই। আমি বড়লুকের দেশে বক্তিতা দেই, টেকা পাই।

  30. কয়েকজনের ইউনূসানুভুতি আহত হয়েছে ব্যাপক ভাবে!

  31. ব্যাপক মজা……।।

  32. এই খানকির পোলার জন্যই তো আজকে নিজেদের কোন সিদ্ধান্ত নিতে চৌদ্দবার পশ্চিমারা মাতব্বরি চোদায়, আর একে জেইসব বাংলাদেশী খানকির পোলা মাথায় তুলে, সেই সব খানকির পোলা নিজের ছেদায় আঙ্গুল ঢুকায়ে রাখ

  33. আসুন একটু পরি…’ইউনুচ নামা’ !
    শান্তিতে প্রতিবছর নোবেল পুরষ্কার প্রদান করে নরওয়ের নোবেল শান্তি কমিটি। পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত এ কমিটির কেউই বিশ্বখ্যাত কোন ব্যক্তিত্ব নন, সকলেই কোন না কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমান চেয়ারম্যান থরবোর্ন জ্যাগল্যান্ড নরওয়ের লেবার পার্টির একজন সদস্য। ২০০৬ সালে চেয়ারম্যান ছিলেন ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য ওলে ড্যানবোল্ট যিনি ডঃ ইউনূসকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করেন। কমিটির বাকি চারজন সদস্যদের মধ্যে ক্যাসি কুলম্যান ফাইভ একাধারে একজন ব্যবসায়ী এবং কনজারভেটিভ পার্টির সদস্য। চরম বিতর্কিত উগ্র মার্কিনপন্থী এই সদস্যের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ২০০৭ সালে সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর কে এবং ২০০৯ সালে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কে নোবেল শান্তি পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়। সিসেল রনবেক হলেন কমিটির অপর সদস্য যিনি একজন রাজনীতিক এবং সাবেক মন্ত্রী। ইঙ্গার ম্যারি ইটারহর্ন এবং এগোট ভেইল যথাক্রমে নরওয়েজিয়ান প্রগ্রেস ও সোশ্যালিস্ট লেফট পার্টির সদস্য, পেশায় যথাক্রমে পার্লামেন্টের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টিটিভ এবং ফিজিওথেরাপিস্ট। তাদের অখ্যাতি এবং পেশার বিবরণ শুনে সচেতনমানসে তাই স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে,যে কমিটির পাঁচজন সদস্যের সকলেই রাজনৈতিক দলের সদস্য,কেউ ব্যবসায়ী কিংবা ফিজিওথেরাপিস্ট,তারা বিশ্বশান্তির কি এমন বোঝেন ? নরওয়ের বুদ্ধিজীবী সমাজের কাউকে কমিটিতে না রেখে সব রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের স্থান দিয়ে নরওয়েজিয়ান সরকার কি নোবেল শান্তি পুরস্কারকে একটি হাস্যকৌতুকে পরিণত করে তোলেন নি? নোবেল শান্তি কমিটিকে নোবেলবিজয়ী নির্ধারণে সহযোগিতা করে নরওয়েজিয়ান নোবেল ইন্সটিটিউট। সংস্থাটির চেয়ারম্যান গ্যের লুন্ডস্ট্যাড একজন ঐতিহাসিক,যিনি শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের মধ্যেকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে লেখালেখি করেন। অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ওলাভ নোলস্ট্যাড,দ্যাগ কুল গোটোভ্যাক, সিগরিড ল্যাঞ্জব্রেক,অ্যানি সেসিল জেলিং, টোরিল জোহানসেন এবং বর্ণ হেলগে ভ্যাঞ্জেন। নাম শুনেই বুঝতে পারছেন, এদের কেউই বিশ্বনন্দিত কিংবা বড়মাপের ব্যক্তিত্ব নন। উইকিপিডিয়া কিংবা গুগল সার্চ করলেও ব্যাপারটির সত্যতা প্রমাণিত হয়। নরওয়ের এই অখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ কাকে নোবেল প্রাইজ দিলেন আর কাকে দিলেন না,সেটি কোন বিষয়ই নয়। নোবেল শান্তি পুরষ্কারের প্রবর্তক সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল যদি তার জীবদ্দশায় জানতেন যে,তার নামে আজকাল কিছু অপরিচিত অখ্যাত রাজনীতিকেরা অশান্তি কায়েমকারী কূটনীতিক-রাষ্ট্রপ্রধান আর সুদখোর মহাজনদের পুরস্কৃত করছেন,তাহলে লজ্জায় অপমানে ওনার মাথা হেট হয়ে যেত।

    এবার আসা যাক ডঃ ইউনূস প্রসঙ্গে, ২০০৬ সালে ডঃ ইউনূসকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দিতে যেয়ে নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে ডঃ ইউনূস অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছেন, বিল ক্লিনটনের প্রসঙ্গটি উল্লেখ করা হয়, আরো বলা হয়, ইউনূসকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে নোবেল কমিটি ইসলাম ও পশ্চিমের দূরত্ব হ্রাস করতে চায়। এছাড়া নারী ক্ষমতায়নের পথ সুগম করা ও বিশ্বব্যাপী দারিদ্রের বিরুদ্ধে সংগ্রামের অংশ হিশেবে ডঃ ইউনূস কে নোবেল কমিটি এ সম্মাননা প্রদান করছে ।প্রশ্ন হলো, পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোতে আমাদের দেশের মত এমন নিদারুণ দারিদ্র নেই, তাই দারিদ্র বিমোচনের জন্য ক্ষুদ্রঋণের বিশেষ প্রয়োজনও নেই তবে ব্যবসা বাণিজ্যই যদি মূল উদ্দেশ্য হয় যার মূল লক্ষ্য থাকে মুনাফা অর্জন,তবে হাজারটা ক্ষুদ্রঋণদান প্রতিষ্ঠান খোলা তো যেতেই পারে। ক্ষুদ্রঋণ একটি মহাজনি ব্যবসা, সুদসহ আসল না পেলে মহাজন যেমন জমি ও বসতভিটা ক্রোক করে নেয়,তেমনি গ্রামীনব্যাংক কর্মকর্তারা ঠিক সময়ে সুদসহ আসল না পেলে জমিজমা-বসতবাড়ি-টিনের চালা,হাঁসমুরগী-গরুবাছুর-হাঁড়িপাতিল-আসবাবপত্র-নাক-ফুল-অলংকারাদি জোরপূর্বক নিয়ে যায় । এমনি অত্যাচারের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছেন দোহার থানার অভাগী রাবেয়া,দারিদ্রের দুষ্টচক্রের মধ্যে পড়ে ক্ষুদ্রঋণে সর্বস্বান্ত হয়ে মারা যান সুফিয়া,এরকম ভুরিভুরি উদাহরণ আমাদের জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে আরো অনেক উদাহরণ জনগণের সামনে অচিরেই তুলে ধরতে যাচ্ছেন ডেনমার্কের নামকরা সাংবাদিক টম হেইনম্যান তার বহুল আলোচিত ‘Caught in microdebt’ প্রামাণ্যচিত্রে। প্রকৃতপক্ষে, ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে গ্রামজনতার দারিদ্র যদি আসলেই বিমোচিত হতো,তাহলে তাদের পরনে নোংরা মলিন ছিন্ন পোশাক থাকতো না,ছেঁড়া গেঞ্জি লুঙ্গি ছেড়ে তারা প্যান্ট শার্ট ধরত,ছেলেমেয়েদের স্কুল-কামাই করে আর বাবার সঙ্গে ক্ষেতেখামারে হালচাষ করতে হতোনা,কৃষিপ্রধান বাংলাদেশ এতদিনে ব্যবসাকেন্দ্রিক শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হতো।
    দারিদ্র বিমোচনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলেও রাষ্ট্রিক বা আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় এর কোন সরাসরি (Direct) ভূমিকা নেই, রয়েছে পরোক্ষ (Indirect) ভূমিকা। দারিদ্র বিমোচিত হওয়ার পরেও জাতিগত কিংবা আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিভেদের কারণে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। ভিয়েতনামের লি ডাক থো শান্তিতে নোবেল পেয়েও দৃঢ়চিত্তে তা প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন,“There is still no peace in Vietnam”। ডঃ ইউনূস যদি ওনার মতোই সৎ ও নিষ্ঠাবান বড়মাপের মানুষ হতেন তো নোবেল প্রত্যাখ্যান করে বলতেন,স্যরি, বাংলাদেশে এখনো শান্তি আসেনি আর দারিদ্রও বিমোচিত হয়নি। কিন্তু ডঃ ইউনূস দেশ ও মানুষের কথা কোনদিন ভাবেননি, ডিগ্রি ও পুরস্কার প্রাপ্তি তথা বিপুল বিত্ত অর্জন করাই তার একমাত্র ধ্যানজ্ঞান-ভাবনা,তাই খুশিতে আত্মহারা হয়ে পুরস্কার নিতে চলে গিয়েছিলেন নরওয়েতে। ২০০৬ সালে নোবেল পাওয়ার পর লোক দেখানোর জন্য আর সমালোচনা থেকে বাঁচতে একবার মাত্র শহীদ মিনারে ও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন, জীবনে আর কোনদিন যাননি। ডঃ ইউনূস মধ্যবিত্ত শিক্ষক থেকে সুদের রমরমা ব্যবসা করে আজকে বিপুল বিত্তবান হয়েছেন, কিন্তু গরীবের অবস্থার উন্নতি হয়নি, তার মানে বিপুল অর্থ দিয়ে কিনতে হয়েছে ডঃ ইউনূস প্রচারিত দারিদ্র দূরীকরণের আফিম, সেই মাদকের মাদকতায় বিভ্রান্ত সহজসরল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগই অমানুষিক হাড়ভাঙ্গা খাটুনি করে ঋণ শোধ দিয়ে কোনমতে বেঁচে আছে আবার কেউ চরম মূল্য দিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে। ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন-মিশরের শান্তিচুক্তি একেবারেই ব্যর্থ হয়েছে, তবুও ইয়াসির আরাফাত, ইযহাক রাবিন, শিমন পেরেজ, মেনাশিম বেগিন ও আনোয়ার সাদাতেরা নোবেল শান্তি পুরষ্কার পেয়েছেন,
    এবার দেব উইকিলিকসের মতোই সাড়া জাগানো একটি খবর,বিল ক্লিনটনের পেছন থেকে সমর্থন থাকলেও ডঃ ইউনূসের নোবেল প্রাপ্তির পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইন্সটিটিউটের ডিরেক্টর তথা গ্রামীনফোনের ব্যবসায়িক পার্টনার টেলিনরের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা, ডঃ ইউনূসের বিশিষ্ট বন্ধু স্টেইন টোনেসন যিনি ডঃ ইউনূসকে নোবেল বিজয়ী করার পেছনে তদবির করেন। উল্লেখ্য যে, টেলিনর নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রধান স্পনসর। এই টেলিনরের আমন্ত্রণপত্রের মাধ্যমেই উনি ঘনঘন নরওয়ে সফরে যেতেন।

    পরিশেষে আরেকটি উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করে দেব যে নোবেল শান্তি পুরস্কার একটি চরম ভিত্তিহীন পুরস্কার। অহিংস সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রবক্তা বিশ্ব জুড়ে মহাত্মা এবং বাপু নামে পরিচিত মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। গান্ধীর মত এত বড় সমালোচনাহীন শান্তিপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন না আর সেখানে অখ্যাত কুখ্যাত অনেক ব্যক্তিই নোবেল পেয়ে গেলেন,বিষয়টি সুস্পষ্টভাবেই প্রমাণ করে নোবেল শান্তি পুরস্কারের ন্যূনতম ভিত্তি নেই।দেখুন সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোতে ইউনূস নিয়ে মাতামাতি নেই, কমিউনিস্টপন্থী নব্যশক্তি চীনে ইউনূস নিয়ে মাতামাতি নেই। ভারতে ইউনূস নিয়ে মাতামাতি নেই, শুধু আমেরিকা ফ্রান্স আর জাপানই সব নয়, চীন এবং ভারতে তাদের চেয়েও বেশি জনসংখ্যা এবং ২টি দেশের ইউনূসের বিন্দুমাত্র জনপ্রিয়তা নেই। জাতিসংঘের কাছেও ইউনূসের গ্রহণযোগ্যতা নেই। আমেরিকা চায়, তার স্বার্থ চরিতার্থ করতে ইউনূসকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসাতে, যাতে আমেরিকার অনুগ্রহে কৃতজ্ঞ ইউনূস দেশের যাবতীয় তেল গ্যাস ও অন্যান্য রিসোর্স আমেরিকায় ধীরে ধীরে পাচার করে দেন। আমেরিকা সকল দেশের তাদের নিজস্ব লোকজনকে সরকারে বসিয়ে ঐ দেশগুলোকে একপ্রকার কলোনী বানিয়েই ফায়দা লোটে, যেমন ইসলামের সূচনা হয়েছিল যেই দেশে, সেই দেশ সৌদি আরব এখন আমেরিকারই তাঁবেদারি করে চলে, আমেরিকা যেভাবে বলে সেভাবে করে। আশা করি, পরিষ্কার হয়েছে ক্যাপিটালিস্টদের উদ্দেশ্য।
    ১) নোবেল শান্তি পুরষ্কার কমিটি ও ইন্সটিটিউটের সদস্যদের অখ্যাতি ও সাধারণত্ব
    ক) http://en.wikipedia.org/wiki/Norwegian_Nobel_Committee
    খ) http://nobelpeaceprize.org/en_GB/nomination_committee/members/
    গ) http://en.wikipedia.org/wiki/Ole_Danbolt_Mj%C3%B8s
    ঘ) http://en.wikipedia.org/wiki/Kaci_Kullmann_Five
    ঙ)http://en.wikipedia.org/wiki/Sissel_Marie_R%C3%B8nbeck
    চ) http://en.wikipedia.org/wiki/Inger-Marie_Ytterhorn
    ছ) http://en.wikipedia.org/wiki/%C3%85got_Valle
    জ) http://en.wikipedia.org/wiki/Thorbj%C3%B8rn_Jagland
    ঝ) http://en.wikipedia.org/wiki/Geir_Lundestad
    ২) বিতর্কিত ও ভিত্তিহীন নোবেল পুরষ্কারের নমুনা
    ক) http://en.wikipedia.org/wiki/Nobel_Prize_controversies
    খ) http://www.huffingtonpost.com/2010/12/08/nobel-peace-prize-a-look-_n_793
    গ) http://listverse.com/2007/10/17/top-10-controversial-nobel-peace-prize-w
    ঘ) http://www.globaltoronto.com/Nobel+controversy/2087337/story.html
    ৩) বারাক ওবামার নোবেলপ্রাপ্তি বিতর্ক ও বিবিসির রিপোর্ট
    ক) http://news.bbc.co.uk/2/hi/8299599.stm
    খ) http://news.bbc.co.uk/2/hi/8405033.stm
    ৪) আল গোরের নোবেলপ্রাপ্তি নিয়ে বিতর্ক
    ক) http://www.newscientist.com/article/dn12779-al-gore-and-climate-panel-wi
    খ) http://www.eworldvu.com/national/2007/10/17/al-gores-controversial-nobel
    গ) http://en.wikipedia.org/wiki/Al_gore#Criticism
    ৫) ওয়াঙ্গারি মাথাইয়ের নোবেলপ্রাপ্তি নিয়ে বিতর্ক
    ক) http://www.rferl.org/content/article/1056339.html
    খ) http://en.wikipedia.org/wiki/Wangari_Maathai#Controversy
    ৬) ইয়াসির আরাফাত, ইযহাক রাবিন ও শিমন পেরেজের নোবেলপ্রাপ্তি নিয়ে বিতর্ক
    ক) http://www.tomgrossmedia.com/ArafatArticles.html
    খ) http://historycontroversy.blogspot.com/2009/10/controversial-nobel-peace
    ৭) রিগোবার্তা মেঞ্চুর নোবেলপ্রাপ্তি নিয়ে বিতর্ক
    ক) http://www.siu.no/eng/Front-Page/Global-knowledge/Issues/2010/When-Truth
    খ) http://www.wmich.edu/teachenglish/subpages/literature/rigobertamenchu.htm
    ৮) আনোয়ার সাদাত ও মেনাশিম বেগিনের নোবেলপ্রাপ্তি নিয়ে বিতর্ক
    ক) http://listverse.com/2007/10/17/top-10-controversial-nobel-peace-prize-w
    খ) http://en.wikipedia.org/wiki/Camp_David_Accords
    ৯) হেনরী কিসিঞ্জারের নোবেলপ্রাপ্তি নিয়ে বিতর্ক
    ক) http://www.telegraph.co.uk/news/worldnews/europe/norway/8193671/Nobel-Pe
    খ) http://everythingishistory.com/2009/10/15/the-always-controversial-nobel
    গ) http://bangladeshwatchdog.blogspot.com/2010/10/myth-of-international-bas
    ঘ) http://en.wikipedia.org/wiki/Henry_Kissinger
    ঙ) http://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Condor
    চ) http://en.wikipedia.org/wiki/Bombing_of_Vietnam%27s_dikes
    ছ) http://www.youtube.com/watch?v=2QLCKkMvz8w
    ১০) মুহাম্মদ ইউনূসকে নোবেলপ্রাইজ দেওয়ার জন্য ইসলাম-নারী ও দারিদ্রকে টেনে নোবেল কমিটির অজুহাতসমূহ
    ক) http://nobelprize.org/nobel_prizes/peace/laureates/2006/presentation-spe
    ১১) নামকরা রিপোর্টার টম হেইনম্যানের প্রামাণ্যচিত্রের বাংলা ভার্শন (Caught In Micro Debt)
    ক) আপলোড করা হচ্ছে, অতিশীঘ্র লিংক দেওয়া হবে
    ১২) লি ডাক থো-র নোবেল শান্তি পুরষ্কার প্রত্যাখ্যান
    ক) http://en.wikipedia.org/wiki/Le_Duc_Tho
    ১৩) শুধুমাত্র ২০০৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূসের স্মৃতিসৌধ এবং শহীদমিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ (ছবিতে তারিখ দেখুন)
    ক) http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=15416 (কমেন্ট অংশের মধ্যভাগে)
    খ) http://www.sachalayatan.com/ranadipam_basu/38164

    ১৪) দুর্নীতিতে লাগাতার পাঁচ বছরের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে গেলে জনসংখ্যার বিপুল অংশের সংশ্লিষ্টতা প্রয়োজন
    ক) http://taiyabs.com/2009/12/25205
    খ) http://www.transparency.org/policy_research/surveys_indices/cpi
    গ) http://www.sachalayatan.com/murtala31/17500
    ১৫) ইউকিলিকসের মতই গ্রামীন-লিকসঃ ডঃ ইউনূসকে নোবেল বিজয়ী করার মূল তদবিরকারী স্টেইন টোনেসন
    ক) http://governancexborders.com/2010/12/05/and-now-this-grameenleaks/
    ১৬) স্টেইন টোনেসনের টেলিনর ও আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইন্সটিটিউটের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা
    ক) http://www.cliostein.com/
    খ) http://en.wikipedia.org/wiki/Stein_T%C3%B8nnesson
    ১৭) নোরাডকে সম্ভাব্য বিপদের কথা জানিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের লেখা গোপন চিঠি
    ক) http://indiamicrofinance.com/wp-content/uploads/2010/12/Archive.zip
    ১৮) টেলিনর নোবেল শান্তি পুরষ্কারের প্রধান স্পনসর তথা মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যবসায়িক পার্টনার
    ক) http://nobelpeaceprize.org/concert/sponsors.php
    খ)http://www.telenor.com/en/news-and-media/press-releases/2004/telenor-in-nobel-peace-center-partnership
    ১৯) নোবেল শান্তি পুরষ্কার বিজয়ী হিসেবে মহাত্মা গান্ধী অবজ্ঞাত ও নোবেল কমিটির অজুহাত
    ক) http://nobelprize.org/nobel_prizes/peace/articles/gandhi/index.html
    খ) http://www.mkgandhi.org/nobel/nobelpeaceprize.htm

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: