Archive for March 3rd, 2013

March 3, 2013

ট্রাইবুনেলের হাজত থেকে কনডেম সেলে সাঈদী

একাত্তরে মানবতা বিরুধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েব, বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবীদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের নির্মম বলি, ইসলামের বাগানে ফুটন্ত গোলাপ আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘুষনার পর ট্রাইবুনেলের হাজত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গতকাল বিকালে ট্রাইবুনেল থেকে রায়ের কপিসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে পৌছার পরই তাকে ফাঁসির সেলে পাঠানোর পক্রিয়া শুরু হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফরমান আলী মতিবেদককে জানান, রায়ের পর থেকে সাঈদী আর হাজতি রইল না। সে এখন থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। তাকে আজ কয়েদির পোশাক পরানো হবে। কারাগারে প্রশাসনের নজরদারিতে থাকবে সাঈদী।

জেল সুপার আরো বলেন, মৃত্যুদণ্ডের রায় শোনার পর পতিক্রিয়া সাঈদীকে ভাবলেশহিন মনে হলেও এশার নামাজ পড়ার পর তাকে বেশ উত্তেজিত হয়ে কারাগারের ভেতর হাটাহাটি করতে দেখা গেছে বলে জানা গেছে। এসময় তিনি বিড়বিড় করে কলিজু, কলিজু শব্দটি আওড়াচ্ছিলেন।

কনডেম সেলে আল্লাম সাঈদী

ইসলামের বাগানের ফুটন্ত গোলাপ আল্লামা সাঈদীর সাক্খাতকার নিতে গেলে তিনি বলেন, আমি বন্দি কারাগারে আমি বন্দি কারাগারে আছি গো মা বিপদে বাইরের আলো চোখে পড়ে না।

জেলখানা সম্পর্কে অভিযোগ করে খানকির পোলা সাঈদী বলেন, জেলখানার সম্বল, থালা বাটি কম্বল এ ছাড়া অন্য কিছু মেলে না।

কনডেম সেল কেমন লাগছে জানতে চাইলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের নির্মম বলি সাঈদী বলেন, দিন রাত এখানে থমকে গেছে কনডেম সেলের পাথর দেয়ালে পতি নি:শ্বাসে মৃত্যুর দিন আমি গুনছী শোন জেল থেকে আমি বলছি।

March 3, 2013

জিহাদের খাটনি ফখরুলকেও খাটতে হবে: মকবুল

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর মকবুল আহমদ বলেছেন, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীরগন জিহাদের ডাক দিয়ে বাড়ি চলে যান। এভাবে আর চলবে না। জিহাদের খাটনি তাদেরও খাটতে হবে। বিশেষ করে ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুলকে রাজপথে থাকতে হবে।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ভাঁড়প্রাপ্ত খানকির পোলায়ে আমীর মকবুল এ কথা বলেন।

মকবুল বলেন, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামী সংগঠনের সর্বস্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। যেহেতু বিএনপি শাখার টেকাটুকা এখন বৃহত্তর জামায়াতের বাইতুল মাল হতে সরবরাহ করা হয়, এই টেকা হালাল করতে হবে। টেকাও দিবে জামায়াত, আবার পুটুতে পুলিশের লাঠিও খাবে জামায়াত, তা হবে না।

ক্ষুব্ধ কণ্ঠে মকবুল বলেন, ইতিপুর্বে বৃহত্তর জামায়াতের হরতালে বিএনপি শাখার নায়েবে আমীরগন কেহই ময়দানে উপস্থিত ছিলেন না। তাহারা সকলেই হরতাল ডাক দিয়ে বাড়িতে চলে যান। দুপুরে চিকন চালের ভাত, মুগ ডাল দিয়ে খাসির মাথা, চিতল মাছের পেটি সহযোগে খানা সারেন। সন্ধাবেলা টেলিভিশনের সামনে গিয়ে বলেন, জনগন হরতাল সফল করেছে। আর সারাটা দিন পুলিশের সংগে মারামারি, ভাংচুর, জ্বালাও পোড়াও করতে হয় জামাত শিবিরের মুজাহিদগনকে। এরকম নাইনসাফি চলতে পারে না।

আবেগঘন কণ্ঠে মকবুল বলেন, আমরা দুইদিন হরতাল ডেকেছি। এই হরতালে ফখরুলকে ময়দানে থাকতে হবে। কেরাসিন দিয়ে গাড়ি পুড়াতে হবে। রড দিয়ে কাচ ভাঙ্গতে হবে। আধলা মেরে প্রতিপক্ষের নাকসা ফাটাতে হবে। পুলিশের পুটুতে গুলি বর্ষন করতে হবে। কুন অজুহাত আমরা শুনব না। সব টেকা হালাল করতে হবে আগামী রবি ও সোমবার।

জিহাদে বেস্ত মকবুলের সন্তান

ফখরুলের নামে নালিশ করে মকবুল বলেন, তিনি কারাগারে আরাম করে শুয়ে বসে দিন কাটিয়েছেন। বই লিখেছেন। সব ঝামেলা গেছে তরিকুলের উপর দিয়ে। আর ফাকিবাজি চলবে না।

মাঠে মির্জা ফখরুল নামলে জামায়াত শিবির কি করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে মকবুল বলেন, আমরা এই দুই দিন একটু বিশ্রাম করব।

কিভাবে বিশ্রাম করবেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মকবুল সরাসরি উত্তর না দিয়ে মধুর হেসে বলেন, হে মাকারেনা।

%d bloggers like this: