Archive for March 13th, 2013

March 13, 2013

আহমদিনেজাদকে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যার দাবীতে মুখরিত তেহরান

তেহরান মতিনিধি

ভেনেজুয়েলার রাস্ট্রপতি মরহুম হুগো চাভেজের মৃত্যু পরবর্তী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তার মা এলিনা ফৃয়াসকে আলিংগন করেছেন ইরানের রাস্ট্রপতি মাহমুদ আহমদিনেজাদ।

আর এরই প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে তেহরান।

সুযোগ সন্ধানী আহমদিনেজাদ

এ ছবি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর তেহরানে লক্ষ লক্ষ নারী পুরুষ রাজপথে নেমে আসে। উত্তেজিত জনতা এ সময় আহমদিনেজাদকে কোমর পর্যন্ত গর্তে পুঁতে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যার দাবী করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্ষোভকারী বলেন, লম্পট আহমদিনেজাদের শাস্তি চাই। কেউ পাবে, কেউ পাবে না, তা হবে না তা হবে না।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তরুণ রেজা শাহ নাদিরজাদা মতিনিধিকে বলেন, আমার মহল্লায় শত শত সুন্দরী খালাম্মা বসবাস করেন। ইসলামের কথা ভেবে, শরীয়ার কথা ভেবে, সর্বোপরি পুলিশের ধোলাইয়ের কথা ভেবে তাদের আলিংগন করা থেকে নিজেকে বহু কষ্টে বিরত রাখি। আর আহমদিনেজাদ কি না হুগো চাভেজের মাকে আলিংগন করে। আহমদিনেজাদকে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করতে হবে। আমি নিজে সবার জন্য প্রয়োজনে পাথর টোকায়ে আনব।

তেহরানে বিক্ষুব্ধ জনতা

ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ ইয়াজদী বিক্ষোভ সমাবেশে এক বক্তৃতায় বলেন, কেউ কেউ বলছে, আহমদিনেজাদ সান্তনা দেওয়ার জন্য এলিনা খানমকে আলিংগন করেছে। আলিংগন করে সান্তনা দেওয়া যায়? আলিংগন করে দেওয়া যায় শুধু নিষিদ্ধ মজা। আহমদিনেজাদ এই নিষিদ্ধ মজা লুটেপুটে খাওয়ার জন্যই এলিনা খানমের সংগে ঈদের কোলাকুলি করেছে। ইসলামে এই ধরনের চপলতা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। আহমদিনেজাদ দেশে ফিরলে আমরা তাকে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করার বেপারে আরও আলোচনা করব।

আবেগঘন কণ্ঠে ইয়াজদী বলেন, আহমদিনেজাদ এম এ জি ফালু হইতে চায়। সালা রাশকেল বাশটাড।

এদিকে ভেনেজুয়েলায় আহমদিনেজাদের সংগে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হোয়াইল ইন রোম বিহেভ লাইক রোমানিয়ানস। ভেনেজুয়েলার মাটিতে আমি পাড়া দিতেই বুড়ি ছুড়ি সকলেই আমায় তুলতুলে আলিংগন করছে। আগার ফেরদৌস বরোয়ে জমিন অস্ত, হমিন অস্ত হমিন অস্ত হমিন অস্ত।

ইরানে কুন মজা নাই: আহমদিনেজাদ

ভেনেজুয়েলায় রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করে রাস্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অভিলাশ বেক্ত করে আহমদিনেজাদ বলেন, ইরান একটি অভিশাপ। মর্দা বেটারা ওখানে অদ্ভুদ।

March 13, 2013

কারাগারে হেসে লুটুপুটি গোলাম আজম

নিজস্ব মতিবেদক

ভিটামিন এ কেপসুল খাওয়ানর পর শিশুর মৃত্যুর গুজব রটিয়ে সারা বাংলাদেশে আতংক ছড়ানর খবর পেয়ে হাসপাতালের কারা কক্ষে আনন্দে লুটুপুটি খেয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর গোলাম আজম।

আজ সকালে তিনি এই লুটুপুটি খান।

গোলাম আজমের চিকিতসার তত্ত্বাবধানে থাকা নার্স জাহানারা খানম বলেন, গোলাম আজম সকালে ভিটামিন এ কেপসুল সংক্রান্ত গুজবে সৃস্ট আতংকের খবর শুনে হেসে মাটিতে লুটুপুটি খান।

হেসে লুটুপুটি খেলেন গোলাম আজম

এ বেপারে গোলাম আজমের সংগে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি মতিকণ্ঠকে বলেন, চাদের গায়ে সাঈদীর ছবি দেখার পর মারামারিতে মানুষের হতাহত হওয়ার সংবাদ পেয়ে মজা পেয়েছিলাম। কিন্তু ভিটামিন এ কেপসুল খেয়ে শিশু মরার গুজবের খবর পেয়ে খুব আনন্দ পেয়েছি।

হাসতে হাসতে গোলাম আজম বলেন, পাকিস্তানে পলিওর টিকা খাওয়ানর জন্য স্বাস্থকর্মীদের কতল করা হয়েছে। সে দেশে লবনে আয়ডিন মিশান হচ্ছে শুনলে লোকজন ধরে পুটু মেরে দেয়। আজ বুঝলাম, বাংলাদেশেও আমার সারা জীবনের সংগ্রাম সফল।

আবেগঘন কণ্ঠে গোলাম আজম বলেন, বাংলাদেশে লোকজন মোহর মারা ভুদাই। তারা চাদের বুকে সাঈদীকে দেখার গুজবের পরও কুন শিক্ষা লাভ করে নাই। ভিটামিন এ কেপসুলের গুজবও তারা ভক্ষন করেছে। এই দেশের লোকজনকে আমরা অচিরেই পাকিস্তান হতে অধিক ভুদাই বানাইয়া ছাড়ব।

আনন্দে মাটিতে লুটুপুটি খেয়ে গোলাম আজম বলেন, বাচ্চাকে হামের টিকা ডিপথিরিয়ার টিকা পরে দেন। আগে ভুদাইয়ের টিকা আর পাকিস্তানের টিকা দেন।

হাসতে হাসতে গোলাম আজম বলেন, কত বড় কমবখত হলে শিক্ষিত লোকজন ভিটামিন এ কেপসুলে বাচ্চা মরার গুজবে বিশ্বাস করে? ভিটামিন এ খেয়ে কুনদিন বাচ্চা মরে? বাচ্চা মরে ভিটামিন বি কেপসুলে।

March 13, 2013

শাহবাগ সরকারের কারসাজি: খোকা

নিজস্ব মতিবেদক

শাহবাগ আন্দোলনকে সরকারের কারসাজি বলেছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর ও ঢাকা মহানগরের সাবেক মেয়র আল্লামা সাদেক হোসেন খোকা।

ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশের খপ্পর থেকে মুক্ত হয়ে মংগলবার সন্ধ্যায় এ বক্তব্য দেন খোকা।

আল্লামা খোকা বলেন, শাহবাগ যে সরকারের কারসাজি তা আমি শুরু থেকেই বলে আসছি। তবে মাঝে একদিন শাহবাগের সংগে একাত্মতা ঘোষনা করেছিলাম। মাঝে মধ্যে সরকারের কিছু কারসাজিকে সমর্থন দিতে হয়।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে আল্লামা খোকা বলেন, আপনারা এখন পর্যন্ত কুন প্রমান পান নাই যে শাহবাগ সরকারের কারসাজি। আপনারা বলতে চান শাহবাগ নিরপেক্ষ, শাহবাগ দেশের কথা বলে। অথচ ওখানে সরকারের প্রশ্রয়ে রেপ হচ্ছে, ড্রাগস হচ্ছে, খেকশিয়ালের বিয়ে হচ্ছে।

আমার নাম খোকাআআআআআআআআআআআআ

শাহবাগ যে সরকারের কারসাজি, এ বিষয়ে অকাট্য প্রমান উপস্থাপন করে আল্লামা খোকা বলেন, শাহবাগের নেতা কে? ইমরান এইচ সরকার। অতএব সাংবাদিক বন্ধুরা, এতে কি প্রমানিত হয়? প্রমানিত হয় যে শাহবাগের পিছনে সরকার আছে। শাহবাগ নিরপেক্ষ আন্দুলন হইলে এর নেতার নাম হত ইমরান এইচ নিরপেক্ষ।

ইমরান এইচ সরকার নিজের নামের মাধ্যমেই শাহবাগের সংগে সরকারের সংশ্লিষ্টতা পরিস্কার করে দিয়েছে, এমন মন্তব্য করে আল্লামা খোকা বলেন, তার নাম যদি ইমরান এইচ খোকা হত, তাহলেও মেনে নিতাম যে শাহবাগ নিরপেক্ষ।

ইমরান এইচ খোকা হলে কেন নিরপেক্ষ বলে মেনে নিতেন, এমন প্রশ্নের জবাবে আল্লামা খোকা রাগ করে বলেন, কারন আমার নাম খোকাআআআআআআআআআআ।

March 13, 2013

হাই ফাইভ দিলেন ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

ঢাকা মেট্রপলটন পুলিশের খপ্পর থেকে মুক্তি পেয়ে সাংবাদিকদের হাই ফাইভ দেখিয়ে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওরফে ফখা ইবনে চখা বলেছেন, একবারে না পারিলে দেখ শতবার।

মংগলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি হাই ফাইভ দেখান।

ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ফখা ইবনে চখা বলেন, পুলিশ আমার সব টেকাটুকা মেরে দিয়েছে। গতকাল প্রিজন ভেনে খেপ মেরে যা কামাই করেছিলাম, সব লুট করে নিয়ে গেছে নিঠুর লুটেরার দল। থানায় ঢুকলাম দামী ব্রেন্ডের সিল্কের শার্ট আর টেফলনের পেন্ট পরিধান করে। আর থানা হতে বাইর হইলাম সুতির ফতুয়া আর অনুসন্ধান লুংগি পরিধান করে। এই হইল দেশের গনতন্ত্র। শার্টের পকেটে আমার রলস রয়েস ফাউন্টেন পেন ছিল, পেন্টের পকেটে মানিবেগ আর ইস্মার্ট মুঠোফোন ছিল। ছিল সুগন্ধী রুমাল, বাবুল গাম, মাইকেল জেকসনের মিউজিকসহ চাবির রিং, একটি লাল টেপ দ্বারা পেচান ককটেল, একটি কাল টেপ দ্বারা পেচান ককটেল, একটি পান মশলার পেকেট। সব হারায়েছি আমি।

হাই ফাইভ: ফখা

তারপরও হাই ফাইভ দেখিয়ে ফখা বলেন, হাই ফাইভ। পুলিশ তরা আমায় আর দাবায়ে রাখতে পারবি না।

বিএনপি শাখার কার্যালয় হতে পুলিশ ট্রাংক ভর্তি করে টাকা ও মুল্যবান দলিল লুণ্ঠন করেছে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, কুটি কুটি টেকা ছিল আমাদের অফিসে। আমাদের নায়েবে আমীর রুহুল কবীর রিজভী সেই টেকা রাত জেগে পাহারা দিত। পুলিশ টেকাও লুট করেছে, রিজভীকেও লুট করেছে। দলিল পত্র সব লুটপাট করে নিয়ে গেছে তার। বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নায়েবে আমীরবৃন্দের জমিজিরাত, বাড়িগাড়ি, বেবসাবানিজ্য, এস এস সি পাশ সনদপত্র, এমনকি কাবিননামাও বিএনপি শাখা কার্যালয়ের ট্রাংকে সংরক্ষন করতাম। সব পুলিশ লুণ্ঠন করে নিয়ে গেছে। এখন দারা পুত্র পরিবার, তুমি কার কে তুমার। এখন আমাদের স্ত্রী পুত্রগন বিদ্রোহ করলে কুন দলিল দ্বারা উহাদের ঠেকাব?

অবিলম্বে সকল টাকা ও দলিল ফিরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফখা ইবনে চখা বলেন, দলিলের অভাবে যদি সংসারে আগুন লাগে, পুলিশকে তার দায়িত্ব নিতে হবে।

%d bloggers like this: