Archive for July 17th, 2013

July 17, 2013

অক্টপাশের গুস্ত দিয়া ভাত খাব: গোলাম আজম

নিজস্ব মতিবেদক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ কতৃক ৯০ বতসর আরামদন্ড প্রাপ্ত বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা বড় মেধাবী, ১৯৭১ এ গনহত্যার পরিকল্পনাকারী ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর অধ্যাপক গোলাম আজম আবদার করে বলেছেন, অক্টপাশের গুস্ত দিয়া ভাত খাব।

বংগবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আরাম দায়ক বিলাস বহুল কারা কক্ষের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে আয়জিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আবদার করেন।

গোলাম আজম বলেন, গত দেড়টি বতসর বেহেস্তি আরামে আছিলাম। তার আগে ছয়টি দশক বেগম আফিফা আজমের হাতের মানবতা বিরুধী রান্না খাইয়া আমার নাভি শ্বাস উঠিয়া গেছিল। বাকশাল সরকার আমায় আনিয়া হাজির করল এই বেহেস্তি কারাগারে। চার বেলা উত্তম হাতে পাক করা সুস্বাদু খানা খাদ্য পানীয় ফলমুল খাইয়া আমার এখন দেহে আছে লাবন্য, মনে আছে আনন্দ। বাকশাল তুমায় মেহেরবানী, হাম এক সুখী পাকিস্তানী।

বিএসএমএমইউ কতৃপক্ষের প্রতি আবদার করে গোলাম আজম বলেন, তুমরা আমায় শুপ খাওয়াইলা দুদ খাওয়াইলা, এইবার অক্টপাশের গুস্ত দিয়া ভাত খাওয়াও।

আবেগঘন কণ্ঠে গোলাম আজম বলেন, আগামী নব্বই বছর এই হাসপাতালে যদি কাটাইতেই হয় ত সাধ আহ্লাদ পুরন করিয়াই কাটাই, কি বল তুমরা? অক্টপাশের গুস্ত দিয়া ভাত খাইয়া লই, তারপর টেংরা মাছের শুশি খাব, ইস্কুইডের কাবাব দিয়া তন্দুল রুটি খাব।

হাসতে হাসতে অধ্যাপক গোলাম আজম বলেন, কুথায় সর্গ কুথায় নরক কে বলে তা বহু দুর?

July 17, 2013

কুছ না কহ, কুছ ভি না কহ: খালেদা

নিজস্ব মতিবেদক

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে আমীর ও খানকির পোলায়ে নায়েবদের আরামদন্ড ও মৃত্যুদন্ড নিয়ে কোন মন্তব্য না করতে বিএনপি শাখার নেতা কর্মীদের প্রতি কঠর হুশিয়ারী জারী করে বিএনপি শাখার মহিলা আমীর ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মালিক আপোসহীন নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, কুছ না কহ, কুছ ভি না কহ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলীয় সুত্র থেকে জানা যায়, এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হলে অপরাধীকে আর্জেস গ্রেনেড মেরে শায়েস্তা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলের বহিস্কৃত হুইপে আমীর প্রেমিক পুরুষ জয়নাল আবেদীন ফারুক বলেন, বৃহত্তর জামায়াতের খানকির পুলাদের যেরুপে ফাসি দেওয়া হইতেছে, তাতে আগামী বার ক্ষমতায় গিয়া সব নতুন মুখের সংগে কাজ করতে হবে। একটাই দুঃখ, জামায়াতে কুন পাণ্ডে নাই। প্রবাসী জামায়াত কর্মীরাও আমাদের শিকাগর রহমতের নেয় নহে। তাদের দিলে কুন রহমত নাই। দুবাই গিয়া উটের দৌড়ে বাজি লাগাইয়া হাজার হাজার দিরহাম হারিয়া জনৈক জামায়াত কর্মীকে ফুন মারিয়া বলছিলাম, ভাই তুমার বাসায় কয়টা দিন আসিয়া থাকি। সে আমায় বলল, আপনি বিএনপি শাখার লোকের বাড়ি যান। আমার বাসায় শুধু সাঈদী সাহেবের জন্য আর গওহর রিজভীর জন্য সীট খালি আছে।

মন খারাপ করে ফারুক বলেন, প্রবাসী জামায়াত কর্মীর স্ত্রী টক।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উকিলে আমীর বেরিষ্টার মওদুদ বলেন, জামায়াত নেতাদের ফাসি হচ্ছে, কিন্তু সমস্যা বাড়ছে বিএনপি শাখার। আমরা যদি প্রতিবাদ করি, পাবলিক বুঝবে আমরা বৃহত্তর জামায়াত কর্তৃক হজম হইয়া গেছি। আর যদি বলি আমরা খুশি হইছি, তাহলে বৃহত্তর জামায়াত আমাদের উপর আর্জেস গ্রেনেড মারবে। তাই আমরা টেকটিশ খাটানর পেকটিশ করতেছি।

হাসতে হাসতে মওদুদ বলেন, বুবার শত্রু নাই। চুপ তুম রহ, চুপ হাম রহে।

বিএনপি শাখার নায়েবে আমীর ও মতিঝিলের কাল রাত্রির সাক্ষী মতি কণ্ঠ আনোয়ার মতিবেদককে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, খামশিয়া গুন গুনানে লাগি।

July 17, 2013

নেয়বিচার হয় নাই: মুজাহিদ

নিজস্ব মতিবেদক

১৯৭১ সালে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-২ কর্তৃক মৃত্যু দন্ড ঘোষনার পর প্রতিক্রিয়ায় আল বদর প্রধান, বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর খানকির পোলায়ে নায়েব আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ বলেছেন, নেয়বিচার হয় নাই।

কাঠগড়ায় দাড়িয়ে মুজাহিদ ডুকরে কেদে উঠে এ অভিযোগ করেন।

মুজাহিদ বিচারপতিদের উদ্দেশ করে বলেন, বড় বস গুলাম আজমকে দিলেন আরামদন্ড। আর আমায় দিলেন মৃত্যু দন্ড। এইখানে বিষয়টা কি?

এ সময় মুজাহিদের বৈধ পুত্র আলী আহমেদ তাজজীদ, আলী আহমেদ তাহকীক ও আলী আহমেদ মাবরুর তাকে শান্তনা দিতে গেলে তিনি চিতকার করে বলেন, তুরা সবাই খানকির পুলা। কি উকিল লাগাইলি যে ফাসি খাইলাম?

এ সময় মুজাহিদের আইনজীবীদের হাসতে দেখা যায়।

কাঠগড়া থেকে নামিয়ে ট্রাইবুনালের হাজতে নেওয়ার সময় মুজাহিদ কাদতে কাদতে বলেন, ৩০ লক্ষ খুন আর ৩ লক্ষ ধর্ষনের ফন্দি করিয়া গুলাম আজম শুধু বুড়া হওয়ার কারনে ডেলি ডেলি মধু খায়, শুপ খায়, ফল খায় আর অলিভ অয়েল দিয়া হাগে। আর আমি মুজাহিদ একটা বাচ্চা পুলা দুই তিন হাজার মাডার করায় আমায় দিল ফাসি। নেয়বিচার হয় নাই।

হাজতে ব্রাদারফাকার সাকার সংগে দেখা হলে মুজাহিদ দুই হাতে নিজের পুটু আড়াল করে বলেন, আসসালামু আলাইকুম সাকা ভাই। ভাল আছেন?

July 17, 2013

সালারা অলিভ অয়েল দেয় মুটে এক চামচ: গোলাম আজম

নিজস্ব মতিবেদক

বংগবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ওরফে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে দেশের সর্বাপেক্ষা বড় মেধাবী, ১৯৭১ সালে গনহত্যার পরিকল্পনাকারী ও বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর অধ্যাপক গোলাম আজম বলেছেন, সালারা অলিভ অয়েল দেয় মুটে এক চামুচ।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ কর্তৃক ঘোষিত ৩০ বতসরের আরামদণ্ড প্রাপ্তির পর মংগলবার রাত্র কালে বিএসএমএমইউ এর কারা কক্ষে আয়জিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার পরিধানে ছিল কয়েদীর ডুরাকাটা পাইজামা।

গোলাম আজম বলেন, যে বাংলাদেশের পুটু মারতে চারটি দশক বেস্ত আছিলাম, সেই বাংলাদেশের পাবলিকের টেকশের টেকায় দেড়টি বতসর বড় ভাল পান ভোজন করিয়াছি। তার আগে ছয় দশক আমার বেগমের মানবতা বিরুধী রান্না খাইয়া জিন্দেগী গুজরান করিতে হইছে। বৃদ্ধ বয়সে আসিয়া দেড়টি বতসর যেন বেহেস্তে কাটাইলাম। সকালের নাশতায় বিএসএমএমইউ আমায় দিত লাল আটার পাঁচটি রুটি, সঙ্গে ডিম ভাজি, আলু ছাড়া সবজি ভাজি, মুরগির মাংস, মিষ্টি, এনসিওর দুধ ও কলা। একদিন ভাজিতে আলু পাইয়া বিএসএমএমইউ এর উপাচার্যকে ডাকাইয়া আনিয়া বললাম, ভাজিতে আলু কেন রে খানকির পুলা? সে হাতজোড় করিয়া বলিল আংকেল মাফ কিজিয়েগা। তারপর সে ভাজি পালটাইয়া দিল। কারাগারে সেই ছিল আমার প্রথম আলুর অভিজ্ঞতা। বাসর রাতে বিড়াল মারার নেয় আমি সেই প্রথম আলু বর্জন করি। বাংগালী জাতিও যদি আমার মত বাসর রাতেই প্রথম আলু বর্জন করতে পারত, তাদের ভাল হত।

আবেগঘন কণ্ঠে গোলাম আজম বলেন, সকালে নাস্তা খাইয়া টেলিভিশনে জিসম-২ এর গান দেখতাম। সানি লিওনি মেয়েটি সুন্দর। গান বাজনা দেখিয়া দুপুরের খাবারে দিত চিকন চালের ভাত, করলা ভাজি, টাকি বা চিংড়ি মাছ ভর্তা, বেগুন ভাজি বা ভর্তা, ছোট মাছ বা চিংড়ি মাছ ভুনা, সালাদ ও লেবু, মাল্টা বা বরই বা নাশপাতি। তারপর একটু ঘুমাইতাম। ঘুম ভাংগিয়া বিকালে আবার কিছু ক্ষন নাচ গান অবলোকন করিয়া সন্ধ্যার খাবারে খাইতাম লাড্ডু, নিমকি-বিস্কুট ও হরলিকস বা স্যুপ। তারপর টক শো দেখিতাম। আসিফ নজরুল ইঞ্চি ছেলেটি বড় ভাল। রাতের খাবারে আসিত চিকন চালের ভাত, করলা ভাজি, বেগুন ভাজি বা ভর্তা, ঢ্যাঁড়শ বা মিষ্টিকুমড়া বা পেঁপে ভাজি, গরু বা খাসির মাংস ভুনা, সালাদ ও লেবু এবং কমলা, মাল্টা, নাশপাতি, আঙুর বা বরই। আগার ফেরদৌস বরোয়ে জমিন অস্ত, হমিন অস্ত, হমিন অস্ত, হমিন অস্ত।

শাহবাগের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে গোলাম আজম বলেন, এই শাহবাগী নাস্তিকগুলি আসিয়া আমার বেহেস্তে সাপ ঢুকাইল। তাদের আন্দুলন শুরুর পর বিএসএমএমইউ আমায় নিম্নমানের খোরাক সরবরাহ শুরু করে। সকাল নয়টায় দেয় এক চামচ মধু, এক চামচ অলিভ অয়েল, দুটি বিস্কুট, চিড়া ভাজা বা মুড়ির মোয়া, দুধ, হরলিকস ও দুটি ডিম। এরপর সানি লিওনিকে ভালমত দেখিতে না দেখিতেই বেলা এগারটায় দেওয়া হয় খিচুড়ি, সবজি, শুপ, আচার ও ফল। তারপর আবার সানি লিওনিকে কিছু ক্ষন অবলোকন করিতে না করিতেই বেলা দুইটায় দেওয়া হয় দুই টুকরা মাছ, সবজি, ডাল ও আচার। তারপর ঘুমাই। বিকালে নাশতায় তারা দেয় শুপ ও ফল। তারপর রাত আটটায় টক শো আরম্ভের আগেই দেওয়া হয় ভাত, মুরগির মাংস, সবজি, ডাল, আচার ও ফল।

বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষের প্রতি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে গোলাম আজম বলেন, রাতে আরেক চামচ অলিভ অয়েল দিতে বললাম কতবার, কিন্তু তারা একটি অভিশাপ। প্রতিদিন সকালে এক চামচ অলিভ অয়েল দেয়। আরে বেটা মাঝে মধ্যে কি রাত্র কালে অলিভ অয়েলের দরকার পড়ে না?

রাত্র কালে অলিভ অয়েল খেতে হবে কেন এমন প্রশ্নের জবাবে গোলাম আজম বলেন, আমি মুখে ঢুকানর জন্য অলিভ অয়েল চাই নাই।

%d bloggers like this: