বাবুনগরী সেন্টার সমকামীদের আখড়া: ওলামা-মাশায়েখ

নিজস্ব মতিবেদক

সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরীর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ওলামা-মাশায়াখদের সংগঠন ‘ওলামা-মাশায়েখ সংহতি পরিষদ’।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ক্ষোভ প্রকাশ করে ঈদের পর বাবুনগরী সেন্টার ঘেরাওয়ের হুমকিও দিয়েছেন তারা।

সংগঠনটির সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য মাওলানা আইয়ুব আনসারী বলেন, ইউনূস বাবুনগরী এই দেশে একের পর এক জাহেলী কার্যকলাপ চালাইয়া যাইতেছে। ইসলামে যা কিছু নিষিদ্ধ সবই সে এই দেশে চালু করতে চায়। ইসলামে সুদ হারাম, বাবুনগরী তিরিশ চল্লিশ শতাংশ সুদ খাইয়া নোবেল জিতিয়া গেল। সারা দেশকে সুদের জাহান্নাম বানাইয়া এখন সে হাত দিছে সমকামীতায়।

আবেগঘন কণ্ঠে মাওলানা আনসারী বলেন, বাবুনগরী সেন্টার দেশে সমকামীদের রাজধানী। এই সেন্টারে কচি কচি বালক কিশররা ইউনূসের কায়দা শিখতে ভর্তি হয়। তারপর রাত বিরাতে বাবুনগরী সেন্টারের বয়স্ক মোটাগাটা মাওলানারা তাদের ধরিয়া ধরিয়া সামাজিক বেবসা শিখানর নামে পুটু মারিয়া ফর্দাফাই করে। তারপর তারা সকলেই সমকামী হিসাবে বড় হইয়া উঠে। এইভাবে চক্রবৃদ্ধি হারে দেশে সমকামী বৃদ্ধি পাইতেছে। সে দারিদ্রকে জাদুঘরে ঢুকাইছে, এরপর সে নারীর সংগে পুরুষের মিলামিশাকেও জাদুঘরে ঢুকাইবে।

সমকামীত্বের মুল উপড়ে ফেলার অংগীকার বেক্ত করে মাওলানা আনসারী বলেন, খোদাভীরু জনতা কখনও ইউনূস বাবুনগরীর সমকামীত্বের সামাজিক বেবসা মেনে নিবে না। সারা দেশের হাজার হাজার মাদ্রাসার দ্বীনী তালেবদের সংগে নিয়া আমরা বাবুনগরী সেন্টার ঘেরাও দিব।

এ বেপারে প্রতিক্রিয়া জানতে বাবুনগরীর সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসতে হাসতে মতিবেদককে বলেন, মাদ্রাসার হুজুর সমকামীত্বের বিরুদ্ধে জেহাদ করে শুনে আমার বড় আনন্দ হল।

সমকামীতার মধ্যে খারাপ কিছু নেই উল্লেখ করে ইউনূস বলেন, পুরুষে পুরুষে একটু আধটু এইসব হতেই পারে। মাওলানা আনসারীর উচিত কিছুদিন চট্টগ্রামে কাটাইয়া আসা। আমি গেরান্টি দিয়া বলতে পারি উনি আনন্দ পাবেন।

4 Comments to “বাবুনগরী সেন্টার সমকামীদের আখড়া: ওলামা-মাশায়েখ”

  1. সে দারিদ্রকে জাদুঘরে ঢুকাইছে, এরপর সে নারীর সংগে পুরুষের মিলামিশাকেও জাদুঘরে ঢুকাইবে।

  2. মাওলানা ইউনূস বলেন, পুরুষে পুরুষে একটু আধটু এইসব হতেই পারে। মাওলানা আনসারীর উচিত কিছুদিন চট্টগ্রামে কাটাইয়া আসা। আমি গেরান্টি দিয়া বলতে পারি উনি আনন্দ পাবেন।
    হি হি

  3. গ্রামীন বানকের শেয়ার হোলডার কারা……….এ দেশের নারীরা৷ বাবুনাগরিক এ সকল খেটে খাওয়া নিরীহ মানুেষর টাকা আ্ণতসাত করার জন্য হেফাজতের সাথে হাত মিলাইসে আর বাকশালের দুষ৷নারীদের কাজের জন্য যত আইনী সহযোগিতা দরকার তা নিশ্চিত করেছেন বাকশালের প্রধান, জনগনের বিপদে কান্ডারী, বিপদের দিশারী, মুক্তিযুদ্ধের পকখের বর্তমান নেতৃত্ত দানকারী, শেখের বেটি।বাবুনাগরিক হাত থেকে রক্খা তিনিই করবেন।

  4. ক্ষুদ্র ঋনের প্রবর্তক খ্যাত নোবেল বিজয়ী রক্ত ও হাড্ডি চুষা ইউনুস গ্রামের অসহায়, সহজ, সরল দরিদ্র জনসাধারনদের ঘরে ঢুকে ক্ষুদ্র ব্যবসার নামে ১০ হাজার টাকা ঋণ দিয়ে বছরে ১৫০০ টাকা লাভের গল্প শুনিয়ে একজন ঋণগ্রহীতার কাছে হতে কত লাভ করছে? গ্রামীন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে দারিদ্রতা বিমোচনে ক্ষুদ্র ঋনের মডেলের জন্য ইউনুস সাহেব বলেছিলেন নোবেল পাওয়ার পর ২০১০ সালের মধ্যে দেশ দারিদ্রমুক্ত হবে কিন্তু এখন ২০১৩

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: