বাঁশখালীতে মানবাধিকার উদ্ধারে উপস্থিত মখা

নিজস্ব মতিবেদক

গত ২৮ ফেব্রুয়ারী বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সকল শাখার সশস্ত্র কেডার কর্তৃক আক্রান্ত বাঁশখালীর হিন্দু মন্দির ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ভস্মীভুত বাড়িঘর পরিদর্শন করেছেন স্বরাস্ট্র মন্ত্রী মখা আলমগীর।

ঘটনার দুই সপ্তাহ পর আজ হেলিকপ্টারে চড়ে তিনি বাঁশখালী পরিদর্শন করেন।

ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সংগে কথা বলে মখা মন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের লোকজন মানবাধিকারের শত্রু। আমি মানবাধিকারের বন্ধু। তাই বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আমায় পদক দিয়েছে। আরও আগেই আমি বাঁশখালীতে আসতাম, কিন্তু ঐ পদক নিতে গিয়া পথে হল দেরী। আর এই হেলিকপ্টারটাও এত আস্তে চলে। সরকারী হেলিকপ্টার, কুন ভরসা নাই।

স্বরাস্ট্র মন্ত্রী মখা বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু, দুই নয়নে সিন্ধু। কিছু ঘটলেই বৃহত্তর জামায়াতের লোকজন গিয়া তাদের ঘরবাড়ি পুড়ায় টুড়ায়, মন্দিরে আগুন টাগুন দেয়, বৌ-ঝিকে নির্যাতন টির্যাতন করে। অত্যাচার টত্যাচার করে কিছু বাকি রাখে না। মানবাধিকারের সর্বাপেক্ষা বড় শত্রু বৃহত্তর জামায়াত।

আবেগঘন কণ্ঠে মখা বলেন, জামাতের কাজ জামাত করেছে কামড় দিয়াছে পায়, তা বলে জামাতে নিষিদ্ধ সে কি বাকশালে শোভা পায়? নিষিদ্ধ নয়, আমরা তাদের ভোটে মারব।

বৃহত্তর জামায়াতকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে মখা মন্ত্রী বলেন, আবার বাঁশখালীতে আগুন দিয়া দেখ, কি করি।

মানবাধিকার পদক নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটিএনের ডিএনএবিহীন আমীর মাহফুজুর রহমান মানবাধিকার পুরস্কার পাইল, কারও কুন আপত্তি নাই। আর আমি মানবাধিকার পুরস্কার পাইলেই দুষ। আমি একজন মানব। মানবাধিকার পদক পাওয়া আমার অধিকার। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের লোকজনও মানব। আমায় মানবাধিকার পদক দেওয়া তাদের অধিকার। তাই এই পদক গ্রহন করে আমি প্রচুর সংখ্যক মানবের মানবাধিকার রক্ষা করেছি। এতে দুষ কি হইল?

বৃহত্তর জামায়াতের হাত হতে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষকে রক্ষার জন্য কি বেবস্থা গ্রহন করেছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মখা মন্ত্রী বলেন, দেশে কুটি কুটি হিন্দু বৌদ্ধ। কয়টারে বাচাব? তাই আপাতত চাঁদপুরে আমার গ্রামের বাড়িতে ও ঢাকা শহরে আমার শহরের বাড়িতে নিরাপত্তা বেবস্থা জোরদার করেছি। আতংকের কিছু নাই। সবকিছু আন্ডার কনট্রল।

সব দোষ বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার স্থানীয় সংসদ সদস্য জাফরুল ইসলামের বলে মন্তব্য করে মখা আলমগীর বলেন, বাঁশখালী যখন পুড়ছিল, জাফরুল তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল। সালা ঘোচু।

বাঁশখালি যখন পুড়ছিল, তখন তিনি কি করছিলেন, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে মখা মন্ত্রী বলেন, বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি।

Tags:

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: