কবি হেলাল হাফিজের উপর বিভিন্ন মহলের চাপ

নিজস্ব মতিবেদক

জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালে প্রবাদের মাধ্যমে ‘চুদুরবুদুর’ ও কবিতার মাধ্যমে ‘চোতমারানী’ বলার পর বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার সংসদ সদস্যদের মাঝে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে ঘনিষ্ঠ সুত্র থেকে জানা গেছে।

এর আগে বিএনপি শাখার মহিলা সংসদ সদস্য ও ফেন্টাষ্টিক ফাইভের সাঁজোয়া শাখার নায়েবে আমীর রানু পাণ্ডে ফেনীর প্রবাদের মাধ্যমে সংসদে ‘চুদুরবুদুর’ শব্দটি উচ্চারন করে আন্তর্জাতিক আলড়ন সৃস্টি করেন। তার পর বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কবি হেলাল হাফিজের একটি কবিতা আবৃত্তি করে কৌশলে সংসদে ‘চোতমারানী’ উচ্চারন করেন বিএনপি শাখার মহিলা সংসদ সদস্য ও ফেন্টাষ্টিক ফাইভের গোলন্দাজ শাখার নায়েবে আমীর শাম্মী পাণ্ডে।

‘চুদুরবুদুর’ ও ‘চোতমারানী’ উচ্চারনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আসন্ন অধিবেশনের দিনগুলিতে ‘খানকির পুলা’ ও ‘বিলাইপুটু’ উচ্চারনের পরিকল্পনা নিয়ে বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার সংসদীয় দল চিন্তা ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর মতি কণ্ঠ আনোয়ার।

চাপের মুখে হেলাল হাফিজ

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, সংসদে যদি আমরা খামখা খানকির পুলা বা বিলাইপুটু বলি, তাহলে অত্যাচারী স্পিকার তাহা এক্সপাঞ্জ করিয়া দিবে। আমাদেরও বদনাম হবে। রাজনীতীতে নামছি, লজ্জা ঘিন্না ভয়, না থাকলে ভাল হয়। রাজনীতীর ময়দানে সকলেই খানকির পুলা বলিয়া ও শুনিয়া অভ্যস্ত। কিন্তু তারপরও টেলিভিশনে দারা পুত্র পরিবার আমাদিগকে দেখে। আমি খানকির পুলা বললে আমার নাতিও উহা বলবে। তার কথা চিন্তা করিয়া লজ্জা লাগে। কিন্তু এ সুযুগ সিমিত সময়ের জন্য, তাই নাতির কথা ভাবিয়া হেলায় হারাইতে চাই না।

আবেগঘন কণ্ঠে মতি কণ্ঠ আনোয়ার বলেন, সেই কারনেই আমি নিজে কিছু বলব না, বলবে আমাদের ফেন্টাষ্টিক ফাইভের পাপিয়া পাণ্ডে ও নীলু মনি পাণ্ডে। বদনাম হয় ত উহাদের হবে। তবু তাদের সুবিধার জন্য আমরা কবি হেলাল হাফিজকে কাজে লাগাইতে চাই।

এ বেপারে কবি হেলাল হাফিজের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে মতিবেদককে বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের বিএনপি শাখার লোকজন দেশ বিদেশ হতে আমার উপর চাপ প্রয়গ করছে। লনডন হতে একজন আমায় ফোন দিয়া বলল, আংকেল আপনার চোতমারানী কবিতাটি সুপার হীট হইছে। এইবার আপনাকে এইরকম আরও দুই খানি কবিতা রচনা করতে হবে। টেকাটুকা লাগলে দিব, কুন চিন্তা নহে।

কবি হেলাল হাফিজ বলেন, ছুটকালে স্বপ্ন ছিল বড় হইয়া হব কুরআনে হাফিজ। কিন্তু কপাল মন্দ, হইলাম হেলাল হাফিজ। নিজ এলাকায় গিয়া শান্তিতে থাকতে পারি না, তরুন প্রজন্ম একটি অভিশাপ। আমায় দেখলেই তারা আসিয়া বলে, আপনিই কি সেই বিখ্যেত চোতমারানী কবিতার কবি? আর এখন বিএনপি শাখার লোকজন আমায় তেক্ত করতেছে। তারা আবদার ধরছে, চোতমারানীর নেয় আরও দুইটি জ্বালাময় কবিতা রচনা করতে হবে, যেখানে খানকির পুলা ও বিলাইপুটু গালি দুইটি থাকতেই হবে।

কারওয়ানবাজারের সর্দার মতিচুর রহমান আফৃদীর প্রতি অভিযোগ এনে হেলাল হাফিজ বলেন, মতিচুর একটি অভিশাপ। আমার কথা সে-ই বিএনপির কানে তুলিয়াছে। সালা ঘোচু।

বিএনপি শাখার উকিলে আমীর মওদুদ আহমদের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, সংসদে শুধু একে অপরকে চুর ডাকত। আমরাই চুর হতে চুদুরবুদুর ও চোতমারানী পর্যন্ত গেলাম। হেলাল হাফিজের কবিতা রচনা সম্পন্ন হইলে আমরা খানকির পুলা ও বিলাইপুটু পর্যন্তও যাব। পারলে ঠেকা।

3 Comments to “কবি হেলাল হাফিজের উপর বিভিন্ন মহলের চাপ”

  1. বাপরে…. মতিকন্ঠ আবারো এগিয়ে এলো দেশ ও দশের বিনুদুনের সাহায্যার্থে

  2. Lol খানকির পোলাগো ঠেকানো দরকার

  3. সংসদে এরপর রসময় গুপ্ত থেকে আবৃত্তি হবে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: