Archive for July 15th, 2013

July 15, 2013

মেধাবীর পাশে এবার বাকশাল

নিজস্ব মতিবেদক

দেশের সর্বাপেক্ষা বড় মেধাবী, ১৯৭১ সালে গনহত্যার পরিকল্পনাকারী ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর অধ্যাপক গোলাম আজমের পাশে এসে দাড়িয়েছে বৃহত্তর জামায়াতের বাকশাল শাখা।

আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ কর্তৃক ঘোষিত রায়ে অধ্যাপক গোলাম আজমের ৯০ বতসর আরামদণ্ড হওয়ার পর দলীয় কার্যালয়ে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সমর্থনের কথা ঘোষনা করেন বাকশালের নায়েবে আমীর মাহবুবুল আলম হানিফ।

হানিফ বলেন, অধ্যাপক গোলাম আজমকে ৯০ বতসর আরামদণ্ড দেওয়ায় জাতির প্রত্যাশা পুরন হল। ইহা লইয়া এত গোসসা করার কিছু নাই। আল্লাহ যা করেন ভালর জন্যই করেন।

আবেগঘন কণ্ঠে হানিফ বলেন, অধ্যাপক গোলাম আজম দেশের সর্বাপেক্ষা বড় মেধাবী। ৩০ লক্ষ শহীদকে হত্যা ও ৩ লক্ষ বীরাংগনার ধর্ষনের পরিকল্পনা করে যে বেটা ৯১ বতসর পর্যন্ত দেশের বুকেই সুখ আহ্লাদে বাচিয়া থাকতে পারে, তার মেধার কুন তুলনা হয় নাই। আমাদের দেশের ইতিহাসের অন্যান্য নেতারা মেধার অভাবে নিজেরাই গুলি খাইয়া ইন্তেকাল ফরমাইয়াছেন, কিন্তু মেধার জুরে অধ্যাপক গোলাম আজম বহাল তবিয়তে আছেন। এমন একজন মেধাবীকে ফাসি দেওয়া মানে মেধার অপমান করা।

দেশের জনগনকে কান্নাকাটি না করার পরামর্শ দিয়ে হানিফ বলেন, কান্দিস নারে বিন্দিয়া, কি আর হবে কান্দিয়া, দুইদিন পরে বিম্পির ঘরে যাবি ভুট দিয়া।

সবাইকে দ্রুত বৃদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিয়ে বাকশালের নায়েবে আমীর বলেন, জুয়ান থাকার অনেক জ্বালা। মুক্তিযুদ্ধ করতে হয়, আন্দলন সংগ্রাম করতে হয়। বুড়া বয়সে আরামই আরাম।

July 15, 2013

গোলাম আজমের দোয়া চাইলেন শফিক ও কামরুল

নিজস্ব মতিবেদক

আগামী নির্বাচনে ভাল ফল করার জন্য বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর ও মুক্তিযুদ্ধে গনহত্যার মদদদাতা অধ্যাপক গোলাম আজমের দোয়া চেয়েছেন বৃহত্তর জামায়াতের বাকশাল শাখার খানকির পোলায়ে আমীরে কানুন শফিক আহমদ ফাক ও খানকির পোলায়ে নায়েবে আমীরে কানুন কামরুল ইসলাম টাক।

আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ এর ঘোষিত রায়ে গোলাম আজমের অপরাধ প্রমানিত হওয়ার পর ৯০ বতসরের কারাদন্ডের রায় শুনে আল্লাহর কাছে পানাহ কামনা করেন শফিক আহমদ ফাক ও কামরুল ইসলাম টাক।

এর পরপরই তাঁরা আগামী নির্বাচনে ভাল ফলের জন্য গোলাম আজমের দোয়া কামনা করতে যান। এ সময় আদালত প্রাংগনে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃস্টি হয়।

শফিক আহমদ ফাক বলেন, ট্রাইবুনালের রায়ে জনগনের প্রত্যাশা পুরন হয়েছে। জনগনের প্রত্যাশা ছিল, একজন বৃদ্ধ বেক্তি যেন ফাসিতে ঝুলিয়া আন্তর্জাতিক মহলে দেশের বদনাম না কামায়। ট্রাইবুনাল জনগনের প্রত্যাশা টায়ে টায়ে পুরন করেছেন। আমি খুশি।

কামরুল ইসলাম টাক বলেন, ট্রাইবুনালের রায় স্বচ্ছ নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের রয়েছে। এই রায় এত স্বচ্ছ যে পাপিয়া পাণ্ডে এই রায় পরিধান করলে রাস্তায় জনগন অজ্ঞান হইয়া যাইত। এই রায় এত নিরপেক্ষ যে প্রসিকিউশনের তুরিন আফরুজ কান্দিয়া দিছে আর গোলাম আজম হাসিয়া দিছে। এই রায় সুবিনয় মুস্তফীর রায়, রায় শুনিয়া বিড়াল ও বিড়ালের মুখে ধরা ইন্দুর উভয়েই হাসিয়া খুন।

আগামী ৯০ বছর গোলাম আজমের লালন পালনের জন্য জনগনের উপর আলাদা ‘আজম কর’ বসানর অংগীকার বেক্ত করে ফাক ও টাক বলেন, বয়স বিবেচনায় আগামী ৯০ বছর উনার মেহমানদারী আমাদিগকেই করতে হবে।

আবেগঘন কণ্ঠে তারা বলেন, সেক্স, প্রেম ও ফাসি জুয়ান পুলাপানের বেপার, বৃদ্ধের নহে। বুড়া বয়সে ফাসি দিলে উনি বেথা পাবেন। বলা যায় না, বুড়া বয়সে ফাসি দিলে যদি উনার মৃত্যু ঘটত? তখন আমরা ভদ্র সমাজে মুখ দেখাইতাম কেমন করিয়া?

গোলাম আজম শফিক ফাক ও কামরুল টাক উভয়কে দোয়া করে আলিংগন করে বলেন, হতে হবে বড়।

July 15, 2013

আফিফা তুমায় আজকে দিলেম ছুটি: গোলাম আজম

নিজস্ব মতিবেদক

মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা, উস্কানি, সহযোগিতা এবং হত্যা-নির্যাতনে বাধা না দেয়া- পাঁচ ধরনের অপরাধের প্রতিটিতেই গোলাম আযম সর্বোচ্চ শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হলেও তাকে ৯০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে বয়স ও স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ সোমবার জামায়াতে ইসলামীর মুক্তিযুদ্ধ কালীন খানকির পোলায়ে আমীর গোলাম আযমের যুদ্ধাপরাধ মামলার এই রায় ঘোষণা করে।

রায়ের পর উচ্ছসিত গোলাম আজম কাঠগড়ায় হুইল চেয়ার ছেড়ে লাফিয়ে উঠে বলেন, আফিফা তুমায় আজকে দিলেম ছুটি।

হাসতে হাসতে গোলাম আজম বলেন, ছয়টি দশক ধরে আমার বিবি বেগম আফিয়া আজমের হাতের মানবতা বিরুধী রান্না খাইয়া আমার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। ট্রাইবুনালের মামলায় ফাসিয়া জেল ও জেল হতে হাসপাতালের কারা কক্ষে আসার পর আমি নতুন জীবনের স্বাদ পাই। হাসপাতালের পোলাও কোর্মা বিরিয়ানী দেশী মুরগীর ঝুল, কচি গরুর ভুনা, হাসের গুস্ত দিয়া পরটা ও আমের আচারের কুন তুলনা হয় না।

আবেগঘন কণ্ঠে গোলাম আজম বলেন, আফিফা আজমের রান্নার হাত হতে আগামী ৯০ বছরের জন্য মুক্তি পাইলাম। এই আনন্দের কুন তুলনা নাই।

মুক্তিযুদ্ধে নিহত ৩০ লক্ষ শহীদ ও ধর্ষিতা ৩ লক্ষ বীরাংগনার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে গোলাম আজম বলেন, তুমরা না থাকলে বিকালটা এত মিস্টি হত না।

আগামী ৯০ বছর বাংলাদেশের জনগনের করের টাকায় হাসপাতালের কারা কক্ষে ‘ভাল মন্দ’ খেয়ে দিন গুজরানের অভিলাশ বেক্ত করে গোলাম আজম বলেন, বয়স বিবেচনা করে আমার কারা কক্ষে একটি ৩২ ইঞ্চি টেলিভিশন ফিট করে দিলে ভাল হয়। ছুট টেলিভিশন দেখিয়া শান্তি নাই।

এ সময় গোলাম আজমের বৈধ পুত্র সেনা বাহিনী হতে বহিস্কৃত বিগ্রেডিয়ার আবদুল্লাহিল আমান আজমীকে মন খারাপ করতে দেখা যায়। তিনি মতিবেদককে বলেন, এই রায় সঠিক হয়নি। আমরা আপিল করব। সাজা কমাতে না পারলে আগামী ৯০ বছর গোলাম আজমকে আফিফা আজমের রান্না ভক্ষন বাধ্যতামুলক করার আবেদন করব। দিশ শিট ইজ নট ওভার।

%d bloggers like this: