Archive for March 2nd, 2013

March 2, 2013

বক্তৃতা লেখকের পরিচয় নিয়ে সংশয়ে খালেদা

নিজস্ব মতিবেদক

গোপন শলা পরামর্শ শেষে সিংগাপুর ও লনডনে প্রমোদ ভ্রমন সেরে দেশে ফিরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া।

এমন পরিস্থিতিতে বক্তৃতা লেখককে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন বেগম জিয়া।

আজ বিএনপি শাখার গোপন সুত্র এ সংবাদ নিশ্চিত করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার এক নেতা মতিকণ্ঠকে বলেন, মেডামকে কে বক্তৃতা লিখে দেয়, তা নিয়ে সংশয় তৈরী হয়েছে। আমরা এ বেপারে জোর তদন্ত করছি।

কঠিন কঠিন শব্দে খালেদার মাথাবেথা

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক নেতা বলেন, মহিলা আমীর বক্তৃতা লেখকের উপর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। তিনি বলেছেন, ইদানীং বক্তৃতায় কঠিন শব্দ ও যুক্তাক্ষরের পরিমান বেড়ে গেছে। জোট সরকারের সময় ‘ভারত’ ‘বাকশাল’ ‘একটি প্রতিবেশী দেশ’ ‘র’ প্রভৃতি সহজ সহজ শব্দ দিয়ে বক্তৃতা লিখে দিত শফিক রেহমান। কিন্তু বাকশালী সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর টেকাটুকায় শর্ট পড়ায় শফিক রেহমান পল্টি দিয়েছে। বর্তমানে সে বক্তৃতা লিখে দিতে বললে গড়িমসি করে। তাই কে যে এখন বক্তৃতা লিখে দিচ্ছে তা স্পষ্ট নয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্র জানায়, নতুন বক্তৃতা লেখকের উপর মহিলা আমীর অত্যন্ত নাখোশ। এই বক্তৃতা লেখকের পরিচয় খুঁজে বের করতে তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তির সর্বাধিনায়ক এম এ জি ফালুকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

গোপন সুত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক বক্তৃতায় ‘ফেসিবাদ’ ‘গনহত্যা’ প্রভৃতি কঠিন শব্দ চলে আসায় বেগম জিয়া অস্বস্তিতে আছেন। তিনি নিউ মার্কেট থেকে একটি বাংলা অভিধান খরিদ করার আদেশ দিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মহিলা আমীরের দুদু উপদেষ্টা শামসুজ্জামান অভিধান কিনতে নিউ মার্কেটে অবস্থান করছেন।

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার উকিলে আমীর বেরিষ্টার মওদুদ আহমদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ফেসিবাদ নিয়ে কিছু বিতর্ক আছে। আমি এ বেপারে আরও পড়াশুনা করে মহিলা আমীরের সংগে আলোচনা করব। তবে কতটা সফল হব জানি না। আপনারা আমার জন্য দুয়া করবেন।

এম এ জি ফালুর সংগে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নতুন বক্তৃতা লেখককে আমরা খুঁজে বের করব। আমরা ধারনা করছি সে ভারতীয় গুপ্তচর। কঠিন কঠিন শব্দ লিখে সে জাতীয়তাবাদী শক্তি ও গনতন্ত্রকে বিপন্ন করতে চায়।

সন্দেহের তালিকায় কারা আছেন জানতে চাইলে এম এ জি ফালু বলেন, এস এস সি পাশ করা সবাইকেই আপাতত আমরা শট লিষ্টে রেখেছি।

March 2, 2013

চিড়িয়াখানায় সাঈদী

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েব, বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবীদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের নির্মম বলি, ইসলামের বাগানে ফুটন্ত গোলাপ আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষনার পর প্রাণিকুলের মধ্যে শুধু ছাগলেরা প্রতিবাদে মুখর হলেও এবার তাতে যোগ দিয়েছে বেবুনের দল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মিরপুর চিড়িয়াখানায় ঘটে এক আশ্চর্য ঘটনা।

বেবুনের পুটুতে আল্লাম সাঈদীর মুখমণ্ডল

গতকাল চিড়িয়াখানায় বেড়াতে আসা ঝিনাইদহ শহরের জিল্লুর রহমান, কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের শিক হাফিজুর রহমান, স্কুল ছাত্রী কিমু, জিম, কোটচাঁদপুর উপজেলার শিক আব্দুল কাইয়ূম, শরিফুল ইসলাম আল্লাহর কসম কেটে দাবি করেন তারা বেবুনের পুটুতে সাঈদী সাহেবের মুখমণ্ডল ফুটে উঠতে দেখেছেন।

এ সময় কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের শিক হাফিজুর রহমান দাবি করেন কোটচাঁদপুর উপজেলার শিক আব্দুল কাইয়ূম তার বংশ পদবি চুরি করেছে। শিক হাফিজুর রহমান দাবি করেন তারাই বাংলাদেশের আসল শিক বংশ। তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলার শিক আব্দুল কাইয়ূমকে নাম থেকে নকল শিক বাদ দিয়ে আসল রড দিয়ে বদলে ফেলার আহ্বান জানান।

এ বেপারে কথা হয় কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ইমাম মাওলানা রুহুল আমিনের সাথে। তিনি জানান, শরিয়তের দৃষ্টিতে এর কোন ভিত্তি নাই। বেবুনের পুটুর প্রতি সাঈদীর অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণে বেবুনের পুটুতে সাঈদীর মুখমণ্ডল ফুটে উঠেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন স্থানে বিষয়টি মানুষ প্রথমে গুজব মনে করলেও সত্যতা যাছাই করার জন্য বহু লোক আজ চিড়িয়াখানা পরিদর্শনে এসে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হন। বৃহত্তর জামাতে ইসলামের বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া আগামীকাল মিরপুর চিড়িয়াখানায় বেবুনের খাঁচার সামনে ১ ঘন্টা সময় অতিবাহিত করবেন বলে জানা গেছে।

 

March 2, 2013

গনহত্যা আন্তর্জাতিক মানের হয়নি: খালেদা

নিজস্ব মতিবেদক

সিংগাপুর ও লন্ডনে গোপন শলা পরামর্শ শেষ করে দেশে ফিরে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, বাকশালী সরকার দেশে গনহত্যা চালাচ্ছে। কিন্তু এ গনহত্যা আন্তর্জাতিক মানের হয়নি।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, কুপুত্র যদিও হয়, কুমাতা কদাপি নয়। আমার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত কোকো বেংককে একাকী ফেরারী জীবন যাপন করে। তার টেকাটুকা সিংগাপুরের বেংকে গচ্ছিত ছিল। কিন্তু বাকশালী সরকার সিংগাপুর সরকারের সংগে অবৈধ ষড়যন্ত্র চুক্তি করে সেই টেকা বাংলাদেশে ফিরত নিয়ে গেছে। আমার কোকো পাচটি বচ্ছর কত পরিশ্রম করে, মাথার ঘাম পুটুতে ফেলে টেকা কামাই করেছিল, সেই টেকা বাকশালী সরকারের সিংগাপুর শাখা ঢাকায় পাঠিয়ে দিল। ছুট গনতন্ত্রের কাছে ভাত খাওয়ার টেকা ছিল না। তাই তাকে টেকা দিতে সিংগাপুর গিয়েছিলাম।

সিংগাপুর সম্পর্কে অসন্তোষ প্রকাশ করে খালেদা বলেন, সিংগাপুরে ইসলাম বিপন্ন। নরনারী সেখানে অবাধ মিলামিশা করে। এমন একটি দেশের বেংকে টেকাটুকা গচ্ছিত রেখে আমি অসন্তুষ্ট। তাদের বেশরিয়তী আচরন থেকেই বুঝা যায়, কেন তারা বাকশালী সরকারের এত বড় বন্ধু। আমার সব টেকা আমি সিংগাপুরের বেংক থেকে সরিয়ে ইসলামী প্রজাতন্ত্র মউরিতানিয়ার বেংকে জমা রাখব।

সিংগাপুরে আইএসআই এর সাধারন সম্পাদক জেনারেল রুস্তম খান লাহোরীর সংগে সাক্ষাতে সন্তোষ প্রকাশ করে খালেদা জিয়া বলেন, একানব্বই সালেও আইএসআই টেকাটুকা দিয়ে সাহায্য করেছিল। এখন তারা আত্মঘাতী বোমারু দিয়ে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আইএসআইকে ধন্যবাদ। তারা গনতন্ত্রের বন্ধু।

লন্ডনে বড় গনতন্ত্রের সংগে সাক্ষাতের কথা সংক্ষেপে তুলে ধরে বেগম জিয়া বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য উত্তরাধিকারী তরুন নেতৃত্ব তারেক জিয়া ভাল নাই। তার চিকিতসা চলছে।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জাতীয়তাবাদী শক্তির সর্বাধিনায়ক এম এ জি ফালুকে রুমাল দিয়ে অশ্রু মুছতে দেখা যায়।

ক্ষমতায় গেলে আন্তর্জাতিক মানের গনহত্যা করব: খালেদা

বাংলাদেশে বাকশালী সরকার কতৃক বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর কেডারদের গনহত্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করে খালেদা জিয়া বলেন, বাকশালী সরকার ইতিহাসের নিকৃষ্টতম গনহত্যা করছে। তারা বৃহত্তর জামায়াতকে শান্তিপুর্নভাবে ভাংচুর জ্বালাও পোড়াও খুন ধর্ষন করতে দিচ্ছে না। এসব করতে গেলে গুলি চালাচ্ছে। গনহত্যা করছে। এ গনহত্যার আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা হয়নি।

ক্ষমতায় গিয়ে গনহত্যা কিভাবে করতে হয় তা দেখানর অংগীকার করে বেগম জিয়া বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে আন্তর্জাতিক মানের গনহত্যা করব।

১৯৭১ সালে কোন গনহত্যা বা ধর্ষন হয়নি উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, একাত্তর সালে আমি সুঠাম সুপুরুষ আসিফ নেওয়াজ জানজুয়ার বাড়িতে ছিলাম। কুন গনহত্যার আলামত পাইনি। ধর্ষনও হয়নি। একাত্তর সালে যা হয়েছে সব নরনারীর আপোষেই হয়েছে।

আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়া বলেন, শাহবাগে ফেসিবাদ চলছে। ওখানে তারা রেপ করছে, ড্রাগস করছে। আর বৃহত্তর জামায়াত সত্তর আশিটা হিন্দু নারী রেপ করতে গেলেই দুষ।

%d bloggers like this: