Archive for March 20th, 2013

March 20, 2013

সব দুষ সরকারের: ফখা

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হরতালে যা কিছু ঘটে, সব দুষ সরকারের।

আজ এক আলচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ফখা ইবনে চখা বলেন, হরতালের আগের দিন থেকে সরকারের দুষ শুরু হয়। হরতালের আগের দিন দুপুর বিকালে বৃহত্তর জামায়াতের লোকজন যখন বোমা মেরে ডাক্তার পুড়ায়, তখন থেকে সরকারের দুষ শুরু। কারন এই বাকশালী সরকার না থাকলে বৃহত্তর জামায়াত বোমা মারত না, ডাক্তার পুড়াত না।

সব দুষ সরকারের: ফখা

আবেগঘন কণ্ঠে ফখা বলেন, হরতালে জ্বালাও পুড়াও, ভাংচুর, হানাহানি, গোলাগুলি, লাঠালাঠি, টিয়ার গেসাগেসি, সব কিছুই সরকারের দুষ। সরকারের অপরাধ, সে সরকার। আমরা তাকে সরকার হইতে বলি নাই। সে নিজের ইচ্ছায় সরকার হইছে। এখন তাকে সব দুষ নিতে হবে, সব ঠেলা সামলাতে হবে।

১৮ দলের বাকি ১৬ দলকে হরতালে মাঠে দেখা যায় না কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হরতালে মাঠে থাকে কামলা শ্রেনীর কর্মীরা। কুন গাড়িটা পুড়াতে হবে, কুন দুকানে ভাংচুর করতে হবে, কার গায়ে কেরাসিন ঢালতে হবে, এইসব নির্দেশ দিতে ময়দানে থাকা লাগে না, মুঠোফোন দিয়াই সব তদারক করা যায়। তারপরও আমাদের কিছু রুকন মাঠে থাকেন। কিন্তু আমরা যারা নায়েবে আমীর ও আমীর আছি, আমরা কেন হরতালের দিন মাঠে নামব? যদি আমাদের গাড়িতে আগুন লাগান হয়, রিপেয়ারের পয়সা কি আপনারা দিবেন? আমার গায়ে কেরাসিন বোমা মারলে চিকিতসার খরচ প্লেন ভাড়া কি আপনারা দিবেন? ঐসব টেকাটুকা ত বৃহত্তর জামায়াতের বাইতুল মাল হতেই নিতে হবে। তবে কেন আপনারা আমাদের হরতালে জান মালের ঝুকি নিয়ে মাঠে নামতে বলেন? আমরা মাঠে না থাকলে হুয়াটস দি প্রবলেম?

সাংবাদিকদের প্রতি রাগ করে ফখা বলেন, বাকি ১৬ দলে কুন কর্মী নাই, শুধু আমীর ও নায়েবে আমীর আছে। তারা ময়দানে নামলে পুলিশের লাঠি খেয়ে রাজনীতী পরিতেগ করুক, তা আমরা চাই না। তাই আপাতত তাদের মাঠে দেখা যায় না।

পরিস্থিতি বেখ্যা করে ফখা বলেন, জেনারেল ইব্রাহীম কল্যান পার্টির আমীর। কিন্তু তার দলে আর কেউ নাই। এখন উনি ময়দানে নেমে গাড়ি পুড়াতে গিয়ে যদি আহত নিহত হন, ১৮ দল কমে ১৭ দল হবে। এইভাবে চলতে থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যে বৃহত্তর জামায়াত ছাড়া আর কুন দল সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না। তাছাড়া হরতালে বাড়িতে বসে পরিবারের সংগে টেলিভিশনে নানা রকম শিক্ষা মুলক অনুষ্ঠান ও চলচিত্র দেখার প্রলভন ত আছেই।

সরকারের প্রতি বিষোদগার করে ফখা বলেন, জেনারেল ইব্রাহীমের কল্যান পার্টিতে আমীর বাদে আর কুন মেম্বর নাই, ইহাও সরকারের দুষ।

March 20, 2013

আমার পুটু হলুদ নহে : উতপল শুভ্র

সম্প্রতি শ্রীলংকা সফরে অবস্থানরত অবস্থায় কতিপয় দুষ্কৃতকারী সাংবাদিক উতপল শুভ্রকে “ইয়ালা পুটুওয়ালা” বলে সম্বোধন করেন।

সম্প্রতি শ্রীলংকা সফর নিয়ে শুভ্র কারওয়ানবাজারের ক্রীড়া শাখার দেওয়ালে লিখেন,

এমনিতেও আমাকে দেখে এই ভুলটা অনেক শ্রীলঙ্কানই করে। চেহারাছবি-গাত্রবর্ণ সব মিলিয়ে তাদেরই একজন মনে করে আর কি! হোটেলে-রাস্তায় বা কোনো বিপণিবিতানে স্থানীয় কেউ এসে অবলীলায় সিংহলিজ ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছে, এই অভিজ্ঞতা আমার অনেকবারই হয়েছে। হয়তো প্রেসবক্সের সিঁড়ি দিয়ে উঠছি, শ্রীলঙ্কান কোনো সাংবাদিক ‘ইয়ালা পুটু ওয়ালা’ জাতীয় কিছু শব্দ উচ্চারণ করে কী একটা বলতে বলতে পাশ দিয়ে নেমে গেল।

পরে মতিকন্ঠের কাছে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার পুটুর রং উনি জানলেন কিভাবে? উনি কি সাকা চৌধুরী? আমার নাম শুভ্র। জীবনে কখনো দেখেছেন শুভ্র লোকের পুটু হলুদ হয়? কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে আমার পুটু হলুদ তবে আমি নিজের নাম বদলে উতপুটু হলুদ রাখব।

ঘরের কথা পরে জানল কেমনে: শুভ্র

এ বেপারে ব্রাদারফাকার সাকা চৌধুরীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শ্রীলংকার ভাষায় ইয়ালা পুটু ওয়ালা মানে হলুদ পুটু না। ইয়া বড় পুটু। তারা ঠিকই বলেছে। আমিও বলছি শুভ্র ইয়ালা পুটু ওয়ালা।

শুভ্রের পুটুর মাপ তিনি কিভাবে জানেন, এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে ব্রাদারফাকার সাকা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আগে আবার জান নিয়ে টানত সবাই এখন আমার মান নিয়ে টানাটানি শুরু করেছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমার মান নিয়ে টানাটানি করবেন না। আমার মান অনেক লম্বা। সাঈদীর থেকেও লম্বা। আর মানীর মান রক্ষা করেন খালেদা। তিনি কাদের মোল্লার মান রক্ষা করেছেন, এখন সাঈদীর মান রক্ষা করছেন। তিনি আমার মানও রক্ষা করবেন। কাদের মোল্লার মান ছোট বলে রক্ষা করা সহজ হয়েছে। আমার আর সাঈদী সাহেবের মান অনেক বড়। বড় বলে আমাদের মান রক্ষা করা একটু মুশকিল। কিন্তু আমার বিশ্বাস একমাত্র তিনিই পারবেন। মান না মান মে তেরা মেহমান।

শ্রীলংকার ভাষা তিনি কিভাবে জানেন, এ প্রশ্নের জবাবে সাকা বলেন, চট্টগ্রাম ও শ্রীলংকার মধ্যে অনেক মিল।

ব্রাদারফাকার সাকার সাথে আলোচনাকালে তরুন প্রজন্মের প্রিয় বেক্তিত্ব বিজেপি নেতা আন্দালীভ রহমান আচমকা উপস্থিত হয়ে বার বার বলেন, আমাকে বলতে দেন না। আমাকে বলতে দেন না প্লিজ। 

অবশেষে তাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হলে আন্দালীভ বলেন, এ কুইক ব্রাউন ফক্স জাম্প ওভার এ লেজি ডগ।

শ্রীলংকার রাস্ট্রদুতের সংগে এ বেপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উতপল শুভ্র শ্রীলংকায় খুব জনপ্রিয়। উই লাভ ইয়ালা পুটুওয়ালা।

%d bloggers like this: