Archive for July 16th, 2013

July 16, 2013

জাফর ইকবালের মুখুশ খুললেন মুসা, সমর্থন আমিষুলের

নিজস্ব মতিবেদক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের মুখুশ উন্মচন করেছেন বাংলাদেশের একমাত্র এভারেষ্ট বিজয়ী ও কারওয়ানবাজারের পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহীম (রহ:)।

আজ ফেসবুকে নিজের ষ্টেটাসে তিনি ড. জাফর ইকবালের ষ্টেটাস ধুলিসাত করেন।

মুসা ইব্রাহীম বলেন, গোলাম আজম সাহেবের ফাঁসি না হওয়া ট্রাজেডি নয়, বরং জাফর ইকবাল সাক্ষ দেন নাই উহাই ট্রাজেডি। জাফর ইকবাল আমি তুমার মুখুশ খুলে দিলাম।

মুসা ইব্রাহীমের এই ষ্টেটাসের পর ফেসবুকে জাফর ইকবালের ভক্ত শাহবাগী নাস্তিকরা কথা হারিয়ে ফেলেন। শাহবাগে কতিপয় নাস্তিক এর প্রতিবাদে পুনরায় রেপ, ড্রাগস ও খেকশিয়ালের বিবাহ চালুর আহ্বান দিয়ে ফেসবুকে ষ্টেটাস দেন।


জাফর ইকবালের মুখুশ খুলে দিলেন মুসা

এ বেপারে ড. জাফর ইকবালের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি কাদতে কাদতে মতিবেদককে বলেন, মুসা ইব্রাহীম আমার মুখুশ খুলিয়া দিছে।

মুসা ইব্রাহীমের অন্যতম ঘনিষ্ঠ বেক্তিত্ব ও কারওয়ানবাজারের উপসর্দার আমিষুল হক পুটুনদা মুসার ষ্টেটাসকে সমর্থন করে এক তাতক্ষনিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মুসা জাফর ইকবালের মুখুশ খুলিয়ালাইছে। সামনে আছে শুভ দিন।

আমিষুল হক পুটুনদা বলেন, ডাক্তার জাফর ইকবালকে জাতে তুলল কারওয়ানবাজার। আর বেটা মুখুশধারী কিনা কারওয়ানবাজারের সর্দারের বিরুদ্ধে, ‘হেফাজতে মাহমুদুর’ এর বিরুদ্ধে সাদাসিধে কথা লিখে। সাদাসিধে কথা আমরাও বলতে পারি। আমাদের মুসা ইব্রাহীম এখন থেকে নিয়মিত জাফর ইকবালের মুখুশ খুলবে। সাবধান ডাক্তার, তুমি কারওয়ানবাজারের সংগে লাগতে আসিও না।

হাসতে হাসতে পুটুনদা বলেন, মুসার সম্মানে আমরা রক-পেপার-সিজার্স না খেলিয়া এখন এভারেষ্ট-মুসা-পুটুন খেলি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমিষুল বলেন, রক-পেপার-সিজার্সে কি হয়? রক সিজার্সকে ভাংগে, সির্জাস পেপারকে কাটে আর পেপার রককে ঢাকে। তেমনিভাবে এভারেষ্ট-মুসা-পুটুনে মুসা এভারেষ্টের উপর, পুটুন মুসার উপর এবং এভারেষ্ট পুটুনের উপরে উঠে।

July 16, 2013

গোলাম আজমের রায় নিয়া কুন কথা নাই: বাবুনগরী

নিজস্ব মতিবেদক

দেশের সর্বাপেক্ষা বড় মেধাবী, ১৯৭১ সালে গনহত্যার পরিকল্পনাকারী ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর অধ্যাপক গোলাম আজমের ৯০ বতসর আরামদণ্ডের বেপারে কোন কথা না বলার অংগীকার বেক্ত করে সদ্য গঠিত রাজনৈতিক সংগঠন বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরী বলেছেন, গোলাম আজমের রায় নিয়া কুন কথা নাই।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বাবুনগরী কথা না বলার কথা বলেন।

ইউনূস বলেন, গোলাম আজম সাহেব বৃদ্ধ বয়সে অবিচারের স্বিকার। ঠিক আমার মত। আমায় যেমন বৃদ্ধ বয়সে আচমকা একদিন অফিস হইতে ঘেটীতে ধরিয়া শেখের বেটী বিদায় করিয়া দিল, তেমনি উনাকেও আচমকা একদিন বাসা হইতে ঘেটীতে ধরিয়া জেলে ঢুকান হইল। আমি যেমন তিন দশক আরামের সহিত গ্রামীন বেংক চালাইলাম, তিনিও তেমনি তিন দশক আরামের সহিত ঢাকার বুকে মগবাজারে বসবাস করলেন। আচমকা কি হইল, শেখের বেটী আমায় ভিতর হতে বাইরে আর উনায় বাইর হইতে ভিতরে নিল। উভয়ই অনাচার।

আবেগঘন কণ্ঠে ইউনূস বলেন, গোলাম আজম সাহেব মার্ক পার্শির পরামিশ নিলে এমনটি হত না। শুরুতেই তিনি ফ্রেন্ডস অব গ্রামীন বেংকের নেয় ফ্রেন্ডস অব গোলাম আজম গঠন করিয়া ইস্পেনের রানী, পর্তুগালের রাজা, হিলারি রডহাম ক্লিনটন প্রভৃতি নামী দামী মানুষকে দিয়া নিজের মুক্তির জন্য আন্দলন চালাইতে পারতেন। কিন্তু তা না করিয়া তিনি তাহার অবৈধ পুত্র মতিচুর রহমান আজমীর পরামিশ নিলেন। এই মতিচুর আমায় ২০০৭ সালে গাছে তুলিয়া মই কাড়িয়া পলাইছিল। ভুল বেক্তির ভুল পরামিশের কারনেই তিনি ৯০ বতসর আরামদণ্ড পাইলেন।

আরামদণ্ড নিয়ে কোন কথা না বলার কথা বলে বাবুনগরী বলেন, যেই রায় লইয়া শেখের বেটী সন্তুষ্ট, সেই রায় লইয়া আমি সন্তুষ্ট হইতে পারি না। কিন্তু রায়টি এমন মধুর যে সন্তুষ্ট না হইয়াও পারি না। এই উভয় সংকটে পড়িয়া আমি তাই সিদ্ধান্ত লইছি, কুন কথা বলব না। ন কমেন্টস। নারায়ে তাকবীর।

%d bloggers like this: