Archive for March 15th, 2013

March 15, 2013

বাঁশখালীতে মানবাধিকার উদ্ধারে উপস্থিত মখা

নিজস্ব মতিবেদক

গত ২৮ ফেব্রুয়ারী বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সকল শাখার সশস্ত্র কেডার কর্তৃক আক্রান্ত বাঁশখালীর হিন্দু মন্দির ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ভস্মীভুত বাড়িঘর পরিদর্শন করেছেন স্বরাস্ট্র মন্ত্রী মখা আলমগীর।

ঘটনার দুই সপ্তাহ পর আজ হেলিকপ্টারে চড়ে তিনি বাঁশখালী পরিদর্শন করেন।

ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সংগে কথা বলে মখা মন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের লোকজন মানবাধিকারের শত্রু। আমি মানবাধিকারের বন্ধু। তাই বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আমায় পদক দিয়েছে। আরও আগেই আমি বাঁশখালীতে আসতাম, কিন্তু ঐ পদক নিতে গিয়া পথে হল দেরী। আর এই হেলিকপ্টারটাও এত আস্তে চলে। সরকারী হেলিকপ্টার, কুন ভরসা নাই।

স্বরাস্ট্র মন্ত্রী মখা বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু, দুই নয়নে সিন্ধু। কিছু ঘটলেই বৃহত্তর জামায়াতের লোকজন গিয়া তাদের ঘরবাড়ি পুড়ায় টুড়ায়, মন্দিরে আগুন টাগুন দেয়, বৌ-ঝিকে নির্যাতন টির্যাতন করে। অত্যাচার টত্যাচার করে কিছু বাকি রাখে না। মানবাধিকারের সর্বাপেক্ষা বড় শত্রু বৃহত্তর জামায়াত।

আবেগঘন কণ্ঠে মখা বলেন, জামাতের কাজ জামাত করেছে কামড় দিয়াছে পায়, তা বলে জামাতে নিষিদ্ধ সে কি বাকশালে শোভা পায়? নিষিদ্ধ নয়, আমরা তাদের ভোটে মারব।

বৃহত্তর জামায়াতকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে মখা মন্ত্রী বলেন, আবার বাঁশখালীতে আগুন দিয়া দেখ, কি করি।

মানবাধিকার পদক নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটিএনের ডিএনএবিহীন আমীর মাহফুজুর রহমান মানবাধিকার পুরস্কার পাইল, কারও কুন আপত্তি নাই। আর আমি মানবাধিকার পুরস্কার পাইলেই দুষ। আমি একজন মানব। মানবাধিকার পদক পাওয়া আমার অধিকার। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের লোকজনও মানব। আমায় মানবাধিকার পদক দেওয়া তাদের অধিকার। তাই এই পদক গ্রহন করে আমি প্রচুর সংখ্যক মানবের মানবাধিকার রক্ষা করেছি। এতে দুষ কি হইল?

বৃহত্তর জামায়াতের হাত হতে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষকে রক্ষার জন্য কি বেবস্থা গ্রহন করেছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মখা মন্ত্রী বলেন, দেশে কুটি কুটি হিন্দু বৌদ্ধ। কয়টারে বাচাব? তাই আপাতত চাঁদপুরে আমার গ্রামের বাড়িতে ও ঢাকা শহরে আমার শহরের বাড়িতে নিরাপত্তা বেবস্থা জোরদার করেছি। আতংকের কিছু নাই। সবকিছু আন্ডার কনট্রল।

সব দোষ বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার স্থানীয় সংসদ সদস্য জাফরুল ইসলামের বলে মন্তব্য করে মখা আলমগীর বলেন, বাঁশখালী যখন পুড়ছিল, জাফরুল তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল। সালা ঘোচু।

বাঁশখালি যখন পুড়ছিল, তখন তিনি কি করছিলেন, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে মখা মন্ত্রী বলেন, বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি।

Tags:
March 15, 2013

পাল্টা মঞ্চ নির্মানের হুমকি খালেদার

নিজস্ব মতিবেদক

শাহবাগ আন্দোলনকে প্রতিরোধ করতে পাল্টা মঞ্চ নির্মানের হুমকি দিয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

আজ মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এ বৃহত্তর জামায়াতের কেডারদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কালী মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে এ হুমকি দেন বেগম জিয়া।

খালেদা জিয়া বলেন, শাহবাগ আন্দুলন কুন মানুষের আন্দুলন নহে। উহা আওয়ামী নাস্তিকগনের আন্দুলন। শাহবাগে রেপ হচ্ছে, ড্রাগস হচ্ছে, খেকশিয়ালের বিয়ে হচ্ছে। রাতভর সেখানে নাচ আর গান হয়। হিন্দু ষ্টাইলে মোমবাতি প্রজ্জলন করা হয়। আর তারা শুধু ফাসি ফাসি বলে চিতকার করে।

শাহবাগী ও মার্কিন নাস্তিকদের আচরনে ক্ষুব্ধ খালেদা

গন জাগরন মঞ্চের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে খালেদা বলেন, কিসের গন জাগরন কিসের মঞ্চ? পাশেই বংগবন্ধু মেডিকেলে কারা কক্ষে চিকিতসাধীন আল্লামা গোলাম আজম রাত্রে একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারেন না। এ মঞ্চ গন জাগরনের নয়, বরং গোলাম জাগরনের মঞ্চ। দিনে রাতে ২৪ ঘন্টা তাকে জাগাইয়া রাখার ফন্দি। এইসব মঞ্চ ফঞ্চ বন্ধ করতে হবে। নাহলে পাল্টা মঞ্চ বানাব।

মগবাজারে বৃহত্তর জামায়াতের নিয়ন্ত্রনাধীন এলাকায় শাহবাগের বিকল্প মঞ্চ মগবাজার আন্দোলন প্রস্তুত করা হবে ঘোষনা দিয়ে বেগম জিয়া বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের কেডাররা ঝিমিয়ে পড়েছে। আন্দুলন সংগ্রামে তাদের কুন উতসাহ নাই। একটা মন্দির ঠিকমত ধ্বংস করতে পারে না অথচ মুখে খালি লম্বা লম্বা কথা। বৃহত্তর জামায়াতের লোকজন আমায় বলল, ধ্বংসপ্রাপ্ত কালী মন্দির পরিদর্শন করে আসেন। আমি এসে দেখি মন্দির ধ্বংস হয় নাই, খালি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এখন এই মন্দির রিপেয়ারের টেকাটুকাও আমায় দিতে হবে। টেকা কি গাছে ধরে?

বিরুধী দলীয় নেত্রী সারাহ পালিনের সংগে উশৃংখল নাচ গানে মশগুল ওবামা

মার্কিন রাস্ট্রপতি বারাক ওবামার প্রতি বিষোদগার করে খালেদা জিয়া বলেন, আমি ইংরেজী ডিকশনারী দেখে দেখে একটা খুলা চিঠি লিখলাম দৈনিক নয়া ওয়াশিংটন দিগন্তে। বললাম, বারাক বাবু খুলা চিঠি দিলাম তোমার কাছে, তোমার কালী মিশেল এখন কোথায় কেমন আছে তুমি জান না, এক মুঠো ভাত পায় না খেতে তোমার মজিনা, তুমি জান না। বললাম, আপনি আসুন, বাংলাদেশে সপ্তম নৌবহর পাঠান, ক্ষমতা দখল করুন, বাকশালী দুঃশাসন হতে বাংলার জনগনকে মুক্ত করুন। সে পাত্তাই দিল না। সে এখন ইজরাইল যায়। আরে বেটা ইজরাইলে কি বাকশাল আছে না বাংলাদেশে বাকশাল আছে? কুনটা বেশী জরুরী? সালা নাস্তিক ঘোচু।

নাচ গান করে নাস্তিক বারাক ওবামা বখে গেছে বলে মন্তব্য করে বেগম জিয়া বলেন, লাইনে আসুন।

March 15, 2013

এত সাহস সে পায় কিসে: খালেদা

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমন্ত্রনে কুটনীতীবীদগনের মিলন মেলায় উপস্থিত না হওয়ায় মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের রাস্ট্রদুত মজিনা ফায়ারফক্সের প্রতি তীব্র ক্ষোভ বেক্ত করেছেন বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির কমপ্লান বয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি শাখার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ক্ষোভ বেক্ত করেন।

ফখা ইবনে চখা বলেন, জাতি ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকল কুটনীতীবীদকে আমন্ত্রন করলাম। ধবধবে ফর্সা ডেনমার্কের খৃষ্ঠান রাস্ট্রদুত এলেন। কুটকুটা কালা মিশরের মুসলিম রাস্ট্রদুত এলেন। হলুদ বর্নের বৌদ্ধ চীনা রাস্ট্রদুত এলেন। এল না কেবল মালাউন ভারতীয় রাস্ট্রদুত আর নাস্তিক মার্কিন রাস্ট্রদুত। তারা দুইটা ঢেকি ছাটা বেয়াদপ।

হুদাই ছুট পরলাম: ফখা

ভারতীয় ও মার্কিন রাস্ট্রদুতের আচরনে হতাশা বেক্ত করে ফখা বলেন, রাস্ট্রদুতগনের অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ার জন্য ফজরের নামাজের অক্তে ঘুম ভেঙ্গে উঠেছি। গোছল করেছি, দাত মেজেছি। পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করিয়েছে। পায়ে পেডিকিউর হাতে মেনিকিউর করেছি। তারপর টেইলার্ছের দোকান হতে নতুন ছুট সংগ্রহ করে, নতুন টাই গর্দানে গিট্টু দিয়ে অনুষ্ঠানে গিয়েছি। কারন আজ মার্কিন রাস্ট্রদুত মজিনা ফায়ারফক্সের কাছে বাকশালী সরকারের নামে বিচার দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

আবেগঘন কণ্ঠে ফখা ইবনে চখা বলেন, কিন্তু সালা নাস্তিকের বাচ্চা আমাদের অনুষ্ঠানে এল না। আমার এখন নতুন করে ছুট বানাতে হবে। পুরান ছুট গায়ে দিয়ে তো আর তাদের সামনে যাওয়া যায় না।

ফখা বলেন, ইনডিয়ান রাস্ট্রদুতরে লইয়া আমাদের কুন টেনশন নাই। তাদের মালাউন রাস্ট্রপতি প্রনব মুখপাধ্যায় অসময়ে বাংলাদেশে বেড়াইতে আসছে, তাই আমরা সমালুচনা করেছি। তাতে তারা গোস্বা করলে আমাদের করার কিছু নাই। আমাদের নেত্রী আপোষহীন। তিনি উচিত কথা মুখের উপর বলেন। কিন্তু মজিনা ফায়ারফক্সের আচরন দেখে আমরা ক্ষুব্ধ। তিন সপ্তাহ আমেরিকায় ছুটি কাটাইয়া তার পুটুতে তেল জমছে। সালা ঘোচু।

ফখা বলেন, বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া মারাত্মক মাইন্ড করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি ডাকি তবু আসেনি সে, এত সাহস সে পায় কিসে?

এদিকে মার্কিন রাস্ট্রদুত মজিনা ফায়ারফক্সের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে মতিকণ্ঠের কাছে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।

মজিনা বলেন, আপনারা জানেন, আমি সোনার বাংলাকে কত ভালবাসি। বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ। এই দেশে চাকরি করতে পেরে আমি গর্বিত। কিন্তু রাস্ট্রদুতের বেতনে সংসার চালান মুশকিল। আপনারা জানেন, আমি কয়েকটি চালের কল, কয়েকটি দুরপাল্লার বাস ট্রাক, কিছু টেম্পো ও একটি কোল্ড ষ্টোরেজ খরিদ করেছি। আপনাদের দুয়ায় আমার বেবসা ভালই চলছিল।

আবেগঘন কণ্ঠে মজিনা বলেন, বানচুদ বৃহত্তর জামায়াত সম্প্রতি হরতাল ভাংচুর নাশকতা করে আমার সব বেবসা বানিজ্য গুড়া গুড়া করে দিয়েছে। পেটের দায়ে আমি এখন অফিস শেষ করে গুলশান কুটনৈতিক পাড়ায় রিকশা চালাই। সংসার ত চালাতে হবে। বালবাচ্চা নিয়ে ত না খেয়ে মরতে পারি না। আমি নাহয় কুটনীতীবীদদের অনুষ্ঠানে গিয়ে ভাল মন্দ ভোজন করলাম, বউ বাচ্চার খানা কোত্থেকে যুগাড় করব?

মজিনা ফায়ারফক্স বলেন, প্রথম প্রথম বিএনপি শাখা অনেক যত্ন করত। বড় বড় মুরগির রোষ্ট, মাছের মাথা, খাসির রান। দাওয়াতের পর পেকেট করে খানা খাদ্য দিয়ে দিত। বলত নিয়ে যান ভাইয়া ভাবী আর বাচ্চাদের জন্য। কিন্তু ইদানীং তারা যত্ন কদর কিছুই করে না। কিছুদিন আগে দাওয়াত দিয়া বলল ডাল ভাত খেয়ে যান। বিশ্বাস করবেন না ভাই সাহেব, গিয়া দেখি সত্যই এক বাটি ডাল আর এক প্লেট ভাত দিয়া রাখছে। এক্সট্রা বলতে দিছে শুধু দুইটা কাচামরিচ।

রিকশার আয় থেকে পুত্রকে নতুন লুংগি কিনে দিয়েছেন মজিনা

অভিমানী মজিনা বলেন, আমি কেন যাব বিএনপি শাখার অনুষ্ঠানে? তারচেয়ে গুলশান ২ নাম্বার এলাকার ভিতরে রিকশা চালাব। অন্যান্য রাস্ট্রদুতরা আমায় ডলার পাউন্ড রিয়ালে যা বকশিশ দিবে, খেয়ে পরে চলে যাবে।

মজিনা বলেন, দুয়া করবেন, যাতে জান নিয়ে রিকশা মালিকের গেরেজে জমা দিতে পারি। বৃহত্তর জামায়াতের খানকির পুলারা আমার রিকশায় বোমা না মারলেই আমি খুশি।

%d bloggers like this: