অভিযোগ সত্য নহে: মকসুদ

নিজস্ব মতিবেদক

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে উপমহাদেশের বিশিষ্ঠ ইতিহাসবীদ, কলামিষ্ট ও গান্ধীবাদী আন্দলনের অগ্র সেনানী সৈয়দ আবুল মকসুদ জানিয়েছেন, অনন্ত বা বর্ষার সংসারে আগুন জ্বালানতে তার কোন ভুমিকা নেই।

আজ সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে মকসুদ এ তথ্য জানান।

আবুল মকসুদ বলেন, কতিপয় হলুদ সাংবাদিক সাদা কাগজের উপর কাল কালিতে লিখেছে, অনন্ত ও বর্ষার সংসারে নাকি আমিই আগুন লাগাইয়াছি। আমি আপনাদের মাধ্যমে এই জঘন্য রটনার প্রতিবাদ করতে চাই।

মকসুদ বলেন, বৃটিশ আমলেও এই উপমহাদেশে নায়ক ও নায়িকার সংসারে হঠাত হঠাত আগুন জ্বলে উঠত। শুকনা দুই পিছ কাঠ পাশাপাশি থাকলে একদিন তাদের টক্করে অগ্নি কান্ড ঘটবেই। পাকিস্তান আমলেও দেখেছি, নায়ক রাতে বাড়ি ফিরে নায়িকা পিটাচ্ছে। ১৯৭১ এ গন্ডগোলের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও বহু নায়িকার পেলব শরীরে নায়কের মাইরের দাগ দেখেছি। আমার সংগ্রহে চিত্রবাংলার প্রতিটি সংখ্যা রয়েছে। অবসরে পাতা উল্টাই।

মকসুদ (বাম থেকে দ্বীতিয়)

আবেগঘন কণ্ঠে মকসুদ বলেন, একটা সময় ছিল বটে, যখন আমার কারনে লোকজনের সংসারে আগুন লাগত। সেই সব কথা বিস্তারিত আর বলতে চাই না। ইস্কেন্ডাল ইজ মাই মিডিল নেম। কিন্তু অনন্ত ও বর্ষার সংসারে আমি অগ্নি সংযোগ করি নাই।

বুকে হাত দিয়ে মকসুদ বলেন, অনন্ত বা বর্ষার সংগে আমার কুন সম্পর্ক ছিল না। যে কাল রাতে অনন্ত বর্ষার কোমল সুডৌল গায়ে মারতে মারতে কড়া ফেলে দেয়, সে রাতে আমি বর্ষার ঘরের আলমারির ভিতরে ছিলাম না।

হলুদ সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে মকসুদ বলেন, আমার ঘরে পুটু আছে। আমি কেন অনন্ত বা বর্ষার কাছে যাব?

সে কাল রাতে তিনি কোথায় ছিলেন জানতে চাইলে মকসুদ বলেন, আমি শাহবাগে ছিলাম। সেখানে তখন ড্রাগস হচ্ছিল।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: