Archive for July 28th, 2013

July 28, 2013

মোরগ পোলাও নিয়ে রাজনীতীতে অস্থিরতা, সংঘাতের হুমকি দিলেন খোকা

নিজস্ব মতিবেদক

পুত্র শেখ জয়ের জন্মদিনে বাকশালের মহিলা আমীর ও প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনার মোরগ পোলাও রান্নার ঘটনা রাজনীতীতে বেপক অস্থিরতা সৃস্টি করেছে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এ অস্থিরতার কথা তুলে ধরেন বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার নেতৃ বৃন্দ।

বিএনপি শাখার ভাঁড়প্রাপ্ত নায়েবে আমীর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রধান মন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গেছে। পদ্মা সেতুর ২৩ হাজার কুটি টেকা তিনি মোরগ পোলাও খাইয়া উড়াইয়া দিতেছেন। মাথা ঠান্ডা করেন। এইভাবে রাজনীতী হয় না। নিউ মার্কেট বা বাইতুল মকাররম হতে ভাল দেখে ৪০০ ছুটকেছ খরিদ করেন। টেকা সেই ছুটকেছে ভরেন। তারপর সৌদী আরবে একটা ঘুর্না দিয়া আসেন।

আক্ষেপ করে ফখা ইবনে চখা বলেন, ময়দানে নামছেন কিন্তু খেলার নিয়ম জানেন না।

বিএনপি শাখার মজলিশে শুরার সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, গত সাড়ে চার বছরে শেখ হাসিনা প্রতিদিন কুটি কুটি টেকার মোরগ পোলাও রন্ধন করেছেন। পদ্মা সেতুর সব টেকা চলে গেছে কারওয়ানবাজারের মুরগীর আড়ত আর কাটারিভোগ চাউলের দুকানে। আমি যখনই কারওয়ানবাজার যাই তখনই দেখি বাকশালের কুন না কুন লিডার বেগ হাতে মুরগীর আড়তের সামনে খাড়াইয়া থাকে। গনভবনে প্রতি সন্ধায় রাতের অন্ধকারে রেব পুলিশের হাতে শয়ে শয়ে মুরগীর গনহত্যা হয়।

অশ্রু মুছে মির্জা আব্বাস বলেন, একটা দিন দাওয়াত দিল না। সব মোরগ পোলাও বাকশালীরাই খাইল। দুস্টামির একটা সীমা আছে। টেন পারসেন্ট আমাদের খাওয়াইলে দেশে শান্তি থাকত।

মোরগ পোলাও খাওয়ানর হুমকি দিয়ে নায়েবে আমীর সাদেক হোসেন খোকা বলেন, আমাদের মহিলা আমীর সৌদী বাদশার ফিতরার টেকা সংগ্রহের কাজে সৌদী আরব গিয়াছেন। এখনই উতকৃস্ট সময়। চুপেচাপে দাওয়াত দিয়া মোরগ পোলাও খাওয়ায় দেন, কুন ঝামেলা হবে না। দাওয়াত না দিলে বা জানাজানি হইলে সংঘাত অনিবার্য।

প্রধান মন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়ে খোকা বলেন, মোরগ পোলাও খাওয়ান, তাইলে ক্ষমতায় গিয়া আর্জেস গ্রেনেড আস্তে মারব।

উকিলে আমীর বেরিষ্টার আল্লামা মওদুদ আহমদ বলেন, মোরগ পোলাও নিয়ে বাকশালের আস্ফালন দেখে আমরা হতবাক। আমরাও পোলাও রান্না করতে পারি। মহিলা আমীরের জন্মদিন ১৫ আগষ্ট, ঐদিন আমরা পল্টন ময়দানে কয়লার চুলায় উটপাখির গুস্ত দিয়া পোলাও রান্না করব।

বেংকক হতে খালেদা জিয়ার অপর সন্তান আরাফাত কোকো বলেন, মোরগ চিনা চিনা লাগে। কিন্তু পোলাও কাকে বলে?

July 28, 2013

১৮ বতসর হলে আর শিশু কমু না: মালাই লামা

নিজস্ব মতিবেদক

১৮ বছর বয়স পর্যন্ত সবাইকে ‘শিশু’ বলার ক্ষেত্রে আপত্তি জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রী মালাই লামা।

কাজ ও বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে আলাদা আলাদা বয়সীদের নতুন করে সংজ্ঞায়নের জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মালাই লামা বলেন, লাইনে আসুন।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘চাইল্ড ফোকাসড বাজেটিং ফ্রেমওয়ার্ক’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মালাই লামা বলেন, শিশুদের বয়স ভিত্তিক সংজ্ঞা নির্ধারন হইল গিয়া ইউনিসেফ, ডব্লিউএইচও, আইএলও এবং বিশ্ব বেংকের কাম। আমি বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রী, তাদেরকে কাম শিখানর টাইম আমার নাই। আমি শুধু বলতে চাই, শিশু নিয়া একটা বিরাট ‘কিন্তু’ আছে।

বিভিন্ন বয়সী শিশুদের শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে অবস্থানের ভিত্তিতে তাদের পরিচয় তুলে ধরে অর্থ মন্ত্রী বলেন, ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের সংজ্ঞা দেওয়া খুবই জটিল বিষয়। কেউ তাদের ছুট ভাবে, কেউ তাদের বড় ভাবে। এইখানে অনেক গুলি ‘কিন্তু’ আছে। তবে ১৮ বছর বয়সী কাউকে কুন ভাবেই শিশু হিসাবে কল্পনা করা যায় না।

আবেগঘন কণ্ঠে মালাই লামা বলেন, আমাদের অপু বিশ্বাস যখন চলচিত্রে নামল, তার বয়স ছিল মাত্র ১৬। কিন্তু তখনই সে বাজারে হাউকাউ ফালাইয়া দিছিল। এখন আপনারাই বলেন, সে কি শিশু আছিল? এইটা একটা বিরাট ‘কিন্তু’।

শিশু শিল্পী অপু বিশ্বাস, বয়স যখন ১৬

মালাই লামা বিশ্ব বেংক ও গ্রামীন বেংকের প্রতি কটাক্ষ করে বলেন, বেংকের লোকজন সবাইকে ছুট বানাইয়া রাখতে চায়, সে অপু বিশ্বাসই হউক আর ইউনূস বাবুনগরীই হউক। আমরা যারা বাস্তব লইয়া কাম করি তারা জানি, উভয়ই পাকিয়া ঝুনা ঝুনা হইয়া গেছে।

এ বিষয়ে দৃস্টি আকর্ষন করলে ইউনিসেফের প্রতিনিধি পেস্কেল ভিলনোভ মতিকণ্ঠকে বলেন, অপু বিশ্বাসের কয়েকটা সিনেমা আমি অবলোকন করেছি। সেখানে আসলেই বিরাট বিরাট ‘কিন্তু’ আছে। আমারও মনে হইতেছে শিশুর সংজ্ঞা শিঘ্র শিঘ্র পাল্টাইতে হবে। দুস্টামির একটা সীমা আছে।

July 28, 2013

রয়েল বেবীত্ব নিয়ে রেষারেষি

নিজস্ব মতিবেদক

যুক্ত রাজ্যের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের নাতি যুব রাজ উইলিয়াম পুত্র সন্তান ‘রয়েল বেবী’র পিতা হওয়ার পর তার ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র বিশ্বে।

বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। আর তাই কে হবেন বাংলাদেশের ‘রয়েল বেবী’, তা নিয়ে সম্ভ্রান্ত মুসলিম রাজনৈতিক পরিবারের সন্তানদের মধ্যে শনিবার রাতে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে ভিষন রেষারেষি।

শনিবার রাতে বাকশালের আমীর ও প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী ভাষা কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা ড. শেখ হাসিনার পুত্র শেখ জয় ফেসবুক ষ্টেটাসে লিখেন, ‘আমার কাছে তথ্য আছে, আজ ছিল আমার জন্মদিন। আমিই এ দেশের রয়েল বেবী। জয় বাংলা জয় বংগবন্ধু।’

শেখ জয়ের ফেসবুক ষ্টেটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়ে। তার অনেক ভক্ত এই ষ্টেটাসে ‘লাইক’ দিয়ে তার দাবীকে সমর্থন করেন।

মতিকণ্ঠের লনডন মতিনিধি ঘনিষ্ঠ সুত্রের বরাত দিয়ে জানান, এ সংবাদ লনডনে বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার আওলাদে আমীর, জাতীয়তাবাদী শক্তির ভবিষ্যত মালিক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী বড় গনতন্ত্র তারেক জিয়ার কাছে পৌছালে তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ততক্ষনাত তিনি নিজের ফেসবুক ষ্টেটাসে লিখেন, ‘পৃথীবিতে মাত্র দুইজন রয়েল বেবী আছে এবং তারা উভয়েই লনডনে অবস্থান করছে। সাবধান শেখ জয় বাড্ডে বয়। বেশী বাড়াবাড়ি কর না। আর্জেস গ্রেনেড মারিয়া তুমার পুটু চৌচির করব সালা ঘোচু। ইতি বাংলাদেশের একমাত্র নেয্য রয়েল বেবী।’

বংগবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতালের কারা কক্ষে ৯০ বতসরের আরামদণ্ড প্রাপ্ত ঘাতক দালাল ও বৃহত্তর জামায়াতের সাবেক খানকির পোলায়ে আমীর অধ্যাপক গোলাম আজম কারাগারে বসে মুঠোফোনে মুসলমানের ফেসবুক ‘উম্মালেন্ড’ বেবহার করে এক ষ্টেটাসে বলেন, ‘পুর্ব পাকিস্তানে রাজা বলে যদি কেউ থাকে সে আমি। নব্বই বছর আরামে কাটাইলাম, আরও নব্বই বছর আরামের গেরান্টি সহকারে কাটাইব। তাই রয়েল বেবী বলে যদি কেউ থাকে, সে হবে আমার বেবী। তাই আমি বলিতে চাই, এদেশের একমাত্র নেয্য রয়েল বেবী হচ্ছে আমার প্রথম সন্তান মতিচুর রহমান আজমী।’

সাবেক স্বৈরাচার রাস্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু আলহাজ্জ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এক ফেসবুক ষ্টেটাসে বলেন, ‘আমার বেবী নিয়া কিছু সমস্যা আছে। তাই রয়েল বেবী নয়, বরং নিজেকে রয়েল বাবা বলে পরিচয় দিতে চাই।’

এ বেপারে সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল বাবুনাগরিক শক্তির আমীর, বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতীবীদ ও গ্রামীন বেংকের বিতাড়িত মালিক ড. মুহম্মদ ইউনূস বাবুনগরীর কোন প্রতিক্রিয়া না পেয়ে তার সংগে যোগাযোগ করা হলে তিনি মতিবেদককে মুঠোফোনে ধমক দিয়ে বলেন, স্পেনের রানীর সংগে ফেসবুকে চেট করি এর মধ্যে বারবার দিষ্টাপ কর কেন? রয়েল বেবী কি বাতাস হতে পয়দা হবে?

%d bloggers like this: